ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংখ্যায় বাড়লেও সুন্দরবনে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েল বেঙ্গল টাইগার


সংখ্যায় বাড়লেও সুন্দরবনে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েল বেঙ্গল টাইগার

বাংলাদেশে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একমাত্র আবাস সুন্দরবন বলে উল্লেখ করা হয়। এই শীর্ষ শিকারির ভূমিকা বন ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি পূর্ব সুন্দরবনের আন্দারমানিক ফরেস্ট অফিসের সামনের এলাকায় বাঘের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা গেছে এবং দুই দিনের ব্যবধানে নদী সাঁতরে পার হওয়ার দৃশ্যও ধরা পড়েছে। কখনো নদীর তীরে, কখনো ক্যামেরা ট্র্যাপে ধরা দিচ্ছে বাঘের এই অবাধ বিচরণ।

এসব দৃশ্য সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণে আশার বার্তা প্রদান করছে। সরকারি জরিপের ফলাফল অনুযায়ী সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা বেড়ে ১২৫ এ পৌঁছেছে, যা সংরক্ষণ কার্যক্রমের ইতিবাচক ফল হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে সংকটও কম নয়। ছয় মাস আগে হরিণ ধরার ফাঁদে আটকা পড়া একটি বাঘ চিকিৎসা শেষে আবার বনে ফিরেছে, কিন্তু চোরা শিকারিদের ফাঁদ এখনও একটি বড় হুমকি হয়ে রয়েছে। হরিণ শিকার বাড়ার কারণে বাঘের খাদ্য কমতে শুরু করেছে। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপদ আবাস ও প্রজননের সংকট, মানুষ-বাঘ সংঘাত এবং গবেষণার সীমাবদ্ধতা সংরক্ষণে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বিশাল সমাবেশ

বাঘ জরিপ কারিগরি কমিটির সদস্য মফিজুর রহমান বলেন, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি অবশ্যই ইতিবাচক একটি বিষয়। কিন্তু, শুধুমাত্র সংখ্যা বাড়লেই হবে না, তাদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল, পর্যাপ্ত খাদ্য এবং নির্বিঘ্ন প্রজনন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নিয়মিত গবেষণা এবং নজরদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বন বিভাগের উদ্যোগের পাশাপাশি জলবায়ু অভিযোজন, খাদ্য প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে একটি দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিকল্পনার বাস্তবায়ন জরুরি।

সুন্দরবন একাডেমির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, বাঘ রক্ষা করতে হলে পুরো সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করা অপরিহার্য। খাদ্য, প্রাণী, হরিণ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, গবেষণা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষকে সচেতন করা ও সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

বন বিভাগ জানায়, আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্ট পেট্রোলিং, ক্যামেরা ট্র্যাপ এবং উদ্ধার-পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম আগামী জরিপে বাঘের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন: সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও আসলে সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে শুভ উদ্বোধন

তিনি বলেন, বাঘ সংরক্ষণে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রযুক্তির ব্যবহার, বন রক্ষায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সুন্দরবনের বাঘকে নিরাপদ রাখা হবে। আগামী জরিপে বাঘের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।

‘সবাই হই সচেতন, বাঘ করি সংরক্ষণ’ এই প্রতিপাদ্যের অধীনে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাঘ দিবস। বাংলাদেশসহ বাঘের আবাস থাকা বিশ্বের ১৩টি দেশে দিবসটি পালন করা হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না— এই আদেশটি হাইকোর্টের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল। তবে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই আদেশটি স্থগিত করেছেন।

আজ বুধবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এ সংক্রান্ত আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, আপিল বিভাগের আদেশের অর্থ হলো— যদি ফৌজদারি অভিযোগের সঙ্গে কোনো ব্যক্তি সম্পৃক্ত না থাকলেও, কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি তদন্তের সময় তাকে নিয়ে কিছু তথ্য পান, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন।

এর আগে, হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল যে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি কোনো মামলা না থাকে, তাহলে বিবাদীরা তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করতে পারবে না। এই রায়টি বিশেষ কয়েকজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রদান করা হয়েছিল।

এছাড়া, আবেদনকারী যদি বারবার শ্যোন অ্যারেস্টের শিকার হন এবং শুধুমাত্র হয়রানি, অপমান ও নিপীড়নের উদ্দেশ্যে গুরুতর প্রকৃতির মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য বিবাদীদের পদক্ষেপ কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এবং আবেদনকারীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেফতার বা হয়রানি না করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানাতে হাইকোর্ট রুল জারি করে। পরে হাইকোর্টের এমন কয়েকটি আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃহত্তর দিনাজপুরের জন্য ১,৪৯২ কোটি টাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


বৃহত্তর দিনাজপুরের জন্য ১,৪৯২ কোটি টাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ

উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর দিনাজপুর অঞ্চলের গ্রামীণ পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার।

দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে গতিশীল করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘বৃহত্তর দিনাজপুরের (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প’ শীর্ষক এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকার পুরো প্রকল্প ব্যয় বাংলাদেশ সরকারের (জিওবি) নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে।

প্রকল্পটি ২০৩০ সালের ৩০ জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (কৃষি, পানিসম্পদ ও গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান বিভাগ) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বাসস’কে বলেন, গ্রামীণ সড়কগুলো উন্নত করে হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অন্যান্য সেবাকেন্দ্রের সঙ্গে গ্রামের সংযোগ জোরদার করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি ও অকৃষি পণ্য পরিবহন ও বিপণন সহজ হবে। এর ফলে যাতায়াতের সময় ও খরচ কমবে এবং সরকারি সেবা প্রাপ্তি সহজ হবে। এছাড়া নির্মাণ ও পরিচালনা উভয় স্তরেই ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

প্রকল্পটিকে ‘যুগান্তকারী’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, এলজিইডি’র আওতাধীন গ্রামীণ রাস্তা, ইউনিয়নের রাস্তা এবং উপজেলার রাস্তাগুলো আরও উন্নত ও প্রশস্ত করা হবে। প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি উপজেলার ২১.৭৫ কিলোমিটার রাস্তা, ইউনিয়নের ১৭১.৫৫ কিলোমিটার রাস্তা এবং ৮৪২.৫২ কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা সব ঋতুতে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তুলবে।

এছাড়া ৪১০ মিটার দীর্ঘ মোট ১৬টি সেতু নির্মাণ করা হবে।

সড়ক সুরক্ষা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে প্রকল্পটিতে ১০.৭ লাখ ঘনমিটারের বেশি মাটি কাটার কাজ, ৩ হাজার ৬৫০টি ট্রাফিক সাইন, ৭ হাজার ৩০০টি গাইড পোস্ট স্থাপন করা হবে, ১৪ হাজার ৯০০ মিটার প্যালিসেডিং হবে এবং ১২৯ হাজার ৬৫০ বর্গমিটার রোড মার্কিংয়ের কাজ হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের আরেক কর্মকর্তা বাসস’কে জানান, এই অঞ্চলের একটি বড় জনগোষ্ঠী কৃষির ওপর নির্ভরশীল। পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধা না থাকার কারণে এর ফলে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্যই একনেক এই প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে। রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার সবকটি উপজেলা এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত থাকবে।

কমিশন জানিয়েছে, উন্নত সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক কৃষকদের এবং ব্যবসায়ীদের স্থানীয় উৎপাদিত পণ্য আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিবহনে সহায়তা করবে। এর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুরের বিখ্যাত লিচু ও সুগন্ধি চাল, ঠাকুরগাঁওয়ের আম এবং পঞ্চগড়ের চা।

এছাড়া এই উদ্যোগ অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থানের সূতিকাগার এই তিন জেলায় পর্যটন শিল্পেরও বিকাশ ঘটাবে।

প্রকল্পটি গ্রামীণ জনগণের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সরকারি পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দারিদ্র্য বিমোচন এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখবে।

২০২৫ সালে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘মির্জা ইন্টারন্যাশনাল’-এর পরিচালিত এক সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় দেখা যায়, প্রকল্পটি কারিগরি ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক এবং এটি বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির জনসেবামূলক বৈশিষ্ট্যের কারণে সরাসরি কোনো আর্থিক মুনাফা বা রিটার্ন আশা না করা হলেও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে এটি টেকসই ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। এর নিট বর্তমান মূল্য (এনপিভি) ৬৭৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, অভ্যন্তরীণ আয়ের হার (আইআরআর) ১৭.১২ শতাংশ এবং সুবিধা-ব্যয় অনুপাত (বিসিআর) ১.৩২:১।

পরিকল্পনা কমিশন উল্লেখ করেছে, প্রকল্পটি গ্রামীণ সব রাস্তা পর্যায়ক্রমে পাকা করা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে একদম শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যোগাযোগ (লাস্ট-মাইল কানেক্টিভিটি) নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

এটি দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জাতীয় লক্ষ্যগুলোকেও সমর্থন করে। এছাড়া, এই উদ্যোগ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) বেশ কয়েকটি লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দারিদ্র্য বিমোচন, টেকসই কৃষির প্রসার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ।

প্রকল্পটি ইতোমধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরের গত ২ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় তাদের পর্যবেক্ষণগুলো যুক্ত করার শর্তে প্রস্তাবটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়।

পরিকল্পনা কমিশন পর্যবেক্ষণ করেছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর দিনাজপুরের গ্রামীণ পরিবহন অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। এতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড সহজতর হবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং দারিদ্র্য বিমোচন ত্বরান্বিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে অভিযানে ১৭৪টি ‘চায়না দুয়ারি’ ও ৫২টি কারেন্ট জাল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


কুড়িগ্রামে অভিযানে ১৭৪টি ‘চায়না দুয়ারি’ ও ৫২টি কারেন্ট জাল উদ্ধার

দেশের প্রজাতির মাছ এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে কুড়িগ্রাম জেলায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ক্ষতিকারক ‘চায়না দুয়ারি’ জালের বিরুদ্ধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে প্রকাশ পায়, মঙ্গলবার বিকেলে জেলার ৯টি উপজেলায় একযোগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ এবং ধংস করা হয়।

জানানো হয়েছে, নদ-নদী এবং জলাশয়ে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। বেচাকেনা, সংরক্ষণ ও মজুত প্রতিরোধের লক্ষ্যে অভিযান চালানো হয়। পুরো দিন ব্যাপী পরিচালিত অভিযানে সমগ্র জেলা থেকে প্রায় ১৭৪টি রিং জাল (চায়না দুয়ারি) এবং ৫২ পিস অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে এসব ক্ষতিকারক জাল সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে পুরোপুরি ভস্মীভূত করা হয়।

এছাড়া, মৎস্য সুরক্ষা এবং সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা অপরাধে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়।

মৎস্য সম্পদ রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসনের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক বলেন, ‘কারেন্ট জাল এবং চায়না দুয়ারির মতো ধংসাত্মক জাল আমাদের নদ-নদীর দেশীয় মাছের রেণু ও প্রজননক্ষম মাছ একবারে নিধন করে ফেলছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজ সকল উপজেলায় একযোগে এই বার্তা দেয়া হয়েছে যে, অবৈধ জালের ব্যবহার বা ব্যবসার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান নিয়মিত এবং অব্যাহত থাকবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত টিম স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় নিজ নিজ উপজেলায় এসব অভিযান পরিচালনা করে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে প্রজনন নিশ্চিত এবং মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ জালের ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে না আনা পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঢাকা, ২৯ জুলাই, ২০২৬ : আবহাওয়া অফিস চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে।

আজ দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য জারি করা বিশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং ক্রমাগত দুর্বল হয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

সেইসঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, অপর একটি বিশেষ আবহাওয়া বুলেটিনে জানানো হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি. মি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

আজ সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এসব এলাকার নদী বন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%