বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ পি.এম
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য জানান।
এ সময় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি’র পক্ষ থেকে অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন।
তিনি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশি পেশাজীবীদের, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে রাষ্ট্রপতি স্বাগত জানান।
এ ছাড়া বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য কর্মোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।
এ সময় হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে যতদিন সফলতা অর্জিত না হবে, ততদিন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে মিরপুরে হকারদের হামলায় আহত চিত্র সাংবাদিক সিফাত শাহরিয়ারকে দেখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সিটি করপোরেশনের আওতাধীন যে কোনো জায়গা দখল হলে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করবে উত্তর সিটি করপোরেশন।
মিরপুরের ঘটনার প্রেক্ষিতে জামায়াত আমিরের মন্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আসন ভিত্তিক নয়, জনগণের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে অভিযান পরিচালনা করছে। এটি করপোরেশনের আওতাধীন যেকোনো স্থানে হতে পারে।’
অভিযান পরিচালনায় চাপ রয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিএনপির কর্মী, আমি প্রশাসক, আমাকে চাপ প্রয়োগের সুযোগ নেই। সিটি করপোরেশনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসকের দায়িত্ব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করে সিটি করপোরেশন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৭ বছর পর বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান আবারও পরিচালক আর বালকির সঙ্গে কাজ করছেন। তারা একটি নতুন তামিল সিনেমায় একসঙ্গে ফিরছেন। সিনেমাটির শুটিং ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তবে সিনেমাটির নাম, গল্প বা বিদ্যার চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
সম্প্রতি বিদ্যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন সিনেমার সেট থেকে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে তাকে হাতে চিত্রনাট্য, চোখে চশমা ও লম্বা বিনুনিতে দেখা যাচ্ছে। ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নতুন শুরু’। নতুন তামিল সিনেমা ও আর বালকির সঙ্গে কাজ করার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
নতুন সিনেমাটি সম্পর্কে এখনো অনেক কিছু গোপন রাখা হয়েছে। এর গল্প, বিদ্যার চরিত্র কেমন, কিংবা তার সঙ্গে আর কারা অভিনয় করছেন—এসব বিষয়ে নির্মাতা বা অভিনেত্রী কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি। সিনেমাটি কবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে, সেটিও জানানো হয়নি।
বিদ্যা বালান ও আর বালকির সর্বশেষ একসঙ্গে কাজ ছিল ২০০৯ সালের সিনেমা ‘পা’-তে। ওই সিনেমায় অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন অভিনীত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন বিদ্যা। ‘পা’-এর পর দীর্ঘ ১৭ বছর তারা একসঙ্গে কাজ করেননি।
এবার নতুন তামিল সিনেমার মাধ্যমে বিদ্যা ও আর বালকির পুনর্মিলন ঘটছে। দীর্ঘ সময় পর তাদের এই পুনর্মিলনে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
তবে নতুন সিনেমাটি বিদ্যার প্রথম তামিল সিনেমা নয়। এর আগে ‘নেরকোন্ডা পারভাই’ সিনেমায় তিনি অতিথি চরিত্রে ছিলেন। রজনীকান্ত অভিনীত ‘জেলার ২’ সিনেমাতেও অভিনয় করছেন বিদ্যা। নতুন সিনেমাটিতে প্রথমবারের মতো আর বালকির পরিচালনায় তামিল ভাষার পূর্ণাঙ্গ একটি সিনেমায় কাজ করছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের একটি গবেষক দল পানির নিচে একসঙ্গে ১১৬টি স্বয়ংক্রিয় ড্রোন পরিচালনা করে নতুন বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করেছে। ড্রোনগুলো নির্ধারিত পথে চলাচল করে, যা মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই সম্ভব হয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তারা গত ২৯ আগস্ট আয়োজিত প্রদর্শনীতে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এই রেকর্ডটি স্বীকৃতি দেন।
উইয়ন নিউজের তথ্য অনুযায়ী, নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি ও জিয়ান তিয়ানহে মেরিটাইম টেকনোলজিসের গবেষকরা ড্রোনগুলো তৈরি করেছেন। প্রদর্শনীতে পানিতে নামানোর পর প্রতিটি ড্রোনের অনবোর্ড স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেভিগেশন ও সমন্বয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরপর ১১৬টি ড্রোন একসঙ্গে পানির নিচে প্রায় ১ হাজার ৬৪০ ফুট পথ অতিক্রম করে। ড্রোনগুলোর চলাচল সমন্বয়ের জন্য রিয়েল-টাইম তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। যদি কোনো ইউনিট নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা সেটিকে পুনরায় সঠিক রুটে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। ফলে পুরো দলটি একসঙ্গে ঝাঁকের মতো সমন্বিতভাবে চলাচল করতে সক্ষম হয়।
পানির নিচে যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিচালনা করা প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। বিশেষ করে সেখানে রেডিও সিগন্যাল স্থলভাগের মতো নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে না। এমন পরিস্থিতিতেও মানবিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এতগুলো ড্রোনের সমন্বিত চলাচলকে গবেষকেরা স্বয়ংক্রিয় জলীয় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। প্রকল্পে ব্যবহৃত ড্রোনগুলোর মডেল টিএইচ-৬১৮। প্রতিটি ড্রোনের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৭ দশমিক ৮ ইঞ্চি। ওজন প্রায় ৫ কেজি। একবার চার্জে ড্রোনগুলো ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে এবং টানা আট ঘণ্টার বেশি কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা রয়েছে।
ড্রোনগুলোতে ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে পানির নিচে অবস্থান নির্ণয় ও আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য। পানির স্রোতসহ বিভিন্ন কারণে চলার পথে বিচ্যুতি তৈরি হলেও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরিস্থিতি অনুযায়ী গতিপথ সংশোধন করতে পারে। গবেষকদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতে সমুদ্রতলের জরিপ, পানির নিচের অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ এবং তেল-গ্যাসের পাইপলাইন পরিদর্শনের মতো কাজে বাড়ানো সম্ভব। নর্থওয়েস্টার্ন পলিটেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পানির নিচের সেন্সিং, অ্যাকোস্টিক যোগাযোগ ও ভিজ্যুয়াল পারসেপশন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মন্তব্য করেছেন যে, হুতিদের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে সৌদি আরব কোনো আপস করতে প্রস্তুত নয়। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর জন্য কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের পক্ষে যুবরাজ এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান ভাষণে বলেন, হুতিরা ‘বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে’। তিনি জানান, সৌদি আরব দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। যুবরাজ বলেন, নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো হুমকি বা হামলার বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দিতে সৌদি আরব দ্বিধা করবে না।
তিনি তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে আগস্টে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা উল্লেখ করেন। যুবরাজ বলেন, ‘এই চুক্তি সৌদি নেতৃত্বের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা আরো শক্তিশালী করা, সংঘাত ও উত্তেজনার ক্ষতি থেকে অঞ্চলকে রক্ষা করা এবং নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যকে তুলে ধরে।’
এছাড়াও, তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস না করেই উত্তেজনা কমানো এবং কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
লোহিত সাগর রক্ষায় সামুদ্রিক জোট
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব প্রণালিতে হুতিদের জাহাজে হামলার বিষয়েও আলোচনা করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করে রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক চাপ তৈরির বিরোধিতা করেন।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক জলপথে সবার স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি বহুজাতিক প্রতিরক্ষামূলক সামুদ্রিক জোট গঠন করা হয়েছে।’ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বিরুদ্ধে হুতিরা সৌদি আরবে হামলার সংখ্যা বাড়িয়েছে।
গত সপ্তাহে সৌদি আরব জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের তাইফ এবং লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর এলাকায় ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা ভূপাতিত করেছে। হুতিরা দাবি করেছে, তারা সৌদি রাজধানী রিয়াদে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং ইয়ানবুতে সৌদি আরবের তেল কোম্পানি আরামকোর কয়েকটি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেছেন, সৌদি আরবের ওপর হুতিদের হামলা অব্যাহত থাকলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেবে পাকিস্তান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ