০৮:১২ পি.এম
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেসব মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি সেগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
তিনি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আরেকটি কমিটির কাছে আসে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন
সেখানে প্রতিটি মামলা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর বিষয়ে আইনসম্মত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। এর ফলে প্রকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায়।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সরকার মামলা প্রত্যাহার করতে পারে না। কোনো মামলায় আপিল বিচারাধীন থাকলে প্রথমে সেই আপিলের নিষ্পত্তি হতে হবে।
আপিল নিষ্পত্তির পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবেন। এরপর এই বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের জন্য পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী সাজার মওকুফ বা ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আরও পড়ুন: কপ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদেও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ রয়েছে। এখানে আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাবে এবং আইন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করবে।
এ খুঁজে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই; তবে আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সাজার মওকুফ বা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এদিন পাবলিক এক্সামিনেশন অফেনস এমেন্ডমেন্ট সংশোধিত বিল ২০২৬ সংসদে পাস হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৯ বছরের শিশু ওরিন সাফাত প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার দিলেন নিজ হাতে লেখা কোরআন শরীফ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন