১১:২১ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর ভর করেই দেশে ফ্যাসিবাদ ও আওয়ামী লীগ ফিরে এসেছিল। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কোনো ভুল আন্দোলনের কারণে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ব্যাহত না হয়, সে সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত ‘জুলাই ৩৬ : এক ফালি রোদ—শোক ও বিজয় ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
আবদুস সালাম উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই মাঝপথে ব্যাহত করা যাবে না। এজন্য বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দলের উচিত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই আমরা দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করে আসছি। সেই লড়াই এখনও শেষ হয়নি।’
আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
এটি উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র এক মাস, এক বছর কিংবা ছয় বছরে প্রতিষ্ঠিত হয় না, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
আরও পড়ুন: মাদরাসা বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একীভূত করার পরিকল্পনা সরকারের
গণতন্ত্রে ফিরে আসার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, সেটিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিতে হবে।
বিএনপির আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার দাবিতে আন্দোলন চলমান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বারবার প্রকাশ করেছেন, জুলাইয়ের চাওয়া-পাওয়া ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিএনপি সব সময় আছে। তবে তার বাস্তবায়নে সময় লাগবে।
আরও পড়ুন: মাগুরায় জামায়াতের বিক্ষোভ ও সমাবেশ, গ্রেফতারের দাবি
আবদুস সালাম বলেন, ‘দুই দিন, দুই মাস কিংবা দুই বছরে সবকিছু হয়ে যাবে না।’ তাই ধৈর্য ধরে গণতান্ত্রিক ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে।
দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের দীর্ঘদিনের আক্রমণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একটি জাতির সংস্কৃতি ও শিক্ষাকে ধ্বংস করা হলে সেই জাতিকেও ধ্বংস করা সম্ভব। দীর্ঘদিনের আক্রমণের ফলে দেশের সংস্কৃতি এখন কোথায় রয়েছে, তা উপলব্ধি করে সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নারীর মৃত্যু, তামাবিল দিয়ে লাশ হস্তান্তর
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্ট্যালিন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কাজী জেসিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন