বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:১৩ পি.এম
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহের মর্যাদা ও সাফল্য বৃদ্ধির জন্য স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ে পাঠদানরত শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক ডাটাবেজ প্রস্তুতকরণ, প্রশিক্ষণ চাহিদা নিরূপন এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে শিক্ষকদের ও কলেজের কম্পিউটার ল্যাব সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্নাতক পর্যায়ে পাঠদানরত সব শিক্ষকদের তথ্য আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ([email protected]) ই-মেইলে পাঠাতে হবে। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তর থেকে নির্দেশনা সংবলিত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, স্নাতক (পাস ও সম্মান) পর্যায়ে পাঠদানরত সব শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক তথ্য, আইসিটি বিষয়ে কোর ট্রেনিং ও মাস্টার ট্রেনিংপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংখ্যা, প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের তালিকা এবং কলেজে কম্পিউটার ল্যাব আছে কি না/কয়টি কম্পিউটার আছে তা অবশ্যই উল্লেখপূর্বক নির্ধারিত ছক (পাঠানো এক্সেল ফাইল ফরমেট) ব্যবহার করে ই-মেইলে পাঠাতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ লেবাননে একটি সামরিক অভিযানের সময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইওএফ) একটি গাড়ি উল্টে গিয়ে একজন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহত ওই সেনার বয়স ৩২ বছর ছিল এবং তিনি সার্জেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বুধবার লেবাননের ভূখণ্ডে একটি মাঠ পর্যায়ের অভিযানের সময় গাড়িটি উল্টে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সীমান্তে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতি বজায় রয়েছে, তবে এই ঘটনার আগের কয়েক দিন পূর্বে কাফর তিবনিত এলাকায় সংঘর্ষের মধ্যে আরও পাঁচজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হন।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে লেবাননের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি বজায় থাকার কথা থাকলেও গত কয়েক দিন ধরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অনবরত বিমান হামলা, গোলবর্ষণ ও ড্রোন হামলা চালিয়ে চুক্তি লঙ্ঘন করে চলেছে। এসব হামলার কারণে মঙ্গলবার ও বুধবার চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, গত সপ্তাহে নাবাতিহ জেলার কাফর তিবনিত এলাকায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে একটি বড় সংঘর্ষে ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর একাধিক সদস্য হতাহত হন। শনিবার আলী আল-তাহের পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় হিজবুল্লাহর হামলায় এক সেনা নিহত ও ১৩ জন আহত হন, যাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে। তার আগের দিন একই এলাকায় একটি বড় অভিযানে ইসরায়েলি পদাতিক বাহিনীর ৫২তম ব্যাটালিয়নের কমান্ডারের মৃত্যু ঘটে। যুক্তিসঙ্গতভাবেই, সে সময় ট্যাংক ক্রুয়ের আরও তিন সদস্য প্রাণ হারান।
অন্যদিকে, এই সংঘাতের মাঝে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি হচ্ছে। একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আল-মায়াদিন জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে বর্তমানে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়া ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই। ওই সূত্রটি আরও দাবি করেছে যে, ইসরায়েলি নেতাদের কঠোর বক্তব্য আসলে তাদের রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যর্থতার প্রকাশ বলে মনে হচ্ছে। দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর চূড়ান্ত প্রত্যাহারের রূপরেখা নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং যুদ্ধবিরতি তদারকির জন্য সম্মত প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সূত্র: আল মায়াদিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ৫২ বছরের অপেক্ষার পর ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিরেছিল হাইতি। যদিও গ্রুপ পর্বের বাধা তারা পেরোতে পারেনি, তবুও দলের লড়াকু মানসিকতায় সন্তুষ্ট কোচ সেবাস্তিয়েঁ মিনিয়ে। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার পর, এবার আরেকটি বিশ্বকাপ খেলতে এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে চান না তিনি।
‘সি’ গ্রুপে হাইতি মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল, মরক্কো ও স্কটল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের। তিনটি ম্যাচেই তারা জয় পায়নি, তবে প্রতিটি ম্যাচেই দলটি লড়াই করেছে মনোযুগি। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে হারার পর, শেষ ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে দুইবার এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা।
ম্যাচ শেষে মিনিয়ে বলেন, ফলাফল তার জন্য হতাশাজনক, কারণ তিনি দলের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন।
তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি হতাশ, কারণ আমি আরও গোল এবং একটি জয় চেয়েছিলাম। তবে আমি মনে করি না ছেলেরা কোনো সময় হাল ছেড়ে দিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতিতেও তারা লড়ে গেছে।’
হাইতির ফুটবলারদের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে মিনিয়ে বলেন, ‘লড়াই করে যাওয়াটা দেশটির সংস্কৃতিরই অংশ। হাইতির মানুষ সহজে হার মানে না। খেলোয়াড়রাও সেই মানসিকতার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তারা দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে গর্বের সঙ্গে।’
প্রথম দুই ম্যাচেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলেও, হাইতি শেষ ম্যাচ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। মিনিয়ের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপ প্রমাণ করেছে যে দলটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখিয়েছি যে এখানে খেলার যোগ্যতা আমাদের আছে। এখন লক্ষ্য হবে নিজেদের আরও উন্নত করা, যাতে পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলতে আমাদের আর ৫২ বছর অপেক্ষা করতে না হয়।’
হাইতির কোচ মনে করেন, এই বিশ্বকাপ দেশটির ফুটবল ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও জমির সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আশ্বাস দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদের আমন্ত্রণে শিক্ষা মন্ত্রী স্বল্প সময়ের জন্য প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় এ সময় উপস্থিত হন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন কেন হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে। শিক্ষাখাতে সরকারের বরাদ্দ বেড়েছে; বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ একর ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সব সুবিধা না পেলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উন্নত সুযোগ-সুবিধা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, একাডেমিক ভবন নির্মাণ, আবাসিক হল সংকট নিরসন এবং ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদল শিক্ষামন্ত্রীকে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। সফরের শেষে শিক্ষামন্ত্রী খুলনার উদ্দেশে বরিশাল ত্যাগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনায় নতুন দাবি নিয়ে সামনে এসেছেন অভিযুক্ত চেতন চৌধুরীর বাবা। পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শেষে ধারণা করেছে, কেতন আগরওয়ালের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী পরিকল্পিতভাবে প্রথমে ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে ৪০০ ফুট ওপর থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন, ফলে ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করা হয়।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং তারা বর্তমানে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে।
এদিকে, চেতন চৌধুরীর বাবা বাবুলাল চৌধুরী দাবি করেছেন, এই ঘটনায় তার ছেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং সিয়া গোয়েল নিজে বাঁচার জন্য তার ছেলেকে ফাঁসাচ্ছে। বাবুলাল চৌধুরী বলেন, সিয়ার সঙ্গে চেতনের প্রেমের সম্পর্কের যে কথা বলা হচ্ছে, তা তিনি জানতেন না। তিনি অভিযোগ করেন যে, থানায় যাওয়ার আগে তিনি কখনো সিয়ার নাম শোনেননি কিংবা দেখেননি।
পুলিশ রিমান্ডে থাকা চেতন চৌধুরীর সঙ্গে থানায় দেখা করতে তার পরিবারের সদস্যরা আসে। চেতনের বাবা জানিয়েছেন, চেতন তাদের জানিয়েছে যে, ঘটনার সময় তিনি বেশ কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু চেতন কেন ওই সময় লোহাগড় দুর্গে গিয়েছিলেন, সে প্রশ্নের কোনো সদুত্তর বাবার কাছে নেই। চেতনও তাদের এ বিষয়ে কোনো কথা বলে নি। বাবুলাল চৌধুরী পুনেতে একটি দোকান চালান এবং তিনি দাবি করেন, ‘আমার ছেলে মোটেই এমন নয়। সে নিয়মিত দোকানের কাজে আসত।’
চেতনের চাচা উদয়রাম চৌধুরীও তার ভাতিজাকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘চেতন একজন খেলোয়াড় এবং সব সময় সরাসরি কথা বলার মানুষ। বাজারে বা এলাকায় কেউ কখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কেউ চেতনের প্রেমের সম্পর্কের কথা জানত না।’ থানায় মাত্র এক মিনিটের জন্য চেতনের সঙ্গে কথা বলে তারা, এবং কাঁদতে কাঁদতে চেতন তাদের বলেছে যে, তিনি নির্দোষ, এবং তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।
চেতনের আইনজীবী রাম সাহানেরও দাবি, তার মক্কেল নির্দোষ। তিনি বলেন, ‘এফআইআরে কথিত অপরাধে তার (চেতন) ভূমিকার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধান আসামির প্রেমিক, শুধুমাত্র এ ভিত্তিতেই তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।’
এছাড়া পরিবার ও আইনজীবীর দাবির সঙ্গে polisi এর তদন্তের কোনো মিল নেই। গত ১৮ জুন কেতন আগরওয়াল পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে পড়ে মারা যান। তাঁর সাথে থাকা বাগদত্তা সিয়া গোয়েল পুলিশ ও পরিবারকে বলেন, কেতন ছবি তোলার সময় পড়ে গেছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা মনে হলেও পরে পরিবার ও পুলিশ নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বুঝতে পারে যে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিক তদন্তে সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ায় ঘটনার ৫ দিন পর গত ২৩ জুন সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন পুনের একটি আদালত নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উভয়কে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠান।
গত বছরের নভেম্বর থেকে সিয়া ও চেতন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে পারিবারিকভাবে ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বাগদান হয়। তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল আগামী নভেম্বরে জমকালো অনুষ্ঠানের জন্য। এজন্য জয়পুরে ১৭ কোটি টাকায় একটি প্রাসাদ ভাড়া করা হয়েছিল এবং অতিথিদের আনা-নেওয়ার জন্য দুটি বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। তবে সিয়া ও তার প্রেমিক চেতন মিলে তাদের প্রেমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো কেতনকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে তা বাস্তবায়ন করেন।
মোবাইল কল রেকর্ড পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায় যে, গত ৭ মাসে সিয়া ও চেতন ২ হাজার ৪ বার টেলিফোনে মোট ২৩৮ ঘণ্টা কথা বলেছেন। সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশ দেখেছে, ঘটনার দিন সিয়া ও কেতনকে ২০-৩০ ফুট পেছন থেকে হুডি পরা এক যুবক অনুসরণ করছিল। সেই যুবক চেতন। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ট্র্যাকিং ট্রেইলে হুডি পরে থাকার সন্দেহ থেকেই পুলিশ চেতন পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে।
পুনের (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সন্দ্বীপ সিং গিল জানান, ১৮ জুন সকালে পুনের একটি ক্যাফেতে সিয়া ও চেতন বৈঠক করেছেন। পুলিশের ধারণা, সকালের বৈঠকে সিয়া ও চেতন মিলে কেতনকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন এবং ঠিক কোন জায়গা থেকে তাকে ফেলে দেওয়া হবে, তা ঠিক করেন। বহুল আলোচিত এই মামলার তদন্ত সম্পর্কে সন্দ্বীপ গিল বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে সব সূত্র এক সুতায় গাঁথার পর সিয়া ও চেতনের পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের বিষয়টি সামনে এসেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ