ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনিয়মিত ভবন নির্মাণে বিধিমালা চূড়ান্ত হলেই ব্যবস্থা: গণপূর্তমন্ত্রী


অনিয়মিত ভবন নির্মাণে বিধিমালা চূড়ান্ত হলেই ব্যবস্থা: গণপূর্তমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, অনিয়ম করে ভবন নির্মাণের জন্য বিধিমালা চূড়ান্ত হলে সারা দেশের উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আরও শক্ত অবস্থানে থেকে আইন বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে।

তিনি বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সড়কের নামকরণ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, অনিয়ম করে ভবন নির্মাণের বিষয়ে বিধিমালা তৈরি করে সংসদে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে এটি পর্যালোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীসহ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: উত্তরায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে পুলিশের ওপর হামলা, ৭ পুলিশ আহত

আরডিএ চেয়ারম্যানকে সুইমিংপুল ভাঙতে গিয়ে হুমকি দেয়ার বিষয়ে মন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘বিষয়টি আমার জানা আছে। প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আইনবহির্ভূত কাজ করলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জাকারিয়া তাহের আরও বলেন, ‘সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি করা হচ্ছে।’

পরে তিনি আরডিএ প্রান্তিক আবাসিক এলাকা ও আরডিএ ওভারপাস উদ্বোধন করেন এবং মেহেরচণ্ডীতে বৃক্ষরোপণ করেন।

এ সময় আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যার আসামিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা চলবে : হুথি বিদ্রোহীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা চলবে : হুথি বিদ্রোহীরা

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা রিয়াদ বিমানবন্দর এবং আরামকো তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনা স্বীকার করেছে। হুথিদের সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদি আরবের দাহরানে অবস্থিত আরামকো তেল স্থাপনাসহ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে তারা লক্ষ্যবস্তু করেছেন।

তাদের এই হামলা আগামী দিনগুলিতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। হুথিদের এই হুমকি সৌদি আরবের নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দাবি করেছে, রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া হুথিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এই তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাহরানে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালায়। মঙ্গলবারের এই হামলায় সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এতে হতাহত হওয়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, রিয়াদের দিকে ছোড়া হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরব প্রতিহত করার দাবি করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের কারণে চারজন আহত হয়েছেন এবং ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের সঙ্গে টানাপোড়েন: আজারবাইজানে হিজাব বিতর্কের নেপথ্যে অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


তুরস্কের সঙ্গে টানাপোড়েন: আজারবাইজানে হিজাব বিতর্কের নেপথ্যে অনিশ্চয়তা

আজারবাইজানের সরকারি বিদ্যালয়ে হিজাব পরিধানের বিষয়টি শিক্ষিকা গুলশান আলিয়েভার জন্য ব্যক্তিগত সংকটে পরিণত হয়েছে। এই বিতর্ক তার পেশাগত জীবন এবং তার মেয়ের শিক্ষাজীবনকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।

২৩ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ইংরেজি শিক্ষিকা আলিয়েভা চলতি সপ্তাহে বিদ্যালয়ে হিজাব পরে প্রবেশ করতে গেলে তাকে বিদ্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। একইভাবে, বাকুতে তার মেয়েকেও বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন তিনি।

আলিয়েভা বলেন, “আমি আমার দায়িত্ব পালন করতে চাই, শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত করতে চাই এবং ধর্মীয় বিশ্বাস যেন আমার চাকরির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করে পেশাগত জীবন চালিয়ে যেতে চাই।”

তিনি যুক্তি দেন যে, আজারবাইজানের শ্রম আইনের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গত মাসে জারি করা নতুন বিধিমালায় সরাসরি হিজাব নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়নি। তবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক পোশাক পরিধানের ওপর শিক্ষার্থীদের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

৯০ শতাংশের বেশি মুসলিম জনগণের দেশে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

আলিয়েভাসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। নতুন বিধিমালা লঙ্ঘনের পাশাপাশি জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে সোমবার ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আলিয়েভা বলেন, “কোনো বাধা ছাড়াই কাজ করার এবং শিক্ষা গ্রহণের সাংবিধানিক অধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি জানান, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাবেন। ততদিন তিনি নিয়মিত কর্মস্থলে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

এদিকে, বাকু সিটি শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, বিদ্যালয়ে নতুন বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ককেশাস মুসলিম বোর্ডের (সিএমবি) চেয়ারম্যান শেখ-উল-ইসলাম আল্লাহশুকুর পাশাজাদে মঙ্গলবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, হিজাব ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বাধ্যবাধকতা।

তিনি বলেন, মানুষ রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে না পারলেও নাগরিক হিসেবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারে। তবে বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য বিক্ষোভকারীদের সমালোচনা করেন তিনি।

পাশাজাদে আরো বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিষয়টিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। সমালোচকদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

পোশাকবিধি নিয়ে ভিন্নমত

তবে সবাই মনে করেন না যে এ বিধিনিষেধ ব্যক্তিস্বাধীনতার লঙ্ঘন।

বাকুর বাসিন্দা তিমুর রাজায়েভের মতে, হিজাব নিয়ে বিতর্ককে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছে। তার মতে, এ বিষয়ে বিতর্কে না জড়িয়ে সরকারের নির্ধারিত পোশাকবিধি মেনে চলা উচিত।

তিনি বলেন, ইউনিফর্ম ও পোশাকবিধি বাস্তবায়নে সরকারের একটি সিদ্ধান্ত রয়েছে।

১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের হিজাব পরার বিরোধিতা করেন রাজায়েভ। তার যুক্তি, এ ধরনের সিদ্ধান্ত অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের নিজেদের ইচ্ছার পরিবর্তে মা-বাবার পছন্দের প্রতিফলন ঘটায়।

তার এ অবস্থানের সঙ্গে আজারবাইজানের অনেক নাগরিকের উদ্বেগের মিল রয়েছে, যারা মনে করেন, সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে ধর্মীয় অনুশীলনকে মেলানো উচিত নয়।

রাজায়েভ বলেন, “আমরা একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, যেখানে ধর্মপ্রাণ মানুষের অধিকারকে সম্মান করা হয়।”

সোভিয়েত আমলে রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মীয় অনুশীলনের ওপর বিধিনিষেধ ছিল। মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করতে পারত না। স্বাধীনতার পর এসব বিধিনিষেধ শিথিল করা হয় এবং ধর্ম পালনের সুযোগ বাড়ে।

বিরোধী দল রিয়েল পার্টির প্রধান নাতিগ জাফারলির মতে, শিক্ষার্থীদের হিজাব পরার বিষয়টি নিয়ে আরো আলোচনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “ছাত্রীদের হিজাব পরার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়গুলোর একটি সমঝোতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।”

তিনি আরো বলেন, “শিক্ষকেরা প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের পোশাকের ওপর এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা ভুল পদক্ষেপ।”

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন

হিজাব বিতর্ক আজারবাইজানের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কগুলোর একটিতে প্রভাব ফেলেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উপদেষ্টা ওকতাই সারাল আজারবাইজানের পদক্ষেপকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, “বিশ্বাসের কারণে মাথা ঢেকে রাখা একজন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের ফটকে আটকে রাখা—এটি কীভাবে কারো বিবেক কিংবা ন্যায়বিচারের বোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হতে পারে?”

এর জবাবে মঙ্গলবার আজারবাইজানের ক্ষমতাসীন দল নিউ আজারবাইজান পার্টি (ওয়াইএপি) সারালের মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন আখ্যা দেয়। দলটির বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্য দুই ঘনিষ্ঠ মিত্রের সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে।

আজারবাইজানের পার্লামেন্ট জাতীয় পরিষদের মানবাধিকারবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদ ওরুজ বলেন, এ পদক্ষেপ ধর্মীয় বৈষম্য কিংবা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত নয়।

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, বিদ্যালয়ের বাইরে মাথায় স্কার্ফ পরার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে পোশাকের ক্ষেত্রে অভিন্ন নিয়ম বজায় রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরো বলেন, আজারবাইজানের অনেক মানুষ হিজাব পরেন না, কিন্তু পবিত্র গ্রন্থ হিসেবে কোরআনকে শ্রদ্ধা করেন এবং সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস রাখেন। তার মতে, বিদ্যালয়ের পোশাকবিধি নিয়ে মতবিরোধকে ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

আজারবাইজানের ন্যাশনাল এনজিও ফোরামও বিতর্কটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার সমালোচনা করেছে।

সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা

আজারবাইজানের সংবিধানে রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবিধানের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে দেশটিকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে ধর্ম ও রাষ্ট্রের পৃথকীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা হয়েছে বিবেক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।

অর্থাৎ, একই সাংবিধানিক কাঠামোয় ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা-দুই নীতিই স্বীকৃত। সরকারি বিদ্যালয়ে পোশাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কীভাবে এ দুই নীতির মধ্যে সমন্বয় করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আজারবাইজানভিত্তিক টলারেন্স পাবলিক অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল রিসার্চের চেয়ারম্যান আজার রাশিদোগলুর মতে, নতুন বিধিমালা সংবিধানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাশিদোগলু বলেন, “যাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে, তাদের সম্মিলিতভাবে আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে নিজেদের দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে জেন-জি আন্দোলনের উদাহরণ বাংলাদেশ : নেহা বোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


ভারতে জেন-জি আন্দোলনের উদাহরণ বাংলাদেশ : নেহা বোরা

ভারতে নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে ছড়িয়ে পড়া জেন-জি আন্দোলন মূলত বাংলাদেশের উদাহরণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শুরু হয়েছে, এমন মন্তব্য করেছেন ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (আইসা)-এর সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় সম্মেলনের উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও বার্তায় এই মন্তব্য করেন ভারতে চলমান আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট তাদের ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তাটি শেয়ার করেছে।

ভিডিও বার্তায় নেহা বোরা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টকে ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় সম্মেলন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, "আমরা জানি যে, এই দেশে (ভারতে) সর্বত্র আমরা যে জেন জি আন্দোলন দেখছি, তা প্রথম বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল। আপনাদের ধন্যবাদ, আমাদেরকে পথ দেখানোর জন্য ও ভারতের তরুণ সমাজের প্রতি সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার জন্য।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা ছিল, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই। বর্তমানে ভারতে যে বিক্ষোভ চলছে, তার উদ্দেশ্যেও এক।"

এরপর তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের লড়াইয়ের মতো, ভারতের তরুণরাও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে একই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগ্রামের প্রশংসা করে নেহা বোরা বলেন, "বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টার সাথে ভারতের শিক্ষাঙ্গনে চলা উগ্রবাদী প্রভাবের গভীর মিল রয়েছে।"

বাংলাদেশি তরুণদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, "আমরা আপনাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনুপ্রেরণা পেয়েছি ও আপনাদের করা আন্দোলন থেকে শিখতে পেরেছি। আশা করি, আপনারা ও আমরা মিলে একটি ভালো দক্ষিণ এশিয়া গড়তে পারবো।"

উল্লেখ্য, সম্প্রতি পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ভারতের জেন জি নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন নাট্যকর্মী ও আন্দোলনকর্মী নেহা বোরা। নির্বাচনী সংস্কার এবং ভিন্নমতের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন দাবিতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জাতীয় মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। আগামী ৯ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এ অধিবেশন শুরু হবে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামী ৯ নভেম্বর বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে এ অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হবে।

এর আগে, গত ১০ সেপ্টেম্বর সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, দুটি অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতি ৬০ দিনের বেশি হতে পারবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%