০১:১১ পি.এম
২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের দৌড় এখন চূড়ান্ত অবস্থানে রয়েছে। ফাইনালের পূর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জয়ের জন্য একাধিক ফুটবলার প্রতিযোগিতায় আছেন। তবে যদি শেষ পর্যন্ত দুই বা তারও বেশি খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হয়, তখন বিজয়ী নির্ধারণে ফিফার নির্দিষ্ট টাইব্রেকিং নিয়ম মেনে চলা হবে।
বর্তমানে গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে তিনি ১০ গোল ও ৪ অ্যাসিস্টের সাথে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির গোল সংখ্যা ৮টি এবং অ্যাসিস্ট ৪টি। এই কারণে, ফাইনালে গোল্ডেন বুট জয় করতে হলে মেসিকে কঠোর মানদণ্ডে সাফল্য অর্জন করতে হবে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমেই দেখা হবে সর্বোচ্চ গোলের দিকে। যদি একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সমান হয়, তখন দেখা হবে কার অ্যাসিস্ট বেশি। এবং যদি অ্যাসিস্টেও সমতা দেখা দেয়, তাহলে মাঠে খেলা মোট সময়ের দিকে নজর দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: মা হারালেন বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনি
অর্থাৎ, যদি একই পরিমাণ গোল ও অ্যাসিস্ট থাকে, তবে যে ফুটবলার কম মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছেন, তাকেই গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে। কারণ ফিফা মনে করে, কম সময়ে একই অবদান রাখা খেলোয়াড়কে বেশি কার্যকর বিবেচনা করা হয়।
এই নিয়ম অনুসারে, যদি ফাইনালে মেসি দুটি গোল করেন এবং ১০ গোল পর্যন্ত পৌঁছান কিন্তু কোনো অ্যাসিস্ট না করেন, তাহলে গোল ও অ্যাসিস্টে এমবাপ্পের সঙ্গে সমান থাকা সত্ত্বেও কম মিনিট খেলার কারণেই তিনি সামনে থাকবেন। এই প্রেক্ষিতে, গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের হাতে যাবে।
এছাড়া মেসির সামনে দুটি বাস্তবসম্মত পথ রয়েছে। যদি তিনি ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেন, তাহলে ১১ গোল নিয়ে সরাসরি গোল্ডেন বুট জিততে পারবেন। অথবা, দুটি গোলের সঙ্গে অন্তত একটি অ্যাসিস্ট অর্জন করলে ১০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট নিয়ে এমবাপ্পেকে পিছনে ফেলে দিতে পারবেন।
এভাবেই বিশ্বকাপের ফাইনাল সঙ্গে ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য লড়াই এখন ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন