ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিউইয়র্কে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের উল্লাস


নিউইয়র্কে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের উল্লাস

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ঘিরে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন প্রস্তুতি ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় তারেক রহমান নিউইয়র্কে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তার আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা জ্যাকসন হাইটস ব্যানার, ফেস্টুন ও মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), যুবদল ও শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জ্যাকসন হাইটসের রাস্তায় অবস্থান নেন। সেখানে সরকারের ভবিষ্যৎ রূপরেখা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা—‘তারেক রহমান আসছে, রাজপথ কাঁপছে’ এবং ‘নিউইয়র্কে তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’—ইত্যাদি স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
স্বাগত জানাতে আসা যুবদলের এক নেতা বলেন, “আমাদের প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে আমরা সোমবার জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে সমবেত হবো। নেতা বহর নিয়ে বের হওয়ার সময় রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে তাঁকে অভিবাদন জানানো হবে। পাশাপাশি দেশে যেকোনো ধরনের স্বৈরাচারী শাসন যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য প্রবাস থেকেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”
এর আগে, জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারেক রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার নতুন ড্রোন ‘গেরান ৫’ এর বৈশিষ্ট্য ও গতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


রাশিয়ার নতুন ড্রোন ‘গেরান ৫’ এর বৈশিষ্ট্য ও গতি

রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি ও সামরিক অস্ত্রের ব্যবহার করে ড্রোন যুদ্ধের সমীকরণ পরিবর্তন করছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতকে ফাঁকি দিতে রুশ বাহিনী তাদের অস্ত্রাগারে যুক্ত করেছে শক্তিশালী ও উচ্চগতির কামিকাজে ড্রোন ‘গেরান-৫’।

এটি আগের প্রোপেলারচালিত ড্রোনের তুলনায় ক্রুজ মিসাইলের আদলে নির্মিত, ফলে সাধারণ এয়ার ডিফেন্সের জন্য শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।

রাশিয়ার এই ড্রোনটি পূর্ববর্তী শাহেদ বা ‘গেরান’ সিরিজের নতুন রূপান্তর হলেও এতে যুক্ত করা হয়েছে শক্তিশালী টার্বোজেট ইঞ্জিন। যেখানে আগের সংস্করণগুলোর সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, সেখানে ‘গেরান-৫’ ড্রোনের গতি ঘণ্টায় ৪৫০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ড্রোনটির সর্বোচ্চ উড্ডয়ন দূরত্ব প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার এবং এটি ৮৫০ কেজি টেক-অফ ওজন নিয়ে ২০০ মিটার থেকে ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার উচ্চতায় উড্ডয়ন চালাতে সক্ষম। এটি প্রায় ৯০ কেজির ভারী বিস্ফোরক বহন করতে পারে, যা দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে মারাত্মক আঘাত হানা সম্ভব।

ড্রোনটিতে ১২-চ্যানেলের কমেটা স্যাটেলাইট নেভিগেশন ও এআই চালিত প্রযুক্তির ব্যবহার থাকায় এটি শত্রুপক্ষের সিগন্যাল জামিং বা ইলেকট্রনিক আক্রমণ সহজে রুখে দিতে পারে।

সমর বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সুখোই-২৫ যুদ্ধবিমান থেকেও এই ড্রোন আকাশে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। প্রথাগত ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক কম খরচে তৈরি এই ড্রোন ক্রুজ মিসাইলের মতো কার্যকারিতা দেওয়ায় তা প্রতিপক্ষের অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা, আন্তর্জাতিক সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোবাল মিলিটারি নেটওয়ার্ক’ এবং গ্লোবাল ডিফেন্স সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের নতুন তৈরি ইন্টারসেপ্টর ড্রোনের সাহায্যে একাধিক ‘গেরান-৫’ ভূপাতিত করার দাবি করলেও, উচ্চগতির এই ড্রোন বর্তমানে আকাশ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরে এক দল ধাক্কা মেরে ফেলে দেবে, আরেক পতিত স্বৈরাচার ফিরে আসবে বলার মধ্যে যোগসূত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


ডিসেম্বরে এক দল ধাক্কা মেরে ফেলে দেবে, আরেক পতিত স্বৈরাচার ফিরে আসবে বলার মধ্যে যোগসূত্র

একটি দল লং মার্চের মাধ্যমে দাবি করেছে যে ডিসেম্বরে সরকারকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেবে। অন্যদিকে, এক পতিত স্বৈরাচার বিদেশে বসে ডিসেম্বরে ফিরে আসার কথা বলার মধ্যে একটি যোগসূত্র খুঁজে পাওয়ার মন্তব্য করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে নরসিংদী জেলা বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নরসিংদী রেলস্টেশনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। সমাবেশের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "আপনারাই বলেন তেল নাই অথচ আপনারাই কয়েকশ গাড়ি নিয়ে রোড মার্চ করেন, তখন তেলের অভাব হয় না।" তিনি আরও বলেন, "আপনারা বলেন আমাদেরকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিবেন, ক্ষমতাচ্যুত করবেন।" তিনি এ সভা থেকে জানান, "আমরা জাতীয়তাবাদী দল জনগণের কল্যাণে, জনগণের সুখে-শান্তিতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।"

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ইনশাল্লাহ, আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখে, আমরা এই দুঃসাহস রাখি— আগামী পাঁচ বছর পর আবার আমরা জনগণের মুখোমুখি হবো। জনগণের কাজের হিসাব দিব। যদি আমরা ভালো কিছু করতে পারি, জনগণ আমাদেরকে সমর্থন দিবে।" তিনি হুশিয়ার করে বলেন, "কিন্তু ভয় দেখিয়ে, ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে, সরকারের পতন ঘটিয়ে দিবেন— ঐ স্বপ্ন যারা দেখেন, তাদেরকে সতর্ক করে দিতে চাই। আমরা রাজপথে আছি, রাজপথে থাকবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের ৬৪.০৬ শতাংশ শিল্প ও বাণিজ্যে কেন্দ্রীভূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৬ পি.এম


আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের ৬৪.০৬ শতাংশ শিল্প ও বাণিজ্যে কেন্দ্রীভূত

দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ ও অগ্রিমের একটি বড় অংশ শিল্প এবং বাণিজ্য খাতে কেন্দ্রীভূত রয়েছে। চলতি বছরের জুন মাস শেষে, ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ ৭৮ হাজার ১১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে শিল্প খাতে ঋণের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৪৯১ কোটি ১০ লাখ টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। বাণিজ্য ও কমার্স খাতে ঋণের পরিমাণ ১৫ হাজার ৫৪৯ কোটি ২২ লাখ টাকা, যা মোট ঋণের ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। এভাবে, শিল্প ও বাণিজ্য—এই দুই খাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণের ৬৪ দশমিক ০৬ শতাংশ কেন্দ্রীভূত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের বড় অংশ শিল্প ও বাণিজ্য খাতে কেন্দ্রীভূত থাকায়, যদি এ দুই খাতে ঋণের মানের অবনতি ঘটে, তবে পুরো আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতেই তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে, ঋণ অনুমোদনের আগে যথাযথ যাচাই, ঋণ প্রদান পরবর্তী নিয়মিত তদারকি এবং ঋণের অর্থ নির্ধারিত কাজে ব্যবহার হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাস শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ লাখ ১১ হাজার ৪৫৬ লাখ টাকা, অর্থাৎ ৭৮ হাজার ১১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এই সময়ে মোট ঋণ বিতরণ হয়েছে ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭৯ লাখ টাকা বা ৫ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। বিপরীতে, ঋণ আদায়ের পরিমাণ ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৫১৫ লাখ টাকা বা ৭ হাজার ৪১৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। একই সময়ে মোট ওভারডিউ ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৪৩ হাজার ২১৯ লাখ টাকা, অর্থাৎ ১৮ হাজার ৪৩২ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

শিল্প খাতে ৪৪.১৫ শতাংশ ঋণ

শিল্প খাতে ঋণের সবচেয়ে বড় অংশ রয়েছে। জুন মাস শেষে, শিল্প খাতে ঋণের স্থিতি ৩৪ হাজার ৪৯১ কোটি ১০ লাখ টাকা। মোট ঋণের তুলনায় এর অংশ ৪৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় প্রতি ১০০ টাকার ঋণের মধ্যে ৪৪ টাকার বেশি শিল্প খাতে রয়েছে। শিল্প খাতে শুধু ঋণের স্থিতিই বড় নয়, বরং এই খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য। জুন মাস শেষে, শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ৭ হাজার ৮৭১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। শিল্প খাতের মোট ঋণের তুলনায় খেলাপির পরিমাণ প্রায় ২২ দশমিক ৮২ শতাংশ।

শিল্প খাতের ঋণকে বিভিন্ন উপখাতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে, মেয়াদি ঋণ বা টার্ম লোনের স্থিতি ছিল ২৮ হাজার ৫৮১ কোটি ১ লাখ টাকা। এই উপখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৬১৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আর ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ফাইন্যান্সিংয়ের স্থিতি ছিল ৫ হাজার ৭৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং ওভারডিউ ছিল ১ হাজার ২৪৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ফ্যাক্টরিংয়ের ঋণ স্থিতি ছিল ১৭৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং এ খাতে ওভারডিউ ছিল ৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। জুন মাসে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৪৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। একই সময়ে আদায় হয়েছে ৩ হাজার ৪৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

বাণিজ্য খাতে ১৯.৯১ শতাংশ

শিল্পের পর, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ বাণিজ্য ও কমার্স খাতে রয়েছে। জুন মাস শেষে, এ খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ১৫ হাজার ৫৪৯ কোটি ২২ লাখ টাকা। মোট ঋণের ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ রয়েছে এই খাতে।

বাণিজ্য খাতেও খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। জুন মাস শেষে, এ খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ৬ হাজার ৬৪৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ, বাণিজ্য খাতের মোট ঋণের প্রায় ৪২ দশমিক ৭৬ শতাংশই খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বাণিজ্য খাতের উপখাতগুলোর মধ্যে পাইকারি বাণিজ্যে ঋণের স্থিতি ছিল ৮ হাজার ৪৯ কোটি ৩ লাখ টাকা। এ খাতে খেলাপি ছিল ৪ হাজার ২৬১ কোটি ২১ লাখ টাকা। খুচরা বাণিজ্যে ঋণের স্থিতি ছিল ৩ হাজার ০২৬ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং খেলাপি ৭৩৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। অন্যান্য বাণিজ্যিক ঋণের স্থিতি ছিল ১৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং খেলাপি ১২ কোটি ৭ লাখ টাকা। মার্জিন ঋণ বা শেয়ার লেনদেনের জন্য ঋণের স্থিতি ছিল ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এ খাতে খেলাপি ছিল ৩১৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে, লিজ ফাইন্যান্সের ঋণের স্থিতি ছিল ৩ হাজার ৯০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং খেলাপি ছিল ১ হাজার ৩২২ কোটি ৯ লাখ টাকা। জুন মাসে বাণিজ্য ও কমার্স খাতে ঋণ বিতরণ হয়েছে ১ হাজার ৪১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। একই সময়ে আদায় হয়েছে ১ হাজার ৭৪০ কোটি ৫ লাখ টাকা।

দুই খাতে ৬৪.০৬ শতাংশ ঋণ

শিল্প ও বাণিজ্য খাতের ঋণ একত্র করলে মোট ৫০ হাজার ৪০ কোটি ৩২ লাখ টাকা দাঁড়ায়। মোট ৭৮ হাজার ১১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকার ঋণের মধ্যে এই দুই খাতের অংশ ৬৪ দশমিক ০৬ শতাংশ। অর্থাৎ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই শিল্প ও বাণিজ্য খাতে রয়েছে। এর মধ্যে শিল্প খাত একাই মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং বাণিজ্য খাত ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ ধারণ করছে। তবে খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রেও এই দুই খাত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। মোট ১৮ হাজার ৪৩২ কোটি ১৯ লাখ টাকা খেলাপি ঋণের মধ্যে শিল্প খাতে রয়েছে ৭ হাজার ৮৭১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বাণিজ্য খাতে ৬ হাজার ৬৪৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ, দুই খাত মিলে মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৭৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ রয়েছে।

নির্মাণ খাতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের তৃতীয় বৃহত্তম খাত নির্মাণ। জুন মাস শেষে, নির্মাণ খাতে ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯৯৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এই খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। নির্মাণ খাতের মধ্যে আবাসন খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ৫ হাজার ১৮০ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং খেলাপি ৮১১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আবাসন ছাড়া অন্যান্য নির্মাণ খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ৪ হাজার ৮১৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং খেলাপি ৬১৮ কোটি ৩ লাখ টাকা।

জুন মাসে নির্মাণ খাতে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৩২৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এ সময়ে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৬৭৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

ভোক্তা ঋণে ৯ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা

ভোক্তা অর্থায়নেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উল্লেখযোগ্য ঋণ রয়েছে। জুন মাস শেষে, ভোক্তা অর্থায়ন খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ৯ হাজার ৮৫৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৫০ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

জুন মাসে ভোক্তা অর্থায়নে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৮২০ কোটি ৩ লাখ টাকা। একই সময়ে ঋণ আদায় হয়েছে ১ হাজার ১১০ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ

অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ খাতে জুন মাস শেষে ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৮৬ কোটি ৬ লাখ টাকা। এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে এই খাতে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৩২০ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং আদায় হয়েছে ২৫৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

পরিবহন খাতে ঋণ ১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা

পরিবহন খাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের স্থিতি ছিল ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৪৫ কোটি টাকা। পরিবহন খাতের মধ্যে সড়ক পরিবহনে ঋণের স্থিতি ছিল ১ হাজার ২৩৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং ওভারডিউ ৩২৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। নৌপরিবহনে ঋণের স্থিতি ছিল ২২৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং খেলাপি ১০৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। বিমান পরিবহনে ঋণের স্থিতি ছিল ২৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং ওভারডিউ ১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

কৃষি, মৎস্য ও বন খাত

কৃষি, মৎস্য ও বন খাতেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ রয়েছে। জুন মাস শেষে, এই খাতে মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৭০০ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং খেলাপি ২২১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ৬৫৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা এবং খেলাপি ১৮৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মৎস্য খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ৪৬ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং খেলাপি ৩৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। বন ও লগিং খাতে প্রতিবেদনে কোনো ঋণ স্থিতি বা ওভারডিউ দেখানো হয়নি।

মোট খেলাপি ১৮ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো খেলাপি। জুন মাস শেষে, মোট ওভারডিউ ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৩২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। মোট ঋণ স্থিতির তুলনায় খেলাপির পরিমাণ প্রায় ২৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। মোট খেলাপির মধ্যে শিল্প খাতে রয়েছে ৭ হাজার ৮৭১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বাণিজ্য খাতে ৬ হাজার ৬৪৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। নির্মাণে ১ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৭ লাখ, পরিবহনে ৪৪৫ কোটি, ভোক্তা অর্থায়নে ৯৫০ কোটি ২৮ লাখ, অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ঋণে ৮৬৩ কোটি ৮৭ লাখ এবং অন্যান্য বা বিবিধ খাতে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা খেলাপি রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে খেলাপি ঋণকে "ওভারডিউ" নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগের প্রান্তিকের তুলনায় খেলাপি কমেছে

চলতি বছরের মার্চ মাস শেষে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৭৮ হাজার ৪২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। জুন মাস শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭৮ হাজার ১১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ, এক প্রান্তিকের ব্যবধানে মোট ঋণের স্থিতি কমেছে ৩১০ কোটি ২১ লাখ টাকা। একই সময়ে মোট ঋণ বিতরণ মার্চ প্রান্তিকের ৫ হাজার ৫৭৭ কোটি ৪২ লাখ টাকা থেকে বেড়ে জুন প্রান্তিকে ৫ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, তিন মাসে বিতরণ বেড়েছে ১৫৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

তবে ঋণ আদায়ের পরিমাণ কমেছে। মার্চ মাস শেষে আদায় ছিল ৭ হাজার ৮৪৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। জুন মাস শেষে তা নেমে এসেছে ৭ হাজার ৪১৫ কোটি ১৫ লাখ টাকায়। অর্থাৎ, আদায় কমেছে ৪৩১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অন্যদিকে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ মার্চ মাস শেষে ছিল ১৮ হাজার ৭৯৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। জুন মাস শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৩২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ, তিন মাসে খেলাপি ঋণ কমেছে ৩৬৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

ঋণের বড় অংশ উৎপাদন ও বাণিজ্যনির্ভর

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রান্তিক পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে শিল্প ও বাণিজ্য রয়েছে। মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ১৫ শতাংশ শিল্প খাতে এবং ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ বাণিজ্য খাতে থাকায়, দুই খাত মিলিয়ে ঋণের ৬৪ দশমিক ০৬ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

এর বাইরে, নির্মাণ খাতে ৯ হাজার ৯৯৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ভোক্তা অর্থায়নে ৯ হাজার ৮৫৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ঋণে ৬ হাজার ৮৬ কোটি ৬ লাখ টাকা, পরিবহন খাতে ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এবং কৃষি, মৎস্য ও বন খাতে ৭০০ কোটি ৯১ লাখ টাকা ঋণের স্থিতি রয়েছে। বিবিধ খাতে ঋণের স্থিতি ছিল ৩৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী মন্তব্য করেছেন যে, ছোট ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে ঋণ অনুমোদন ও পরিশোধের সময় তুলনামূলকভাবে কঠোর নজরদারি থাকলেও, বড় ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে প্রভাবশালী যোগাযোগ ও বিশেষ সুবিধার কারণে আদায় প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, ঋণের অর্থ ব্যবসার উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত আয় তৈরি করতে পারে না; ফলে সময়মতো ঋণ পরিশোধও কঠিন হয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেনিরা জিবুতিতে পালাচ্ছে, সাধারণ মানুষ যুদ্ধের খেসারত দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেনিরা জিবুতিতে পালাচ্ছে, সাধারণ মানুষ যুদ্ধের খেসারত দিচ্ছে

ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে হুথি বিদ্রোহী এবং সউদী সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিমান হামলা, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের ভয়াবহতার কারণে হাজার হাজার ইয়েমেনি নাগরিক লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে প্রতিবেশী আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন, জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNHCR)-এর তথ্যমতে, লোহিত সাগর উপকূলে নতুন করে সংঘাত বেড়ে যাওয়ার ফলে ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। সম্প্রতি ইয়েমেনের বাব আল-মান্দেব প্রণালীর দিকে হুথিরা অগ্রসর হওয়ার পর সউদী সমর্থিত বাহিনী বিমান হামলা জোরদার করেছে। জবাবে হুথিরাও সউদী আরবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

প্রাণ বাঁচাতে সমুদ্র পাড়ি

ইয়েমেনের উপকূলীয় শহর ধুবাব থেকে নিজের ডিঙ্গি নৌকায় পরিবার নিয়ে জিবুতির ‘মারকাজি’ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন ৫০ বছর বয়সী জেলে ইব্রাহিম ঈসা। তিনি বলেন, “যখন বিমানের বিকট শব্দ শুরু হয়, তখন শিশুরা আতঙ্কে চিৎকার ও কাঁপুনি শুরু করে। বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব তাদের রক্ষা করা। তাই সন্তানদের বাঁচাতে গৃহহীন হয়ে এখানে পালিয়ে এসেছি।”

শিবিরে শতবর্ষী বৃদ্ধ কাসিম আব্রাহাম আবসি বলেন, “কোন পক্ষ হামলা চালাচ্ছে তা আমরা জানি না। আকাশে বিমান আসে আর চারপাশে বোমা ফেলে। শিশুদের সুরক্ষার জন্যই আমাদের এই জীবনযুদ্ধ।”

জিবুতির পরিস্থিতি

ইয়েমেনের ঠিক বিপরীত পাশে অবস্থিত ছোট দেশ জিবুতি এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে। তবে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাত্র কয়েক দিনে প্রায় ৩,০০০ ইয়েমেনি শরণার্থী জিবুতির মারকাজি শিবিরে এসে পৌঁছেছেন। অনেকে পরিধানের কাপড় ছাড়া আর কিছুই সাথে আনতে পারেননি।

২০১৪ সাল থেকে চলা এই রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর আবারও দুই পক্ষের সংঘাত চরম রূপ নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%