বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২০ এম
নীলফামারী জেলার প্রতিটি উপজেলায় এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট হঠাৎ করেই তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যের প্রতি অগ্রাহ্যতা দেখিয়ে কিছু ডিলার ও পরিবেশক গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে।
তারা শুধু দাম বাড়াচ্ছে না, বরং রাতের অন্ধকারে গ্যাস সরিয়ে ফেলছে। এভাবে গ্যাস সরিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে।
এক হাজার তিনশ' টাকার এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বর্তমানে এক হাজার নয়শ' থেকে দুই হাজার একশো টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে সৈয়দপুরে গ্যাসের অপ্রতুলতা দেখা দিয়েছে।
শহরের মোড়ে মোড়ে সারিবদ্ধভাবে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারগুলো এখন উধাও হয়ে গেছে। সেখান থেকে গ্যাস বিক্রি করা হত।
মহল্লার পান দোকান, মুদি দোকান, লন্ড্রি দোকান, ফ্যাক্সি দোকান, এমনকি খড়ি দোকানেও গ্যাস পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব স্থান গ্যাসশূন্য হয়ে পড়েছে।
কিছু দোকানে গোপনে গ্যাস বিক্রি হলেও দাম অত্যন্ত বেশি। প্রশ্ন করলে তারা সংকটের কথা বলছেন।
তবে অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ভোক্তা মুক্তা বানু ও ইয়াসিন আলী সরকার বলেন, "গ্যাস মিলছে না বাড়তি দামেও।" এক মুদি দোকানদার জানান, তিনি বাড়তি আয় করার জন্য দোকানে গ্যাস রাখতেন।
তবে বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় সাধারণ ভোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দাম দিয়েও গ্যাস সিলিন্ডার পাচ্ছেন না। কিছু দোকানে সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও তা সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে ইচ্ছামতো দামে বিক্রি হচ্ছে।
এর ফলে বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না।
তারা বেশি দাম দিতে রাজি হলেও প্রয়োজনমতো সরবরাহ মিলছে না। ফলে দোকানে অল্প কিছু সিলিন্ডার এলেও তা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, সিলিন্ডারের দাম বাড়তে পারে-এমন খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই ডিলাররা দাম বাড়িয়ে দেন। গত কয়েকদিনে বসুন্ধরা প্রতিটি সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার ১শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।
গ্যাস সিলিন্ডার রহস্যজনকভাবে বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে। বাংলাদেশ হোটেল এন্ড রোস্তোরা মালিক সমিতি সৈয়দপুর উপজেলা শাখার এক নেতা জানান, সৈয়দপুরে গ্যাস সংকট চলছে।
বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না গ্যাস। সৈয়দপুর বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা জানান, সৈয়দপুরে বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাসের ডিলার রয়েছে বেশ কয়েকজন।
তাদের ডিপোতে প্রচুর গ্যাস ছিল। হঠাৎ এত গ্যাস গেল কোথায়, তা বোঝা যাচ্ছে না।
তারা কারসাজি করে গ্যাস স্টক করেছে। তাদের গোডাউনে অভিযান চালানো হলে গ্যাস বের হবে।
টিনের দোকানদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "আমি টিন ব্যবসার পাশাপাশি গ্যাস বিক্রি করতাম। এখন বাড়তি দাম দিয়েও গ্যাস পাচ্ছি না।" সৈয়দপুর শহরের গ্যাস ব্যবসায়ীরা জানান, বসুন্ধরা, যমুনা ও জেএমআই গ্যাসের সিলিন্ডার ডিলারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে না।
ওমেরা গ্যাস সীমিত পরিমাণে পাওয়া গেলেও ডিলার চাহিদামতো সরবরাহ করছে না। একেক দোকানে ৪ থেকে ৬টি করে সিলিন্ডার দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে গ্যাসের ডিলাররা কোনো মন্তব্য করতে নারাজ। তারা শুধু বলছেন গ্যাস নেই।
কেউ কেউ গোডাউন ঘর তালাবদ্ধ রেখেছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
সচেতন মহল ও ভোক্তারা বলছেন, দ্রুত অভিযান চালিয়ে মজুতদারি, অতিরিক্ত দাম আদায় ও মেমোবিহীন বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই কৃত্রিম সংকট আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। সৈয়দপুর শহরের সাধারণ ভোক্তারা দ্রুত সময়ে অভিযানের জন্য জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনার কলমাকান্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন করেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে তিনি বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পড়াশোনা, উপস্থিতি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।
ডেপুটি স্পিকারকে কাছে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা তাঁর কাছ থেকে অটোগ্রাফ নেয় এবং প্রিয় অতিথির কাছ থেকে অটোগ্রাফ পেয়ে তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীরা তাঁর সামনে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে। পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন ডেপুটি স্পিকার।
এ সময় তিনি নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক পাখা চালানোর ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বড় আকারের সোলার প্যানেল দেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণায় উপস্থিত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা করতালি দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আবদুল্লাহ আল-মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামসুজ্জামান আসিফ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম, কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সোহেল রানা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইসরাত জাহান এবং কলমাকান্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম শাহজাহান কবীর ও প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ শামীমসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা পরিষদ হলরুমে আইন শৃঙ্খলা কমিটির একটি মিটিং ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং সভাপতিত্ব করেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা।
সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ, অফিসার ইনচার্জ এটিএম মাহমুদুল হক, মেলান্দহ বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল কবির, মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও ইত্তেফাক সংবাদদাতা শাহ জামাল, সাংবাদিক আজম খান এবং উপজেলা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি-এনটিভির প্রতিনিধি সাকিব আল হাসান নাহিদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছে ৫১ জন বঞ্চিত নিয়োগ প্রত্যাশী, যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকরী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দ্বিতীয় তলায় তারা অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন।
নিয়োগ বঞ্চিতরা জানান, জামালপুর জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৩৬ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। প্রথম ধাপে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৮৪ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর ১ জন করে মোট ৮৫ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। কিন্তু আইনগত কোনো জটিলতা না থাকা সত্ত্বেও বাকী ৫১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত রয়েছেন। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অজানা কারণে তাদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হচ্ছে না। তারা জানিয়েছেন, আজকের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করা না হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অবস্থান নিয়ে আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার শরিফপাড়া গ্রামের নিয়োগ বঞ্চিত শামীম ইয়াসমীন সুমি বলেন, "আমার বাসায় কোনো কর্মক্ষম কেউ নেই। আমার বাবা বয়স্ক মানুষ, উনার ইনকাম নাই। আমার ছোট ভাইটাও বেকার। আমার ছোট বোন মেডিকেলে পড়ে। আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে। আমার মা আমার বাচ্চাকে সামলায়, আমি লেখাপড়া করি। আমার একটা চাকরি হবে, সংসারে আমার ভার নিতে হবে। কিন্তু আমরা বঞ্চিত হয়েছি। কেন বঞ্চিত হয়েছি তাও জানা নাই। আমাকে যদি এখন নিয়োগপত্র না দেয় তাহলে আমার মরা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। কারণ আমি কোথায় যাব? আমার বয়স শেষ। আমার ছোট বাচ্চাটাকে রেখে এই যে দৌড়াদৌড়ি করতেছি চার-পাঁচটা দিন থেকে। আমার বাচ্চাটাও সব সময় মা মা করে অসুস্থ হয়ে গেছে।"
মাদারগঞ্জ উপজেলার কোয়ালিকান্দি গ্রামের মুনতাজিল বিল্লাহ জানান, "আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাষ্টার্স শেষ করে পড়াশোনা করে প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ হই। দীর্ঘ আট মাস যাবত আমাদের আটকে রেখেছে। জামালপুর জেলায় ১৩৬ জনের মধ্যে মাত্র ৫১ জন নিয়োগপত্র হাতে পায়নি। এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানতে পারিনি। নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই স্থান ত্যাগ করব।"
জামালপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের সোহেল আলম বলেন, "১৩৬ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরে ৮৪ জনকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। আমাদের ৫২ জনকে প্রদান করা হয় না। বলা হয়, দ্বিতীয় ধাপে আমাদেরকে প্রদান করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে গতকাল বিকালে একজনকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। বাকি ৫১ জনকে বাদ রাখা হয়। আমাদের কেন বাদ রাখা হয়েছে এখনও তার সুস্পষ্ট কারণ জানি না। ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কোনো জটিলতা এবং কাগজপত্রে কোনো সমস্যা ছাড়া সাধারণত কোনো প্রার্থীকে বাদ রাখা হয় না। কিন্তু আমাদের সেসব জটিলতা না থাকার পরও বাদ রাখা হয়েছে। আজকে আমরা অনশনে বসেছি। আমরা এর একটা সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চাই এবং নিয়োগপত্র হাতে চাই। নিয়োগপত্র ব্যতীত আমরা এখান থেকে কেউ বের হবো না। রাত হোক এবং যতক্ষণ পর্যন্ত লাগে আমরা অনশনে বসেই থাকব।"
তবে, বঞ্চিতরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অবস্থান করায় অফিসের কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এ সময় অফিসে ছিলেন না।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, "আমি ঢাকায় আছি। তাদের জন্যই কাজ করছি। তবে কার কোন ধারায় কি সমস্যা হয়েছে তা আমি এখনো জানিনা। আমি এখন বিমান মন্ত্রীর সাথে দেখা করতে এসেছি। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে। আশা করি ভালো কিছু হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর জেলার ইসলামপুরে মুখশিমলা দালাল বাড়ী মোড়ে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ফলে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের দালাল বাড়ি মোড় মার্কেটে আঃ সালামের মুদির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে এবং আঃ সালাম ও জাহাঙ্গীর আলমের মুদির দোকান, রাজিব মিয়ার ওষুধের দোকান, বিকাশের দোকান, নয়া মিয়ার চা ও মনোহারী দোকান এবং ইসমাইল হোসেনের পান সুপারী দোকান—এই পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।
প্রতিটি দোকানে যথেষ্ট পরিমাণ মালামাল ছিল এবং বিকাশের দোকানে নগদ টাকা পুড়ে যাওয়ার কারণে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা হয়েছে। ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এতে ৮ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি এবং ২০ লাখ টাকার মতো মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ