০৮:১৪ পি.এম
গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট হয়েছে, যা জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ উল্লেখ করেছেন, ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে সরকারের উদ্যোগগুলি রয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
আজ জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের (কুমিল্লা-৯) তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: তরুণদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সার্বিকভাবে কোনো ঘাটতি নেই। তবে প্রাথমিক জ্বালানির স্বল্পতা, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কখনও কখনও বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ খাতে নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য সরকার ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। তিনি এ ব্যাপারে জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, সরকার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং জ্বালানি সাশ্রয়মূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন