ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিজিটাল মাধ্যমে মাদক বেচাকেনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড


ডিজিটাল মাধ্যমে মাদক বেচাকেনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

সাইবার মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবৈধ মাদক চোরাকারবারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল ২০২৬ সংসদে পাস হয়ে গেছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।

জনমত যাচাই, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ এবং সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়। সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশোধিত বিলে প্রযুক্তিনির্ভর মাদক-সংক্রান্ত অপরাধকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএমইউতে ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিশেষজ্ঞদের

নতুন আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাইবার স্পেস, ডিজিটাল ডিভাইস, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা মনঃপ্রভাবকারী পদার্থ কেনা, বিক্রি, সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন, যোগাযোগ, সহায়তা বা অন্য কোনো অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এছাড়া, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল অ্যাসেট বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করেও এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আইনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংঘটিত মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের বিচার করতে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। এ ধরনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

যদি কোনো অপরাধ আন্তর্জাতিক বা সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের অংশ হিসেবে সংঘটিত হয়, তবে অপরাধীকে যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। বিলে আদালত বা মাদক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালকে এ ধরনের অপরাধে ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস, অ্যাকাউন্ট, পেমেন্ট সিস্টেম, ই-ওয়ালেট, ভার্চুয়াল সম্পদ বা ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ, বাজেয়াপ্ত, অপসারণ বা রাষ্ট্রের অনুকূলে ন্যস্ত করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি নেতা বুলু, দোয়া চাইলেন পরিবার

এছাড়া মাদকপ্রবণ এলাকায় স্বতন্ত্র মাদক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান পুনর্বহাল করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত আদালতে বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিধানও বহাল রাখা হয়েছে। বিলের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে ডগ স্কোয়াড গঠন এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ পাস হয়েছিল। ওই আইনে ২০০ গ্রামের বেশি ইয়াবা অথবা ২৫ গ্রামের বেশি হেরোইন বা কোকেন বহনের দায়ে দোষী ব্যক্তির জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজেদের পছন্দের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন ক্ষুব্ধ নেপালের জেন-জি প্রজন্ম?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ এম


নিজেদের পছন্দের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন ক্ষুব্ধ নেপালের জেন-জি প্রজন্ম?

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ট্রাফিক পুলিশের অত্যাচারের শিকার হয়ে এক রাইড-শেয়ারিং চালকের আত্মহত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে তীব্র গণ-অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে ওই তরুণ চালক মোটরসাইকেলের চাকা লক করে দেওয়ার পর ক্ষোভ ও অভিমান থেকে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে রাজধানী কাঠমান্ডুর রাস্তায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম বা নেপালের 'জেন জি' আন্দোলন নিয়ে এসেছে।

নেপালি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) কাঠমান্ডুর একটি সড়কে তিনি গ্রাহকের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। স্থানীয় মিউনিসিপ্যাল (পৌর) পুলিশ আকস্মিকভাবে এসে তার মোটরসাইকেলের চাকায় লক লাগিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশের এই অন্যায় আচরণের প্রতিবাদে এবং জীবিকার ক্ষতি হওয়ায় হতাশ হয়ে তরুণ চালক নিজের শরীরে পেট্রোল ঢালেন এবং আগুন ধরিয়ে দেন।

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় আসার পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও, পরের দিন শুক্রবার (১০ জুলাই) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে, দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর সরকারি দপ্তর ‘সিংদরবার সচিবালয়’-এর বাইরে শত শত মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

বিক্ষোভকারীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে ‘গরিবদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করুন’ এবং ‘মানবাধিকারকে সম্মান করুন’-এর মতো স্লোগান লেখা দেখা যায়। সাধারণ জনগণ এই ঘটনার জন্য বালেন শাহ সরকারের ‘দরিদ্র-বিরোধী ও আগ্রাসী’ নীতি দায়ী হিসেবে দেখছেন। বালেন্দ্র শাহ মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ফুটপাত পরিষ্কার, হকার উচ্ছেদ এবং নদীর ধারের অবৈধ বসতি সরানোর নামে দরিদ্র ও ভূমিহীনদের ওপর পুলিশের বর্বর নির্যাতন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আইনজীবী ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঠমান্ডুর পৌর পুলিশ নিজেদের ক্ষমতার বেআইনিভাবে অপব্যবহার করছে। প্রবীণ আইনজীবী রাজু চাপাগাঁই বলেন, ‘আইন অনুযায়ী পৌর পুলিশকে শারীরিক বলপ্রয়োগ বা দাঙ্গা দমনের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তাদের কাজ হচ্ছে সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করা। যেকোনও যানজট বা আইন ভঙ্গের সমস্যা হলে ট্রাফিক পুলিশকে জানানো উচিত ছিল। কিন্তু তারা হকারদের ধাওয়া করছে এবং নাগরিকদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।’

২০২৩ সালে পাস হওয়া ‘কাঠমান্ডু মেট্রোপলিটন সিটি মিউনিসিপ্যাল পুলিশ অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, এই বাহিনীর প্রধান কাজ হল সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা এবং স্বাস্থ্যবিধি ও উৎসবের শৃঙ্খলা বজায় রাখা। তাদের লাঠিচার্জ বা কাউকে আটক করার কোনো এখতিয়ার নেই। নেপাল পুলিশের সাবেক ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল পূর্ণচন্দ্র যোশী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা বলপ্রয়োগের পরিস্থিতি তৈরি হলে পৌর পুলিশ ‘নেপাল পুলিশ’-কে ডাকতে বাধ্য, তারা নিজেদের উদ্যোগে কোনো কাজ করতে পারবেনা।

আইনি সীমাবদ্ধতা ও নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে দিনমজুর ও প্রান্তিক মানুষের ওপর পুলিশের এই অতি উগ্র আচরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, বালেন্দ্র শাহ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাস ডাকছে মার্তিনেজকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


ইতিহাস ডাকছে মার্তিনেজকে

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেললে মার্তিনেজ আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়ছেন। 

ফুটবলে ‘নিঃসঙ্গ শেরপা’ হিসেবে পরিচিত গোলরক্ষকরা। গোলের পর অন্যরা যখন একসঙ্গে আনন্দে মাতোয়ারা হন, তখন তাদেরকে একাকী উদযাপন করতে হয়।

অবিশ্বাস্য কিছু সেভ কিংবা পেনাল্টি ঠেকিয়ে নায়ক হওয়ার সুযোগ পান তারা।

তবে, খুব কম সময়ই আলো কাড়তে পারেন তারা। তাদেরই একজন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, আর্জেন্টিনার হয়ে এক রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলতে নামলেই আলবিসেলেস্তাদের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়বেন তিনি।

অ্যাস্টন ভিলার গোলরক্ষকের ম্যাচ সংখ্যা হবে ১৪।

এতে ৪৮ বছরের একটি রেকর্ড ভেঙে যাবে। ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি গোলরক্ষক উবালদো ফিলোলের রেকর্ড ভাঙবেন মার্তিনেজ। বর্তমানে তার সঙ্গে ১৩ ম্যাচ খেলে রেকর্ডটা ভাগাভাগি করে আছেন মার্তিনেজ।

১৯৭৪ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত টানা তিন বিশ্বকাপে ১৩ ম্যাচ খেলেন ফিলোল। বিপরীতে দুই বিশ্বকাপে পূর্বসূরিকে পেছনে ফেলছেন ৩৩ বছর বয়সী গোলরক্ষক, ২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে।

দুজনের পরে আছেন সার্জিও রোমেরো। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ১২ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে সাবেক গোলরক্ষকের। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে তাকে পেছনে ফেলেন ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী মার্তিনেজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান সংঘাতে মার্কিন সৈন্যের মৃত্যু বেড়ে ১৪, আহত চার শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


ইরান সংঘাতে মার্কিন সৈন্যের মৃত্যু বেড়ে ১৪, আহত চার শতাধিক

ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাতে মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। চলতি মাসের জুলাইয়ের শুরুতে আরব সাগরে ঘটে যাওয়া এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর এক পাইলটের মৃত্যু হওয়ায় এই সংঘাতে মার্কিন মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।

এ ছাড়া সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই আরব সাগরে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার শিকার হয়। নৌবাহিনী প্রাথমিকভাবে এটিকে একটি জরুরি অবতরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার পেছনে শত্রুপক্ষের কোনো হামলা বা কার্যকলাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনার পরপরই হেলিকপ্টারে থাকা অপর তিন ক্রু সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নৌবাহিনীর ওই পাইলট প্রাণ হারান। এ ছাড়া চলতি বছরের মার্চে যুদ্ধের শুরুতে পৃথক কয়েকটি হামলায় ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিলেন। এর আগে তিনটি পৃথক ঘটনায় ১৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছিল।

কুয়েতের একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ইরানের ড্রোন হামলায় ছয়জন সৈন্য নিহত হন।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তাকারী একটি কেসি-১৩৫ ফুয়েল ট্যাংকার (জ্বালানি সরবরাহকারী) ইরাকে বিধ্বস্ত হয়ে আরো ছয় সেনা সদস্য নিহত হন। সোমবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত এই সংঘাতের কারণে মোট আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৪ জনে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, আহতদের একটি বড় অংশই মাথায় বা মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।

স্কেপণাস্ত্র হামলা ও শক্তিশালী বিস্ফোরণের কারণে সৈন্যরা দীর্ঘমেয়াদী ব্রেইন ইনজুরির শিকার হচ্ছেন, যা মার্কিন বাহিনীর ভেতর একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেন্ট্রাল কমান্ডের অপর মুখপাত্র মেজর এমা থম্পসন জানিয়েছেন, আহত সৈন্যদের প্রায় সকলেই চিকিৎসা শেষে পুনরায় কাজে ফিরেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে আলোচিত পাঁচ বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ এম


এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে আলোচিত পাঁচ বিতর্ক

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই যতটুকু আলোচনায় এসেছে, তা থেকে কম নয় মাঠের বাইরের নানা ঘটনা। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, ভিডিও প্রযুক্তির বিতর্ক, আকাশছোঁয়া টিকিটের দাম, এমনকি খেলার মাঝে হাইড্রেশন বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্তও যথেষ্ট ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বকাপ শেষের পথে থাকলেও এসব বিতর্ক এখনও একে অপরের মধ্যে আলোচনা চলছে।

সোমালিয়ার আন্তর্জাতিক রেফারি ওমর আবদুলকাদির আরতান, যিনি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালনের জন্য বৈধ ভিসা ছিল, তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন তার বিরুদ্ধে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ তুললেও এর পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

আফ্রিকার সেরা পুরুষ রেফারির স্বীকৃতি পাওয়া আরতানকে নিয়ে ফিফার নীরব ভূমিকাও সমালোচিত হয়। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সমালোচকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানালেও অনেকের মতে, সংস্থাটি নিজের কর্মকর্তার পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারেনি।

পাল্টা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পর, নিষিদ্ধ হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফলারিন বালোগুনের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা পরে তুলে নেয় ফিফা। ফিফা দাবি করে, তাদের বিচারিক প্রক্রিয়া স্বাধীনভাবেই কাজ করেছে। কিন্তু ইউরোপের ফুটবল সংস্থা, বেলজিয়াম ফুটবল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন দেশের ফুটবল কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকেরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। তাদের মতে, এতে ফিফার শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয়েছে ভিডিও সহকারী রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মিশরের একটি গোল বাতিল করা হয় আগের একটি ফাউলের কারণে। সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি মিশরের কোচ হোসাম হাসান, অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহসহ বহু সাবেক ফুটবলার। তাদের দাবি, এত দূরের ঘটনার জন্য গোল বাতিল করা উচিত হয়নি।

শেষ আটে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচেও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন বলেন, ওই ঘটনায় কার্ড দেখানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।

বিশ্বকাপ শুরুর আগ থেকেই টিকিটের দাম নিয়ে সমালোচনা চলছে। ফাইনালের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির একটি টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ৭ হাজার ৩৮০ মার্কিন ডলার। এর আগে পুনরায় বিক্রির বাজারে কিছু টিকিটের দাম ২০ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। অতিরিক্ত দামের অভিযোগ এনে একটি সমর্থক সংগঠন মামলা করেছে। এছাড়া টিকিটের মূল্য নির্ধারণ এবং আসনসংক্রান্ত তথ্যের সঠিকতা নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে।

গরমে খেলোয়াড়দের পানি পান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি ম্যাচে নির্দিষ্ট সময় পর বিরতি দেওয়ার নিয়ম চালু করেছে ফিফা। তবে সব ম্যাচে এই নিয়ম প্রয়োগ করায় সংস্থাটি সমালোচনার মুখে পড়েছে। খেলোয়াড়, কোচ, বিশ্লেষক ও সমর্থকদের অনেকেই বলেন, সব মাঠে অতিরিক্ত গরম ছিল না। তাই সব ম্যাচে বিরতি দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। তাদের অভিযোগ, খেলার গতি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের সময় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফ্রান্স, স্পেন, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডকে নিয়ে এখন জমে উঠেছে বিশ্বকাপের শেষ চারের লড়াই। তবে শিরোপার উত্তেজনার পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপ মনে রাখা হবে এসব বিতর্কের কারণেও। রাজনৈতিক প্রভাব, রেফারিং, টিকিটের মূল্য এবং ফিফার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও আলোচনায় থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%