ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কেরানীগঞ্জে উচ্ছেদ দুই শতাধিক অবৈধ দোকান, সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত


কেরানীগঞ্জে উচ্ছেদ দুই শতাধিক অবৈধ দোকান, সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যানজটের সমস্যা সমাধান এবং পথচারীদের চলাচলকে স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের ফলে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের তথ্য অনুযায়ী, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, ওই এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ডও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা যায়। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার পাচারের সময় আটক ডিলারসহ দুজনের কারাদণ্ড ও জরিমানা

স্থানীয় পথচারীরা জানিয়েছেন, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধ দোকানপাট গড়ে ওঠার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি চলছিল। ফুটপাত দখল থাকায় পথচারীদের বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হতো, যা যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি করেছিল।

আব্দুল্লাহপুরের সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্থানীয়রা দাবি করেছেন, এই উদ্যোগের সুফল ধরে রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক জানিয়েছেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচলকে স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, "কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে ২৫টি পোশাক কারখানা আজও বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ হাজার ভোট আটকে দিতে আদালতে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ এম


২০ হাজার ভোট আটকে দিতে আদালতে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজারের বেশি ভোটারের ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট গণনা বন্ধ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে। প্রশাসনের দাবি, এই ভোটাররা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন।

জরুরি ভিত্তিতে সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক দিন আগে এই আবেদনটি করা হয়।

ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের আইনি লড়াইয়ে এটি সর্বশেষ ঘটনা।

ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার যোগ্য ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছে। তারা চায়, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) কর্তৃক তৈরি করা একটি তালিকায় থাকা ভোটারদের ব্যালট আলাদা করে রাখতে ক্যালিফোর্নিয়াকে নির্দেশ দেওয়া হোক। এই ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ব্যালটগুলো আলাদা রাখার দাবি করেছে বিভাগটি।

বিচার বিভাগের যুক্তি হলো, অন্য ব্যালটের সঙ্গে মিশে গেলে, পরে ওই ভোটারদের অযোগ্য প্রমাণিত হলে তাদের ব্যালট শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলার কোনো উপায় থাকবে না।

কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া বলছে, তালিকাটি নির্ভরযোগ্য নয় এবং এতে হাজার হাজার মার্কিন নাগরিকের নাম থাকতে পারে।

অক্টোবরের শুরু থেকেই সেখানে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েক লাখ ব্যালট প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয়েছে। রাজ্য কর্মকর্তারা বলছেন, বিতর্কিত তালিকায় থাকা ভোটারদের ব্যালট আলাদা করা প্রায় অসম্ভব।

গত সপ্তাহে এক ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন খারিজ করে দেন। তিনি তালিকায় থাকা তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিচারক ডেভিড কার্টার লিখেছেন, ‘নির্বাহী বিভাগ যদি অপ্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে ভোট বাতিল করতে পারে এবং চলমান নির্বাচনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে, তাহলে আমাদের গণতন্ত্র বিপদে পড়বে।’

শুক্রবার একটি ফেডারেল আপিল আদালতও প্রশাসনের আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ নভেম্বর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


৩ নভেম্বর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাস সবকিছুরই সাক্ষী, ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে পথ দেখায়।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর), ২০২৬। ইতিহাসের দিক থেকে এই দিনটি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঘটনাবলি

৩৬১ - রোমান সম্রাট দ্বিতীয় কনস্টানটিয়াস কিলিকিয়ার মপসুয়েস্তিয়ায় জ্বরে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুশয্যায় তিনি দীক্ষিত হন এবং তার চাচাতো ভাই জুলিয়ানকে বৈধ উত্তরসূরি ঘোষণা করেন।

১০৯০ - রুয়েনের দাঙ্গা ব্যর্থ হয়, যেখানে ইংল্যান্ডের রাজা উইলিয়াম রুফাস তার ভাই নরম্যান্ডির ডিউক রবার্টের রাজধানী রুয়েন দখলের চেষ্টা করেছিলেন।

১৩৩৩ - আর্নো নদীর বন্যায় ফ্লোরেন্সে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যা ফ্লোরেন্টাইন ইতিহাসবিদ জিওভান্নি ভিলানি লিপিবদ্ধ করেন।

১৪৬৮ - বারগুন্ডির ডিউক চার্লসের সৈন্যরা লিয়েজ শহর লুণ্ঠন করে।

১৪৯২ - ইংল্যান্ডের সপ্তম হেনরি ও ফ্রান্সের অষ্টম চার্লসের মধ্যে এতাপল শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৪৯৩ - ইতালিয়ান নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার দ্বিতীয় অভিযাত্রায় ক্যারিবিয়ান সাগরে ডোমিনিকা আবিষ্কার করেন।

১৫৩৪ - ইংল্যান্ডের সংসদ প্রথম আধিপত্য আইন পাস করে, যার মাধ্যমে রাজা অষ্টম হেনরি অ্যাংলিকান চার্চের প্রধান হন এবং পোপ ও রোমান ক্যাথলিক চার্চকে প্রতিস্থাপন করেন।

১৭৮৩ - মার্কিন মহাদেশীয় সেনাবাহিনী ভেঙে দেয়া হয়।

১৭৯১ - ভার্মন্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সনদ প্রদান করা হয়, যা ভার্মন্টের প্রাচীনতম এবং নিউ ইংল্যান্ডের পঞ্চম প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৯৩ - ফরাসি নাট্যকার, সাংবাদিক ও নারীবাদী অলিম্প দ্য গুজকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।

১৮১২ - ভিয়াজমার যুদ্ধে নেপোলিয়নের সেনাবাহিনী পরাজিত হয়।

১৮১৭ - কানাডার প্রাচীনতম চার্টার্ড ব্যাংক ব্যাংক অব মন্ট্রিল মন্ট্রিলে চালু হয়।

১৮৩৮ - ভারতে বহুলপ্রচারিত ইংরেজি দৈনিক দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৪৮ - ওলন্দাজ সংবিধানের ব্যাপক সংশোধিত সংস্করণ ঘোষণা করা হয়, যা রাজার অনেক ক্ষমতা সংসদ ও মন্ত্রীদের কাছে হস্তান্তর করে।

১৮৬৭ - জুসেপ্পে গারিবাল্ডি ও তার অনুসারীরা মেন্টানার যুদ্ধে পরাজিত হন এবং রোমে পোপের সাময়িক ক্ষমতার অবসান ঘটাতে ব্যর্থ হন।

১৮৬৮ - জন উইলিস মেনার্ড প্রথম আফ্রিকান আমেরিকান হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত হন, তবে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জের কারণে তিনি কখনো আসন গ্রহণ করেননি।

১৮৮১ - চিলিতে মাপুচে বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৮৯৮ - ফ্রান্স সুদানের ফাসোদা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে, যার ফলে ফাসোদা ঘটনার অবসান ঘটে।

১৯০৩ - মধ্য আমেরিকার প্রজাতন্ত্র পানামা কলম্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯০৮ - উইলিয়াম হাওয়ার্ড টাফ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯১১ - শেভ্রোলেট ফোর্ড মডেল টি-এর প্রতিযোগী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মোটরগাড়ির বাজারে প্রবেশ করে।

১৯১৮ - কিলে ৪০,০০০ নাবিক বন্দর দখল করলে জার্মান বিপ্লব শুরু হয়।

১৯২০ - রুশ গৃহযুদ্ধে লাল ফৌজ ও বিদ্রোহী বাহিনীর সফল অভিযানের পর রাঙ্গেলের সেনাবাহিনী ক্রিমিয়ায় পিছু হটে।

১৯২৮ - তুরস্কে আরবি হরফের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে তার পরিবর্তে রোমান হরফ চালু করে।

১৯২৯ - গোয়াংজু ছাত্র স্বাধীনতা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

১৯৩০ - রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের পর জেতুলিও ভার্গাস ব্রাজিলের অস্থায়ী সরকারের প্রধান হন।

১৯৩২ - পানাগিস সালদারিস গ্রিসের ১৪২তম প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৩৫ - গণভোটের মাধ্যমে দ্বিতীয় জর্জ গ্রিসের সিংহাসন পুনরুদ্ধার করেন।

১৯৩৬ - ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন।

১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুয়াডালকানাল অভিযানের সময় কলি পয়েন্টের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৪৩ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন অষ্টম বিমান বাহিনীর পাঁচশত বিমান জার্মানির ভিলহেল্মসহাফেন বন্দর ধ্বংস করে।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে স্লোভাক জাতীয় অভ্যুত্থানের দুই সর্বাধিনায়ক ইয়ান গোলিয়ান ও রুডলফ ভিয়েস্টকে জার্মান বাহিনী আটক করে নির্যাতন করে ও পরে হত্যা করে।

১৯৪৬ - সম্রাটের অনুমোদনের মাধ্যমে জাপানের সংবিধান গৃহীত হয়।

১৯৪৯ - চীনা গৃহযুদ্ধে দেংবু দ্বীপের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৫০ - এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ২৪৫ জেনেভা বিমানবন্দরে অবতরণের সময় মঁ ব্লঁতে বিধ্বস্ত হয়, এতে ৪৮ জন আরোহী নিহত হন।

১৯৫৬ - সুয়েজ সংকটের সময় মিশর নিয়ন্ত্রিত গাজায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে খান ইউনিস হত্যাকাণ্ডে ২৭৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন।

১৯৫৬ - হাঙ্গেরীয় বিপ্লবে একটি নতুন হাঙ্গেরীয় সরকার গঠিত হয়, যেখানে নিষিদ্ধ অ-কমিউনিস্ট দলগুলোর অনেক সদস্য অংশ নেন, অন্যদিকে ইয়ানোস কাদার ও ফেরেঙ্ক মুনিখ মস্কোতে পাল্টা সরকার গঠন করেন।

১৯৫৭ - লাইকা নামের একটি রাশিয়ার কুকুরকে নিয়ে জীবন্ত প্রাণী বহনকারী প্রথম নভোযান স্পুটনিক-২ মহাশূন্যে পাঠানো হয়।

১৯৬০ - নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সি বন্দর কর্তৃপক্ষ গ্রেট সোয়াম্পকে বিমানবন্দরে পরিণত করতে চাইলে স্থানীয় বাসিন্দাদের এক বছরব্যাপী আইনি লড়াইয়ের পর কংগ্রেসের আইনে গ্রেট সোয়াম্প জাতীয় বন্যপ্রাণী আশ্রয়স্থল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬১ - উ থান্ট সর্বসম্মতভাবে জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব নিযুক্ত হন, তিনি এই পদে প্রথম অ-ইউরোপীয় ব্যক্তি।

১৯৬৪ - লিন্ডন বি. জনসন ৬১% ভোট ও ৪৪টি অঙ্গরাজ্যে জয়লাভ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে পূর্ণ মেয়াদে নির্বাচিত হন, এসময় ওয়াশিংটন ডি.সি.-র বাসিন্দারা প্রথমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন।

১৯৬৭ - ভিয়েতনাম যুদ্ধে ডাক তো-র যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬৯ - ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার্কিন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন টেলিভিশন ও রেডিওতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠদের তার ভিয়েতনাম নীতিকে সমর্থন করার আহ্বান জানান।

১৯৭০ - ব্রিটিশ আশ্রিত রাজ্য ডোমিনিকার স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৩ - নাসা বুধ গ্রহের উদ্দেশে মেরিনার ১০ উৎক্ষেপণ করে, যা প্রথম মহাকাশযান হিসেবে বুধে পৌঁছায়।

১৯৭৫ - বাংলাদেশের চার জাতীয় নেতা তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয়।

১৯৭৬ - ব্রায়ান ডি পালমা পরিচালিত মার্কিন অতিপ্রাকৃত ভৌতিক চলচ্চিত্র ক্যারি ওয়াশিংটন ডি.সি.-বাল্টিমোর এলাকার ১৭টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

১৯৭৮ - ডোমিনিকা যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৯ - গ্রিনসবোরো হত্যাকাণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলাইনার গ্রিনসবোরোতে ‘ডেথ টু দ্য ক্ল্যান’ সমাবেশে কু ক্লাক্স ক্ল্যান ও নব্য নাৎসিদের হাতে কমিউনিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টির পাঁচ সদস্য নিহত ও সাতজন আহত হন।

১৯৮০ - লাতিন কার্গার একটি কনভেয়ার সিভি-৮৮০ বিমান ভেনেজুয়েলার সিমোন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়ে চারজন নিহত হন।

১৯৮২ - আফগানিস্তানের সালাং সুড়ঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে ১৫০ থেকে ২০০০ জন নিহত হন।

১৯৮৬ - ইরান-কন্ট্রা কেলেঙ্কারিতে লেবাননের পত্রিকা আশ-শিরা জানায় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লেবাননে ইরানপন্থী গোষ্ঠীর হাতে আটক সাতজন মার্কিন জিম্মির মুক্তির জন্য গোপনে ইরানে অস্ত্র বিক্রি করেছে।

১৯৮৬ - মুক্ত সহযোগিতা চুক্তি আইনে পরিণত হয়, যার মাধ্যমে মাইক্রোনেশিয়া যুক্তরাজ্য ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৮৮ - শ্রীলঙ্কার তামিল ভাড়াটে সৈন্যরা মালদ্বীপ সরকার উৎখাতের চেষ্টা করে। রাষ্ট্রপতি মাউমুন আব্দুল গাইয়ুমের অনুরোধে ভারতীয় সেনাবাহিনী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্রোহ দমন করে।

১৯৯২ - ১৯৯২ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আরকানসাসের গভর্নর বিল ক্লিনটন রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রস পেরোটকে পরাজিত করেন।

১৯৯৪ - মহাকাশ শাটল কর্মসূচিতে আটলান্টিস এসটিএস-৬৬ মিশনে উৎক্ষেপণ করা হয়।

১৯৯৬ - তুর্কি উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠন গ্রে উলফসের নেতা আবদুল্লাহ চাতলি সুসুরলুক গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন, যার ফলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেহমেত আগার পদত্যাগ করেন।

১৯৯৭ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজ নাগরিকদের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব আফ্রিকায় ইসলামি চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তার অভিযোগে সুদানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

২০১৪ - ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত টুইন টাওয়ারের স্থলে নিউ ইয়র্ক শহরে ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

২০২০ - ৫৯ তম মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

জন্ম

১৮৫২ - মেইজি তেনো জাপানের সম্রাট।

১৮৬৬ - দীনেশচন্দ্র সেন, লোকসাহিত্য বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।

১৮৯৭ - আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাংলাদেশের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।

১৯০১ - পৃথ্বীরাজ কাপুর, ভারতীয় থিয়েটার ও হিন্দি সিনেমা শিল্পের অগ্রদূত।

১৯০৩ - কনক বিশ্বাস, বিশ শতকের খ্যাতনামা রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

১৯১৩ - প্রদ্যোতকুমার ভট্টাচার্য, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের ব্যক্তিত্ব।

১৯১৩ - নিখিল চক্রবর্তী, খ্যাতনামা সাংবাদিক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও ভারতের প্রসার-ভারতীর বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান।

১৯১৯ - অরবিন্দ পোদ্দার, বাঙালি লেখক, অধ্যাপক ও গবেষক।

১৯৩৩ - অমর্ত্য সেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ।

১৯৩৪ - রুমা গুহঠাকুরতা, বাঙালি অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, গায়িকা ও ক্যালকাটা ইয়ুথ ক্যয়ারের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৩৭ - লক্ষীকান্ত, ভারতীয় সুরকার, সদস্য প্রখ্যাত সুরকার যুগল লক্ষীকান্ত-পেয়ারেলাল।

১৯৪০ - সনি রোডস, মার্কিন গায়ক ও গিটারবাদক।

১৯৪৫ - গার্ড ম্যুলার, প্রাক্তন পশ্চিম জার্মান ফুটবলার।

১৯৬৪ - পাপ্রিকা স্টিন, ডেনিশ অভিনেত্রী, গায়ক ও পরিচালক।

১৯৭৩ - আরিফা পারভিন মৌসুমী, বাংলাদেশের অভিনেত্রী।

১৯৭৪ - সোনালী কুলকার্নি, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৮৫ - মোনালি ঠাকুর, বাঙালি ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী এবং অভিনেত্রী।

১৯৮৭ - জেমা ওয়ার্ড, অস্ট্রেলিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৮৯ - শুভশ্রী গাঙ্গুলী, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী।

১৯৯৫ - কেন্ডাল জেনার, মার্কিন মডেল ও অভিনেত্রী।

মৃত্যু

১৫৮৪ - সন্ত চার্লস বোরোমিও

১৯৫৪ - অঁরি মাতিস, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

১৯৭৫ - তাজউদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৭৫ - মো. মনসুর আলী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৫ - আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

১৯৭৭ - মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা, বাংলাদেশি রসায়নবিদ, গ্রন্থকার এবং শিক্ষাবিদ।

১৯৭৭ - ফ্র্যাডেরিক চালমার্স‌ বোর্ন‌, পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর।

১৯৯০ - ভারতের বলিউডের হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাতা শশধর মুখার্জী।

১৯৯১ - বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক।

১৯৯৯ - ইয়ান বান্নেন, স্কটিশ অভিনেতা।

২০০৬ - মারি রুডিসিল্, আমেরিকান লেখক।

২০০৯ - আর্চি বাইরড, স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড়, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ।

২০১৪ - গর্ডন টুলক, আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

২০১৭ - আবদুর রহমান বিশ্বাস, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবদিক থেকে ফেভারিট বাংলাদেশ, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয় লক্ষ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


সবদিক থেকে ফেভারিট বাংলাদেশ, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয় লক্ষ্য

বাংলাদেশের লক্ষ্য ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়, যা প্রায় ১৪ বছরের ব্যবধানে আবারও অর্জনের চেষ্টা। ২০০৩ সালে একবার বাংলাদেশ এই শিরোপা জিতেছিল। এরপর ৯টি আসরে অংশ নিলেও তারা আর সাফ জিততে পারেনি। তবে এবারের আসরে বাংলাদেশের শিরোপা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা অনেক বেশি। হামজা-শমিতদের আগমনে ফুটবলের নতুন জাগরণ হয়েছে, যা ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের হাতে আবারও সাফের শিরোপা দেখাচ্ছে। আগামী ৫-১৭ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাফের ১৫তম আসরে বাংলাদেশকে সবার চেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। এবারের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে ছয়টি দল। এর আগে, ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত আসরে মোট ৮টি দল খেলেছিল। এর মধ্যে কুয়েত ও লেবানন ছিল আমন্ত্রিত দল। ভারত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং রানার্সআপ হয়েছিল কুয়েত। এবার দলের সংখ্যা কমেছে এবং শক্তিশালী নেপালও খেলছে না। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা সাফে অংশ নিতে পারেনি। অন্যদিকে, ভারত তাদের সিনিয়র জাতীয় দল পাঠাচ্ছে না, বরং অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে টুর্নামেন্টে পাঠাবে। আসন্ন সাফে বাংলাদেশ ও ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে শ্রীলঙ্কা, ভুটান, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান। অভিজ্ঞতা, শক্তি, এবং সামর্থ্য—সব দিক বিচার করলে এই ছয়টি দলের মধ্যে বাংলাদেশই ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, জায়ান আহমেদ, সুকি, ইতোফুসা, ফাহামিদুল ইসলামদের মতো অভিজ্ঞ এবং প্রতিভাবান প্রবাসী খেলোয়াড়দের দলে অন্তর্ভুক্তির ফলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় একটি শক্তিশালী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। শ্রীলঙ্কা দলেও বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের বেশ কিছু খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, নরওয়ে, সুইডেন ও ইংল্যান্ডের ক্লাবের হয়ে খেলেন। তাদের একাদশে ১১ জনের মধ্যে ৯ জনই বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়। শ্রীলঙ্কার দলটি পারফরম্যান্সেও দুর্দান্ত। অন্যদিকে, বর্তমান পাকিস্তান দলটিও প্রতিশ্রুতিশীল। তাদেরও বেশ কিছু খেলোয়াড় ইউরোপের লিগে নিয়মিত খেলছেন। শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের তুলনায় ভুটান কিংবা মালদ্বীপ দলে অত বেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় নেই। সব মিলিয়ে ছয়টি দলের মধ্যে মানসম্পন্ন প্রবাসী ফুটবলারে সেরা বাংলাদেশ। আসন্ন সাফে বাংলাদেশকে কঠিন চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই বিষয়ে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে আটটি সাফে খেলা বিপ্লব ভট্টাচার্য একমত। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও গোলরক্ষক বিপ্লবের মতে, এবার সাফের শিরোপা জেতার সুবর্ণ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে, সেটি হবে অত্যন্ত দুঃখজনক। বিপ্লব বলেন, “অনেক কারণেই এবার আমরা সবার চেয়ে এগিয়ে। প্রথমত, আমরা ঘরের মাঠে খেলব। তাছাড়া ভারতের জাতীয় দল আসছে না। তাদের অনূর্ধ্ব-২৩ দল খেলবে। নেপাল খেলবে না। আমার মনে হয়, বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো দল পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। যদিও অন্যদের খাটো করে দেখছি না। তবে পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ অনেকটাই চাপমুক্ত থাকবে। হামজাদের অন্তর্ভুক্তিতে আমাদের যে বর্তমান দল, আমরা ফাইনাল খেলা ডিজার্ভ করি।”

২০০৩ সালের সাফজয়ী স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদও মনে করেন, আসন্ন আসরে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা ফুটবল দল বাংলাদেশ। দলে বিশ্বমানের ফুটবলাররা যোগ দিয়েছেন। শক্তির বিচারে বাংলাদেশের চেয়ে পিছনে সাফের অন্য দলগুলো। আলফাজ বলেন, “অন্যদের চেয়ে আমরা অবশ্যই এগিয়ে আছি। এ দলটির সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতা উচিত। যদি শিরোপা জিততে না পারে দলটি, তাহলে সেটি হবে বড় ধরনের ব্যর্থতা।” আলফাজের মতে, সাফের শিরোপা জয় নির্ভর করছে কোচ থমাস ডুলির পরিকল্পনা, কৌশল এবং দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। একাদশ সাজানো থেকে শুরু করে সব দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন কোচ। আলফাজ বলেন, “কীভাবে খেললে শিরোপা জেতা যাবে, সেই টার্গেট করতে হবে কোচকেই। খেলোয়াড়রা তো তাদের সেরা পারফরম্যান্সটাই দেবে। প্রত্যাশা করি, দলটি সাফের শিরোপা জিতুক।”

সব দলের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও আলফাজ আহমেদ মনে করেন, সাফে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে আক্রমণভাগকে। কারণ দুর্বল আক্রমণভাগ নিয়েই বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে। বিশেষ করে ‘নাম্বার নাইন’ পজিশন নিয়ে কোচ বেশি চিন্তিত। আলফাজ আহমেদের মতে, আক্রমণভাগের দুর্বলতার খবর পুরোনো। তবে এখানে যারা খেলছেন, তারা বেশ প্রতিশ্রুতিশীল। এই জায়গায় ভালো করতে হবে। স্কোয়াডে যারা আছেন, যে কেউই গোল করতে পারেন। অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে যদি টাইমিংয়ে খেলোয়াড় থাকেন, তাহলে গোল হবেই। সেখানে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারেন সুকি, ফারহানরা। উইং থেকে ভালো মানের বল পাওয়া গেলে স্কোর করার সামর্থ্য রয়েছে তাদের। অন্যদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ফিফা আয়োজিত আসিয়ান কাপে খেলেছে। এই টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে খেলে ১৩ গোল হজম করে কোচ থমাস ডুলির দল। এই ভরাডুবির পরপরই সাফ চ্যালেঞ্জে নামছে বাংলাদেশ। সাবেক গোলরক্ষক বিপ্লব মনে করেন, আসিয়ান কাপে শুধু যে গোলরক্ষকের পারফরম্যান্স হতাশাজনক ছিল তা নয়, বরং পুরো দল ভয়ানক বাজে খেলেছে। যদি সাফে মানসিক সাপোর্ট ও উৎসাহ দেওয়া যায় খেলোয়াড়দের, তাহলে আস্থা ফিরে পাবেন গোলরক্ষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ জেলহত্যা দিবস, ১৯৭৫ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার নেতার হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


আজ জেলহত্যা দিবস, ১৯৭৫ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার নেতার হত্যা

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। এই দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর, তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ৫১ বছর আগে বন্দি অবস্থায় জাতীয় এই চার নেতাকে হত্যা করা হয়। এই হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিত।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২১ বছর ধরে মামলার তদন্ত স্থগিত ছিল। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করে। আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আট এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন।

সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই অধরা রয়েছে। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%