শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২১ পি.এম
ইরান দেশটি সউদী আরবের মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার জন্য তীব্র সমালোচনা করেছে। ইরান-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মজিদরেজা হারিির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে এই সমালোচনা উঠে এসেছে।
সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ (সাবেক টুইটার) হারিি একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, "যথাযথ মাথাপিছু আয় মাত্র ৮০০ ডলারের দেশ ইয়েমেন গত ৬০ বছর ধরে গৃহযুদ্ধে জর্জরিত। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত 'আপেল' বা সবচেয়ে প্রভাবশালী হওয়ার দাবিদার সউদী আরব নিরাপত্তার জন্য অন্যদের ওপর নির্ভরশীল।"
তিনি আরও বলেন যে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের (Axios) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের অগ্রগতি ঠেকাতে মার্কিন হস্তক্ষেপ চেয়ে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দু'বার ফোন করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্পের কাছ থেকে তারা কাঙ্ক্ষিত সহায়তা পাননি। ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন এবং ওয়াশিংটন এই সংঘাতে নতুন করে জড়াবে না বলে জানিয়ে দেয়।
ইরানি কর্মকর্তার মতে, এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে পরাশক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জটিলতা ও হয়রানি নিরসনে ভূমি মন্ত্রণালয় একটি গুচ্ছ নির্দেশনা প্রদান করেছে। যৌথ মালিকানাধীন খতিয়ানের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনাগুলো কার্যকর হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরমেন্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সই করা ওই পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমানে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর একসঙ্গে পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর ফলে খতিয়ানের এক বা একাধিক মালিকের জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সুযোগ নেই।
এ ক্ষেত্রে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩’ এর ৬(৩) ধারা অনুযায়ী, উত্তরাধিকার সূত্রে বা অন্য কোনোভাবে মালিকানা একাধিক ব্যক্তির ওপর বর্তালে এবং তারা জমা-খারিজ না করিয়ে থাকলে, ওই ভূমি একই খতিয়ানভুক্ত গণ্য করে তার ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ করতে হবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, এই বিধানের কারণে সব মালিক যদি ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধে আগ্রহী না হন, তবে খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত এক বা একাধিক মালিক হিস্যা অনুযায়ী তাদের মালিকানাধীন জমির ভূমি উন্নয়ন কর পৃথকভাবে পরিশোধ করতে পারবেন না। একইসাথে, যৌথ খতিয়ানের সম্পূর্ণ ভূমির উন্নয়ন কর পরিশোধ করা কঠিন এবং তা যৌক্তিকও নয়।
ফলে, যৌথ মালিকানার খতিয়ানের একজন মালিক তার মালিকানাধীন অংশ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বা অন্য কোনো প্রয়োজনে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারছেন না এবং হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই জটিলতা ও হয়রানি নিরসনে পরিপত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো-
১) অনিবার্য কারণে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের সম্পূর্ণ ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর একসঙ্গে প্রদান সম্ভব না হলে, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান বা দাখিলা ছাড়াই রেজিস্টার্ড বণ্টননামা দলিল বা আদালতের মাধ্যমে বণ্টননামা সম্পাদন করা যাবে।
২) বণ্টননামার ভিত্তিতে যৌথ মালিকানার খতিয়ানের এক বা একাধিক মালিক ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ ব্যতিরেকে একক বা পৃথক খতিয়ান সৃজনের জন্য নামজারির আবেদন করতে পারবেন।
৩) সহকারী কমিশনার (ভূমি) মালিকানার সঠিকতা যাচাইপূর্বক ভূমি উন্নয়ন কর আদায় বা দাখিলা ছাড়াই নামজারির আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
৪) নতুন সৃজিত খতিয়ানের মালিক হিস্যানুযায়ী পূর্বতন যৌথ খতিয়ানের ভূমি উন্নয়ন করের বকেয়া (প্রযোজ্য হারে) ও হালদাবি পরিশোধ করে দাখিলা গ্রহণ করবেন।
৫) যৌথ খতিয়ান থেকে বণ্টননামামূলে নামজারি করে পৃথক খতিয়ান সৃজন ব্যতীত কোনো মালিক এককভাবে তার অংশের ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারবেন না।
৬) এ লক্ষ্যে অনলাইন বা আটমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনয়ন বা মডিউল সংযোজন করতে হবে।
জনস্বার্থে জারি করা এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ২৬নং ওয়ার্ডে খেলাফত মজলিসের কর্মী শাহীন হত্যার ঘটনা এবং ২২নং ওয়ার্ডের ইসলামী আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যার বিচার দাবি করে বন্দরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে খেলাফত মজলিস বন্দর থানা শাখা বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
১১ সেপ্টেম্বর-২০২৬ ইং, শুক্রবার বিকালে নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মিছিলের পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের বন্দর থানা সভাপতি হাফেজ মাওলানা ফরিদুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ, সদর থানা সভাপতি খন্দকার হাফেজ আওলাদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান, বন্দর উপজেলা সভাপতি মুফতী আবুল কাসেম, ফতুল্লা থানা সভাপতি আবুবকর সিদ্দিক, মহানগর বায়তুলমাল সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, শ্রমিক মজলিসের জেলা সভাপতি ফারুক আহমদ, ইসলামী যুব মজলিসের জেলা সভাপতি রিফাত আহমদ সাজিদ, ইসলামী ছাত্র মজলিসের মহানগর সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ, জেলা সভাপতি মুহাম্মদ আনাস, প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ সংরক্ষণ এবং প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়কও।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আজ (শুক্রবার) বিকেলে শরীয়তপুরের সখিপুরের হাবিব উল্যাহ ডিগ্রি কলেজ মাঠে হাবিব উল্যাহ চোকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মাঠে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি প্রমাণ করে, দেশের ফুটবল ও খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ এখনো অনেক বেশি। এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের খেলাধুলাকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।’
তিনি উল্লেখ করেন, দেশে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ সংরক্ষণের মাধ্যমে খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রমও চলছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছি। তৃণমূল থেকে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে চাই। শুধু রাজধানী বা বড় শহর নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণদেরও জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ করে দিতে হবে।’
আমিনুল হক খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, খেলাধুলার পাশাপাশি তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণ ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের যুবসমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন, এর মধ্যে সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ ও সাঈদ আহমেদ আসলাম উল্লেখযোগ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় নিখোঁজ থাকা ইউপি সদস্য রঞ্জন চাকমা (৪৮) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ২ নম্বর দুল্লাছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
রঞ্জন চাকমা ভারত মোহন চাকমার ছেলে, যিনি ওই এলাকার বাসিন্দা।
লক্ষ্মীছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইউপি সদস্য রঞ্জন চাকমা গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। শুক্রবার বিকেলে খবর আসে যে, একটি গাছের সঙ্গে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
ওসি আরও জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ