০৮:৫১ পি.এম
চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন মাস্টারপ্লানের খসড়া প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
এই খসড়া পরিকল্পনার ওপর আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০ দিন জনমত, আপত্তি, সুপারিশ ও সংশোধনী প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
আজ শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলাৎ হোসেন জানান, পূর্ববর্তী মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা, সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত নগরায়নের নানা চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে নতুন খসড়া মাস্টারপ্লান প্রণয়ন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ত্যাগীদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি মোঃ ফারুক আলীর
সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প পরিচালক মো. আবু মুছা আনছারী পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় সিডিএ’র বোর্ড সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিডিএ জানায়, নতুন মহাপরিকল্পনায় ভূমি ব্যবহার, সড়ক যোগাযোগ, পরিবহন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন, আবাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, পাহাড়, নদী, খাল, পুকুর ও জলাশয় রক্ষা এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।
পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম নগরের সীমানার বাইরেও আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া ও সীতাকুণ্ডসহ আশপাশের বিস্তৃত এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এসব এলাকায় ভবিষ্যতে যে কোনো সংস্থা উন্নয়ন প্রকল্প বা ভবনের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদিত মাস্টারপ্লানের নির্দেশনা অনুসরণের বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত
এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরের জনসংখ্যা ও অবকাঠামোগত চাপ কমাতে আশপাশের উপজেলাগুলোতে পরিকল্পিত মিনি ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাবও খসড়া পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সিডিএ জানায়, আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাগরিকেরা সিডিএ ভবনের চতুর্থ তলার হলরুমে গিয়ে খসড়া পরিকল্পনা, প্রস্তাবনা ও সংশ্লিষ্ট মানচিত্র পরিদর্শন করতে পারবেন। একই সঙ্গে সরাসরি সিডিএতে অথবা সিডিএ ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মতামত, আপত্তি ও সুপারিশ জমা দেওয়া যাবে।
সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, এটি সিডিএর চতুর্থ এবং ২৫ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা। চট্টগ্রামের মানুষ কেমন নগর চান, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং ভবিষ্যতের চট্টগ্রাম কেমন হওয়া উচিত- এসব বিষয়ে নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতেই খসড়া পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, অতীতে নিয়ম ও পরিকল্পনার ব্যত্যয়ের কারণে কাঙ্খিত ও পরিকল্পিত চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। তাই একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
আরও পড়ুন: ফেনীতে যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিলেন ১০০-এরও বেশি নারী-পুরুষ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন