শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৬ পি.এম
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলার উদ্দেশ্যে সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের বামনগাঁও এলাকায় ইউনিয়ন বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক ও আগামী ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী মোস্তাক আহমেদ পলাশের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির দিকনির্দেশনায় ইউনিয়নভিত্তিক সবুজায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে বামনগাঁও এলাকায় ফলজ, বনজ ও ভেষজ ৫০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খারনৈ ইউনিয়নে আরও ৩ হাজার বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ এবং প্রতিটি পরিবার ও প্রতিবেশীকে পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এই উদ্যোগকে তৃণমূল পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজায়নে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
মোস্তাক আহমেদ পলাশ মন্তব্য করেন, “বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের প্রত্যেক মানুষকে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো খারনৈ ইউনিয়নকে আরও সবুজ ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা।” তিনি আরও বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা, পরিবেশ সচেতনতা ও জনকল্যাণের চেতনা থেকে এ কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত করা হবে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণকে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলী, খারনৈ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বাবুল মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শহীদ উল্লাহ শহীদ, উপজেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক এরশাদ আকঞ্জি, সদস্য সচিব মো. আনিসুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. হানিফ মিয়া, শ্রমিক দলের নেতা মো. নুর উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কর্মরত ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ’(ইমক্যাব)-এর নির্বাচনে শাহীন চৌধুরী (ত্রিপুরা এক্সপ্রেস) সভাপতি হিসেবে এবং মাছুম বিল্লাহ (দৈনিক যুগশঙ্খ ও ইস্টার্ন ক্রনিকল) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার রাতে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত ইমক্যাব নাইট ও দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিত কমিটির অন্য সদস্যরা আগামী দুই বছরের জন্য হলেন সহ-সভাপতি রাজীব খান (টিভি ৯), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর আফরোজ জামান (ইউএনআই), কোষাধ্যক্ষ আবু আলী (আমার অসম) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক ভুইয়া (ত্রিপুরা দর্পণ)। কার্যনির্বাহী সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাসুদেব ধর (দৈনিক স্টেটসম্যান), রফিকুল ইসলাম সবুজ (দৈনিক দেশের কথা), নির্মল চক্রবর্তী (ফেইস নিউজ), জাকির হোসেন (দৈনিক স্যান্দন) ও মনির হোসেন (ত্রিপুরা টাইমস)।
ইমক্যাব নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণের নির্ধারিত তারিখ ছিল ৫ সেপ্টেম্বর।
গত ২৯ আগস্ট ছিল মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমা দেওয়ার শেষ সময়। তবে, সকল পদে একটি করে মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি দৈনিক এই সময়ের প্রতিনিধি কুদ্দুস আফ্রাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইমক্যাব নাইটে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকুল ভি.কে, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুইয়া, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বাংলাদেশ শাখার সভাপতি সোমনাথ দে, ইমক্যাবের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও উপদেষ্টা ফরিদ হোসেন, উপদেষ্টা সোহরাব হাসান, উপদেষ্টা ও পিটিআই প্রতিনিধি আনিসুর রহমান, ইমক্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ প্রমুখ।
সবশেষে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ট্রাফিক পাইলটিং শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে পৌর শহরের ট্রাফিক পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গফরগাঁও পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ইউসুফ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গফরগাঁও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফ রব্বানী, গফরগাঁও থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান সেখ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, গফরগাঁও রেলওয়ে পুলিশ এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গফরগাঁও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে পৌর শহরের তিনটি পয়েন্টে জামতলা মোড়, রেলওয়ে স্টেশন ও পাটমহাল মোড়ে ২ জন আনসার এবং ১ জন পুলিশসহ মোট ৯ জন ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া কিছু এন্ট্রি পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান, স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মুকিত মজুমদারকে সম্মান জানিয়ে সম্বর্ধনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের গজনি এলাকায় বনরানী রিসোর্টে শেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এই সংবর্ধনা আয়োজন করা হয়।
সম্বর্ধনা শেষে বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয় এবং মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মুকিত মজুমদার। তিনি বলেন, "আমাদের পারিবারিকভাবে যেমন শিশুদেরকে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষাদান করা হয়, ঠিক তেমনিভাবে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি প্রকৃতি ও জীবন বিশেষ করে পরিবেশ রক্ষা এবং এর গুরুত্ব নিয়ে শিশুদেরকে শিক্ষাদান জরুরী।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেরপুর সীমান্তে মহা বিপন্ন এশিয়ান প্রজাতির বন্য হাতি রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, "হাতিকে হাতির জাগায় থাকতে দিতে হবে, হাতির চলাচলের রাস্তায় বাঁধা দেওয়া যাবেনা, হাতির পর্যাপ্ত খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হবে, অযথা হাতিকে উত্যক্ত বা হাতির উপর চড়াও হওয়া যাবে না।"
এছাড়া, তিনি স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "আমাদের দেশে বেকার সমস্যা এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কর্মসংস্থান এবং জমির পরিমাণ সংকুচিত হয়ে আসছে। এ কারণে সমাজে বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। মানুষ তার চাহিদার কারণে বনের জায়গায় বসতি স্থাপন করছে এবং বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে পড়ছে।"
মুকিত মজুমদার আরও বলেন, "যার কারণে বন এলাকায় শুধু বন্যহাতি নয়, বিভিন্ন বন্যপ্রাণী এবং জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে।"
সম্বর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল কাদির, সাধারণ সম্পাদক লেখক জ্যোতি পোদ্দার, সমন্বয়ক সাংবাদিক হাকিম বাবুল, পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর সভাপতি সাংবাদিক রফিক মজিদ এবং প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের উপদেষ্টাদের মধ্যে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, এস এম আবু হান্নান, শেরপুর বার্ড কনজারভেশন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জামান এবং নারী উদ্যোক্তা নাহিদ রহমান জুলি, ফজিলা আক্তার শিল্পী, উম্মে কুলসুম রত্না, অংকন শিল্পী মোবারক হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৈনিক প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকা সংস্করণের সম্পাদক এবং সিলেট প্রেসক্লাব-মহিবুন্নেছা পদকের প্রবর্তক সাংবাদিক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সিলেট প্রেসক্লাবের ঐতিহ্য, সুনাম ও পেশাদারিত্ব রক্ষা করা যায়।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সিলেট প্রেসক্লাব দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতা ও পেশাগত উৎকর্ষের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানের একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। বর্তমান প্রজন্মের সাংবাদিকদের উপর সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার দায়িত্ব বর্তায়। সিলেটের সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের মাধ্যমে যে সুনাম অর্জন করেছেন, তা ধরে রাখতে হবে। শনিবার সিলেট প্রেসক্লাব ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূরের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন। সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত বিভিন্ন বিষয় ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন আরও বলেন, "একটি প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও সুনাম একদিনে তৈরি হয় না। এটি দীর্ঘ সময়ের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গড়ে ওঠে।" তাই সিলেট প্রেসক্লাবের অর্জিত ঐতিহ্য ও সুনাম রক্ষার জন্য সাংবাদিক সমাজকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি সিলেট প্রেসক্লাবের আরও সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে মুকতাবিস উন নূর বলেন, "সাংবাদিকতায় ইব্রাহীম চৌধুরী খোকনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্ব রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে তাঁর পেশাদারিত্বের প্রতিফলন স্পষ্ট।" তিনি সিলেট প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার জন্য তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
মতবিনিময় সভায় সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিনিয়র সদস্য আব্দুল মালিক জাকা, দৈনিক সিলেট মিররের প্রধান সম্পাদক জিয়াউস শামস শাহীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ হান্নান, সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান আতা, সহ-সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক শেখ আশরাফুল আলম নাসির, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মুহিবুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস হাবিব কলিন্স, সিনিয়র সদস্য কামকামুর রাজ্জাক রুনু, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ সোহেল, সিনিয়র সদস্য চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, সদস্য আহমদ মারুফ, সিন্টু রঞ্জন চন্দ, শফিক আহমদ শফি, একে কাওছার, আব্দুল হান্নান, দৈনিক জালালাবাদের ফটো সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, ভাসানী ফাউন্ডেশনের মাহমুদুর রহমান চৌধুরী ওয়েছ এবং ইংরেজি প্রশিক্ষক আহমেদ ইয়াসিনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ