ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা, 'ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম' জমা বাধ্যতামূলক


ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা,

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে 'Visa Undertaking Form' বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এই তথ্য জানানো হয়।

অ্যাডভাইজরিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা

নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে তা হলো, হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে 'Visa Undertaking Form' ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনো ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ফর্মে কী কী তথ্য লাগবে

আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন

প্রকাশিত এক পাতার ‘Visa Undertaking Form’ অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক। এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা।

২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন—ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি।

৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনো অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না। ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনো কাজে জড়াবেন না। কোনো আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে।

সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রম আন্দোলনের নামে হামলায় শ্রমিক মো. সেলিম গুরুতর আহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের সমন্বয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব : মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের সমন্বয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব : মাহদী আমিন

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, দেশের বিদ্যমান বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব, যা ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের সম্মিলিত সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) যৌথ উদ্যোগে ‘শিল্প ও একাডেমিয়ার সংযোগ: ব্যবসায়িক উদ্ভাবনের দিকে এআই-এর রূপান্তর’ শীর্ষক সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যৌথ সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যায় বিদেশ নির্ভরতা থাকলেও দেশের উজ্জ্বল মেধাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি সমস্যার স্থানীয় সমাধান বের করা সম্পূর্ণরূপে সম্ভব। তিনি জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক উদ্ভাবনী ভাবনার পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সম্ভাবনাময় উদ্যোগেও প্রাথমিক মূলধনের জোগান দিতে সরকার স্টার্টআপ ফান্ড ও অনুদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

উপদেষ্টা যানজট নিরসন, কৃষি ও শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধিতে জেলা পর্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসার যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের যুগে প্রযুক্তিকে মানবকল্যাণে প্রয়োগ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও জানান, এসএসসি ও এইচএসসিতে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি ও ভাষা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প ক্যারিয়ার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মেধা পাচার (ব্রেন ড্রেইন) প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, সরকার ‘ব্রেন ড্রেইন’কে ‘ব্রেন সার্কুলেশনে’ রূপান্তর করতে কাজ করছে। তিনি জানান, প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের দেশে বিনিয়োগ ও যৌথ গবেষণা চালানোর জন্য পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের এই সময়ে বিপুল যুবশক্তিকে উপযোগী নীতি ও প্রণোদনার মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তায় রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুনসহ তরুণ উদ্ভাবকরা বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের বিশ্বাসপুর গ্রামে যোগাযোগ ও উন্নয়নে রয়েছে ব্যাপক বঞ্চনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ের বিশ্বাসপুর গ্রামে যোগাযোগ ও উন্নয়নে রয়েছে ব্যাপক বঞ্চনা

ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বিশ্বাসপুর গ্রাম উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা এবং যাতায়াতে ন্যূনতম সুযোগের অভাবে গ্রামের মানুষের কাছে আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরাই রয়ে গেছে।

গ্রামটি তিন দিকে বিল এবং এক দিকে খালের মাঝে অবস্থিত। পশ্চিম পাড়ায় অবস্থিত বিশ্বাসপুরে বর্ষাকালে পিচ্ছিল এবং কর্দমাক্ত উচুনিচু রাস্তা পারাপার করতে হয়, আর শুকনো মৌসুমে ধুলোবালি মাখা উচুনিচু মেঠো পথে চলাচল করতে হয়।

পশ্চিম পাড়ায় প্রায় শতাধিক পরিবার বসবাস করে। কৃষক, শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। যাতায়াতের দুরবস্থার কারণে গ্রামের শিশুরা স্কুলে যেতে আগ্রহী নয়।

১৯২০ সালে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য বাকুন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এস,কে মানিক শাহীন জানান, "আমার স্কুলের মেইন কেচম্যান এলাকা হলো বিশ্বাসপুর, সেখানকার ছাত্র/ছাত্রীরা ফসলিজমির আইল দিয়ে আমার স্কুলে এসে পড়াশুনা করে।" বর্ষাকালে হাটু পানি পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসা ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য বেশ সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরও বলেন, "বিশ্বাসপুর গ্রামে আমি দীর্ঘ ১৪ বছর যাবত চাকরি করে আসতেছি। এই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ করে রাস্তাঘাট খুবই খারাপ, যার কারণে শিক্ষা ও চিকিৎসা থেকে বিশ্বাসপুর ও বাকুন্দা গ্রামের শত শত পরিবার দিনের পর দিন বঞ্চিত হচ্ছে।" বর্তমান সরকার, মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং নবনির্বাচিত এমপি মির্জা ফয়সল আমিন মহোদয়কে বিশ্বাসপুর ও বাকুন্দা গ্রামের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, "আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জন দুর্ভোগ বিষয় তুলে ধরেছেন, আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।"

বিশ্বাসপুর গ্রামের মোঃ আবু হেলাল বলেন, "আমার বাবার বাড়ি এই গ্রামে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এই রাস্তাটি পাকাকরণ হবে। আজ অবধি শুধু পাকা কেন, বর্ষায় ভেঙে যাওয়া রাস্তাটিতে সরকারি ভাবে মাটি দিয়েও ঠিক করা হয়নি।" তিনি আরও জানান, "এখন মনে হয় এটি স্বপ্ন বাস্তবে দেখতে পাবো কি না জানিনা।" স্কুলে যাওয়ার জন্য কোন রাস্তা ছিল না, তাই পাড়ার সবাই মিলে জমির আইল দিয়ে হেঁটে স্কুলে যাতায়াত করেছেন। তবে তার বাবা মোরহুম আব্দুল কুদ্দুস জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি এবং তার চাচারা মিলে স্বেচ্ছাশ্রমে একটি রাস্তা তৈরি করেছেন, যা দিয়ে বর্তমানে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যাতায়াত করতে পারে।

গ্রামের মেয়ে শিক্ষক সীমা আকতার বলেন, "একটি গ্রাম অথবা একটি এলাকা উন্নয়ন করতে হলে প্রথমেই দরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা।" তাই বিশ্বাসপুর গ্রামের মানুষকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও যাতায়াতে ন্যূনতম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। তিনি আশা করেন, "আপনার মাধ্যমেই স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের নজরে এনে গুরুত্বপূর্ণ জন দুর্ভোগ সমাধানের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

বিশ্বাসপুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম ধন মোহাম্মদ জানান, "বিশ্বাসপুর গ্রামে প্রবেশের কোনো পাকা রাস্তা নেই। কাঁচা রাস্তা সংস্কারে কত টিআর, কাবিটা আসে। কিন্তু এ বিশ্বাসপুর গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা, অথচ রাস্তাটি এখনও অযত্নে অবহেলিত হয়ে রয়েছে।" তিনি দাবি করেন, "দ্রুততম সময়ে এই রাস্তাটি পাকা করা হোক।"

বিশ্বাসপুর গ্রামের উদীয়মান ব্যবসায়ী মোঃ হাসান আলী জানান, "যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় উন্নয়ন বঞ্চিত বিশ্বাসপুর। ফুটকিবাড়ি মাদ্রাসা মোড় থেকে ভকদগাজি বাজার পর্যন্ত সেটেলমেন্ট রেকর্ডের ২০ ফিট প্রশস্ত খাস হালট রয়েছে।" তিনি জানান, "এ হালটে মাটি ফেলে রাস্তার দাবি বহুদিনের। রাস্তাটি হলে পটুয়া, ফুটকিবাড়ি, বাকুন্দা, বিশ্বাসপুরসহ আশেপাশের প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের মানুষের সহজ যাতায়াত সম্ভব হতো।"

বিশ্বাসপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক মোঃ পাঞ্জাব আলী (মাস্টার) জানান, "এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। শিক্ষা-দীক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় আমরা পিছিয়ে।" তিনি উল্লেখ করেন, "স্বাধীনতার ৬৬ বছরে উন্নয়নে দেশের অনেক কিছুই বদলে গেছে। আশপাশের গ্রামও বদলে গেছে। কিন্তু বদলে যায়নি বিশ্বাসপুর পশ্চিম পাড়া।" অশিক্ষা, বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্বাসপুর অন্ধকারে ডুবে আছে। তিনি আশা করেন, "আমাদের চলাচলের এই একমাত্র রাস্তাটি পাকা করণ করা হলে আমাদের এলাকাটি উন্নত হবে।"

তবে ২০২৩ সালে স্থানীয়ভাবে নিজ উদ্যোগে মোরহুম কৃষক আব্দুল কুদ্দুস, পান্জাব আলী মাস্টার, মোঃ মোস্তফা সহ স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের চাষাবাদি ফসলি জমি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীর যাতায়াত এবং ফসলী জমির ফসল আনা নেওয়া সহজ করতেই স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। তবে সে রাস্তায় এখনও সরকারি ভাবে কোন ধরনের এক মুঠো মাটিও দিয়ে দেখাশুনা করা হয়নি, অভিযোগ স্থানীয়দের।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মাবুদ হোসেনের সাথে আমাদের প্রতিনিধি মাসুদ রানা পলক কথা হলে তিনি জানান, "এই রাস্তাটির অবস্থা সম্পর্কে তিনি অবগত রয়েছেন।" তিনি বলেন, "বিষয়টি তিনি তার উচ্চতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে কিভাবে দ্রুততম সময়ে কাঁচা রাস্তাটি পাকা করণ করা যায় সে বিষয়ে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীর ডোমারের মাঝাপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নীলফামারী প্রতিনিধি: রায়হান আলী

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


নীলফামারীর ডোমারের মাঝাপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার

নীলফামারীর ডোমার সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়ায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার। বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) বিকেলে তিনি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের মাঝে জরুরি খাদ্য ও রান্নার সামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময় স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এমপি মহোদয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও নীলফামারী শহর আমীর অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, ডোমার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খন্দকার আহমাদুল হক মানিক, সেক্রেটারি ও গোমনাতি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা রবিউল আলম, সহকারী সেক্রেটারি মো. সোহেল রানা, সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুল হক এবং সদর ইউনিয়ন আমীর মো. নুরুজ্জামানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশ্যে এমপি অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার বলেন, "ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব; এটি কোনো দান বা দয়া নয়, বরং দুর্দিনে আমাদের ভাইবোনদের জন্য সামান্য উপহার মাত্র। আজ আমাদের দলের পক্ষ থেকে এই সহযোগিতা প্রদান করা হলো। পাশাপাশি, খুব শীঘ্রই সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করে এই পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালাব।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ জেলা জামায়াতের নতুন আমির মাওলানা মাহফুজুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুলবুল আহম্মেদ বুলু নওগাঁ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


নওগাঁ জেলা জামায়াতের নতুন আমির মাওলানা মাহফুজুর রহমান

নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমীর নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমান। সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) গোপন ভোটে তিনি আগামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য জেলা আমির নির্বাচিত হন। তিনি এর আগে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য দেশের ৭৭টি সাংগঠনিক জেলা ও মহানগর শাখার আমিরদের নাম ঘোষণা করে। ঘোষিত তালিকায় নওগাঁ জেলা শাখার আমির হিসেবে মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমানের নাম রয়েছে।


দলীয় ও ব্যক্তিগত পরিচিতি অনুযায়ী, মাহফুজুর রহমান কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়ে তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালেও তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন বলে দলীয় পরিচিতিতে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মাহফুজুর রহমান। 


উল্লেখ্য, গত ২৪ অক্টোবর নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের জন্য জেলা আমির নির্বাচনের লক্ষ্যে সদস্যদের মতামত গ্রহণ করা হয়েছিল।


নতুন দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে আগামী দুই বছরের জন্য নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবেন মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%