ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ঘোষণা


এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ঘোষণা

 

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

আরও পড়ুন: হুথিদের হামলার হুমকির মধ্যেই রিয়াদ বিমানবন্দর পুনরায় চালু করল সৌদি আরব

আগে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক ঘোষণার মাধ্যমে বিইআরসি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত নতুন দাম একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ মূল্য বহাল থাকবে।

 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৬৫২ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৮২ টাকা এবং ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ১১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ১৮ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৩৭৮ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৬৪২ টাকা এবং ২২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৯০৭ টাকা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মরত ৫ বাংলাদেশি সাংবাদিক ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে চীন যাচ্ছেন

এছাড়া ২৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ টাকা।

 

৩০ কেজির সিলিন্ডার ৩ হাজার ৯৬৪ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৩৬০ টাকা এবং ৩৫ কেজির সিলিন্ডার ৪ হাজার ৬২৪ টাকায় বিক্রি হবে। ৪৫ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন মূল্য ৫ হাজার ৯৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিইআরসি প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য, আমদানি ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচের ওপর ভিত্তি করে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম পুনর্নির্ধারণ করে থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দামের ওঠানামা, পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

আরও পড়ুন: জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন

নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ার ফলে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারকারীদের জন্য আগের তুলনায় কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

বিশেষ করে বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে নিয়মিত এলপিজি ব্যবহারকারী ভোক্তাদের জন্য এই মূল্যহ্রাস সামান্য হলেও ব্যয় কমাতে ভূমিকা রাখবে।

আরও পড়ুন: ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট: এসিল্যান্ডকে সিলেটে সংযুক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৮০ সিনেমা ফ্লপ, ৭২ বছর বয়সে বাজিমাত মিঠুন চক্রবর্তীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


১৮০ সিনেমা ফ্লপ, ৭২ বছর বয়সে বাজিমাত মিঠুন চক্রবর্তীর

মিঠুন চক্রবর্তীর বাজিমাত ৭২ বছর বয়সে, ১৮০ সিনেমা ফ্লপ।

 

বলিউডে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করে আসছেন মিঠুন চক্রবর্তী। এই দীর্ঘ সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতার সংখ্যাও কম দেখেননি।

 

প্রায় ১৮০টি সিনেমা বক্স অফিসে ফ্লপ হয়েছে তার। কিন্তু এই ব্যর্থতার রেকর্ড তার জনপ্রিয়তা মুছে ফেলতে পারেনি।

বরং বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নতুন সাফল্যের দেখা পেয়েছেন তিনি। ৭২ বছর বয়সে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও বড় বক্স অফিস সাফল্যের অংশীদার হন মিঠুন।

 

সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি আয় করে। এটি মিঠুনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৯৭৬ সালে মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক ঘটে মিঠুনের। প্রথম সিনেমাতেই তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

 

ফলে, প্রথম সিনেমাতেই তার অভিনয় প্রতিভার পরিচয় মেলে।

এরপর আশির দশকে একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। ‘শওকিন’ ও ‘অশান্তি’র মতো সিনেমার পর ১৯৮২ সালে আসে ‘ডিসকো ড্যান্সার’। এই সিনেমা মিঠুনকে ভারতের ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

‘ডিসকো ড্যান্সার’-এর সাফল্য ছিল অন্য মাত্রার।

 

১৯৮৫ সালে সিনেমাটি রাশিয়ায় মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০০ কোটি রুপি আয় করে। সেই সময় এটি ভারতের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমার রেকর্ডও দখল করেছিল।

‘ডিসকো ড্যান্সার’-এর সাফল্যের পর মিঠুন নিয়মিত সিনেমায় কাজ করতে থাকেন। তবে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ের পর তিনি সংখ্যার দিক থেকে অনেক বেশি সিনেমায় অভিনয় করতে শুরু করেন।

অনেক সময় বছরে ৮ থেকে ১২টি সিনেমায় তাকে দেখা গেছে। নব্বইয়ের দশকে তরুণ অভিনেতাদের জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিঠুন কম বাজেটের অ্যাকশন সিনেমায় বেশি কাজ করেন। ওই দশকে প্রায় ১০০টি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি, যার বড় একটি অংশ বক্স অফিসে সফল হয়নি।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিঠুনের শেষ একক নায়ক হিসেবে সফল সিনেমা ছিল ১৯৯৫ সালের ‘রাবণ রাজ’। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে মূলত পার্শ্বচরিত্রে দেখা যায়।

পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে মিঠুন ২৭০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। যদিও সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন, তবুও এর মধ্যে প্রায় ১৮০টি সিনেমা ফ্লপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অন্তত ৪৫টি সিনেমাকে বক্স অফিস ‘ডিজাস্টার’ হিসেবে ধরা হয়েছে।

এমন রেকর্ড ভারতীয় প্রধান অভিনেতাদের মধ্যে অত্যন্ত বিরল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্মেন্দ্র ও জিতেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো অভিনেতার ফ্লপ সিনেমার সংখ্যা মিঠুনের কাছাকাছিও নয়।

২০০০ সালের পর মিঠুন ধীরে ধীরে পার্শ্বচরিত্রে বেশি মনোযোগ দেন। বড় বাজেটের বিভিন্ন সিনেমাতেও তাকে দেখা যায়।

তবে ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় প্রত্যাবর্তন ঘটে ২০২২ সালে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ সিনেমার মাধ্যমে। বিবেক অগ্নিহোত্রীর পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন মিঠুন।

সিনেমাটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সাড়া ফেলে এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩৫০ কোটি রুপি আয় করে। তখন মিঠুনের বয়স ছিল ৭২ বছর।

ফলে, যে অভিনেতার ক্যারিয়ারে রয়েছে প্রায় ১৮০টি ফ্লপ সিনেমার রেকর্ড, তিনিই আবার ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে এসে এমন একটি বড় বাণিজ্যিক সাফল্যের অংশ হয়েছেন। এ কারণেই মিঠুন চক্রবর্তীর দীর্ঘ অভিনয়জীবন বলিউডের অন্যতম ব্যতিক্রমী ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বিগত সরকারের সময় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে অকার্যকর করে রাখার ফলস্বরূপ দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট এবং আমদানিনির্ভরতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান সরকার এই সংকট কাটিয়ে দেশকে জ্বালানিতে স্বনির্ভর ও টেকসই ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে বহুমাত্রিক ও সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের মৌখিক উত্তরদান পর্বে প্রধানমন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহতকরণ, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার রূপরেখা উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত অনুসন্ধান এবং আমদানিনির্ভরতার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটকে স্থায়ীভাবে নিরসন করে দেশকে স্বনির্ভর ও টেকসই ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপের খননকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) নতুন গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে আরও ৭টি কূপের খনন কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং এগুলোর কাজ শেষ হলে গ্রিডে অতিরিক্ত ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে। অবশিষ্ট কূপগুলো পর্যায়ক্রমে খননের জন্য নতুন নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করতে ৪,৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী ও সক্ষম করে তুলতে নতুন দুটি আধুনিক রিগ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর ও অনশোর মডেল পিএসসি (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্যাক্ট)-এর আওতায় ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে এবং অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া সামুদ্রিক এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে, যা থেকে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ সম্ভব হবে। এর ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি ক্ষমতা আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বাড়বে।

এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল কিংবা পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় আরও এক থেকে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকার যে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে তা সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের উত্তরে বিস্তারিত উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জনমনে আগ্রহ তৈরি ও এ খাতের দ্রুত প্রসারে ২০২৬ সালের ৮ জুন তারিখে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ সব প্রয়োজনীয় উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রীম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০.১৫ টাকা দরে কিনে নেবে। বর্তমান গড়ে প্রতি ইউনিট ৬ থেকে ৭ টাকা উৎপাদন খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত (৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম) নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন, যা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল বসাতে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমন্বিত পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নির্মাণকাজ ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নির্মাণকাজ ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও অনুমোদন ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি ধ্বংস করে নির্মাণকাজের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। শুনানি শেষে, হাইকোর্ট ওই নির্মাণকাজ আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে, আদালত নির্মাণকাজটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং সমুদ্র সৈকতকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

বুধবার বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করেছেন।

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন বেলার আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট মীর হাসান। সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আইনজীবী রিজওয়ানা আদালতের আদেশের বিষয়টি জানিয়ে বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) হলেও সেখানে চলমান নির্মাণকাজের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অনুমোদন নেই। একটি থোক ধরনের ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন রাস্তা, মিউনিসিপ্যাল সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ও বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের উল্লেখ থাকলেও, কোন জায়গায় কোন রাস্তা নির্মাণ করা হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর পরিবেশ অধিদপ্তরও আপত্তি জানিয়েছে। তারা যে কয়েকটি রাস্তা নির্মাণের কথা বলেছিল, তার মধ্যে চলমান রাস্তাটি রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। কারণ ছাড়পত্রে রাস্তার স্থান নির্দিষ্ট করা হয়নি।

আইনজীবী আরও জানান, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইসিএ ও নো ডেভেলপমেন্ট জোনে বিভিন্ন সময়ে উন্নয়ন ও নির্মাণকাজের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। এসব বিষয়ে আপিল বিভাগ পর্যন্ত বিভিন্ন নির্মাণকাজ বাতিল ও নিষিদ্ধ করার নজির রয়েছে। এরপরও সেখানে নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গত ৭ থেকে ১০ দিন ধরে সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ি বুলডোজার দিয়ে সমান করার কাজ চলছে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, বালিয়াড়ি থেকে বালু উত্তোলনের জন্য এ কাজ করা হচ্ছে। পরে জানা যায়, একটি নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বালিয়াড়ি ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রকল্পটি জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা (JICA) সমর্থিত বলে আদালতকে জানানো হয়।

শুনানিতে সরকারপক্ষের বক্তব্য ছিল, উন্নয়নকাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া যায় না। তবে রিটের পক্ষে আইনজীবী মহেশখালীর সংরক্ষিত বনের ভেতর দিয়ে জাইকা সমর্থিত প্রকল্পের পাকা রাস্তা নির্মাণের কাজ স্থগিতের বিষয়ে হাইকোর্টের আগের আদেশের কথা আদালতের নজরে আনেন। ওই প্রকল্পের ক্ষেত্রেও বন বিভাগের আপত্তি ছিল বলে তিনি জানান।

আইনজীবী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ ধরনের কোনো নির্মাণকাজ হয়নি। বর্তমানে আবার কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সংরক্ষিত ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের কাজ শুরু হয়েছে।

হাইকোর্টের রুলে বিদ্যমান আইন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অনুমোদন ছাড়া চলমান নির্মাণকাজ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আট সপ্তাহের জন্য নির্মাণকাজ স্থগিতের আদেশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শজিমেক হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


শজিমেক হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৬

শজিমেক হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৬

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুর পর ইন্টার্ন চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় আটক হওয়া ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে বগুড়া সদর থানায় মামলাটি করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বগুড়া সদর উপজেলার ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকার মো. সাজুর ছেলে মো. নাফিউল (২৬), ফুলবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকার মো. মিজানুর রহমানের ছেলে প্রান্ত (২২), ফুলবাড়ী উত্তরপাড়া এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে এস এম সিহাব (১৯) ও সবুজ প্রামানিকের ছেলে মো. রাকিবুল হাসান (১৯), নিশিন্দারা পূর্ব খাঁপাড়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের ছেলে মো. তানবিন শেখ (২৬) এবং নামাজগড় ভান্ডারী মসজিদ এলাকার মো. লোকমান হাকিমের ছেলে মো. বিপ্লব সরদার (২৬)। নাফিউল ও প্রান্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাদের পরে পুলিশ হেফাজতে থানায় নেওয়া হবে। মামলার ১ নম্বর আসামি ফুলবাড়ী উত্তরপাড়া এলাকার মো. রনটির ছেলে মো. মনির (২৬) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

 

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে শজিমেক হাসপাতালের ৭ম তলার মেডিসিন ওয়ার্ডে রাজাপুর গ্রামের মো. আব্দুল মালেক (৫৫) নামে এক রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মালেকের মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনেরা কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান।

অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা দেশীয় অস্ত্র, বার্মিজ চাকু ও লোহার রড ব্যবহার করে চিকিৎসকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন চিকিৎসক মারাত্মকভাবে আহত হন, যার মধ্যে ইন্টার্ন চিকিৎসক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর হাত ভেঙে যায় এবং আজরফ ইসলামসহ কয়েকজনের শরীরে রক্তাক্ত জখম হয়।

 

হামলাকারীরা এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সরকারি মালামাল ভাঙচুর করে আনুমানিক ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং তিনটি মোবাইল ফোন ও স্ট্রেথোস্কোপ চুরি করে নিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জড়িতদের আটক করে।

বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী জানান, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন ডাক্তার ও স্বজনদের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন আরো ২ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দিলে মামলা রুজু করা হয়।

 

গ্রেপ্তার দেখানো ৬ জন আসামিকে আজ বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%