ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুশ ইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ভারতে ফেরত পাঠাল বিজিবি


পুশ ইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ভারতে ফেরত পাঠাল বিজিবি

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

এরপর তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়।

৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোরে জুড়ীর কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১০ জনকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিজিবি তাদের আটক করে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, সাতজন নারী এবং এক শিশু রয়েছে। আটক হওয়ার পর তাদের পরিচয় এবং নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই করে বিজিবি। তবে, কেউই বাংলাদেশি নাগরিকত্বের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরে, পুশ ইন চেষ্টার সুযোগ না দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশ ইন সম্পর্কিত বিষয়ে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি সব সময় সতর্ক এবং তৎপর রয়েছে।

এ ঘটনার পর জুড়ী সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিয়ার দামেস্কের কাছে গ্রেনেড হামলায় আহত তিনজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


সিরিয়ার দামেস্কের কাছে গ্রেনেড হামলায় আহত তিনজন

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের দক্ষিণ-পূর্ব উপকণ্ঠের জারামানা শহরের প্রবেশপথে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে গ্রেনেড হামলার কারণে তিনজন সিরিয়ান নিরাপত্তা সদস্য আহত হয়েছেন। হামলার সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণে হামলাকারী নিজেই নিহত হন। এই ঘটনার মাধ্যমে তার সঙ্গে থাকা আরেক সন্দেহভাজনকে কর্তৃপক্ষ গ্রেফতার করেছে।

আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানার বরাত দিয়ে রয়া নিউজ জানিয়েছে, নিয়মিত পরিচয়পত্র যাচাইয়ের অংশ হিসেবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তিকে থামান।

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, তল্লাশির একপর্যায়ে তাদের একজন হঠাৎ একটি পিস্তল বের করে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এরপর তিনি নিরাপত্তা চৌকির দিকে পরপর দুটি হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন, যার ফলে আহত হন তিনজন নিরাপত্তা সদস্য। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।

হামলার সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণে হামলাকারী নিজেই নিহত হয়েছেন। নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারী তৃতীয় একটি গ্রেনেড নিক্ষেপের চেষ্টা করলে সেটি তার হাতেই বিস্ফোরিত হয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তি হত্যা ও মাদক পাচারসহ একাধিক অপরাধ মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। হামলাকারীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে থাকা দ্বিতীয় ব্যক্তিকে ঘটনার স্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পটভূমি এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি ক্যাফেতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, এতে ৯ জন নিহত এবং আরও অন্তত ২০ জন আহত হয় বলে জানায় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বর্তমানে পর্যন্ত কোনো পক্ষ এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, পুঁতে রাখা একটি ডিভাইসের কারণে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন প্যালেস অফ জাস্টিসের কাছের এলাকায় ঘটনাটি ঘটে যার কারণে ব্যস্ত এলাকাটিতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমর্থকদের তোপ ও সরকারি তদন্ত থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘পালালেন’ দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


সমর্থকদের তোপ ও সরকারি তদন্ত থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘পালালেন’ দক্ষিণ কোরিয়ার কোচ

বহুত আশা নিয়ে ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এই পরিণামে সমর্থকদের কঠোর সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে পুরো দলকে।

সর্বাধিক ক্ষোভের শিকার হয়েছেন এই দলটির সদ্য সাবেক কোচ হং মিয়ুং-বো। এমন একটি পরিস্থিতিতে নিজের দেশে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন বলে দাবি করেছে জংআং ডেইলি, চোসানবিজ, স্টার নিউজ কোরিয়া সহ দেশের আরও কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম।

বিশ্বকাপে ব্যর্থতা নিয়ে দেশে ফিরে আসার সাথে সাথে হং মিয়ুং-বো প্রবল ক্ষোভ ও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। বিমানবন্দরে সমর্থকরা একত্রিত হয়ে ‘হং আউট’ স্লোগান দিতে শুরু করেন।

‘হংয়ের বেতন ফেরত নেওয়া হোক’ এই লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে কিছু সমর্থককেও দেখা যায়। এমনকি কিছু সমর্থক তাকে গাড়িতে ওঠার আগ পর্যন্ত গালিও প্রদান করতে থাকেন।

নিরাপত্তাহীনতার কারণে তাড়াহুড়ো করে দেশ ত্যাগ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার সদ্য সাবেক কোচ হং মিয়ং-বো। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিয়ে হং মিয়ং-বো ইতোমধ্যে পদত্যাগও করেছেন। তবুও, সমর্থকরা শান্ত না হওয়ায় দুই দিন পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে চলে গেলেন।

স্টার নিউজ কোরিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়া মেক্সিকোয় সব ম্যাচ খেলেছে। সেখান থেকেই সম্প্রতি তারা দেশে ফিরেছে। তারপর কয়েক দিন বিশ্রামে থাকার কথা ছিল, কিন্তু বিপদের আঁচ পেয়ে হং মিয়ুং-বো যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন, যেখানে তার পরিবার আগে থেকেই বসবাস করছে।

বিশ্বকাপে দলের এই ভরাডুবির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ুং। তিনি মনে করেন, যোগ্যতার পরিবর্তে পক্ষপাতিত্ব ও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রধান্য দেওয়ার ফলেই এমন পরিণতি ঘটেছে। এ বিষয়ে দেশটির জাতীয় সংসদেও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল অঙ্গনে অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক চাপ এবং সরকারি তদন্তের শুনানি এড়াতে হং মিয়ুং-বো যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আপনাদের অনেক কথাই বলতে চাই। তবে সেগুলো বলার জন্য উপযুক্ত সময় এখনও আসেনি।’ জাতীয় দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের গুঞ্জনও তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।

তবে সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, হং মিয়ুং-বো যদি লস অ্যাঞ্জেলেসে তার পরিবারের কাছে যেতে পারেন, তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে তার এই সফরকে ‘বিদেশে পালিয়ে যাওয়া’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলের জন্য এটি একটি ‘আন্তর্জাতিক লজ্জা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুদানের এল-ওবেইদে মানবিক বিপর্যয় নিয়ে জাতিসংঘের ‘রেড অ্যালার্ট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


সুদানের এল-ওবেইদে মানবিক বিপর্যয় নিয়ে জাতিসংঘের ‘রেড অ্যালার্ট’

সুদানের এল-ওবেইদ শহরে চলমান মানবিক বিপর্যয় নিয়ে শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকারের বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছেন। জাতিসংঘ আশঙ্কা করছে, শহরটিতে আধাসামরিক বাহিনীর বড় ধরনের হামলা আসন্ন হতে পারে।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের জরুরি বৈঠকে টুর্ক বিশ্বনেতাদের এল-ওবেইদে সম্ভাব্য নৃশংসতা ঠেকাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এল-ওবেইদের পরিস্থিতি স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন। সুদানে আরেকটি মানবাধিকার বিপর্যয় তৈরি হচ্ছে। এবার সেটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উত্তর কর্দোফান রাজ্যের রাজধানীতে।’

জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর প্রদান করেছে। তুর্ক আরও বলেন, ‘১৮ মাস ধরে বেসামরিক মানুষ অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে রয়েছে। সুদানের সশস্ত্র বাহিনী এবং র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) শহরের আশপাশের এলাকা দখলের লড়াই চালিয়ে যাওয়ায় তারা একের পর এক ড্রোন হামলার শিকার হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এটি কোনো মহড়া নয়। এটি এমন একটি রেড অ্যালার্ট, যা বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের টেবিলে পৌঁছানো প্রয়োজন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আগামী কয়েক দিন ও সপ্তাহে তাদের ফোনে এল-ওবেইদ এবং কর্দোফানের অন্যান্য এলাকায় নৃশংস অপরাধ কীভাবে ঠেকানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলা উচিত।’

ব্রিটেনের অনুরোধে কয়েকটি দেশের পক্ষে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ মানবাধিকার সংস্থা এল-ওবেইদের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিরল এ জরুরি সভার আয়োজন করেছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সুদানের নিয়মিত সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।

তেলের মজুত এবং আরএসএফের সবচেয়ে শক্তিশালী আধাসামরিক মিত্রদের অবস্থানের কারণে কর্দোফান অঞ্চল এখনও সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে রয়েছে। উত্তর কর্দোফান রাজ্যের রাজধানী এল-ওবেইদ পশ্চিমাঞ্চলের দারফুরে আরএসএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকা এবং পূর্বাঞ্চলের সেনানিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের মধ্যে আরও গুরুত্বপূর্ণ পথের ওপর অবস্থিত।

প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের এ শহরে গৃহযুদ্ধে বাস্তুচ্যুত প্রায় এক লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শহরটি আরএসএফের সবচেয়ে তীব্র হামলার মুখে পড়েছে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দীর্ঘ অবরোধ ভাঙতে সক্ষম হলেও পরে শহর এবং শহর থেকে বের হওয়ার প্রধান মহাসড়কে ড্রোন হামলা চালিয়ে আরএসএফ আবারও অবরোধ আরোপের চেষ্টা করছে। সেনাবাহিনী তা ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে।

সাম্প্রতিক হামলায় প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি ডিপো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকা অন্ধকারে ডুবে গেছে এবং পানির পাম্পগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে।

এ জরুরি বৈঠকে অংশ নেওয়া ইউরোপীয় দেশগুলো ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপনের পরিকল্পনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রহনপুর হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পাহাড়সম অনিয়ম দুর্নীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


রহনপুর হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পাহাড়সম অনিয়ম দুর্নীতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই সংক্রান্ত বিষয়টি নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ১০-০৫-২০২৬ তারিখে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি আবেদন পাঠানো হয়েছে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রভাসক ডাক্তার রবিউল ইসলাম অভিযোগটি করেন।

ডা. মুঃ হাবিবুল্লাহ হলেন রহনপুর হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার, সহকর্মীদের বেতন না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করার, নিয়মের পরিপন্থীভাবে অর্থ ব্যয় করার, ভুয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দেখিয়ে তাদের নামে বেতন উত্তোলন করার এবং আরও হাজারো দুর্নীতি ও অনিয়মের ঠিকানা গড়ে উঠেছে।

ডা. মুঃ হাবিবুল্লাহর লাগাতার দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্তে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত/সাসিং কমিটি গঠিত হয়েছে। তবে অভিযোগ আছে যে, সাসিং কমিটিকে কোনওরকম সহযোগিতা করছেন না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। এমনকি কলেজের আয়-ব্যয়ের কোনও হিসাবও দিতে পারছেন না অধ্যক্ষ।

সূত্র অনুযায়ী, রহনপুর হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. মুঃ হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে গঠিত সাসিং কমিটির তদন্তে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে। কলেজের আয় এবং ব্যাংক হিসাবের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক ফারাক। কলেজের আয়ের টাকা ব্যাংকে জমা হয়নি।

ডি,এইচ,এম,এস ডিগ্রী ছাড়াই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুঃ হাবিবুল্লাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা পুরোপুরি অবৈধ। নিয়োগের পরেই তিনি একই প্রতিষ্ঠান থেকে ডিএইচএমএস ডিগ্রি নিয়ে নেন। এ বিষয়ে প্রতিবেদক যখন কথা বলতে চান তখন ডা. মুঃ হাবিবুল্লাহ বলেন, "আমি কনো কথা বলবো না, যা কিছু বলার সভাপতি স্যার বলবেন, বর্তমান সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%