ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন অভিনেত্রী, সাক্ষাৎকারে জানালেন কষ্টের অভিজ্ঞতা


ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন অভিনেত্রী, সাক্ষাৎকারে জানালেন কষ্টের অভিজ্ঞতা

ভারতের দক্ষিণা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নীতি টেলর সম্প্রতি তার জীবনের একটি অত্যন্ত কষ্টকর অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, এক সময় তিনি কাস্টিং কাউচের শিকার হয়েছিলেন।

এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তখন দক্ষিণী সিনেমায় কাজ করছিলাম। মাত্র দুটি সিনেমা করেছি। আমার প্রথম ছবির পরিচালক পরবর্তীতে আমাকে অন্য একটি ছবির জন্য প্রস্তাব দেন। কিন্তু যখন তিনি আমাকে ফোন করেন, তখন বলেন যে চরিত্রটি পেতে হলে আমাকে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এতটাই অবাক হয়েছিলাম যে বুঝতে পারিনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাব। আমি কেবল ফোন কেটে দিয়ে তার নম্বর ব্লক করে দেই এবং কী ঘটেছে তা জানাতে মাকে ফোন করি। তিনি বয়স্ক মানুষ ছিলেন এবং এর আগে আমি তাকে অন্য নারীদের সঙ্গেও দেখেছি। আমি কখনও ভাবিনি যে তিনি আমার কাছে এমন একটি দাবি করবেন।’

আরও পড়ুন: বিষয়টা খুব সেনসিটিভ, সাধারণ মেয়ে হলে সুইসাইড করে ফেলত: পরীমণি

নীতি জানান, একসময় তিনি একটি বিষাক্ত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। এই সম্পর্কের কারণে শারীরিক নির্যাতনও সহ্য করতে হয়েছিল। তার সাবেক প্রেমিক শুধুমাত্র মানসিক নির্যাতনই করেননি, বরং সিগারেট দিয়ে শরীরে ছ্যাঁকা দিয়েছিলেন এবং চড়ও মেরেছিলেন। বহু বছর পর সেই দুঃসহ স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী।

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার সাবেক প্রেমিক একবার সিগারেট দিয়ে আমাকে পুড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি অত্যন্ত হিংস্র ছিলেন। এক রাতে, তার জন্মদিনে, আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তারপর আমাকে চড় মারে। তখনই আমি সিদ্ধান্ত নেই, এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মেয়েদের খেলায় বাধা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না’: বিডব্লিউএসএ’র প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


‘মেয়েদের খেলায় বাধা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না’: বিডব্লিউএসএ’র প্রতিবাদ

সুনামগঞ্জে একটি গোষ্ঠীর হুমকি-ধমকির কারণে নারী ফুটবল ম্যাচটি বন্ধ হয়ে যায়। এই ম্যাচটি পণ্ড হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ নারী ক্রীড়া সংস্থা (বিডব্লিউএসএ) তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংস্থাটি স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ওই ম্যাচ আয়োজনের জন্য জোর দাবি করেছে।

রোববার, রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বিডব্লিউএসএ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়। সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, "একটি উগ্র ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী সুনামগঞ্জের স্থানীয় প্রশাসনকে চাপ দিয়ে এবং খেলোয়াড়দের ভয়ভীতি দেখিয়ে এই ম্যাচটি বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশে নারী ক্রীড়াবিদদের ওপর এই ধরনের নিপীড়ন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"

গত ৫ অক্টোবর সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় স্বপ্নচূড়া ক্লাব ও জারা স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে একটি মৌলবাদী গোষ্ঠী হুমকি দেওয়ায় আয়োজকরা তা বাতিল করতে বাধ্য হন। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রশাসনও খেলা আয়োজনের জন্য যথেষ্ট সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন করে এগিয়ে নেওয়ার সময় ঠাকুরগাঁও, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নারীদের খেলায় বারবার বাধা দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিডব্লিউএসএ সংগঠকরা জানান, নারী ফুটবল আমাদের দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম বড় সাফল্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নারী অ্যাথলেটরাই দেশের সুনাম বয়ে আনছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সাউথ এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদকজয়ী সাবেক শুটার শারমিন আক্তার রত্না, দিরাইয়ের ক্রীড়া সংগঠক রাকিব ভূঁইয়া এবং স্বপ্নচূড়া ক্লাবের অধিনায়ক শাবানা আক্তার।

রত্না জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে নারী ক্রীড়াবিদদের সুরক্ষা দিতে বিশেষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান বিডব্লিউএসএ-এর সাধারণ সম্পাদক।

এই ঘটনার প্রতিবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক এবং দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফতুল্লায় বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


ফতুল্লায় বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বন্ধ থাকা ইউনাইটেড অ্যাপারেল কম্পোজিট লিমিটেড কারখানা খুলে দেওয়ার জন্য শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে চাষাঢ়া মোড়ে নারায়ণগঞ্জ-ফতুল্লা সড়ক অবরোধ করেন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ শ্রমিক। ফলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস পাওয়ার পর তারা অবরোধ তুলে নেন।

পুলিশ ও শিল্পপুলিশের সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর কারখানার সুইং সেকশনের সুপারভাইজার মো. রোমানের সঙ্গে কাজের চাপ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ঘটে। একপর্যায়ে তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।

এর পরদিন, ৩০ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩(১) ধারা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকেরা কর্মহীন হয়ে পড়েন। পুনরায় কারখানা চালুর দাবিতে সোমবার বিকেলে তারা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন।

অবরোধের খবর পেয়ে শিল্পপুলিশ এবং নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজিদুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, সোমবার মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকপক্ষের আলোচনায় বসার কথা ছিল। তবে মালিকপক্ষ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ আশ্বাস পাওয়ার পর শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নিয়ে চাষাঢ়া মোড় ত্যাগ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত: শৃঙ্খলা, ড্রেসরুলস ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার কঠোর নির্দেশ কমিশনারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত: শৃঙ্খলা, ড্রেসরুলস ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার কঠোর নির্দেশ কমিশনারের

 

আজ ১২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, সোমবার সকাল ০৭:০০টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) রুপাতলীস্থ পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত মাস্টার প্যারেড অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুদৃশ্য কুচকাওয়াজের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার জনাব আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ মহোদয়। কমিশনার মহোদয় প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল তাঁকে অভিবাদন জানায়। পরে তিনি পুরো প্যারেড পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে কমিশনার মহোদয় পুলিশ বাহিনীর সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেন। তিনি বলেন, একটি পেশাদার ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গঠনে শৃঙ্খলার কোনো বিকল্প নেই। এ সময় তিনি প্রতিটি সদস্যকে সঠিকভাবে ড্রেসরুলস অনুসরণ করা, দাপ্তরিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে পেছাদারিতর পরিচয় দেওয়া এবং সেবাপ্রার্থী সাধারণ মানুষের সাথে সবসময় উত্তম ও মানবিক আচরণ করার কঠোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক ফিটনেসের কথা উল্লেখ করে কমিশনার মহোদয় আরও বলেন, কর্মব্যস্ততার মাঝেও কর্মক্ষমতা অটুট রাখতে নিয়মিত খেলাধুলা, শরীরচর্চা (পিটি) এবং প্যারেড অনুশীলন অব্যাহত রাখতে হবে। সুস্থ দেহ ও মনই সঠিক সেবা নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।

উক্ত মাস্টার প্যারেডে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) জনাব আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব সুশান্ত সরকার (পিপিএম)-সহ বিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ। প্যারেড শেষে কমিশনার মহোদয় বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনৈতিক মন্দা ও অস্থিরতা কমানোর পথ দেখালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


অর্থনৈতিক মন্দা ও অস্থিরতা কমানোর পথ দেখালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদরা

যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। সোমবার রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস তাদের নাম প্রকাশ করে।

‘দ্য সেভেরিগেস রিক্সব্যাংক প্রাইজ ইন ইকোনমিক সায়েন্সেস ইন মেমোরি অব আলফ্রেড নোবেল’ নামে পরিচিত এই পুরস্কার এ বছরের সর্বশেষ নোবেল পুরস্কার হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এর অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলারের সমান।

এই দুই বিজয়ী নতুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেল তৈরি করেছেন, যা কার্যকর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নীতি বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এসব মডেলের মাধ্যমে উপযুক্ত সময়ে রাজস্ব ও মুদ্রানীতি গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে অর্থনীতিতে ক্ষতিকর ওঠানামার তীব্রতা হ্রাস করা সম্ভব।

তাদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত কীভাবে পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে। হল ও উডফোর্ডের গবেষণায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের খরচ, সঞ্চয় এবং ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের তৈরি অর্থনৈতিক মডেল সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কার্যকর নীতি গ্রহণে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক মন্দা ও অস্থিরতা কমানোর পথ সহজ হয়।

হলের গবেষণায় দেখা যায়, ভবিষ্যৎ আয় সম্পর্কে মানুষের প্রত্যাশা তাদের খরচের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। সাধারণত, মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হলে বেশি খরচ করে। আবার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা বদলালে খরচের সিদ্ধান্তেও পরিবর্তন আসে। তবে নতুন তথ্য আগে থেকে জানা সম্ভব নয়, ফলে মানুষের খরচের পরিবর্তন সব সময় আগাম অনুমান করা যায় না।

১৯৭৮ সালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে হল তার এই ধারণা তুলে ধরেন। পরবর্তী সময়ে তার গবেষণা মানুষের ভোগ ও ব্যয়ের আচরণ নিয়ে আধুনিক অর্থনৈতিক গবেষণার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে ঋণ নেওয়ার সুযোগ না থাকা বা পর্যাপ্ত সঞ্চয় না থাকার কারণে কিছু পরিবারের খরচের সিদ্ধান্ত তার তত্ত্বের সঙ্গে নাও মিলতে পারে।

অন্যদিকে, মাইকেল উডফোর্ডের গবেষণা সরবরাহ ও চাহিদার আকস্মিক পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর অর্থনৈতিক নীতি তৈরিতে সহায়তা করেছে। পণ্যের ঘাটতি বা উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে সরবরাহ কমতে পারে। আবার নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে কম খরচে বেশি পণ্য উৎপাদন সম্ভব হলে সরবরাহ বাড়ে।

একইভাবে, ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী খবর পেলে মানুষ বেশি খরচ করতে পারে, ফলে চাহিদা বাড়ে। নেতিবাচক খবরের কারণে চাহিদা কমতেও পারে। এসব পরিবর্তনে অর্থনীতির ভারসাম্য নষ্ট হলে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার, সরকারি ব্যয় ও করনীতিতে পরিবর্তন এনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার নীতির ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ডকে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

অর্থনীতি পুরস্কার নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিজয়ীদের গবেষণা এমন একটি স্থিতিশীল তাত্ত্বিক ভিত্তি দিয়েছে, যেই মডেল বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার অর্থনৈতিক মডেল ব্যবহার করছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘জ্বালানি সংকট কিংবা পরিবারের ভোগব্যয়ের আকস্মিক পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক অভিঘাত মোকাবিলায় তাদের গবেষণা আমাদের আরো ভালোভাবে প্রস্তুত করেছে।’ ১৯৬৯ সালে প্রথমবারের মতো অর্থনীতিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। তবে এটি আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালের উইলে নির্ধারিত মূল পাঁচটি পুরস্কারের অন্তর্ভুক্ত নয়। সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পুরস্কারটি পরে চালু করে।

এ পর্যন্ত অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এ পুরস্কারজয়ী নারীর সংখ্যা মাত্র তিনজন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ক্লডিয়া গোল্ডিন যুক্তরাষ্ট্রে সময়ের সঙ্গে মজুরি ও কর্মসংস্থানে লিঙ্গের প্রভাব নিয়ে গবেষণার জন্য এ পুরস্কার পান।

ক্ল্যারিভেটের অধীন ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্টিফিক ইনফরমেশনের বিশ্লেষণে মুদ্রানীতি, তথ্যপ্রযুক্তির অর্থনীতি এবং বিবর্তনভিত্তিক অর্থনৈতিক তত্ত্ব নিয়ে কাজ করা গবেষকদের সম্ভাব্য পুরস্কারজয়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। গত বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন জোয়েল মোকির, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

প্রযুক্তি ও উৎপাদনপদ্ধতির উদ্ভাবন কীভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান বাড়াতে পারে, সে বিষয়ে ‘ক্রিয়েটিভি ডিসট্রাকশন’ তত্ত্ব নিয়ে কাজের জন্য তাদের এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%