১২:২৫ এম
ঢাকার কেরানীগঞ্জে নেশা করার জন্য টাকা চেয়ে না পাওয়ার কারণে প্রতিবেশী মো. ইসতিয়াককে (৩০) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মো. সাইদুর রহমান নাঈম খানের (৩৩) বিরুদ্ধে। এলাকার লোকজন ও আহতের পরিবারের সদস্যরা ইসতিয়াককে উদ্ধার করে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এই ঘটনা ঘটেছে সোমবার রাতে কালিন্দী ইউনিয়নের কালিন্দী খান বাড়ি এলাকায়। এ ঘটনায় বুধবার (২১ জুলাই) বিকেলে আহতের মামা এনামুল কবির কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আরও পড়ুন: বুধবার দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস থাকবে না
জানা যায়, দাবি করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত মো. সাইদুর রহমান নাঈম খান একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি। সে প্রতিদিন নেশার জন্য টাকা সংগ্রহের জন্য নিজ পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
যদি কেউ টাকা না দেয়, তবে সে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। তার পরিবারের প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে কেউ প্রতিবাদ কিংবা অভিযোগ করতে সাহস পায় না। এর ফলে তার অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশ বেড়ে চলেছে।
অভিযোগকারী এনামুল কবির বলেন, ১৯ জুলাই রাতে আমার ভাগ্নে মো. ইসতিয়াকের কাছে নেশা সেবনের জন্য সাইদুর রহমান নাঈম খান ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা দাবি করে। এই টাকা দেওয়ার জন্য my ভাগ্নে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
একপর্যায় ভবনের দিকে চলে আসে আমার ভাগ্নে। পরদিন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে, যখন আমার ভাগ্নে তার মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হয়, তখন নাঈম ও তার সঙ্গে থাকা আরো কয়েকজন মিলে তাকে এলোপাতাড়িভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটায়। এই হামলায় তার চারটি দাঁত ভেঙে যায় এবং ওপরের ঠোঁট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
আরও পড়ুন: ১৬ বছর যারা দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে, তারা এখন ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে : স্পিকার
এ সময় আমার ভাগ্নের চিৎকার শুনে আমি ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে নাঈম ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। বর্তমানে আমার ভাগ্নে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার মো. মামুন এ ব্যাপারে জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন