মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৩ পি.এম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এই বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে, যা মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত করেছেন, উল্লেখ করা হয়েছে যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। এই পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ফলে সরকারের মন্ত্রিসভায় সদস্য সংখ্যা এখন ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রিসভায় ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীসহ ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন।
ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চোটের কারণে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বাদ পড়লেও আসন্ন টেস্ট সিরিজে লিটন দাসকে পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। স্ক্যান রিপোর্টে তার ডান নিতম্বের সংযোগস্থলে গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তবে পেশিতে সামান্য জটিলতা থাকায় এই উইকেটকিপার ব্যাটার আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকবেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি লিটন। ডান নিতম্বের সংযোগস্থলে অস্বস্তির কারণে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বাদ পড়েন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। তার পরিবর্তে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির চিকিৎসকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন লিটন। এ সময় তার স্ক্যান রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হয় এবং হালকা ফিজিওথেরাপি করানো হয়। পরীক্ষায় বড় কোনো সমস্যা না পাওয়ার পরেও পেশিতে সামান্য জটিলতার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
ক্রিকবাজকে বিসিবির চিকিৎসা বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, লিটনের স্ক্যান রিপোর্টে গুরুতর কিছু ধরা পড়েনি। তবে পেশির সমস্যা পুরোপুরি বুঝতে তাকে আরও কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আপাতত হালকা ফিজিওথেরাপি চলবে। দুই দিন পর তার চোটের অবস্থা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে লিটনকে পাওয়ার ব্যাপারে বিসিবি আশাবাদী। তবে চিকিৎসকেরা তার ফেরার বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাইছেন না। আগামী কয়েক দিনে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি কেমন হয়, সেটির ওপরই নির্ভর করছে টেস্ট সিরিজে তার খেলা।
এদিকে বাংলাদেশের শিবিরে স্বস্তির আরেকটি খবর দিয়েছেন অফ স্পিনার নাঈম হাসান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বাউন্ডারি বাঁচাতে ডাইভ দেওয়ার সময় ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। সেই চোট কাটিয়ে সোমবার আবার বোলিং শুরু করেছেন নাঈম।
বোলিংয়ে ফিরে কোনো অস্বস্তি অনুভব করেননি বলে জানিয়েছেন এই স্পিনার। এখন চিকিৎসকদের ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তার আনুষ্ঠানিক ফিটনেস পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে।
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। আগামী ২৮ অক্টোবর মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে। এরপর ৫ নভেম্বর সিলেটে মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজের আগে লিটন ও নাঈমের সুস্থ হয়ে ওঠা বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর। তবে দুজনের খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ ও ফিটনেস পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় জাতীয় অর্থনীতির দুর্বলতার বিরুদ্ধে ‘জেন-জি’ বিক্ষোভ চলছে। ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভ দমনের জন্য ৯ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
জাকার্তা শহর পুলিশের মুখপাত্র বুদি হেরমান্তো জানিয়েছেন, অন্তত দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করবেন। ইন্দোনেশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ সাম্প্রতিক দাবানল, শেয়ারবাজারের পতন এবং রুপিয়ার অবমূল্যায়নসহ জাতীয় অর্থনীতির দুর্বলতার বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।
এছাড়াও, পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস রাজধানীর একটি স্মৃতিসৌধে ব্যানার টাঙিয়ে জলবায়ু সংকট মোকাবিলা ও জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছে।
দেশটির সাবেক জেনারেল প্রাবোও সুবিয়ান্তো ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচিত হলেও তার জনতুষ্টিবাদী বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে জনগণ ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তার প্রতি আস্থা হ্রাস পাচ্ছে।
সাইফুল মুজানি রিসার্চ অ্যান্ড কনসাল্টিংয়ের (এসএমআরসি) জরিপ অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বরে তার জনপ্রিয়তার হার ৮১.২ শতাংশ ছিল, তবে চলতি মাসে তা ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৪.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগে ২০২৫ সালে একজন মোটরবাইকচালক পুলিশের হামলায় নিহত হওয়ার পর দেশজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল এবং পরে গত আগস্টে ব্যাপক বিক্ষোভের সময় শত শত মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ মন্তব্য করেছেন যে, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু নয়। তিনি এই মন্তব্যটি ইসরাইলকে মার্কিন মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইসরাইলের প্রতি তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এল-সাইয়েদ বলেন, “যে মিত্র আপনার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে আপনাকে এমন যুদ্ধে জড়াতে চায়, যে যুদ্ধে আপনার জড়ানো উচিত নয়, সে কোনো মিত্র নয়।”
ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বোঝাতে তিনি বন্ধুত্বের উদাহরণ টেনে বলেন, “এমন একজন বন্ধুর কথা ভাবুন, যে আপনার সন্তানদের অর্থ বারবার নেয়, অথচ তাদের পেছনে তাদের নিয়েই কথা বলে এবং অন্য বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদে জড়ায়।”
সাংবাদিককে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আপনি আপনার সন্তানকে কী বলতেন? সম্ভবত বলতেন, সে আসলে আপনার বন্ধু নয়।”
এল-সাইয়েদ আরও বলেন, “আমাদের এখন উপলব্ধি করার সময় এসেছে যে ইসরাইল আসলে আমাদের বন্ধু নয়।”
এল-সাইয়েদের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। সম্প্রতি তার শ্যালিকা মিরিয়াম জুকাকুর বিরুদ্ধে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের সময় সন্ত্রাসী নজরদারি তালিকা-সংক্রান্ত একটি ফেডারেল মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া বক্তব্যে এল-সাইয়েদ এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, তার শ্যালিকা কোনো অন্যায় করেননি। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, তার নাম ও পরিচয়ের কারণে ইসলামবিদ্বেষ থেকে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
এল-সাইয়েদ বলেন, “এখানে এমন একটি ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে ভিন্ন ধরনের নামের কারণে মানুষকে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগেই দোষী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মিশিগানে রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থী মাইক রজার্সের মতো ব্যক্তিরা এ ধরনের কাঠামো তৈরি করে, এটি তারই ফল।”
এল-সাইয়েদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ইহুদিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে কয়েকটি ‘অপরিবর্তনীয়’ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাব্বি ও অন্যান্য ইহুদি নেতা।
তাদের আশঙ্কা, এল-সাইয়েদের ইসরাইলবিরোধী অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদিদের নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে হতাশ ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের ডেমোক্র্যাট-সমর্থক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ সম্প্রতি এল-সাইয়েদের নির্বাচনি প্রচারেও যুক্ত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকে ইউসুফ পাঠানকে একটি বিতর্কিত জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাঠান, যিনি ভারতের সাবেক ক্রিকেটার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য, বরোদা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (ভিএমসি) অধীনে থাকা জমিটি পাবেন। জমির আয়তন ৯৭৮ বর্গমিটার, যা তান্দালজা এলাকায় অবস্থিত।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫০০ বর্গমিটার জমি পাঠানকে উপহার হিসেবে দেওয়া হবে, যা তিনি থাকার কাজে ব্যবহার করবেন। বাকি ৪৭৮ বর্গমিটার জমি তিনি কিনবেন, যার দাম হবে মূল্যায়ন করা দামের ৫৫ শতাংশ। ভিএমসির কমিশনার অরুণ মহেশ বাবু নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারের অনুমোদন এসেছে পাঠানের চাওয়া জমির বিষয়ে। তিনি উল্লেখ করেন, "তবে খুঁটিনাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবটিকে ভিএমসির স্থায়ী কমিটি ও সাধারণ বোর্ডের অনুমোদনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।" প্রথমে স্থায়ী কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করবে এবং পরে সাধারণ বোর্ডে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর, ২০২৬ সালের ১৪ জুন ইউসুফ পাঠান এবং তৃণমূলের আরও কয়েকজন বিদ্রোহী লোকসভা সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। সংক্ষেপে দলটির নাম এনসিপিআই। পাঠান এই দলের জাতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।
ভিএমসির ভূমি ও সম্পত্তি বিভাগ জমির প্রস্তাবটি তৈরি করেছে। জমিটি তান্দালজার টাউন প্ল্যানিং স্কিম ২২-এর ৯০ নম্বর চূড়ান্ত প্লট। ভিএমসির অনুমোদিত হিসাবে প্রতি বর্গমিটারের দাম ২ লাখ ১০ হাজার রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, জমির আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ কোটি ৫৩ লাখ রুপি।
সরকারের আদেশ আগস্টের শেষের দিকে ভিএমসির কাছে পৌঁছায়। এরপর ইউসুফ পাঠান হাইকোর্টে করা তার আপিল তুলে নেন, যা তার আগের দাবি খারিজের বিরুদ্ধে ছিল।
আদেশ অনুযায়ী, ৪৭৮ বর্গমিটারের দাম নির্ধারণ করা হবে ২০২৬ সালের ১৭ মার্চের মূল্যায়নে, যা বরোদা আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মূল্যায়ন কমিটি দ্বারা মূল্যায়িত হয়েছে। এতে পাঠান ৪৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ভবিষ্যতে একই ধরনের মামলার জন্য নজির হবে না। রাজস্ব বিভাগ ভিএমসিকে সমান মূল্যের অন্য জমি প্রদান করবে।
বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে ২০১২ সালে, যখন পাঠান তার পরিবারের বাড়ির পাশের জমিটি ৯৯ বছরের ইজারায় চান। আবেদনে তিনি নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করেন এবং জানান যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে তার পরিচয়ের কারণে ঝুঁকি রয়েছে। তিনি দাবি করেন, পাশের জমি থাকার ফলে সুবিধা হবে।
স্থায়ী কমিটি ও সাধারণ বোর্ড নিলাম ছাড়াই সরাসরি তাকে জমি দিতে রাজি হয়। প্রস্তাবটি রাজ্য সরকারের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের জুনে নগর উন্নয়ন বিভাগ প্রস্তাবটি নাকচ করে, কারণ হিসেবে বলা হয়, দামি জমির জন্য প্রকাশ্য নিলাম বা খোলা দরপত্র প্রয়োজন।
ভিএমসির অভিযোগ, প্রস্তাব নাকচের পরও পাঠান জমিতে বেড়া দিয়ে দখল করেন। ২০২৪ সালের জুনে বিষয়টি আবার সামনে আসে, যখন তিনি লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হন। তখন ভিএমসি তাকে নোটিশ দেয় এবং কথিত দখল সরাতে বলা হয়।
পাঠান এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান। তার আইনজীবীরা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের জমি দেওয়ার সরকারি নীতির কথা উল্লেখ করেন। ভিএমসির যুক্তি ছিল, জমিটি পৌরসভার। নিয়ম অনুযায়ী এটি কাউকে দেওয়া যায় না।
২০২৫ সালের আগস্টে হাইকোর্ট সরকারের নাকশের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখে। আদালত বলে, বরাদ্দের আদেশ ও টাকা ছাড়া দীর্ঘদিন জমি দখলে রাখলে তাতে আইনি অধিকার জন্মায় না।
এরপর পাঠান আপিল করেন। ২০২৬ সালের জুনে শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে। আদালত জানতে চায়, বরাদ্দের নিয়ম শেষ না করে ও টাকা না দিয়ে তিনি সরকারি জমি কীভাবে দখলে নিলেন। আদালত সতর্ক করে দেয় যে, দখল চালিয়ে গেলে তার আর্থিক দায় বাড়তে পারে। ৩১ আগস্ট পাঠান শর্ত ছাড়াই আপিল তুলে নেন। এরপর তিনি জমিটি নিয়ে সুখবর পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ