ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হুথিদের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এক হওয়ার আহ্বান জানালেন আমিরাতের আনোয়ার গারগাশ


হুথিদের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এক হওয়ার আহ্বান জানালেন আমিরাতের আনোয়ার গারগাশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ হুথিদের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা সবাই হামলার লক্ষ্যবস্তু’ এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য। গারগাশ বলেন, সৌদি আরবের ওপর হামলা আমিরাতসহ উপসাগরীয় সব দেশের নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

একটি পোস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আনোয়ার গারগাশ মন্তব্য করেন যে, উপসাগরীয় দেশগুলো যে যুদ্ধে জড়াতে চায়নি, সেই যুদ্ধে তাদের দুর্বলতম পক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের এই ভুল মূল্যায়ন থেকেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর

গারগাশের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগ আবারও জোরদার করা জরুরি। বিশেষ করে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পুরো অঞ্চলের সম্মিলিত নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবহেলা অন্যদের উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করতে উৎসাহিত করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সবার অভিন্ন দায়িত্ব। এ বিষয়ে কোনো শিথিলতা বা বিলম্বের সুযোগ নেই।

এএম

আরও পড়ুন: সৌদি-হুথি সংঘাত সমাধানে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত ইরান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবে ভ্রমণের জন্য সতর্কতা জারি করেছে একাধিক দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


সৌদি আরবে ভ্রমণের জন্য সতর্কতা জারি করেছে একাধিক দেশ

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুথিদের ধারাবাহিক হামলার পর দেশটির ভ্রমণের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে একাধিক দেশ।

সোমবার অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সর্বশেষ দেশ হিসেবে সৌদি আরবে ভ্রমণ না করার জন্য সতর্কতা প্রদান করে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানও একই ধরনের সতর্কতা জারি করেছিল।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যবিষয়ক বিভাগ (ডিএফএটি) নাগরিকদের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি, সৌদি আরবের অন্যান্য বিমানবন্দরে যাতায়াতের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নাগরিকদের সৌদি আরবের রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দর এবং নাজরান, জিজান ও আসির প্রদেশে ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়েছে। সেইসাথে, দেশটির অন্যান্য এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

রোববার, রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সৌদি আরবে ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে মার্কিন নাগরিকদের পরামর্শ দেয়। এ সতর্কতা ইরান ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের হামলার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে জারি করা হয়।

কানাডার পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তর গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা সৌদি আরবের সব এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবে অবস্থানরত নাগরিকদের জরুরি কাজ ছাড়া দেশটি ত্যাগ করার সুপারিশ করেছে। একই সাথে, সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করা নাগরিকদের সফর বাতিলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তর (এফসিডিও) জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জেদ্দা ও দাম্মামে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। একই সাথে, মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়া দেশটির অন্য সব বিমানবন্দরে যাতায়াত এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে পাঁচটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে দেশটিতে।

সূত্র: আল জাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আটক হওয়া আমির খানের ভাতিজি জেনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন, ভিডিও প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


আটক হওয়া আমির খানের ভাতিজি জেনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন, ভিডিও প্রকাশ

মুম্বাইয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কারণে আটক হন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান, তার প্রেমিকা লেখা ওয়াশিংটন এবং অভিনেত্রী জেন মেরি খান। এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করে আমির খানের ভাতিজি জেন তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন প্রদর্শন করেছেন। তিনি এ সময় ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ইনস্টাগ্রামে একটি রিল প্রকাশ করে জেন। ভিডিওতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন প্রদর্শন করার পর তিনি বলেন, “প্রথমত, এত ভয় দেখিও না যে, আর ভয় অবশিষ্টই না থাকে।” ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “সবার সামনে প্রকাশ করে দিল সে।”

গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের ক্রান্তি ময়দানে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে আটক হন জেন, অভিনেতা ইমরান খান ও তার প্রেমিকা লেখা ওয়াশিংটন। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিবাদ কর্মসূচির সমর্থনে সেখানে জমায়েতের পরিকল্পনা ছিল তাদের। যদিও কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ তাদের মুক্তি দেয়।

আটক হওয়ার পর পুলিশের ভ্যানের ভেতর থেকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি প্রকাশ করেছিলেন জেন। ইমরান ও লেখার সঙ্গে তোলা একটি ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ইনকিলাব জিন্দাবাদ!” ছবিতে ইমরানকে হাসিমুখে বিজয়সূচক চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়।

এদিকে আটকের পর তাদের কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তা জানিয়ে ভিডিও প্রকাশ করেন লেখা। একটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “পুলিশ আমাদের বাড়ি ফিরতে দিচ্ছে না। আমরা রাস্তায় এ দিক-ও দিক ঘুরছি। বাড়ি ফেরার জন্য কোনও গাড়ি বা অন্য যানবাহনও ধরতে দিচ্ছে না ওরা।”

পরে অবশ্য আরেকটি ভিডিওতে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “আমি শুধু বলতে চাই, আমরা সবাই নিরাপদে আছি, ভাল আছি এবং বাড়ির পথে রয়েছি।”

পুলিশের ভ্যানের ভেতর থেকে একটি মজার ভিডিওও প্রকাশ করেন জেন। সেখানে ইমরানকে তিনি প্রশ্ন করেন, এর আগে কখনো জেলে গিয়েছেন কি না। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এমনটা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে হাসতে হাসতে জবাব দেন অভিনেতা।

মুম্বাই পুলিশের দাবি, ক্রান্তি ময়দানে বিক্ষোভের ঘটনায় চার শতাধিক মানুষকে আটক করা হয়েছিল। পুলিশের ভাষ্য, কর্মসূচিটির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি। বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বিক্ষোভের অনুমতি শুধু আজাদ ময়দানেই দেওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে সিজেপির কর্মীদের দাবি, বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে ইমেইলের মাধ্যমে মুম্বাই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তারা। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে কোনো উত্তর পাননি।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে সিজেপি। দলটির এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন ইমরান, লেখা ও জেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, গুরুত্বপূর্ণ ছোট দলগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, গুরুত্বপূর্ণ ছোট দলগুলো

আগামী ৭ নভেম্বর নিউজিল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জনমত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডানপন্থী ন্যাশনাল পার্টির নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যাশিত। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় দল হলো মধ্য-বামপন্থী লেবার পার্টি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৩ সালের নির্বাচনের মতো এবারও সরকার গঠনে ছোট দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তাদের সমর্থন নির্ধারণ করে দিতে পারে, শেষ পর্যন্ত কারা সরকার গঠন করবে। নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এমন দল ও তাদের নেতাদের পরিচয় তুলে ধরা হলো।

ন্যাশনাল পার্টি

নিউজিল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৫৬ বছর বয়সী ক্রিস্টোফার লুক্সন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছেন। ২০২০ সালে অকল্যান্ডের বোটানি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তী বছর ন্যাশনাল পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন লুক্সন। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি এয়ার নিউজিল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০২৩ সালের নির্বাচনে অর্থনীতি ভালোভাবে পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার নেতৃত্বে জয় পায় ন্যাশনাল পার্টি। তবে গত এক বছরে তার নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ২০২৬ সালের এপ্রিল ও আগস্টে দলের সংসদ সদস্যদের আনা আস্থা ভোটে টিকে যান লুক্সন। আগস্টে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস পেঙ্ক তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জনমত জরিপে দলের সমর্থন কমে যাওয়া, অর্থনৈতিক চাপ এবং জোটের শরিকদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে অর্থনীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ন্যাশনাল পার্টি। বাজেটে আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য এনে উদ্বৃত্ত অর্জন এবং কিউইসেভার নামের পেনশন সঞ্চয় কর্মসূচি সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি।

লেবার পার্টি

৪৮ বছর বয়সী ক্রিস হিপকিন্সের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে লেবার পার্টি। ২০২৩ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর আবারও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। ২০০৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হিপকিন্স। জেসিন্ডা আরডার্নের পদত্যাগের পর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। তবে ওই বছরের অক্টোবরে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা হারান। এরপর থেকে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হিপকিন্স। এবারের নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তার দল। লেবার পার্টির পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবহন খরচ কমানো, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, আবাসন ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ এবং সরকারি সেবা উন্নত করা।

নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট

উইনস্টন পিটার্সের নেতৃত্বে নিউ জিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত তিনি উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯০-এর দশক থেকে তাঁর দল কখনো লেবার, আবার কখনো ন্যাশনাল পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে জোট গঠন করেছে।

এবারের নির্বাচনে দলটি প্রস্তাব দিয়েছে, নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনে শুধুমাত্র দেশটির নাগরিকদের ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিক্রি—দুই কাজই করে এমন বড় কোম্পানিগুলোকে আলাদা করার প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। এ ছাড়া দেশটির বড় সুপারমার্কেট ব্যবসার একটি প্রতিষ্ঠানকে ভাগ করে দুটি আলাদা সুপারমার্কেট কোম্পানি গড়ার প্রস্তাবও রয়েছে। পিটার্স চান, নিউজিল্যান্ড প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসুক। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে দুটি লক্ষ্য রাখার পক্ষে তিনি। লক্ষ্য দুটি হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

অ্যাক্ট নিউজিল্যান্ড

অ্যাক্ট নিউজিল্যান্ড একটি ডানপন্থী রাজনৈতিক দল, যা ব্যক্তিস্বাধীনতাকে গুরুত্ব দেয়। দেশটির সংসদের ১২৩টি আসনের মধ্যে বর্তমানে দলটির আসন ১১টি। ন্যাশনাল পার্টি ও নিউ জিল্যান্ড ফার্স্টের সঙ্গে জোটে রয়েছে দলটি। ডেভিড সেমুর দলটির নেতা। ২০১৪ সালের অক্টোবরে তিনি নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি থেকে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের নির্বাচনের আগে অভিবাসন নিয়ে ছয় দফার পরিকল্পনা দিয়েছে অ্যাক্ট। এর মধ্যে রয়েছে গুরুতর অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের নিউজিল্যান্ড থেকে বহিষ্কার করা। তারা যত দিন ধরেই দেশটিতে বসবাস করুন না কেন, এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে দলটি। অস্থায়ী কাজের ভিসার ওপর অতিরিক্ত ফি আরোপ এবং নতুন করে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে তাদের পরিকল্পনায়।

গ্রিন পার্টি

গ্রিন পার্টি, যা ক্লোয়ি সোয়ারব্রিক ও মারামা ডেভিডসনের যৌথ নেতৃত্বে রয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দেয়। অতীতে এই বামপন্থী দলটি লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছে। এবারের নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, প্রকৃতি রক্ষা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থায়নব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার ওপর জোর দিচ্ছে দলটি। গ্রিন পার্টি সম্পদের ওপর কর এবং বড় কোম্পানি, ব্যাংক ও বিদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মুনাফার ওপর বেশি কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে আয়ের প্রথম ১০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলারের ওপর কর না নেওয়া এবং অধিকাংশ করদাতার আয়কর কমানোর পরিকল্পনা করেছে তারা। ১০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার প্রায় ৫ হাজার ৬১৪ মার্কিন ডলারের সমান। দলটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় কিউইপাওয়ার নামে একটি বিদ্যুৎ কোম্পানি গড়ে তুলতে চায়। পাশাপাশি বাড়িতে তাপ ধরে রাখার ব্যবস্থা উন্নত করা, সৌরবিদ্যুতের প্যানেল ও ব্যাটারি কেনার জন্য সুদবিহীন ঋণ দেওয়ার এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মালিকানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে অর্থায়নের প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া কিউইমার্ট নামে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সুপারমার্কেটের একটি চেইন গড়ে তুলতে চায় দলটি। মুদি পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো ঠেকাতে আরো কঠোর নিয়ম চালুর প্রস্তাবও রয়েছে তাদের।

তে পাতি মাওরি

জনমত জরিপে পাতি মাওরি পার্টির সমর্থন ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সাধারণভাবে সংসদে আসন পেতে দলগুলোর এই পরিমাণ ভোট প্রয়োজন হয়। তবে নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনী ব্যবস্থায় মাওরি জনগোষ্ঠীর জন্য নির্ধারিত সাতটি বিশেষ আসনের কয়েকটিতে দলটি জিততে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে মাওরি ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত মানুষের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। মাওরি ভোটারদের জন্য নির্ধারিত সাতটি আসনের মধ্যে বর্তমানে ছয়টি তাদের দখলে রয়েছে। রাওইরি ওয়াইতিতি ও ডেবি গারেওয়া-প্যাকার যৌথভাবে দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে তারা একসঙ্গে দলের দায়িত্ব পালন করছেন। গারেওয়া-প্যাকার জানিয়েছেন, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পরিবেশ রক্ষা এবং সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা তাদের নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অপরচুনিটি

অর্থনীতিবিদ গ্যারেথ মরগান ২০১৬ সালে ‘দ্য অপরচুনিটিজ পার্টি’ নামে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে দলটি অপরচুনিটি নামে পরিচিত। আগের তিনটি নির্বাচনে অংশ নিয়েও দলটি সংসদে আসন পায়নি। ২০১৭ সালের নির্বাচনে দলটি সর্বোচ্চ ২ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। বর্তমানে অকল্যান্ডের ব্যবসায়ী কিউলে ওং দলটির নেতা। ২০২৫ সালের নভেম্বরে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলটির পঞ্চম নেতা। ওং বলেছেন, তার দল বাস্তবায়নযোগ্য এবং ব্যয়ের হিসাব করা সংস্কারের পক্ষে। এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়াতে চান তারা। তার দাবি, দলটি বামপন্থী বা ডানপন্থী—কোনো শিবিরেরই নয়। এবারের নির্বাচনে অপরচুনিটির প্রধান প্রতিশ্রুতি জমির মূল্যের ওপর কর আরোপ। আবাসিক জমির মূল্যের ওপর বছরে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ জমির মূল্যের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হারে কর বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে দলটি। অপরচুনিটির দাবি, এ কর থেকে বছরে ২৪ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার আয় হবে। এই অর্থ দিয়ে করব্যবস্থায় আরও বড় পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজাব পরায় ফ্রান্সের ভিসা হারালেন তুরস্কের শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


হিজাব পরায় ফ্রান্সের ভিসা হারালেন তুরস্কের শিক্ষার্থী

তুরস্কের গালাতাসারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ফ্রান্সের সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, হিজাব পরা ছবি জমা দেওয়ার কারণে তার দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। তিনবার আবেদন করার পরও ভিসা না পেয়ে, তাকে মাথা খোলা ছবি জমা দিতে বলার জন্য একটি লিখিত নথি প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলুকে সাক্ষাৎকারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিক্ষার্থী বলেন, ফ্রান্সের ভিসার জন্য তিনবার আবেদন করার পর প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন তিনি। প্রতিবারই তার হিজাব পরা ছবি নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে বলে তার অভিযোগ।

তিনি দাবি করেছেন, একই সময়ে হিজাব পরা ছবি জমা দিয়েও তার পরিচিত কয়েকজন ফরাসি ভিসা পেয়েছেন। ফলে, তার ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার কয়েকজন বন্ধু একই সময়ে ভিসা পেয়েছে। তারা হিজাব পরা ছবি জমা দিয়েছিল। আমাকে বলা হয়েছে, হিজাব পরার কারণে আমার ছবি গ্রহণযোগ্য নয়। এখানে স্পষ্ট অসংগতি রয়েছে।’

সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি ইরাসমাস কর্মসূচির আওতায় তিনি আর্থিক সহায়তাও পেয়েছিলেন। ফ্রান্সের অনুমোদিত ভিসা আবেদন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে তিনি তিনবার আবেদন করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমবার তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয় ফ্রান্সে অবস্থানের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহের কারণে। তবে ইরাসমাস কর্মসূচির আওতায় তার আবাসন ও শিক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

দ্বিতীয়বার তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে আবেদন করেন। তার বন্ধুর আবেদন অনুমোদিত হলেও, আবারও প্রত্যাখ্যাত হয় তার আবেদন। এরপর হিজাবের কারণেই আবেদন প্রত্যাখ্যাত হচ্ছে বলে সন্দেহ হয় তার। সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ লিখিতভাবে জানার জন্য তিনি তৃতীয়বার আবেদন করেন। ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি তাদের নিজেদের ভাষায়, যাচাই করা যায় এমন লিখিত নথিতে প্রত্যাখ্যানের কারণ দেখতে চেয়েছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইমেইল ও অন্যান্য উপায়ে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ চালিয়ে গেছি। শেষ পর্যন্ত তারা আমাকে স্বাক্ষর করা একটি নথি দিতে বাধ্য হয়েছে, যেখানে মাথা খোলা ছবি চাওয়া হয়েছে।’

শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে ইস্তাম্বুলে অবস্থিত ফরাসি কনস্যুলেট জেনারেলের কাছে পাঠানো তার আবেদনপত্রের সঙ্গে ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তারিখের একটি নথি ফেরত দেওয়া হয়। ‘আত্তেসতাসিওঁ দ্য রেতুর দ্য দসিয়ে’ শিরোনামের ওই নথিতে ছবিতে মাথা খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে ফরাসি ভাষায় ‘তেত ন্যু’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ মাথা অনাবৃত রাখা।

সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ তার শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে জানান ওই শিক্ষার্থী। তিনি জানান, সুযোগটি হারিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার জীবনবৃত্তান্তে সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম যুক্ত হবে, এ নিয়ে আমি খুব উচ্ছ্বসিত ছিলাম। ভেবেছিলাম, এটি আমার সামনে আরও অনেক সুযোগের দরজা খুলে দেবে। নিজের যোগ্যতায় অর্জন করা একটি সুযোগ এভাবে হারানো খুবই কষ্টের। আমি ভীষণ হতাশ হয়েছি।’

হিজাব খুলে ছবি দেওয়ার কথা সরাসরি বলায় তাকে ধর্মীয় অনুশীলন ও শিক্ষার সুযোগের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার পক্ষে হিজাব খোলা সম্ভব নয়, কিন্তু সামনের ব্যক্তি আমার কাছে সেটিই প্রত্যাশা করছেন। আমাকে দুটি বিষয়ের মধ্যে একটি বেছে নিতে বাধ্য করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামনের ব্যক্তি নিজেকে এমন কিছু বলার অধিকারী মনে করছেন, এ বিষয়েও আমার ক্ষোভ হয়।’

নিজের অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের উদ্দেশ্য সহানুভূতি পাওয়া নয় বলে জানান ওই শিক্ষার্থী। বরং তিনি চান ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যাতে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে আগে থেকেই বিষয়টি জানতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

তিনি বলেন, ‘এখানে আমার একটি অর্জন রয়েছে। এ অর্জন নিয়ে আমি লজ্জিত হব না। হিজাব পরি বলে নিজের সাফল্যও লুকিয়ে রাখব না।’

গালাতাসারাই বিশ্ববিদ্যালয়সহ ফরাসি ভাষায় পাঠদান করা তুরস্কের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও অনেক হিজাব পরা শিক্ষার্থী রয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাঠদান ফরাসি ভাষায় হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষার্থীরা ফ্রান্সের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে যেতে চান।

তিনি বলেন, ‘আমি যদি সরবোনে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করে থাকি, তাহলে আমাকে অন্য কোনো দেশে যেতে হবে কেন?’

তিনবার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর নতুন করে আর ভিসার আবেদন করার পরিকল্পনা নেই ওই শিক্ষার্থীর। তবে তিনি চান ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন একই পরিস্থিতির শিকার না হন।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘যদি কোনো নিয়ম থাকে, তাহলে কর্তৃপক্ষের উচিত সেটি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা। প্রত্যেকের জানা উচিত, তাদের কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।’

ভিসা আবেদনকেন্দ্রের কর্মীদেরও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘কোনো একজন কর্মীর খামখেয়ালি আচরণের কারণে আমাদের যেন এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%