ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেলুচিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩০ জনের প্রাণহানি


বেলুচিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩০ জনের প্রাণহানি

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি কোস্ট গার্ড ক্যাম্পে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র সংগঠন বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।

সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর ৩০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন এবং অন্য অনেক আহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

শনিবার (৪ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিএলএ জানায়, এ হামলা শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে গোয়াদর জেলার উপকূলীয় শহর জিওয়ানির পানওয়ান কোস্ট গার্ড ক্যাম্পে ঘটেছে যেখানে বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন

বিএলএর দাবি অনুযায়ী, তাদের মজিদ ব্রিগেডের সদস্য আতাউল্লাহ বেলুচ, যিনি আজমল নামেও পরিচিত, নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করে বিস্ফোরকভর্তি গাড়িটি ক্যাম্পের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে বিস্ফোরণ ঘটান। বিএলএ জানায়, এটি ছিল একটি সুইসাইড ভেহিকল-বোর্ন ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস হামলা এবং এটি একটি সমন্বিত অভিযানের অংশ।

এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত ক্যাম্পটি হঠাৎ বিস্ফোরণে উড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য বেলুচিস্তান পোস্ট-এর প্রতিবেদনে বিএলএর মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ দাবি করেন, বিস্ফোরণের ফলে কোস্ট গার্ডের ঘাঁটিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার পর সংগঠনের ‘ফাতেহ স্কোয়াড’ ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্যাম্পে চারদিক থেকে আক্রমণ চালিয়েছে।

বিএলএ দাবি করে, তাদের হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর ৩০ জনেরও বেশি সদস্য নিহত ও বহু সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা সদস্যদের কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

অন্যদিকে, হামলার পরও বেলুচিস্তান প্রাদেশিক সরকার বা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। ফলে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বেলুচিস্তানে দীর্ঘকাল ধরে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিককালে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমতী বেড়িবাঁধের ৩ কোটি টাকার সোলার লাইট নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


গোমতী বেড়িবাঁধের ৩ কোটি টাকার সোলার লাইট নিখোঁজ

সরকারি অর্থে নির্মিত তিন কোটি টাকার সোলার আলোকায়ন প্রকল্পের একটি বড় অংশ এখন কার্যত লুট হয়ে গেছে। কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ সড়ক থেকে ধাপে ধাপে চুরি হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক সোলার সড়কবাতি। এর ফলে অন্ধকারে ডুবে গেছে সীমান্তমুখী গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক, যা ছিনতাই ও অপরাধের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক লাইট উধাও হয়ে গেলেও তা ঠেকাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সরেজমিনে দেখা যাচ্ছে, পাঁচথুবী ইউনিয়নের গোলাবাড়ি থেকে টিক্কারচর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়কের অধিকাংশ লাইট পোস্টে বাতি নেই। টিক্কারচর গোমতী সেতুর ওপরেও একই চিত্র বিরাজ করছে। অনেক পোস্টের মাথায় শুধু সোলার প্যানেল ঝুলছে, আর বাতিসহ সামনের অংশ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়াও, কোথাও কোথাও পুরো খুঁটিই উপড়ে ফেলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পালপাড়া থেকে গোলাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সড়কে মোট পাঁচশ’র অধিক সোলার লাইট স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিটি লাইট স্থাপনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৮ হাজার টাকা। এই হিসাব অনুযায়ী প্রকল্পের মোট ব্যয় ছিল প্রায় তিন কোটি টাকা। বর্তমানে প্রায় দুই শতাধিক লাইট চুরি যাওয়ায় সরকারি অন্তত সোয়া কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

স্থানীয়দের বলার মতে, লাইটগুলো একদিনে চুরি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ধাপে ধাপে এগুলো খুলে নেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো দফতর বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা নিয়মিত তদারকি না করায় চোরেরা নির্বিঘ্নে সরকারি সম্পদ সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।

পাঁচথুবী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী তানভীর আহমেদ রাহুল উক্ত বিষয়ে বলেন, ‘সীমান্তমুখী এই সড়কটি চোরাকারবারিদের চলাচলের পথ হওয়ায় তারা নিজেদের সুবিধার জন্য পরিকল্পিতভাবে সোলার লাইট নষ্ট ও চুরি করেছে। এখন অন্ধকারের সুযোগে ছিনতাইকারীদের উৎপাতও বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও সক্রিয় নজরদারি থাকলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোলার লাইট স্থাপনের পর রাতেও নিরাপদে চলাচল করা যেত। ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষ গভীর রাত পর্যন্ত এ সড়ক ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা অন্ধকারে ঢেকে যায়। প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাতে এ পথে চলাচলের সাহস পান না। তাদের প্রশ্ন হলো, শত শত লাইট একের পর এক খুলে নেয়া হলেও কেউ কেন তা টের পেল না? সরকারি সম্পদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর জবাবদিহি কোথায়?

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, সোলার লাইট চুরির বিষয়টি জানার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বাস্তবে সন্ধ্যার পর পুরো সড়কটি অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে অনিরাপদ হয়ে পড়ে। তিনি বলেন, খুব দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে; একইসঙ্গে দায়ীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুনরায় সড়কে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।

সরকারি অর্থে বাস্তবায়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের শত শত সোলার লাইট কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে চুরি হলো, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর কোনো গাফিলতি ছিল কি না, এসব প্রশ্নের উত্তর এখন জানতে চান স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাদের দাবি, শুধু তদন্ত কমিটি নয়, দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সীমান্ত সড়কে পুনরায় আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক জোরদারে কিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত সি চিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক জোরদারে কিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত সি চিনপিং

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং বলেছেন, তিনি উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী, সুদৃঢ় ও স্থিতিশীল উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছেন। রোববার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে। গত মাসে সি চিনপিংয়ের বিরল উত্তর কোরিয়া সফরের পর দুই নেতার মধ্যে এই বার্তা বিনিময় হল। ওই সফরে তারা কোরীয় উপদ্বীপে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার করেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। কেসিএনএর খবরে বলা হয়, গত ১ জুলাই চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোর জন্য কিম জং উনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সি একটি বার্তা পাঠান। ওই বার্তায় সি বলেন, কিমের শুভেচ্ছা বার্তা থেকে উত্তর কোরিয়ার নেতা, দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি এবং জনগণের পক্ষ থেকে চীনের প্রতি আন্তরিক ও উষ্ণ অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টি’ এবং ‘কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টি’—উভয়ই মার্কসবাদী আদর্শে পরিচালিত ক্ষমতাসীন দল। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশ জাতীয় স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে একে অপরের পাশে থেকেছে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করেছে। সি আরও বলেন, ‘আমি উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অঞ্চলগুলো আমাদের মধ্যে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত আছি, এবং চীন-ডিপিআরকে (গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া) সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে সুদৃঢ় ও স্থিতিশীল উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে চাই।’ সম্প্রতি পিয়ংইয়ং সফরের প্রসঙ্গ তুলে সি বলেন, সফরকালে কিমের আন্তরিক ও উষ্ণ আতিথেয়তার জন্যও ধন্যবাদ জানান। সি চিনপিংয়ের এই বার্তাটি ছিল কিম জং উনের পাঠানো একটি চিঠির জবাব। ওই চিঠিতে কিম পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত তাদের শীর্ষ বৈঠককে ‘একটি ঐতিহাসিক উপলক্ষ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃড় করায় উত্তর কোরিয়ার ‘অবস্থান অটল’। এদিকে, উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তার জন্য পিয়ংইয়ং সৈন্য ও গোলাবারুদ পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, এসবের মধ্যেও চীনই উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অংশীদার। দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯৮ শতাংশই চীনের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যা–ই ঘটুক, আজ ওয়াশিংটনে বক্তব্য রাখব: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪২ এম


যা–ই ঘটুক, আজ ওয়াশিংটনে বক্তব্য রাখব: ট্রাম্প

প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে, শনিবার রাতে স্থানীয় সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি পূর্বনির্ধারিত ভাষণ দেবেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘যা–ই ঘটুক, আমি ভাষণ দেবই’।

ট্রাম্পের ভাষণের চলাকালে চরম প্রতিকূল আবহাওয়া বাধা সৃষ্টি করেছে। সম্ভাব্য বজ্রঝড়ের কারণে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মল থেকে কিছু হাজার মানুষকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হলেও, অনুষ্ঠানের আয়োজন বাতিল করা হয়নি। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ফ্রিডম ২৫০’ নিশ্চিত করেছে, স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় রবিবার সকালে) ট্রাম্প ভাষণ দেবেন। পরে প্রায় ৪০ মিনিটের আতশবাজির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

ট্রাম্পের ভাষণ নিয়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ন্যাশনাল মলে হাজার হাজার সমর্থক জড়ো হন। বজ্রঝড়ের আশঙ্কায় তাদের সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হলে কিছু সময় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। কিছু জন দ্রুত অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন, আবার কেউ সেখানে অবস্থান অব্যাহত রাখেন। অনেককে ‘ট্রাম্প, ট্রাম্প’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাকর্মীরা পুলিশি সহায়তায় উপস্থিত জনতাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যান।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তির এই আয়োজনের মধ্যে রয়েছে কয়েক ঘণ্টার সামরিক বিমান মহড়া, নির্বাচনী প্রচারণার আদলে একটি রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বর্ণাঢ্য আতশবাজির আয়োজন। আয়োজকেরা এটিকে স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজনগুলোর একটি বলছেন।

এর পূর্বে, ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ওয়াশিংটনে মানুষের উপস্থিতি ‘অবিশ্বাস্য’। শুক্রবার রাজধানীতে তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ৬২ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা র্যান্ডি কোল জানান, দেশের স্বাধীনতার জন্য মানুষের আত্মত্যাগের তুলনায় এই গরম সহ্য করা খুবই সামান্য বিষয়।

প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প বললেন, গরম তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘আমি খুব দীর্ঘ একটি বক্তৃতা দেব, শুধু এটা দেখানোর জন্য যে আমি সবকিছুই করতে পারি।’

এর আগের দিন, ট্রাম্প দক্ষিণ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের ঐতিহাসিক মাউন্ট রাশমোর স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক চার প্রেসিডেন্ট-জর্জ ওয়াশিংটন, টমাস জেফারসন, আব্রাহাম লিংকন এবং থিওডোর রুজভেল্টের পাথুরে ভাস্কর্যের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি ভাষণ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তদারকির নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তদারকির নির্দেশ

দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

একই সঙ্গে তারাও নির্দেশ দিয়েছে, প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করতে হবে, আকস্মিক পরিদর্শন করতে হবে এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে গত বুধবার (১ জুলাই) একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে হবে এবং তাই প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শয্যা সংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক।

বিশেষ করে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে ন্যূনতম পাঁচজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি রাখা আবশ্যক।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সিভিল সার্জনদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-র নিবন্ধন নম্বর এবং মোবাইল নম্বরসহ তথ্য সংগ্রহ করা, এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করা।

এছাড়া কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যদি নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকেন কিংবা ভুয়া বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করা হয়, তাহলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পাঠাতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমীর স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে রোগীরা আরো নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন।

অন্যদিকে, কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা বা চিকিৎসক সংকট গোপনের মতো অনিয়মও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%