০৬:৪৫ পি.এম
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত ‘জ্যাভেলিন’ ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর।
তিনি উল্লেখ করেন, এটি ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হবে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-সমর্থিত জনতাবাদী জোয়ারে আমেরিকা-ব্রাজিলে বড় ভাটা, ইউরোপের পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন
ভবিষ্যতে দুই দেশ যৌথভাবে এই অস্ত্র উৎপাদনের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে। গত বছরের নভেম্বরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতকে এফজিএম-১৪৮ জ্যাভেলিন অস্ত্র ব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন প্রদান করে।
জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইতিমধ্যে মার্কিন সেনাবাহিনী ও মেরিন কোরসহ কয়েকটি দেশের সামরিক বাহিনী দ্বারা ব্যবহার করা হচ্ছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেন, ‘এই চুক্তির ফলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
আরও পড়ুন: টঙ্গীতে বিএনপির বিক্ষোভ, নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবি
এতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা খাত আরো শক্তিশালী হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।’ তবে ভারত কতটি জ্যাভেলিন ব্যবস্থা কিনছে এবং এর মোট মূল্য কত, তা এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে নয়াদিল্লিও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
জ্যাভেলিন মিসাইল একটি কাঁধে বহনযোগ্য ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন: ডেমোক্র্যাটদের ইমপিচমেন্ট উদ্যোগ ধোপে টিকবে না: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হুংকার
এটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন ও রেথিয়ন যৌথভাবে তৈরি করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্য অনুসরণ করতে সক্ষম।
জ্যাভেলিন সাধারণত ট্যাংকের ওপরের তুলনামূলক দুর্বল অংশে আঘাত হানে। এর হালকা ওজন এবং ‘সফট-লঞ্চ’ প্রযুক্তির কারণে সৈন্যরা বিভিন্ন স্থান, এমনকি ভবন বা বাংকার থেকেও এটি ব্যবহার করতে পারে।
ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে জ্যাভেলিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাশ্মীরে হারিয়ে যাচ্ছে ‘লাল সোনা’ খ্যাত জাফরান
২০২৫ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে সম্ভাব্য ৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের একটি চুক্তির অনুমোদন দেয়। এতে সর্বোচ্চ ১০০টি জ্যাভেলিন ব্যবস্থা ও ২১৬টি এক্সক্যালিবার গোলা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ভারত ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অ্যাপাচি, চিনুক, সি-১৭, সি-১৩০জে, পি-৮আই ও এম৭৭৭-সহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে দুই দেশ স্থল, সমুদ্র, আকাশ, মহাকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে একটি কাঠামোগত চুক্তিও সই করে।
আরও পড়ুন: ব্যাংক কেলেঙ্কারি ও আর্থিক সংকটে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনার পদত্যাগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন