বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ এম
চট্টগ্রাম, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি সংকটের মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের বিকল্প ব্যবস্থার প্রয়োগের চেষ্টা করছে। বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত দেশের পরিস্থিতি নিরাপদ থাকবে।
তিনি আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সার্সন রোডে বিপিসি’র প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে তার যোগদান উপলক্ষে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় ড. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত বেশি দামে তেল কিনে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি দিতে হয়েছে। ডিসেম্বর মাসের মধ্যে হয়তো আরও ১১ হাজার কোটি টাকার মতো লাগতে পারে। এটি সরকারের আমদানি ব্যয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবুও সরকার জনগণের প্রয়োজনে এই চাপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে, যাতে আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে পারি।’
বিপিসি’র চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমাদের হাতে কিছুই নেই। হরমুজ সমস্যা ছিল, এখন নতুন করে বাব-এল-মানদেব সমস্যা দেখা দিয়েছে, আবার ইস্ট-ওয়েস্ট সংকটও রয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের এই চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবুও আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত আমাদের একটি স্থিতিশীল অবস্থানে আসতে পারব। যে গ্যাপটি রয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি বিপিসির সক্ষমতা দিয়ে তা মোকাবিলা করতে।
বর্তমানে আমাদের তেলের কোনো সংকট নেই এবং ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত আমরা অনেকটাই নিরাপদ অবস্থানে আছি।’
তিনি আরও জানান, ‘চ্যালেঞ্জ একটি স্বল্পমেয়াদি বিষয়, বর্তমানে যে সময়কাল অতিক্রম করছি তা স্বল্প সময়ের। এরপর বিশেষ করে তেল প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেই পদক্ষেপগুলো আমরা নিচ্ছি। আর যে মধ্য বা দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমগুলো রয়েছে, সেগুলোর জন্য বিশেষভাবে পেট্রোলিয়াম সাইডে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাব। আমরা আশা করি যে থার্ড টার্মিনাল ডিসেম্বর মাসে চালু হবে, তখন সেখানে আমাদের জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না।’
এলপিজি আমদানি প্রসঙ্গে বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের দুটি স্তর রয়েছে। একটি স্তর হলো এফএসইউ, মাতাবাড়িতে এটি এনে, পরে আমরা এলপিজি বাল্ক সাইজে অর্থাৎ ভিএলজিসি’র মাধ্যমে নিয়ে আসব। এর পর অপারেটরের মাধ্যমে মার্কেটিংয়ের জন্য সরবরাহ করা হবে। আরেকটি ছিল শর্ট টার্মে কিছু নিয়ে আসা, আমাদের সঙ্গে যাদের চুক্তি হয়েছে তাদেরকে সরবরাহ দেওয়া। এই দুটি সিস্টেম ছিল। এখন শর্ট টার্মের মধ্যে, ইনশাআল্লাহ, এই মাসের শেষে একটি ফলাফল পাব। হয়তো একটি পার্সেল চলে আসবে। আর ভিএলজিসি’র মাধ্যমে একটি বাল্ক সাইজের জাহাজ আসবে, সেটি আমরা আশা করছি এই বছরের শেষের দিকে, ডিসেম্বর বা জানুয়ারি মাসের দিকে। আমাদের এখানে এফএসইউ-টি ভিড়াতে পারলে বা এটি সম্ভব হলে, তাহলে খুব দ্রুত আমরা আমদানি করতে পারব। এ বিষয়ে কাজ চলছে, ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হচ্ছে যে কতটুকু আমরা কাজটি করতে পারব।’
মতবিনিময় সভায় বিপিসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুর পৌর শহরের তাঁতীপাড়ায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স টিমের একটি ঝটিকা অভিযানে নগদ সাড়ে নয় লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ মাদক এবং গুলি সহ এক পিতা-পুত্রকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁতীপাড়ায় এই অভিযানটি সফলভাবে পরিচালিত হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মেহেরপুর পৌর শহরের তাঁতীপাড়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ফিরোজ হোসেন (৪৮) এবং তার ছেলে আমানুল্লাহ (২৬)। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই এলাকায় অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।
মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স টিম অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক, গুলি এবং অর্থ উদ্ধার করে। অভিযানের ফলস্বরূপ মাদক বিক্রির নগদ ৯ লাখ ৫ হাজার ৭০০ টাকা, ৫ রাউন্ড তাজা গুলি/কার্তুজ, ৩৭৩ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৮১৩ গ্রাম গাঁজা, ২৩ গ্রাম গাঁজার বীজ এবং ৬৪ গ্রাম ভাং পাতা উদ্ধার করা হয়।
মেহেরপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাশেদ আহমেদ জানান, তাঁতীপাড়া এলাকায় মাদক ও অস্ত্র জমা রাখার সুনির্দিষ্ট খবর পাওয়ার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই অভিযান চালায়। উদ্ধার হওয়া আলামতসহ আটককৃতদের বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জনস্বার্থে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান পরিচালনার সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিলুর রহমান খান এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে মো. নাজমুল হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়, যা মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আটককৃত যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপালপুর পৌরসভার গোপালপুর রেলগেট সংলগ্ন মকসেদ শপিং কমপ্লেক্সে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নাজমুল হোসেনকে কমপ্লেক্সের সিঁড়ির ওপর অবস্থানকালে আটক করা হয়।
আটক নাজমুল হোসেন লালপুর উপজেলার পোকন্দা (পূর্ব) গ্রামের মো. ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তল্লাশিতে তার কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একইসাথে, মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
লালপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই যুবক এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহ ছিল। সম্প্রতি তার চলাফেরা ও কার্যক্রম নজরদারিতে রেখে নিশ্চিত তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘লালপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর শহরের বিভিন্ন মোড়ে লাইসেন্স ছাড়া মৎস্য ও পশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে সাউদপাড়া এবং চিরাং মোড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে সাউদপাড়া মোড়ের মেসার্স সোহেল ট্রেডার্সের মালিক সোহেল মিয়া, হুমায়ুন ট্রেডার্সের মালিক হুমায়ুন কবীর এবং চিরাং মোড়ের নামবিহীন দোকানের মালিক হুমায়ুন মিয়াকে মৎস্য ও পশু খাদ্য আইন, ২০১০-এর ৪ ধারায় লাইসেন্স না থাকার কারণে ২০ ধারার আওতায় প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কেন্দুয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান, কেন্দুয়া থানা পুলিশের সদস্য এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৎস্য ও পশু খাদ্য নিরাপদ রাখার জন্য সকল খাদ্য বিক্রেতাকে আইন অনুযায়ী লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। ব্যবসায়ীদের দ্রুত লাইসেন্স গ্রহণ করে আইন মেনে মৎস্য ও পশু খাদ্য বিক্রির জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে টাকার বিনিময়ে তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে জুয়ার আসরে অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের ধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার আঙুল ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার চার পুলিশ সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার গভীর রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার টহলদল গোপন সূত্রে খবর পায়, পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হলপাড়ায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মূল ভবনের উত্তর পাশে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাস দিয়ে জুয়া খেলছেন। খবর পেয়ে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলমগীর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করে পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানার ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায়। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
তারা হলেন- ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কর্মরত কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), এএসআই শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. আলমগীর কবির (৩৩) এবং ঠাকুরগাঁও শহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)। অভিযানের সময় সুযোগ বুঝে দুই পুলিশ সদস্য পালিয়ে যান। তারা হলেন- পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই মো. আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮)। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
অভিযানের সময় ঘটনাস্থল ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়ার বোর্ডে থাকা নগদ ৫০ টাকা, পাঁচ সেট তাস এবং একাধিক স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থলের পাশ থেকে চারটি মোটরসাইকেল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়। মামলাটি ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পালকে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা সুজিত কুমার পাল বলেন, আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশ বা অন্য যে কারও ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। অপরাধে জড়িত গ্রেপ্তার চার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ