মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৮ পি.এম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান মন্তব্য করেছেন, "জনগণের ভোট ও আস্থাই বিএনপির মূল শক্তি।" তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ বিএনপির সঙ্গে রয়েছে বলেই দলটি গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমানউল্লাহ আমান আরও বলেন, "বিএনপি জনগণের দল। জনগণের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই দলটির মূল লক্ষ্য।" তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের সরকার নির্বাচিত করেছে। বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব জনগণের ভোট ও আস্থার ভিত্তিতে পেয়েছে। তাই জনগণকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে এবং তাদের আস্থা ধরে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপিকে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং গণতন্ত্র, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের অধিকার রক্ষার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।
দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আমানউল্লাহ আমান বলেন, "জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে এবং সব সময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে।" তিনি সতর্ক করেন, নিজ নিজ এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড যাতে না থাকে, সেদিকে নেতা-কর্মীদের নজর রাখতে হবে। নিরীহ মানুষ যেন হয়রানি বা অন্যায়ের শিকার না হন, সেটিও দেখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "বিএনপি একটি জনবান্ধব দল।" মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করতে হবে। জনগণের সমর্থন নিয়েই আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
নেতা-কর্মীদের ধৈর্য, সংযম ও সহনশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে আমানউল্লাহ আমান বলেন, সব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে হবে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ খ্রিস্টাব্দের ১ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে, সকাল থেকেই নারায়ণগঞ্জ মিশন পাড়ায় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন ব্যানার ও বেষ্টন নিয়ে উপস্থিত হন। ঘোড়ার গাড়ি সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দও সেখানে আসেন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, এডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যিনি বিএনপি মহানগরের সদস্য সচিব, নারায়ণগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক মহানগরের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানা, এডভোকেট জাকির হোসেন, বরকত উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ কৃষকদলের মহিলা বিষয় সম্পাদিকা খোরশেদ আলম লিপি, নারায়ণগঞ্জ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান রনি মল্লিক, নারায়ণগঞ্জ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক মোঃ হানিফ সরদার, জাহাঙ্গীর আলম মাতব্বর এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের জাকির হোসেনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে বিএনপি নেতৃবৃন্দ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া মহোদয়কে জানান যে, বিগত ১৭ বছর যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের মূল্যায়ন করা উচিত। কিছু নেতৃবৃন্দ বিএনপির আওয়ামী লীগের সময় তাদের থেকে সুযোগ সুবিধা নিয়ে অর্থ উপার্জন করেছেন, তারা বর্তমানে আবার বিএনপিতে যোগদান করেছেন। নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন করেন, "তাদের জন্য কি নেতারা মূল্যায়ন পাচ্ছেন না?" বক্তব্য শেষে, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে বিশাল এক সোডাউন অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কুড়িগ্রামে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঘোষপাড়াস্থ ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য-সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, এবং সাবেক পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক।
এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবার রহমান, সদস্য সচিব আবু হানিফ বিপ্লব, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বিপ্লব, যুবদল নেতা নাসিম পারভেজ তারা, নাদিম আহমেদ, এটিএম নজিবর রহমান লেলিন, হাসান যুবায়ের হিমেল, আমিমুল এহসান, ছাত্রদল সভাপতি আশরাফুল হক বিপুল, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি রেশমা সুলতানা, সাধারণ সম্পাদক মোসলেমা খাতুন মিলিসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ে গিয়ে একটি সমাবেশে মিলিত হয়।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও আদর্শকে সামনে রেখে গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার, আইনের শাসন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দলকে আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের ত্যাগ, শৃঙ্খলা এবং ঐক্য বজায় রেখে রাজপথে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান তারা। বক্তারা একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের সব ধরনের বিভেদ ভুলে সংগঠনকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১২ বছরের বিরতির পর ফের একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলিকে। তাঁদের নতুন ছবি ‘দেশু ৭’-এর টিজার প্রকাশের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে দুই তারকা পুরোনো স্মৃতি, বর্তমান সম্পর্ক এবং নতুন ছবির শুটিং নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
এর আগে ‘ধূমকেতু’ ছবিতে দীর্ঘ বিরতির পর তাঁদের জুটি দর্শকদের সামনে ফিরে এসেছিল। ছবিটি নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা দেখে শুভশ্রীর সঙ্গে আবার পর্দায় কাজ করার চিন্তা করেছিলেন দেব। সেই ভাবনা থেকেই তিনি শুভশ্রীকে ফোন করেন।
আড্ডায় পুরোনো দিনের স্মৃতি উঠে আসে। দেব জানান, শুভশ্রীর বিয়ের আগের দিনও তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছিল। তবে তাঁদের আলোচনার বিষয় ছিল সিনেমা। শুভশ্রী দেবের কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি জানান, দেবের কাজের খবর তিনি রাখতেন এবং একসময় তাঁকে পরিচালকের আসনে দেখতে চেয়েছিলেন।
শুভশ্রীর মুখে নিজের খবর রাখার কথা শুনে দেব মজা করে প্রশ্ন করেন, ‘তুমি আমার খবর রাখতে?’ জবাবে শুভশ্রী বলেন, ‘খবর তো সবাই রাখে।’
দুজনের বর্তমান সম্পর্ক নিয়েও স্পষ্ট কথা বলেছেন দেব। তাঁর মতে, তাঁদের মধ্যে এখনও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বিদ্যমান এবং দেখা হলে সৌজন্য বিনিময় হয়। কিন্তু এই সাধারণ বিষয় নিয়েও মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অকারণ কাটাছেঁড়া শুরু হয়।
নতুন ছবির শুটিং নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেন। বাজেটের কথা বিবেচনা করে প্রথমে লাদাখের পরিবর্তে ব্যাংককে শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেব আপস করতে চাননি। তাই লাদাখেই ছবির শুটিং হয়েছে। ১২ বছর পর রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে শুরুতে দুজনের কিছুটা অস্বস্তি হয়েছিল। পরে সময়ের সঙ্গে পেশাদার অভিনেতার মতো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেন তাঁরা।
আড্ডায় তাঁদের একে-অন্যের পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয়। শুভশ্রী জানান, আলাদা করে কোনো ওয়ার্কশপ হয়নি; পরিচালক দেবের নির্দেশনা মেনেই তিনি অভিনয় করেছেন।
দেবের দৃষ্টিতে, শুভশ্রী এখন অনেক বেশি পরিণত। প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতাও তাঁর বেড়েছে। এরপর দেবের মন্তব্যে আড্ডা কিছুটা আবেগঘন হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, ‘এই পরিণত বোধটা তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না। তখন দু’জনেই সরল ছিলাম।’
দেবের এই মন্তব্যে মুহূর্তের জন্য বদলে যায় আড্ডার পরিবেশ। তবে হাসি-ঠাট্টার মধ্যেই পরিস্থিতি সামলে নেন দুজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ