ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে? সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব কার


অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে তালাক দেওয়া যাবে? সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব কার

স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় কি তাকে তালাক দেওয়া যায়? তালাক দিলে কত দিন পর তা কার্যকর হবে? সন্তানের হেফাজত ও ভরণপোষণের দায়িত্ব কার ওপর থাকবে? এ বিষয়ে আইন কী বলে?

মৌলভীবাজার থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি এসব বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। তার স্ত্রী প্রায়ই তাকে না জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান। এ ছাড়া একাধিক পুরুষের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। বিষয়টি জানার পর নিষেধ করলেও স্ত্রী তার কথা শোনেন না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করা সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তার স্ত্রীর ভাষ্যমতে, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নিয়ম, তালাক কার্যকর হওয়ার সময় এবং সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে জানতে চেয়েছেন ওই ব্যক্তি।

আরও পড়ুন: হাটহাজারীতে অটোরিকশাচালক তুষার হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৭

এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভ্র সিনহা রায়।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তালাক দেওয়া যাবে কি?

বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায়ও তালাক দেওয়া যায়। তবে এ ক্ষেত্রে তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে, তালাক উচ্চারণের পর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও নোটিশের অনুলিপি পাঠাতে হবে। কর্তৃপক্ষ নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত সাধারণত তালাক কার্যকর হয় না। স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকলে ৯০ দিন অথবা গর্ভাবস্থার অবসান—যেটি পরে ঘটবে, তার আগে তালাক কার্যকর হবে না।

আরও পড়ুন: নাহরিন ইসলাম খান প্রধান তথ্য কমিশনার নিযুক্ত

অর্থাৎ, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকলে সন্তান জন্মের পরও ৯০ দিনের সময়সীমা শেষ না হলে তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আবার নোটিশ পাওয়ার ৯০ দিন পার হলেও সন্তান প্রসব না হলে গর্ভাবস্থার অবসান পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

সন্তানের হেফাজত ও ভরণপোষণের দায়িত্ব কার?

তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে, তা নির্ধারণে সন্তানের বয়স, পরিস্থিতি এবং তার সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করা হয়। মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, সাধারণত ছেলে সন্তান সাত বছর বয়স পর্যন্ত এবং মেয়ে সন্তান বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত মায়ের হেফাজতে থাকতে পারে। তবে এটি সব পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত নিয়ম নয়। সন্তানের কল্যাণ বিবেচনায় আদালত ভিন্ন সিদ্ধান্তও দিতে পারেন।

সন্তানের হেফাজত মায়ের কাছে থাকলেও তার ভরণপোষণের দায়িত্ব সাধারণত বাবার ওপর বর্তায়। সন্তানের প্রয়োজন, ভরণপোষণের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন: নাটোরের বিচারক আব্দুল মালেক অক্সফোর্ডের এআই আইন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ

আইনি জটিলতা এড়াতে করণীয়

তালাকের সিদ্ধান্ত নিলে আইন অনুযায়ী লিখিত নোটিশ দেওয়া, স্ত্রীর কাছে নোটিশের অনুলিপি পাঠানো এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। নিয়ম না মেনে তালাকের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া সন্তানের হেফাজত, ভরণপোষণ ও অন্যান্য পাওনা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে পারিবারিক আদালতের আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে।

তাহলে তালাকের আগে পারিবারিক আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া এবং সম্ভব হলে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা উচিত।

আরও পড়ুন: নারীকে নিয়ে নিজের রিসোর্টে এনসিপি নেতা শৈক্যচিং মার্মার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা বিএনপির রমিজ উদ্দিনকে শোকজ নোটিশ, সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ এম


কুমিল্লা বিএনপির রমিজ উদ্দিনকে শোকজ নোটিশ, সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা

মেঘনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেনকে (৭২) লাঞ্ছিত করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেমের স্বাক্ষরিত চিঠিটি রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ৮ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রশাসন আয়োজিত সভায় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেনের গলা চেপে ধরে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও মারধরের মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন রমিজ উদ্দিন লন্ডনী।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি নির্দেশ দিয়েছে যে, রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর বিরুদ্ধে কেন দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা লিখিতভাবে আগামী সাত দিনের মধ্যে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

প্রসঙ্গত, রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে মেঘনা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বিএনপির আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও ঝাড়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিএনপি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেঘনায় জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তাসহ ৫ আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ এম


মেঘনায় জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তাসহ ৫ আহত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তাসহ পাঁচজন। হামলার সময় জেলেরা স্পিডবোটের দিকে ইট-পাথর নিক্ষেপ করেন। হামলাকারীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনা রবিবার (১১ অক্টোবর) মেঘনা নদীতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের সময় ঘটে।

আহতদের মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ মোট পাঁচজন রয়েছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, হামলাকারীদের ছোড়া ইটের টুকরা তার গায়ে পড়লে চশমা ভেঙে যায় এবং তিনি সামান্য আহত হন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজ হাসনাইন বলেন, হামলাকারীরা সংঘবদ্ধভাবে মুহূর্তের মধ্যে পাঁচ-ছয়টি নৌকা একত্র করে। তাদের নৌকায় আনুমানিক ১৩০ থেকে ১৪০ জন লোক ছিল। তাদের অনেকের হাতে অস্ত্র ছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, পার্শ্ববর্তী উপজেলার কোস্ট গার্ডের চারটি স্পিডবোট যুক্ত হওয়ার পরও তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

অভিযান চলাকালে নদী থেকে বেশ কিছু অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য চার লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

জেলেদের কাছ থেকে জব্দ করা জাটকা মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
পেটে গজ রেখে সেলাই

৫৫ হাজার টাকায় আপসের পর ৫ মাস পর প্রসূতির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ এম


৫৫ হাজার টাকায় আপসের পর ৫ মাস পর প্রসূতির মৃত্যু

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগের পাঁচ মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিথি আক্তারের মৃত্যু ঘটেছে। মৃত্যুর পূর্বে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার স্বামী রাকিবুল ইসলামের সঙ্গে ৫৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে আপস করার একটি নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উক্ত নথিতে ভবিষ্যতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা বা আর্থিক দাবি না করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

বিথি আক্তার রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের জামতলার হাট জ্যেতিনবর্দিপাড়া গ্রামের রাকিবুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন। তিনি ফরিদপুর শহরের একটি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ফমেক হাসপাতালে প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে কাজ করতেন।

গত ৬ মে ফমেক হাসপাতালে বিথির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসক তামান্না আক্তার ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দু। এ সময় বিথি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, ওই সময় পেটে গজ রেখে সেলাই করা হয়। পরে তার শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসকের কাছে গেলে গুরুতর কোনো সমস্যা নেই বলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রায় দেড় মাস পর দুটি বেসরকারি হাসপাতালে দুই দফা আল্ট্রাসনোগ্রামে বিথির পেটে গজ কাপড় থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। গত ১২ জুলাই তাকে ফমেক হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অসুস্থতার দুই মাস নয় দিন পর গত ১৫ জুলাই বিথির দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার করা হয়। সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফজলুল হক শোভন ও সঞ্জয় সাহা তার পেট থেকে গজ বের করেন। তবে দীর্ঘদিন পেটের ভেতর গজ থাকায় পেটের নাড়ি পচে সংক্রমণ দেখা দেয়।

দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের পরই সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসককে বিষয়টি জানানো হয়। ওই রাতেই পরিবারের সঙ্গে আপস-মীমাংসা করা হয়। পরে ২২ জুলাই বিথিকে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পেটের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি আবার ফমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সংকটাপন্ন অবস্থায় ৪ অক্টোবর বিথিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে ৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টায় সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা চুক্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। চুক্তিতে ভবিষ্যতে রোগীর পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা বা আর্থিক দাবি করবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নথিতে বিথির স্বামী রাকিবুল ইসলামের স্বাক্ষর রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সাক্ষীদের স্বাক্ষর ঝাপসা করে দেওয়া হয়েছে।

আপস-মীমাংসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাকিবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী মেডিকেলেই কাজ করতেন। ভবিষ্যতে এই হাসপাতালেই ইন্টার্নিসহ চাকরি করতে হতো। এ ছাড়া ওই মুহূর্তে আমার আর্থিক সংকটও ছিল। সব মিলিয়ে আমার স্ত্রীর জীবন বাঁচানোর প্রয়োজনে এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মীমাংসা করি। তখন তো জানতাম না, আমার স্ত্রী মারা যাবে। এখন আমাকে সবাই ব্লেম দিচ্ছে, যেটি আমিও মেনে নিতে পারছি না। তবে আইনি জটিলতা এড়িয়ে আমি ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাই।

ফমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মানস কৃষ্ণ কুণ্ডু জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। তবে বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার কথা শুনেছি।

তিনি বলেন, বিথির চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু ঘটে। বিথির চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছে কি না, তা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালটির সার্জারি বিভাগের প্রধান স্বপন কুমার বিশ্বাসকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপপরিচালক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিবুতি থেকে ইয়েমেন যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে ১৩৯ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ এম


জিবুতি থেকে ইয়েমেন যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে ১৩৯ জন নিহত

আফ্রিকার দেশ জিবুতি থেকে ইয়েমেনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনার সাথে যুক্ত হয়ে আরও ৮৪ জন নিখোঁজ রয়েছে। নৌকাটিতে মোট ৩০৫ জন যাত্রী ছিলেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর রাতের কোনো এক সময় অথবা ৯ অক্টোবরের প্রথম প্রহরে জিবুতির ওবক বন্দরের উত্তরে গুহেরে এলাকার কাছে নৌকাটি ডুবে যায়। এই ঘটনায় অন্তত ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বেঁচে ফিরেছেন ৮২ জন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে জিবুতি কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। জীবিতদের চিকিৎসা ও জরুরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল থেকে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক অভিবাসী ইয়েমেন হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোতে উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দেয়। এই পথে নৌকাডুবি, মানব পাচার এবং আটকের ঝুঁকি বিদ্যমান।

আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এই অভিবাসন পথে ৯০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে অথবা নিখোঁজ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%