ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাবির আটটি বিভাগকে একীভূত করে তিনটি বিভাগে রূপান্তরের প্রস্তাব


ঢাবির আটটি বিভাগকে একীভূত করে তিনটি বিভাগে রূপান্তরের প্রস্তাব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আটটি বিভাগকে একীভূত করে তিনটি বিভাগে রূপান্তরের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ দিতে ডিনদের বলা হয়েছে।

গত ২২ জুন অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। যদিও সভার মূল আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি ছিল না, পরে ‘বিবিধ’ অংশে এটি আলোচনা হয়। কার্যবিবরণীতে সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালামের স্বাক্ষর রয়েছে।

আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৫ পুলিশ সদস্য

প্রস্তাব অনুযায়ী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ এবং মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধ্যয়ন বিভাগকে একীভূত করে একটি বিভাগ গঠনের কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া কলা অনুষদের অধীন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ ও সংগীত বিভাগকে একীভূত করার পাশাপাশি সংস্কৃত বিভাগ এবং পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগকে একীভূত করার প্রস্তাবও এসেছে।

কার্যবিবরণী অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনরা বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে তাঁদের সুপারিশ ডিনস কমিটিতে উপস্থাপন করবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, বিভাগ একীভূত করার বিষয়টি সভার এজেন্ডাভুক্ত ছিল না। তবে আলোচনার সময় বিষয়টি উঠে এসেছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তী ডিনস কমিটির সভায় বিষয়টি আবারও আলোচনা হবে। বিভাগগুলো একীভূত হতে চাইলে এক ধরনের সিদ্ধান্ত হবে, আর না চাইলে অন্যভাবে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সবকিছুই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেই করা হবে।

আরও পড়ুন: নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের: শামা ওবায়েদ

কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আবুল কালাম সরকার এ বিষয়ে বলেন, একবার প্রয়োজনের কারণে বিভাগগুলো আলাদা করা হয়েছিল। এখন সেগুলো আবার একীভূত করা বাস্তবসম্মত হবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। বিভাগগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সহজ হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বর্তমানে একীভূত করার প্রস্তাব পাওয়া কয়েকটি বিভাগ একসময় একই বিভাগের অংশ ছিল। ২০১২ সালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পৃথক হয়ে টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগ এবং ২০১৫ সালে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধ্যয়ন বিভাগ চালু হয়। একইভাবে ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে সংস্কৃত ও পালি বিভাগ বিভক্ত হয়ে পৃথক সংস্কৃত এবং পালি অ্যান্ড বৌদ্ধ স্টাডিজ বিভাগ গঠিত হয়। আর ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগকে ২০০৯ সালে পৃথক করে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ করা হয়। পরে ২০১৪ সালে নাট্যকলা বিভাগের নাম পরিবর্তন করে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ রাখা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত দুই দশকে বিভাগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সময়ে একাধিক নতুন বিভাগ চালু হয়। সে সময় প্রয়োজনীয়তা যাচাই ছাড়াই ধারাবাহিকভাবে নতুন বিভাগ খোলার অভিযোগ এবং এসব বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে নতুন বিভাগ খোলার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও চাহিদা মূল্যায়নের অভাবের বিষয়টিও উঠে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ একীভূত করার আলোচনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন চালু হওয়া কয়েকটি বিভাগে শিক্ষার্থী সংকট ও আসন ফাঁকা থাকার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি শেষে কলা ও বিজ্ঞান অনুষদের একাধিক বিভাগে সব আসন পূরণ হয়নি বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা তখন ভর্তি পরিকল্পনা ও নতুন বিভাগ চালুর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

আরও পড়ুন: হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ২১ বার পেছাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমদানি অর্থায়নে সুদের ঝুঁকি কমাতে ফরওয়ার্ড রেট চুক্তির অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ এম


আমদানি অর্থায়নে সুদের ঝুঁকি কমাতে ফরওয়ার্ড রেট চুক্তির অনুমোদন

আমদানি অর্থায়নে আন্তর্জাতিক সুদের হারের ওঠানামার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য ফরওয়ার্ড রেট চুক্তি চালুর অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই চুক্তিটি সরবরাহকারী ঋণ ও ক্রেতা ঋণ সুবিধার আওতায় ইউজেন্স আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বুধবার (২ জুলাই) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো বিদেশি মুদ্রায় আমদানি ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকদের জন্য ফরওয়ার্ড রেট চুক্তি করার সুযোগ পাবেন। এর ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডভিত্তিক সুদের হার, বিশেষ করে এসওএফআর হারের ভবিষ্যৎ ওঠানামার ঝুঁকি থেকে আমদানিকারকরা সুরক্ষিত হবেন।

এ চুক্তিটি শুধুমাত্র প্রকৃত আমদানি লেনদেনের জন্য সুদের ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যের জন্য ব্যবহৃত হবে। ফটকাবাজি বা অরক্ষিত অবস্থান গ্রহণের সুযোগ প্রাপ্ত হবে না। চুক্তির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সুদের হার নির্ধারণ করা হবে এবং নির্ধারিত হার ও প্রচলিত মানদণ্ডের হারের পার্থক্যের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর জন্য আলাদা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নির্দেশনাও দিয়েছে। এই নির্দেশনার ভিত্তিতে, ফরওয়ার্ড রেট চুক্তি থেকে উৎপন্ন ঝুঁকি একই দিনে সমান্তরাল লেনদেনের মাধ্যমে পুরোপুরি সমন্বয় করতে হবে, যাতে ব্যাংক নিজেদের হিসাবে কোনো ধরনের বাজারঝুঁকি বহন না করে। এছাড়াও, মূল্য নির্ধারণে ব্যাংকের মার্জিন সর্বোচ্চ ১০ ভিত্তি পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, কোনো ব্যাংকের মোট ফরওয়ার্ড রেট চুক্তির পরিমাণ গত ১২ মাসের গড় মাসিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক মানসম্মত চুক্তি কাঠামো অনুসরণ, দৈনিক বাজারমূল্যায়ন, কার্যকর অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং চুক্তির আগাম সমাপ্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত বাজারদরে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেইসাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত দলিলপত্র সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজে নির্ধারিত পথ ছাড়লে ‘কঠোর জবাব’, সতর্ক করেছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ এম


হরমুজে নির্ধারিত পথ ছাড়লে ‘কঠোর জবাব’, সতর্ক করেছে ইরান

আমদানি অর্থায়নে আন্তর্জাতিক সুদের হারের ওঠানামার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য ফরওয়ার্ড রেট চুক্তি চালুর অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই চুক্তিটি সরবরাহকারী ঋণ ও ক্রেতা ঋণ সুবিধার আওতায় ইউজেন্স আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

বুধবার (২ জুলাই) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো বিদেশি মুদ্রায় আমদানি ঋণ গ্রহণকারী গ্রাহকদের জন্য ফরওয়ার্ড রেট চুক্তি করার সুযোগ পাবেন। এর ফলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডভিত্তিক সুদের হার, বিশেষ করে এসওএফআর হারের ভবিষ্যৎ ওঠানামার ঝুঁকি থেকে আমদানিকারকরা সুরক্ষিত হবেন।

এ চুক্তিটি শুধুমাত্র প্রকৃত আমদানি লেনদেনের জন্য সুদের ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যের জন্য ব্যবহৃত হবে। ফটকাবাজি বা অরক্ষিত অবস্থান গ্রহণের সুযোগ প্রাপ্ত হবে না। চুক্তির মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সুদের হার নির্ধারণ করা হবে এবং নির্ধারিত হার ও প্রচলিত মানদণ্ডের হারের পার্থক্যের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর জন্য আলাদা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নির্দেশনাও দিয়েছে। এই নির্দেশনার ভিত্তিতে, ফরওয়ার্ড রেট চুক্তি থেকে উৎপন্ন ঝুঁকি একই দিনে সমান্তরাল লেনদেনের মাধ্যমে পুরোপুরি সমন্বয় করতে হবে, যাতে ব্যাংক নিজেদের হিসাবে কোনো ধরনের বাজারঝুঁকি বহন না করে। এছাড়াও, মূল্য নির্ধারণে ব্যাংকের মার্জিন সর্বোচ্চ ১০ ভিত্তি পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, কোনো ব্যাংকের মোট ফরওয়ার্ড রেট চুক্তির পরিমাণ গত ১২ মাসের গড় মাসিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।

প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক মানসম্মত চুক্তি কাঠামো অনুসরণ, দৈনিক বাজারমূল্যায়ন, কার্যকর অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং চুক্তির আগাম সমাপ্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত বাজারদরে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেইসাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত দলিলপত্র সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: সরকারের বিরুদ্ধে হতাহতের প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ এম


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প: সরকারের বিরুদ্ধে হতাহতের প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগ

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এক নিরাপত্তারক্ষীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ২৯৫ জন এবং আহত হয়েছেন ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো সরকারের বিরুদ্ধে হতাহতের প্রকৃত তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন।

ভূমিকম্পের ফলে ধ্বংসস্তূপের মাঝে আটকা পড়েছিলেন হার্নান আলবার্তো গিল আট দিন ধরে। অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে ফিরে এসেছেন। হার্নান আলবার্তো গিল ভেনেজুয়েলায় লা গুয়াইরার একটি শপিংমলে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন।

ভূমিকম্প হলে সেই শপিংমলটি ধসে পড়ে, ফলে হার্নান আলবার্তো গিল ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়েন। ৮ দিন পর সুড়ঙ্গ খুঁড়ে তার কাছে পৌঁছায় এল সালভাদর ও চিলির উদ্ধারকারী দল। পরে তাকে নিরাপদে বের করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গেল ২৪ জুন ভেনেজুয়েলে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানিয়েছিল। এটি লা গুয়াইরা উপকূলীয় অঞ্চলকে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। এতে প্রাণ হারায় বহু মানুষ। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখনো নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।

দুর্গত মানুষের সহায়তায় সাধারণ মানুষও এগিয়ে এসেছেন। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের তাচিরা রাজ্য থেকে ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে রাজধানী কারাকাসের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে হাজারো বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য প্রতিদিন গরম খাবার রান্না করছেন একটি স্বেচ্ছাসেবী পরিবার। তাদের ভাষ্য, অর্থ সহায়তা ছাড়াও দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে সরাসরি দাঁড়ানোই সবচেয়ে জরুরি।

এদিকে, বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন। দেশটির মানবাধিকার সংস্থা প্রোভেয়াও জানাচ্ছে, সরকারি হিসাব নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তবে প্রকৃত প্রাণহানির পরিস্থিতি সামনে আসতে আরও সময় লাগবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে মর্গগুলোতেও ক্রমশ চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে ট্যাটু, পোশাক বা দাঁতের গঠনের ওপর নির্ভর করা হচ্ছে। ব্যয়বহুল হওয়ায় ডিএনএ পরীক্ষাও করা সম্ভব হচ্ছে না। নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজতে অনেকেই এখন বেসরকারি অনলাইন ডেটাবেসের সহায়তা নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএসইর বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়ে ৫২১৩ কোটি টাকা, প্রধান সূচক ৯১ পয়েন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ এম


ডিএসইর বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়ে ৫২১৩ কোটি টাকা, প্রধান সূচক ৯১ পয়েন্ট

সূচকের উত্থানের মাধ্যমে চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে। এর ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ হাজার ২১৩ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বা ৫ হাজার ২১৩ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন পৌঁছেছে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ছিল ৬ lakh ৯২ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা।

চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে সবগুলিই সূচকের মান বেড়েছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯১.০৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬১ শতাংশ। ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ২৫.২৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২১ শতাংশ। আর ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ৩০.৮৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৭৩৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৪ হাজার ৭৫৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৯৭৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪৮২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বা ৫০ দশমিক ৬৯ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৩৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন ছিল ৯৫১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৭২টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, ৯০টির দাম কমেছে এবং ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.৭০ শতাংশ ও ১.৮৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৪০৭.৭৭ পয়েন্টে ও ৯৪৩৬.৬৯ পয়েন্টে।

এছাড়া সিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১.৪২ শতাংশ ও সিএসই-৫০ বেড়েছে ১.২৭ শতাংশ। যথাক্রমে তাদের বর্তমান মান দাঁড়িয়েছে ১৩৯৬৫.৬১ পয়েন্টে ও ১১১০.১৯ পয়েন্টে। আর সিএসআই সূচক বেড়েছে ২.৪৬ শতাংশ এবং বর্তমানে এই সূচকটি অবস্থান করছে ৮৬৩.০৭ পয়েন্টে।

চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৭১ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৩৬০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন কমেছে ১৮৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩২৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২১১টির দাম বেড়েছে, ৮৯টির দাম কমেছে এবং ২৯টির কোম্পানির শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%