মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৪:০৬ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. কাওসার নামক একজন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ ১১ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখে উপজেলার রহনপুর কেটিসি পাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রহনপুর কেটিসি পাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. কাওসারকে আটক করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯-এর ১(গ) ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে আটককৃত ব্যক্তিকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আদালত আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
অভিযান পরিচালনা করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জাকির মুন্সী।
অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতে এবং জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবশেষে আহত একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার (বাঘিনী) ফিরতে চলেছে নিজের প্রাকৃতিক আবাস সুন্দরবনে।
দীর্ঘ ছয় মাস চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যার পর আগামীকাল রবিবার (১২ জুলাই) সুন্দরবনের পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক বনাঞ্চলে তাকে অবমুক্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বন বিভাগ।
বন বিভাগ জানাচ্ছে, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা পড়ে গুরুতর আহত হয়েছিল প্রায় ১০ বছর বয়সী বাঘিনীটি।
দীর্ঘ সময় ফাঁদে আটকে থাকার কারণে বাঘিনীটির সামনের বাঁ পায়ে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়েছিল। পরে বন বিভাগের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে খুলনার বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পুনর্বাসনকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে টানা ছয় মাস চিকিৎসা ও পরিচর্যার মাধ্যমে বাঘিনীকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা হয়।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন বাঘিনীটি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছে এবং শিকারের উপযোগী সক্ষমতাও ফিরে পেয়েছে। তাই তাকে তার নিজস্ব আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অবমুক্তির পর বাঘিনীটির নিরাপত্তা ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য আন্ধারমানিক এলাকার প্রায় আট কিলোমিটারজুড়ে ২০টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। যেহেতু স্যাটেলাইট কলার সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি, তাই আপাতত এই ক্যামেরার মাধ্যমেই তার চলাচল পর্যবেক্ষণ করতে হবে বন বিভাগকে।
তবে বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় বনের বাইরে থাকার কারণে বাঘিনীটি তার আগের বিচরণক্ষেত্র ফিরে পাবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রয়োজন হলে তাকে নতুন এলাকা খুঁজে নিতে হতে পারে। যদিও বন বিভাগ আশাবাদী যে, সুস্থ হয়ে ওঠা বাঘিনীটি সুন্দরবনের স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের নলডাঙ্গা পৌরসভার কুটিরপাড়া এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে ফাতেমা খাতুন (৯) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর পৌনে একটার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃত ফাতেমা খাতুন হলো কুটিরপাড়া এলাকার মো. ফিরোজ হোসেনের কন্যা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী অনুযায়ী, বাড়ির পাশে খেলাধুলার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত ফাতেমা পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুরে তাকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত উদ্ধার করে নলডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম জানিয়েছেন, মৃত শিশুটির পরিবারকে নিয়ে আলোচনা শেষে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তি নয়; এটি ভবিষ্যতের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। সরকার এআই প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এবং গবেষণা-উদ্ভাবনের জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে কাজ করছে।
আজ শনিবার (১১ জুলাই) সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ল্যাব’ এবং ‘এআই প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এআই গবেষণা ল্যাবটি গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবে। এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে সহযোগিতা করবে, গবেষণা পরিচালনা, উদ্ভাবনী প্রোটোটাইপ তৈরি এবং শিল্প-উপযোগী সমাধান উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমানে শিক্ষাসহ স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, প্রশাসন এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে এআই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসছে। তাই নতুন বাংলাদেশ গড়তে, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা অপরিহার্য।
মন্ত্রী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি নির্মাণ করছে এবং ভবিষ্যতে উপযোগী দক্ষ জনসংখ্যা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এআই গবেষণা ল্যাব দেশের শিক্ষা, শিল্প এবং সরকারের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করবে এবং একটি শক্তিশালী উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা পালন করবে।
এছাড়া, মন্ত্রী জানান, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বাস করেন আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামীকাল বাংলাদেশের মূল শক্তি হবে। এআই এখন আর কেবল একটি প্রযুক্তি নয়, বরং এটি অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দু। আমাদের লক্ষ্য হবে আইসিটি খাতে আগামী ৫ বছরে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।'
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ১৪৫টি এআই প্রকল্পের মধ্যে থেকে সম্ভাবনাময় ও সেরা প্রকল্পগুলোকে সরকার এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের স্টার্টআপ ফান্ড ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে। তাছাড়া, সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানের জন্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
উল্লেখ্য, উদ্বোধিত ল্যাবে ফ্রন্ট ল্যাব হিসেবে ২৫টি এনভিডিয়া ডিজে স্পার্ক (NVIDIA DJ Spark) পিসি এবং ৫টি বিশেষায়িত আরটিএক্স ৩০৬০ ও ৪০৯০ (RTX 3060 / 4090) জিপিইউ সমৃদ্ধ শক্তিশালী কম্পিউটার রয়েছে। বাস্তব জীবনের জটিল সমস্যা সমাধান, এআই এজেন্ট ডেভেলপমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক প্রোডাক্ট সলিউশন তৈরির জন্য ল্যাবটিতে ৫ জন পূর্ণকালীন দক্ষ গবেষক নিযুক্ত রয়েছেন। ল্যাবটির গবেষক দল ইতোমধ্যে ‘এআই প্রফেসর’, ‘এআই প্রক্টর’ এবং ‘এআই রেজিস্ট্রার’-এর মতো যুগান্তকারী সলিউশন তৈরি করেছে এবং বর্তমানে তাদের ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে।
মন্ত্রী পরে এআই প্রকল্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী ১৪৫টি প্রকল্পের মধ্যে ৬ ক্যাটাগরিতে ১২টি বিজয়ী দলকে পুরস্কার বিতরণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আর. কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সামস ইকবাল এবং কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সারওয়ার হোসেন মোল্লাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘গাছ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জন্মের পর প্রত্যেক মানুষের অন্তত একটি করে গাছ লাগানো উচিত।’
আজ শনিবার (১১ জুলাই) বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও ৭ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। সড়কের পাশে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বাড়ির আঙিনায় বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। পুরো দেশকে যেন ডাস্টবিনে পরিণত না করি। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।’
স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবার ও বিদ্যালয় থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের শিক্ষা শুরু হওয়া উচিত। গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ছোটবেলা থেকেই।’
এর আগে প্রতিমন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শহর প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি জেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়ে যায়। পরে তিনি অতিথিদের সঙ্গে বৃক্ষমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার হাছান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্যসচিব মোজাফফর রহমান আলম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. শাহীন কবির জানান, ১১ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির চারা প্রদর্শন ও বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ