ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিশেষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

রবিবার সকালে খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণে এসে শেষ করা হয়। এরপর টাউন হলের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

এ সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. রাজু আহমেদ নেতৃত্ব দেন। সভায় বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাসান মারুফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য এবং সফল মৎস্যচাষিরা।

আরও পড়ুন: বরিশালে ডিএনসির অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

এ আলোচনা সভায় বক্তাগণ মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মৎস্য খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা শেষে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি, তিন চাষিকে পুরস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


সোনারগাঁয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি, তিন চাষিকে পুরস্কার

‘রূপালি মৎস্য, স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ - এই প্রতিপাদ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে সফল তিনটি মৎস্য চাষিকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

রবিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা সভাকক্ষে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে “জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ সফল হোক” স্লোগানে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা চত্বর প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরের পুকুরে ৪০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এ পোনা অবমুক্ত করেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমাদের দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মৎস্য চাষ অনেক মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস। সোনারগাঁয়ের মৎস্য চাষিরা আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে মাছের উৎপাদন আরও বাড়াতে পারেন।

এমপি মান্নান আরও বলেন, নদী-খাল, জলাশয় ও পুকুরে পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত এবং দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ করে আমরা একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাইরুজ তাসনিম এবং উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেলসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সেরা কার্প মিশ্র মৎস্য চাষি হিসেবে মঙ্গলেরগাঁওয়ের গাজী নাহিদুল ইসলাম ও দৌলতপুরের রমজান হোসেন এবং সেরা তেলাপিয়া চাষি হিসেবে কৃষ্ণপুরার মো. আফাজ উদ্দিনকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

মৎস্য চাষিদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৯০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৯০৮

হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রাণহানি বেড়ে ৯০৮ জনে পৌঁছেছে। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১০১ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ৯০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৮০৯ জন এবং হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটেছে ৯৯ জনের।

গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের সংখ্যা ১ লাখ ৪২ হাজারের বেশি হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার জনের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মির্জা ফখরুলের অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মির্জা ফখরুলের অভিনন্দন

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো অজিদের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচে জয় পাওয়ার ঐতিহাসিক সাফল্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি দলের সাবেক মহাসচিবও।

আজকের দিনটি অর্থাৎ রবিবার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট দেন।

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে অসিদের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্টে বাংলাদেশ এই ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছে। ২৩ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যে ভেন্যুতে টেস্ট শুরু হয়েছিল, সেখানে টাইগাররা পূর্ণ শক্তির দলকে ৯ উইকেটে পরাজিত করেছে। রবিবার এই ঐতিহাসিক জয় উপলক্ষে বাংলাদেশ দেশের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে নতুন পরিবর্তন দেখেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেভাবে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


যেভাবে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত

একসময় ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল ব্রিটিশ আমলের অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার প্রায় আট দশক পর, এখন ব্রিটিশ আমলের অস্ত্রনির্ভরতা কাটিয়ে দেশটি আকাশে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, স্থলসীমান্তে আধুনিক ট্যাংক ও রকেট, সমুদ্রে যুদ্ধজাহাজ ও সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশে যুদ্ধবিমান ও অত্যাধুনিক ড্রোন—সব কিছুতে বহুমাত্রিক সামরিক শক্তি গড়ে তুলেছে নয়াদিল্লি। এভাবেই বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বৃদ্ধি করছে ভারত।

স্বাধীনতার পর ভারতের সামরিক শক্তির ভিত্তি ছিল মূলত ব্রিটিশ আমলে পাওয়া অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করে। ১৯৫৮ সালে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা বৃদ্ধি পায়। এরপর ধাপে ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, সাঁজোয়া যান ও ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়। বর্তমানে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তি ও অস্ত্র উৎপাদনে। পাশাপাশি ডিআরডিওর গবেষণার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ বর্ধিত করা হয়েছে। এর ফলে ভারতের সামরিক সক্ষমতা স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—তিন ক্ষেত্রেই আধুনিক হয়েছে।

ভারত সামরিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। দেশটি নিজস্ব প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এমআরএসএএমও যুক্ত হয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায়। এ ছাড়াও, ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষায় রয়েছে রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০, বারাক-৮, স্পাইডার ও কিউআরএসএএমের মতো বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বলিষ্ঠ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর জন্য দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়নের উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত। এর ফলে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশপথের বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলার জন্য একাধিক স্তরের প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলেছে ভারত।

ভারতের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আলোচনায় ব্রহ্মোস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও রাশিয়ায় যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তিনটি প্ল্যাটফর্ম— স্থল, সমুদ্র ও আকাশ—থেকে ব্যবহারযোগ্য। ভারতের স্থল ও নৌ প্রতিরক্ষায় ব্রহ্মোসকে অপরিহার্য অস্ত্র হিসেবে দেখা হয়। উচ্চ গতির এই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হওয়ার ফলে ভারতের দূরপাল্লার নির্ভুল হামলার সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। এছাড়াও, পৃথ্বী, অগ্নি ও আকাশের মতো ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত ধাপে ধাপে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ভিত্তি গড়ে তুলেছে।

ভারতের সেনাবাহিনীেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। প্রচলিত ট্যাঙ্ক ও কামাননির্ভর শক্তির পাশাপাশি বর্তমানে রকেট সিস্টেম, ক্ষেপণাস্ত্র, আধুনিক রাডার, ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পিনাকা রকেট সিস্টেম, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ব্রহ্মোসের মতো অস্ত্র স্থলবাহিনীর আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি এবং দ্রুত হামলার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও যুদ্ধজাহাজে নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে। যুদ্ধজাহাজগুলোতে বিমান ও জাহাজবিধ্বংসী হুমকি মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। বারাক-৮ বা এলআর-এসএএম এবং ভিএল-এসআরএসএএমের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রতিরক্ষা শক্তি অনেক বাড়িয়েছে। সমুদ্রভিত্তিক নিরাপত্তা ও দূরবর্তী এলাকায় সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার লক্ষ্যে ভারত নৌসক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

আধুনিক যুদ্ধে ড্রোনের গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভারতও এ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে টাপাস, রুস্তম, আর্চার, ঘাতক ও সুইফটের মতো বিভিন্ন ধরনের ড্রোন উন্নয়নের কাজ চলছে। নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য ড্রোন প্রযুক্তিকে ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পেছনে বিজ্ঞান ও গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দেওয়া হয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালামের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচি দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণায় নতুন ভিত্তি তৈরি করে। বর্তমানে রাডার, সেন্সর, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হাইপারসনিক প্রযুক্তির মতো আধুনিক ক্ষেত্রে গবেষণার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, একসময় বিদেশি ও পুরোনো অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল ভারত এখন ধীরে ধীরে নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক শক্তি গড়ে তুলেছে। আকাশ প্রতিরক্ষা থেকে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, স্থলবাহিনীর আধুনিকীকরণ থেকে নৌসক্ষমতা এবং ড্রোন যুদ্ধ—বহুমুখী এই প্রস্তুতিই ভারতের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে।

সূত্র: এই সময়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%