০২:১২ পি.এম
ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো দেশটি ভূমিকম্পের দিক থেকে অত্যন্ত সক্রিয় একটি অঞ্চলে অবস্থিত হওয়া। ভেনেজুয়েলা ক্যারিবীয় ও দক্ষিণ আমেরিকা টেকটোনিক প্লেটের সীমান্তের মধ্যে অবস্থিত। এই দুটি প্লেট প্রতিবছর প্রায় ২২ মিলিমিটার হারে একে অপরের পাশ দিয়ে সরার জন্য উদ্দীপিত হয়।
গত বুধবার (২৪ জুন) দিনটি জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যখন এই দুইটি প্লেটের সীমান্তের দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা চাপ আচমকা মুক্ত হয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ, অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ভৌগোলিক বিভিন্ন অঞ্চলে নানা সক্রিয় ফল্ট লাইনও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুসারে, ফল্ট হলো ভূ-পৃষ্ঠের শিলাস্তরের মধ্যে ফাটল তৈরির অঞ্চল। এসব স্থানে জমে থাকা চাপের কারণে শিলাস্তরের সরে যাওয়া ঘটলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন: রাশিদা তালিবের মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্যের নিন্দা, নেতিবাচক প্রভাবের সতর্কতা
ভেনেজুয়েলায় অগভীর ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। সাধারণভাবে, ভূ-পৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটারের কম গভীরতায় উৎপন্ন হওয়া ভূমিকম্পগুলোকেই অগভীর ভূমিকম্প বলা হয়।
ভূ-পৃষ্ঠের নিকট উৎপন্ন হওয়ায় এ ধরনের ভূমিকম্পে কম্পন অনেক বেশি অনুভূত হয় এবং একই মাত্রার গভীর ভূমিকম্পের তুলনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়ে থাকে। তবে বুধবারের জোড়া ভূমিকম্পের মতো প্রাণঘাতী ঘটনা ভেনেজুয়েলায় খুবই বিরল।
পূর্বে ২০০৯, ১৯৮৯ এবং ১৯৭৫ সালে দেশটিতে ৬ কিংবা তার বেশী মাত্রার ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছিল। আর দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পটি ঘটেছিল ১৯৬৭ সালে, যখন রিখটার স্কেলে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
আরও পড়ুন: জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন