ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাগেরহাটে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কোরিয়ান প্রতিনিধিদলের আলোচনা


বাগেরহাটে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কোরিয়ান প্রতিনিধিদলের আলোচনা

বাগেরহাটের উন্নয়ন, নগর পরিকল্পনা, পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কোরিয়ান প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সাবেক সচিব ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, কোরিয়ান প্রতিনিধি দলের সদস্য হাইয়ুম ডং সং ও জে কে মুন এবং বাগেরহাটের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সরকার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে: মীর শাহে আলম

মতবিনিময় সভায় বাগেরহাটের নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা, পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থা, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া জেলার উন্নয়ন কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সভায় বাগেরহাটের বিদ্যমান উন্নয়ন সম্ভাবনা কাজে লাগানো, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কোরিয়ান প্রতিনিধি দলের এ সফরের মাধ্যমে বাগেরহাটের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, পর্যটন ও নগর উন্নয়ন খাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জকিগঞ্জে ৫১ কৃষকের মাঝে ৫৩ লাখ ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


জকিগঞ্জে ৫১ কৃষকের মাঝে ৫৩ লাখ ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ বিতরণ

সিলেটের জকিগঞ্জে সাতটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫১ জন কৃষকের মধ্যে ৫৩ লাখ ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা মিলনায়তনে কৃষিঋণ প্রচারণা, আলোচনা সভা ও প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ ঋণ বিতরণ করা হয়।

জকিগঞ্জে সোনালী ব্যাংক পিএলসির নেতৃত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজিত কুমার চন্দ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক সুব্রত তালুকদার।

মানচিত্র দেখুন

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সুজিত কুমার চন্দ বলেন, ‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ তিনি জমি পতিত না রেখে চাষাবাদ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকেরা স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

বক্তারা জানান, মাত্র ১০ টাকা খরচে কৃষি হিসাব খুলে কৃষিঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। জমির পর্চা, খাজনার কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও কৃষি কার্ড থাকলে ঋণের জন্য আবেদন করা যায়। জমির মালিক না হলেও বর্গাচাষিরা জমির মালিকের লিখিত প্রত্যয়ন নিয়ে ঋণ পেতে পারেন। তাঁরা আরও জানান, আবেদনের সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

কৃষকদের সুদখোর মহাজনের পরিবর্তে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। একই সঙ্গে এনজিও ও সমবায়ের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। বক্তারা বলেন, কৃষিঋণ কোনো প্রণোদনা বা ভাতা নয়, এটি পরিশোধযোগ্য ঋণ। তাই নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সোনালী ব্যাংক জকিগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মো. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিস সিলেট নর্থের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিমাংশু আচার্য্য এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক সিলেটের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান শাহীর।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক জুবায়ের আহমদ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ লস্কর, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, সীমান্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপক প্রবীর দেবনাথ, জুলাই যোদ্ধা আব্দুল মালেক, কৃষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন হৃদয় রঞ্জন বিশ্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত বান্দরবান ও পার্বত্য জেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত বান্দরবান ও পার্বত্য জেলা

বান্দরবান সহ তিন পার্বত্য জেলা দুর্গাপূজার টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে তিন জেলার ৬০ ভাগ হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসের বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। হোটেল-মোটেল ও টুরিস্ট যানবাহন সংশ্লিষ্টরা শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। পর্যটকদের ভ্রমণকে নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পর্যটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

প্রতি বছর দুর্গাপূজার ছুটিতে বান্দরবান সহ তিন পার্বত্য জেলায় অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটে। শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে নতুনভাবে সাজিয়ে পর্যটকদের সেবা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিন সরকারি ছুটি এবং শুক্র ও শনিবার মিলে টানা ৫ দিন ছুটি রয়েছে। এছাড়া ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৫ দিন সহ সপ্তাহের শুরু এবং শেষে ২ দিন শুক্র ও শনিবার থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূজা উপলক্ষে ১০ দিনের টানা ছুটি পাচ্ছে।

দুর্গাপূজার এই টানা ছুটিতে বান্দরবান জেলার মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, নীলগিরি, নীল দিগন্ত, বগালেক সহ জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে। এদিকে, পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন যে এবারের পূজার দীর্ঘ ছুটিতে প্রচুর পর্যটক বান্দরবানে সমাগম ঘটবে। ইতোমধ্যে জেলার বেশির ভাগ হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসের বুকিং হয়ে গেছে।

জেলা সদরের হিলটন হোটেলের ম্যানেজার এস এম আক্কাস উদ্দিন জানিয়েছেন, "আমাদের হোটেলের ৭২টি রুমের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে এবং পূজার ছুটি শুরু হলেই আরও পর্যটক আসবে। আমরা ভ্রমণকারীদের সার্বিক সেবা দিতে প্রস্তুত।"

বান্দরবানের ক্লাউডি ইন রিসোর্টের ম্যানেজার মো. হাসান জানিয়েছেন, "পূজার ছুটি উপলক্ষে আমাদের বেশিরভাগ রুম বুকিং হয়েছে। আমরা পর্যটকদের বরণের অপেক্ষায় রয়েছি।" তিনি আরও জানান, বান্দরবানে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার জন্য প্রতিটি হোটেল-রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ সচেতন এবং সর্বোচ্চ সেবা দিতে কাজ করছে। প্রশাসন প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ী এবং পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নিয়মিত কাজ করছে। বান্দরবান জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ নাজনীন সুলতানা ও পুলিশ সুপার মো: ওহাবুল ইসলাম জানিয়েছেন, এবারের পূজায় পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ সহজ করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জসীম উদ্দিন বলেন, "সকল হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো আমরা নতুন আঙ্গিকে সাজানো এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য সকল মালিককে নির্দেশনা দিয়েছি। সেই মোতাবেক পর্যটক বরণের জন্য সবাই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।"

তিনি আরও জানান, বেশিরভাগ হোটেল-রিসোর্টগুলোতে নানা ধরনের সংস্কার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অসংখ্য পর্যটনকেন্দ্র এবং শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্টের পাশাপাশি জেলায় প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ী রয়েছে এবং প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত নিরাপত্তার কাজ করছে।

হোটেল-মোটেলের পাশাপাশি জেলায় পর্যটকদের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরানোর জন্য ইতিমধ্যে বুকিং হচ্ছে বিভিন্ন পর্যটকবাহী যানবাহন। এদিকে, পূজার টানা ছুটিতে পর্যটকদের আগমনে ব্যবসায়িকভাবে বাড়তি লাভবান হওয়ার প্রত্যাশা করছেন হোটেল, মোটেল ও কটেজ ব্যবসায়ী এবং পর্যটকবাহী যানবাহন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

বান্দরবান মাইক্রোবাস, জীপ ও পিক আপ মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি নাসিরুল আলম জানান, "আমরা আমাদের সকল চাঁদের গাড়ী সহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট (ট্যুরিষ্টবাহী যানবাহন) কাজ করে ফিট রেখেছি। আমরা আশা করছি, টানা ছুটিতে দেশি বিদেশি পর্যটক বান্দরবানে আসবে এবং আমরা তাদের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করাতে সক্ষম হবো।"

এদিকে, টানা ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে নিরাপদে বান্দরবানে ভ্রমণ করতে পারে, সেজন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাকফুল ও সালোয়ারে হত্যা মামলার ২ আসামী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


নাকফুল ও সালোয়ারে হত্যা মামলার ২ আসামী গ্রেফতার

মরদেহের নাকে থাকা একটি নাকফুল এবং ঘরে থাকা অন্য সালোয়ারের থান কাপড়ের মিল— এই দুটি সূত্রের ভিত্তিতে প্রায় দুই মাস পর পুলিশ একটি সুচতুর ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ক্লুলেস’ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে মোংলা থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভিকটিমের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, পাশাপাশি নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করে মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ রেফাতুল ইসলাম জানান, মোংলা থানায় দায়েরকৃত একটি নিখোঁজ জিডির সূত্র ধরে দীর্ঘ তদন্তের পর আমরা ভিকটিমের পরিচয় নিশ্চিত হতে পেরেছি এবং ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।

এ সময় মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এএসপি মোঃ রেফাতুল ইসলাম জানান, গত ১৪ আগস্ট মোংলা ফেরিঘাট এলাকা থেকে নিখোঁজ হন বাগেরহাটের মোংলা থানার মালগাজী গ্রামের বাসিন্দা আসমা বেগম (৩৯)। তিনি আঃ জবেদ আলী ও করিমন বিবির কন্যা। নিখোঁজের ছয় দিন পর, ২০ আগস্ট খুলনার বটিয়াঘাটা থানাধীন কাজীবাছা নদী থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে রূপসা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

পরবর্তীতে নৌ পুলিশের বেতার বার্তায় প্রচারিত ছবি দেখে মোংলা থানা পুলিশ নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরিবারের সদস্যরা জানান, নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিহিত সালোয়ারটির রঙ ও নকশার সাথে নিহতের বাসায় রাখা আরেকটি সালোয়ারের হুবহু মিল রয়েছে—যা একই থান কাপড় থেকে তৈরি করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি মরদেহের নাকে থাকা নাকফুলটি দেখে পরিবার নিশ্চিত করে যে নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ আসমা বেগমেরই।

ভিকটিমের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মোংলা থানা পুলিশ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে দুই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন: দাকোবের লাউডোরের ইকরামুল শেখ (৪০) ও ঝালকাঠির নলছিটির মো. মীর আলী (৪৮)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ১ নম্বর আসামি ইকরামুল শেখ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের পারিপার্শ্বিকতা ও মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পাওয়া গেছে। এছাড়া আসামির কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

একটি সাধারণ নিখোঁজ জিডি থেকে শুরু করে দীর্ঘ ৬০ দিনের জটিল তদন্তের পর ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের পর গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা শেষে বুধবার বিকেলে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজার আগে বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকদের ধর্মঘট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


দুর্গাপূজার আগে বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকদের ধর্মঘট

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে দুর্গাপূজার আগে বোনাসের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন মিরতিংগা চা বাগানের শ্রমিকরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলনে শ্রমিকদের কণ্ঠে ছিল ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবি।

এ সময় শ্রমিকদের মাথা ও হাতে কালো পতাকা ছিল। সাদা কাগজে কালো অক্ষরে লেখা ছিল, "রুটি-রুজির সংগ্রাম চলছে, চলবে, বেতন নিয়ে টালবাহানা চলবে না।"

শ্রমিকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর চা উৎপাদনে শ্রম দিলেও উৎসবের আগে প্রাপ্য বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়তে হচ্ছে। পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করার কথা যে সময়ে, সে সময়েই নিজেদের পাওনা আদায়ে রাজপথের আন্দোলনের পথ বেছে নিতে হয়েছে তাঁদের।

শ্রমিকরা জানান, প্রতিবছর দুর্গাপূজার আগে তারা ৬০ শতাংশ হারে বোনাস পেয়ে আসছেন। কিন্তু এবার বাগান কর্তৃপক্ষ ৩০ শতাংশ বোনাস দেওয়ার কথা বলেছে। এতে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা পূর্ণ বোনাসের দাবিতে একজোট হয়েছেন। বুধবারের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

চা শ্রমিক রিতা পাইনকা, শান্তি তাঁতি, আলন্তী উরাং, মানিক প্রসাদ, লেবুলাল বাউরী ও সুমন কুর্মীসহ আন্দোলনকারীরা জানান, সারা বছর কঠোর পরিশ্রম করে চা উৎপাদন সচল রাখেন তারা। অথচ উৎসবের সময় নিজেদের পাওনা নিয়েই অনিশ্চয়তায় থাকতে হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, বাগানে লোকসান না থাকলেও শ্রমিকদের বোনাসের ক্ষেত্রে টালবাহানা করা হচ্ছে। পূর্ণ বোনাস না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তারা।

বাগানের সাবেক সভাপতি নিরঞ্জন তন্তবাই ও বর্তমান সভাপতি মন্টু অলমিক বলেন, আশপাশের চা বাগানগুলোতে শ্রমিকেরা বেতন-বোনাস পেলেও মিরতিংগার শ্রমিকেরা এক সপ্তাহের মজুরি ও দুর্গাপূজার বোনাস পাননি। শ্রমিকদের পাওনা দ্রুত পরিশোধ না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

মিরতিংগা চা বাগানের ব্যবস্থাপক রেজাউল হায়াত খান (ইমন) বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলন যৌক্তিক। বোনাস দেওয়ার জন্য কৃষি ব্যাংকের কাছে ঋণ চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রত্যাশিত অর্থ না পাওয়ায় পূর্ণ বোনাস দেওয়ার ব্যবস্থা করা যায়নি। অর্ধেক বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও শ্রমিকেরা তা গ্রহণ করছেন না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%