০৫:০৪ পি.এম
ভারতের গুজরাতের অঞ্জারের নিকট একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। কচ্ছ ইস্ট পুলিশ ১৪ বছরের এক কিশোরীকে নিজ ঘরে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কিশোরীর মা ঘটনার সময় পুরো বিষয়টি নিজের মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
শুক্রবার রাতে অঞ্জার থানায় উপস্থিত হয়ে কিশোরী তার ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিস্তারিত বিবরণ দেন, যার পর পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রমাণ হিসেবে মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে এবং তাতে অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কিশোরীটিকে তার এক বন্ধু বা পরিচিত ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখে তার বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে যান। রাগের মাথায় তিনি মেয়ের ফোনটি ভেঙে দেন, তাকে মারধর করেন এবং স্ত্রীর সামনে ধর্ষণ করেন। এ সময় কিশোরীর মা সাহায্য করার পরিবর্তে পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করেন।
আরও পড়ুন: ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলছে, তবে উদ্বেগ রয়ে গেছে
অঞ্জার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এইচ এ জাদেজা বলেছেন, দুই-তিন দিন আগে কিশোরী পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তার বাবা ফোন বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
অবশেষে শুক্রবার কিশোরী আবার একটি ফোন জোগাড় করে '১১২' নম্বরে কল দেন এবং জানিয়ে দেন যে তার ওপর যৌন নির্যাতন হচ্ছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে, মামলা দায়ের করে এবং রাতেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ আরও জানায়, মূলত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই পরিবারটি গত ছয় বছর ধরে অঞ্জারের কাছে দিনমজুর হিসেবে বসবাস করে আসছে। দম্পতির চার কন্যার মধ্যে নির্যাতিতা কিশোরীটি সবার বড়।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ধর্ষণের ধারা এবং পকসো আইনের অধীনে নাবালিকার ওপর গুরুতর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ৫০ জন নিহত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন