০৯:৫৯ পি.এম
বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার। এই তথ্য বুধবার ঘোষণা করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে। তবে আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের সঙ্গে এই প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময় জানাননি।
খবর অনুযায়ী, আনাদোলু এজেন্সির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রথম ধাপে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলমান রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সমাধানের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তার নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া অন্যতম বৃহৎ আশ্রয়স্থল। এই দুই দেশে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রোহিঙ্গা শরণার্থী জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। তাদের মধ্যে ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর দমন-পীড়নের ফলে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। নিরাপত্তা সংকটের কারণে বেশ কিছু রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পেরিয়ে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে বলেন, তাদের ফেরত পাঠান। কিন্তু কোথায় ফেরত পাঠাব? মিয়ানমার তো তাদের নিতে চাইত না। মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এখন তারা প্রথম ধাপে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, আঞ্চলিক শরণার্থী সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজতে মিয়ানমারের সঙ্গে মালয়েশিয়া আলোচনা অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন