সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৪ এম
যুক্তরাষ্ট্র আবারও তেহরানের সঙ্গে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনা করে ওয়াশিংটনের এই অবস্থান তুলে ধরেছেন, এমনটি সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যম তাসের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা হলে তা ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর কেন্দ্রীভূত করতে চায়। তবে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি আলোচনার মূল এজেন্ডায় রাখতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
অন্যদিকে, ইরানের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক দেশগুলোর কাছে পরিষ্কার করেছেন যে, হরমুজ প্রণালির সংকট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা নিজেদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ফিরে আসতে আগ্রহী নন। এর মধ্যে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত, যেখানে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের একটি বড় অংশ পরিচালিত হয়। এছাড়া, বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসও এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। তাই, প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। পরে জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, তাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে, ৮ জুলাই ভোরে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে বড় ধরনের হামলা শুরু করে। ওয়াশিংটন অভিযোগ করে যে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে হওয়া সমঝোতার শর্ত ইরান লঙ্ঘন করেছে। পরবর্তীতে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক চাপের পরিবর্তে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
বর্তমানে, যদিও ওয়াশিংটন ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে আলোচনার কেন্দ্রে আনতে চায়, তেহরান হরমুজ প্রণালির সংকট ও মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ফলে, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও কোন ইস্যু আগে সমাধান হবে, তা নিয়ে মতপার্থক্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস, সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চগড় জেলা শহরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত চারজনকে চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে। রোববার রাত ১০টার দিকে শহরের তেঁতুলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের তেঁতুলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। এমআর কলেজ মোড়ে পৌঁছানোর পর পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদের সমর্থকদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়।
এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় লাঠি হাতে মহাসড়কে অবস্থান নেন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রোকনুজ্জামান জাপান (৩৫), আব্দুল বাতেন (৪০), শামীম (২৮), জীবন (২২), সাফাত কবির (২১), সাক্ষর (১৮), পাক্কু (২২), ময়নুল (২৮), তপু (১৮), মিলন (১৮), সৌমিক (১৯), ফরহাদ (১৮), করিম আখতার (৪৪), জিসান (১৭) ও নুরনবী চৌধুরী (৩৮)। তারা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। আহত ১১ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং চার জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রবিবার সকালে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদের উপস্থিতিতে বোদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোল হয়। এরই জেরে রাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে বলে জানা গেছে।
পঞ্চগড় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শইমী ইমতিয়াজ এ বিষয়ে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল দুই গ্রুপের মধ্যে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সউদী আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ওপর সাম্প্রতিক হুথি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সউদীর যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সউদী নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
শেহবাজ শরিফ টেলিফোন আলাপে উল্লেখ করেন, হুথিদের এসব হামলা কেবল আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যই হুমকি নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তিনি একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে সউদী যুবরাজের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান শেহবাজের বক্তব্যের জবাবে পাকিস্তানের সমর্থনের প্রশংসা করেন। দুই নেতা পরিস্থিতি নিয়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন।
এর আগে, সউদী আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কায় একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তির শর্তানুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তিটি মূলত প্রতিরক্ষামূলক এবং সে সময় হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
সউদীতে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছিলেন, সংঘাত সউদী ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়লে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। পরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানায়, চুক্তির কার্যকর কাঠামো এখনও গড়ে তোলা হচ্ছে এবং এর আওতায় তাৎক্ষণিক সামরিক পদক্ষেপের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইয়েমেনে ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়ে উঠেছে। হুথিরা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দর এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালির কাছে একটি কৌশলগত দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। একই সময়ে সউদী আরবের বিভিন্ন সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনাতেও হুথি হামলার সংখ্যা বেড়েছে।
সাম্প্রতিক হামলায় সউদীর জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ইয়েমেনের সংঘাত এখন কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তথ্যসূত্র: ডন, আরব নিউজ,
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহিম ভারত কর্তৃক কাশ্মীরের পেহেলেগামে সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদ সংঘটিত হওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোনো গোয়েন্দা তথ্য বা পর্যালোচনা নেই।
নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনোয়ার ইব্রাহিমকে ২০২৫ সালের পেহেলগাম হামলা এবং পাকিস্তানের কথিত সম্পৃক্ততা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি পাকিস্তানের ভূমিকাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে বিবেচনা করেন।
উত্তরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি এতটা দূর যেতে চাই না। আমি জানি, ভারতে এ কথা বলা অত্যন্ত সংবেদনশীল। তবে অবশ্যই আমি মোদির ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আমরা পাকিস্তানিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি এবং মনে করেছি, এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।”
পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সমালোচনা না করার কারণ জানতে চাইলে আনোয়ার বলেন, প্রথমে পাকিস্তানের দায় নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “এটি প্রথমে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। আমি বলছি না যে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটেনি। কিন্তু নিশ্চিতভাবে দায় নির্ধারণ করতে হবে। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের ভিত্তিতে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, যাতে বলা যায় সেখানে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদ চালানো হয়েছে।”
২০২৫ সালের এপ্রিলে ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন নিহত হন। হামলার পরপরই ভারত পাকিস্তানকে এর জন্য দায়ী করে, কিন্তু ইসলামাবাদ এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে।
এই হামলাকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে ভারত পাকিস্তানের ভূখণ্ডে সামরিক হামলা চালায়।
এর জবাবে পাকিস্তানও সামরিক পদক্ষেপ নেয়। দুই দেশের মধ্যে ৮৮ ঘণ্টা ধরে সংঘাত চলার পর শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
সূত্র: ডন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) যে ঋণ ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য বরাদ্দ করেছে, তাতে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। রুশ সংবাদমাধ্যম তাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বিষয়ে কানাডার সঙ্গে ইইউর আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদনটি জানায়, আগামী অক্টোবরের শেষের দিকে কানাডার মন্ট্রিয়েলে অনুষ্ঠিতব্য ইইউ-কানাডা সম্মেলনের আগে ঋণে কানাডার সম্ভাব্য অবদানের পরিমাণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হতে পারে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই উদ্যোগের লক্ষ্য ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কানাডার নির্ভরতা কমানোর বিষয়টিও তাঁর নীতির অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে অটোয়ার সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কার্নি বহুপক্ষীয় বিশ্বব্যবস্থায় বিশ্বাসী উদারপন্থি দেশগুলোর মধ্যে একটি জোট গঠন করতে চান। ইউক্রেনকে সহায়তায় ইইউর ঋণে অংশ নিয়ে কানাডার ইউরোপীয় মিত্রদের প্রতি অঙ্গীকারও তুলে ধরতে চান তিনি। বর্তমানে যুক্তরাজ্যই একমাত্র ইইউ-বহির্ভূত দেশ, যারা এই ঋণে অংশ নিচ্ছে।
এই সপ্তাহে কার্নি ফ্রান্সের স্ট্রাসবুর্গ সফর করবেন। সেখানে তিনি ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর যুক্তরাজ্যের লিভারপুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সঙ্গে আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ ব্যবহার করে ইউক্রেনকে সহায়তা করার বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। ইইউ ও জি-৭ভুক্ত দেশগুলো, যার মধ্যে কানাডাও রয়েছে, রাশিয়ার প্রায় ৩০ হাজার কোটি ইউরোর সম্পদ জব্দ করে রেখেছে। এর মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার কোটি ইউরো রয়েছে বেলজিয়ামের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউরোক্লিয়ারে।
তবে গত বছরের শেষের দিকে ইইউ সম্মেলনে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ইউক্রেনকে ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। পরিবর্তে ২০২৬ ও ২০২৭ সালের জন্য ইউক্রেনকে ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দূত রোদিয়ন মিরোশনিক অভিযোগ করেছেন যে, ইউক্রেন এসব অর্থ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধে ব্যয় করছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তথ্যসূত্র: তাস, ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ