ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক আজ


সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক আজ

আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক। জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানিয়ে দিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে বৈঠকটি শুরু হবে। বিরোধী দল কমিটিতে যোগ দেয়নি, ফলে ১২ সদস্যের কমিটি নিয়ে প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী: অবকাঠামো উন্নয়নে গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে

সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, পরিচিতি এবং পরবর্তী বৈঠকের আলোচনার বিষয় নির্ধারণের মধ্যেই হয়তো প্রথম দিনের বৈঠক সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে দ্বিতীয় বৈঠক থেকে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কার্যকর আলোচনা করা হবে।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর রাষ্ট্র সংস্কারের দাবির ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন বিধান, বিশেষ করে ক্ষমতার ভারসাম্য, নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা নিয়ে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

এই পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা হয়। গত ১৩ জুলাই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদিও বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কার দাবি করে আসছিল।

১৭ জনের মধ্যে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি পদ শূন্য রেখে গত ১৩ জুলাই ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দেন চিফ হুইপ। বিরোধী দলের কাছ থেকে নাম পাওয়া গেলে তাদের পাঁচজনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি পুনর্গঠন করার কথাও জানানো হয়।

আরও পড়ুন: জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম

জাতীয় সংসদে ওই দিন ১২ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়।

কমিটির সভাপতি কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়া কমিটির সদস্যরা হলেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য চিফ হুইপ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল হক, চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফারজানা শারমিন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শাকিলা ফারজানা, শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল এবং বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ অলিউল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিআইএন হালনাগাদের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ এম


৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিআইএন হালনাগাদের নির্দেশ

ভ্যাট কমিশনারেট পুনর্গঠনের কারণে স্থানান্তরিত ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে হালনাগাদ করার নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এ বিষয়ে সোমবার (৩ আগস্ট) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এনবিআর জানায়, করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধীক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ করে নতুন কমিশনারেট গঠন করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পুনর্গঠনের ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিআইএন নতুন অধীক্ষেত্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিআইএন নম্বরের শেষ ৪টি সংখ্যা পরিবর্তন হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট ও ডিভিশন নির্দেশ করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য বিআইএন-সংক্রান্ত তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে।

আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে বিঘ্ন এড়াতে পুরোনো ও নতুন উভয় বিআইএনই সাময়িকভাবে কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে পুরোনো বিআইএন ব্যবহার করে এরই মধ্যে খোলা ঋণপত্র (এলসি), বিল অব এন্ট্রি, কাস্টমস ঘোষণা এবং অন্যান্য চলমান কার্যক্রম নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সম্পন্ন করা যাবে। তবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো বিআইএন-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম শেষ করে নতুন বিআইএন ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এনবিআর।

আগামী ৩০ নভেম্বরের পর পুরোনো বিআইএন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর কাস্টমসের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত সব কার্যক্রম কেবল নতুন বিআইএন ব্যবহার করেই পরিচালনা করতে হবে বলেও জানিয়েছে এনবিআর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষিত বাতাস রিয়াদের, ঢাকায় পরিস্থিতি কেমন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ এম


বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষিত বাতাস রিয়াদের, ঢাকায় পরিস্থিতি কেমন?

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ। অন্যদিকে, বৃষ্টির কারণে বায়ুর মানের উন্নতি হওয়ায় বাংলাদেশ রাজধানী ঢাকা ৩০তম অবস্থানে নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৩০তম। ঢাকা শহরের বায়ুমানের স্কোর ৭৩, যা ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য মোটামুটি সহনীয় বা ভালো বলা যায়।

এই তালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের স্কোর ১৮৩। এছাড়া, কাতারের রাজধানী দোহা ১৬১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটি, যার স্কোর ১৬০। চতুর্থ স্থানে আছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা, যার স্কোর ১৫৩ এবং পাকিস্তানের লাহোর শহর পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে, যার স্কোর ১৪৭।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ৫১ থেকে ১০০ মধ্যম বলে গণ্য করা হয়, আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ সাধারণত ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

এছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এই অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের জন্য বাড়ির ভেতরে থাকার এবং অন্যদের জন্য বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ই-সেফটি গবেষণা

নিষেধাজ্ঞার পরও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে পারছে না অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


নিষেধাজ্ঞার পরও শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে পারছে না অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পরেও বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী আগের মতোই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যাচ্ছে।

দেশটির ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটি তাদের নতুন এক গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী ১০ জনের মধ্যে ৮ জনেরও বেশি শিশু-কিশোর এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার তিন মাস পরেও তাদের ব্যবহারে বিশেষ পরিবর্তন এসেছে বলে মনে হচ্ছে না।

ই-সেফটির মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো কার্যকর বয়স যাচাইয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। অনেক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করতেই সক্ষম হয়নি। আবার কেউ কেউ নিজেদের বয়স ১৬ বছরের বেশি দেখিয়ে বা বয়স যাচাই ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে সহজেই অ্যাকাউন্ট চালু রাখছে কিংবা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আগে ৮৬ শতাংশ শিশু অন্তত একটি বয়সসীমাবদ্ধ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করত। তিন মাস পরেও এই হারে খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি, যা ৮১ শতাংশের বেশি রয়ে গেছে। প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে এমন কিশোরের হারও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আগে যা ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ, পরে তা দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশ।

এছাড়া খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো বা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি।

অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমূলক মাধ্যম নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি হচ্ছিল, সাইবার বুলিং, যৌন শোষণ, ক্ষতিকর কনটেন্ট ও আত্মক্ষতির মতো ঝুঁকি থেকে শিশুদের রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অস্ট্রেলিয়ার ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের প্রবেশ প্রতিরোধে যুক্তিসংগত ব্যবস্থা না নিলে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি ব্যবহারও তাদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তবে নতুন গবেষণা জানাচ্ছে, আইন কার্যকর হওয়ার পরও অনেক শিশু সহজেই নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে বা আগের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে সক্ষম হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন, প্রযুক্তিতে দক্ষ কিশোররা ভিপিএন, ফাঁকা জন্মতারিখ ব্যবহার করে বা অন্য মাধ্যমের দ্বারা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী অ্যান্ড্রু লি অবশ্য এই আইনকে সফল দাবি করেছেন। তিনি জানান, শতভাগ আইন মানা সম্ভব না হলেও এই নিষেধাজ্ঞা অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করেছে এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু করেছে। তাঁর মতে, মদ্যপানের বয়সসীমার আইনেও শতভাগ মানা হয় না, তবুও আইনটির গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, মালয়সিয়া ও গ্রিসও শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা বা কঠোর নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এর মাধ্যমে তৈরি ভুয়া ও ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা এখন বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন ইসরায়েল ছাড়ছেন লাখো মানুষ? গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ এম


কেন ইসরায়েল ছাড়ছেন লাখো মানুষ? গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

গত তিন বছরে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার জন দীর্ঘমেয়াদের জন্য ইসরায়েল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রবণতা আগামী ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইসরায়েলের প্রভাবশালী দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনোথ তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে অন্তত তিন মাস বা তার বেশি সময়ের জন্য ৮৬ হাজার ৫০৯ জন ইসরায়েল ত্যাগ করেন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়ায় ৯১ হাজার ৪৯৯ জনে এবং ২০২৫ সালে দেশ ছাড়েন আরও ৯০ হাজার ৯২২ জন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মোট প্রায় ২ লাখ ৬৯ হাজার জন দীর্ঘ সময়ের জন্য ইসরায়েল ছেড়েছেন। সেই হিসাবে, বছরে গড়ে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ ইসরায়েল ত্যাগ করেছেন। অথচ ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এই গড় ছিল বছরে প্রায় ৬০ হাজার। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ২১৯ জন, যা সাম্প্রতিক তিন বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

ইয়েদিওথ আহরোনোথ তাদের আগের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসক, পিএইচডিধারী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং উচ্চ আয়ের অন্যান্য পেশাজীবীদের ইসরায়েল ত্যাগও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

পত্রিকাটির মতে, ইসরায়েলের অর্থনীতি মূলত উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ, বিশেষ করে উচ্চপ্রযুক্তি খাত ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে দক্ষ জনশক্তির ইসরায়েল ত্যাগ দীর্ঘমেয়াদে দেশটির অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে।

এ গবেষণা এখন প্রকাশিত হয়েছে, যখন ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও ইরানেও দখলদার ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৬৬ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যা প্রায় এক কোটির বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%