বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৫৮ পি.এম
ঢালিউডের জনপ্রিয় শাকিব খান ও পূর্ণিমার জুটি একসময় খুবই জনপ্রিয় ছিল। তারা একসঙ্গে অনেকগুলো ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। সিনেমার বাইরেও বিজ্ঞাপন কাজ করেন এই জুটি। তবে, গেল একদশকের বেশি সময় ধরে বড় পর্দায় এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যায়নি, কিন্তু বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের দেখা মিলেছে যা দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
শাকিব খান, যিনি ঢালিউডের কিং হিসেবে পরিচিত, তার প্রিয় নায়িকা পূর্ণিমার অভিনয় দক্ষতা ও সৌন্দর্যের প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও আড্ডায়। তার মতে, পূর্ণিমার সৌন্দর্য ও মেধার পুরোপুরি সংমিশ্রণ রয়েছে। শাকিব প্রায়শই উল্লেখ করেন যে, পূর্ণিমার সঙ্গে অভিনয় করা ভীষণ আরামদায়ক অভিজ্ঞতা, কারণ চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে তার কোনো বাড়তি পরিশ্রম করতে হয় না; তিনি অত্যন্ত সাবলীল অভিনয় করেন। এই মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়, পূর্ণিমা শাকিব খানের জন্য কতটা প্রিয়। তিনি একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, পূর্ণিমা সবসময় তার প্রিয় নায়িকা।
এছাড়া, পূর্ণিমা নিজেও শাকিব খানকে অতুলনীয় একজন অভিনেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। পূর্ণিমার মতে, শাকিব এখন আগের তুলনায় আরও তরুণ و ফিট লাগে। উল্লেখযোগ্য কথা হচ্ছে, তিনি শাকিবের সাম্প্রতিক সিনেমাগুলোও অতীব আগ্রহ নিয়ে দেখেছেন এবং সেগুলোর প্রশংসাও করেছেন।
শাকিব এবং পূর্ণিমা, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় ১৮টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমার মধ্যে রয়েছে: 'মা আমার স্বর্গ', 'সন্তান আমার অহংকার', 'ভালোবাসা লাল গোলাপ' সহ আরও অনেক সিনেমা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চেক ডিজঅনারের মামলায় জামিন পেয়েছেন সালমান এফ রহমান।
১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এক হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
গতকালের শুনানির পর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাদ্দেসুল আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক দুটি সফল অভিযানে ২৮০৫ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি মামলার এজাহারনামীয় চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৫ জুলাই) আলাদা সময়ে থানা এলাকার বারইয়ারহাট ও করেরহাট বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ মনির আহম্মেদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভাস্থ উত্তরা বাসস্ট্যান্ডের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর থেকে মোঃ সোহেল আকন (৩৮) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ২৮০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত সোহেল মাদারীপুর জেলার শিবচর পৌরসভার কেরানী বাট এলাকার গফুর আকনের ছেলে। সে ইয়াবা নিয়ে ঢাকাগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিল বলে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল করেরহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে জোরারগঞ্জ থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের দুটি মামলার (মামলা নং-২৭ ও ২৯) এজাহারনামীয় ও তদন্ত সন্দিগ্ধ পলাতক আসামী চোরাকারবারী কামাল উদ্দিন (৩২)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত কামাল জোরারগঞ্জের করেরহাট ইউনিয়নের আমলীঘাট এলাকার আমান উল্লাহর ছেলে।
জোরারগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে একটি জিপ গাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৮০ হাজার ৩৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইয়াবা পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত জিপ গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর এলাকার রূপসা শপিং কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় বেহুলা ইউনিয়নের ইটমুনি হেতালিয়া পাড়ার মৃত মোজাফফর আহমদ সিকদারের ছেলে মো. পারভেজ (৪২) এবং একই গ্রামের শেখ চাঁন মিয়ার ছেলে মো. বিপ্লব (৪৮)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর এলাকার রূপসা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালানো হয়। এই সময় আসামিদের ব্যবহৃত কালো রঙের হার্ডজিপ গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পেছনের ডান পাশের দরজায় বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। সাদা স্কচটেপে মোড়ানো ৪১টি কাগজের প্যাকেটের মধ্যে ১৯৬টি নীল রঙের জিপারযুক্ত পলি ব্যাগে এসব ইয়াবা রাখা ছিল।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। মাদক কারবারি পারভেজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নয়টি মামলা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই শহীদ দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, বিএনপির সিনিয়র নেতা শাহ ইমরান ফারুক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সিনিয়র সাংবাদিক এনামুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শোয়াইব সিদ্দিকী, আহত জুলাই যোদ্ধা মোঃ ইসমাইল, জুলাই যোদ্ধা মোঃ পলাশ, মিনহাজ জিদনীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। তাদের আত্মদান নতুন প্রজন্মকে ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা জোগাবে। শহীদদের আদর্শকে ধারণ করে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। আলোচনা সভায় জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধারাও তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তারা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে দেশের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, জুলাই শহীদ দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। যারা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেই ইতিহাস তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। শহীদদের আদর্শ ধারণ করেই আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই পুলিশের অঙ্গীকার। জনগণের সহযোগিতায় আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছি। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শহীদদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। অনুষ্ঠানের শেষে জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ