০৪:৩৭ পি.এম
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, জানান যে, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন।
তিনি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তিনি বলেন, আর্সেনিক ঝুঁকি দূর করতে সাধারণ জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হানিফসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আজ রায়
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এতে ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হবে।
তিনি আরও জানান, গভীর নলকূপের পাশাপাশি পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখনন সহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে আছেন, তাদের হার ২০২৬ সালের মধ্যে শতকরা ৫-৬ শতাংশে নেমে আসবে।
এছাড়া, গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে প্রাপ্ত সফলতা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান:
১। সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে খুলছে পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দ্বিতল সড়ক, টোল নির্ধারণ
২। উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
৩। পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প (সমাপ্ত): ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
৪। পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
৫। অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): ১ লাখ ৩৮ হাজার ০৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন