০১:৫২ পি.এম
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মোংলা বন্দরের বৃহত্তম চ্যানেল ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ সমাপ্তির পথে। নানা জটিলতা ও বাধা পেরিয়ে চলতি মাসের শেষদিকে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করবে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ড্রেজিংয়ের ফলে চ্যানেলের নাব্যতা সংকট দূর হবে এবং বন্দরে বড় আকারের জাহাজ সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারবে।
মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল ড্রেজিং প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শওকত হোসেন জানিয়েছেন, ২০২১ সালের ১৩ মার্চ বন্দরের হারবাড়িয়া থেকে জেটি পর্যন্ত ২৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চ্যানেলের ড্রেজিং কাজ শুরু হয়। ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।
প্রাথমিকভাবে ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বালু ডাম্পিংয়ের জমি সংক্রান্ত জটিলতা এবং চ্যানেল বারবার পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিন ধাপে বৃদ্ধি পায় প্রকল্পের বাজেটও। শুরুতে এই কাজের জন্য ৭৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও চূড়ান্ত ধাপে এর মোট ব্যয় ৯৯২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রেজিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ফলে এই চ্যানেলের দীর্ঘদিনের নাব্যতা সংকট দূর হতে চলেছে। এতে মোংলা বন্দরে বড় বড় বাণিজ্যিক জাহাজ সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারবে। পণ্য খালাস সহজ হওয়ায় ব্যবসায়ীদের জন্য সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে বলে আশা রাখছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শওকত হোসেন বলেন, ‘দেশের একটি বন্দরকে সচল রাখতে হলে চ্যানেল ড্রেজিং করে গভীরতা ঠিক রাখাই হচ্ছে মূল কাজ। বন্দরের চ্যানেলের গভীরতা ঠিক না থাকলে বন্দর ভালো থাকে না এবং ব্যবসায়ীরাও বন্দর ব্যবহার করতে অনীহা প্রকাশ করেন।’
তিনি আরও জানান, মোংলা বন্দরের আউটার বার ড্রেজিংয়ের পর এবার শেষ হলো ইনার বার ড্রেজিংয়ের কাজ। এরপর চ্যানেলটি সচল রাখতে মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং শুরু হবে।
আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন