মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৭ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও আগাম প্রস্তুতিমূলক মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার শ্যামপুর শহীদ কুমুদ বন্ধু রায় চৌধুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
শ্যামপুর শহীদ কুমুদ বন্ধু রায় চৌধুরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজামুল কাদিরের সভাপতিত্বে ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এসিটি টু এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওবায়দুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান, ফায়ার সার্ভিসের লিডার আরিফুর রহমান, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমন, সাবেক ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান শামীম।
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ মিজানুর রহমানের জানান, ঘুর্নিঝড়ের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য গনসচেতনতা তৈরিতে এই মাঠ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দুটি আলাদা আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল।
এই আমন্ত্রণগুলোর মধ্যে একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি ছিল বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য প্রকাশ করেন।
যদিও বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য বা অংশীদার দেশ নয়, তথাপি বর্তমান বিমসটেক চেয়ার হিসেবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের বিশেষ সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
গত ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই আমন্ত্রণটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং বিমসটেক চেয়ারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার স্পিকারও বলেছেন, যথাযথ প্রক্রিয়ায় মর্যাদা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে ভারতের পক্ষ থেকে আজ দাবি করা হলো যে, তাকে দুটি আলাদা আমন্ত্রণই পাঠানো হয়েছিল।
ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণটিও আগের মতোই বহাল রয়েছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ নির্বাচনের পর বিএনপির সরকার গঠনের সময় ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম প্রকাশ বিড়লা ঢাকা সফর করেন। সে সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি অভিনন্দনপত্র তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন এবং তাকে সপরিবারে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।
অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে, তারা বহুমুখী বা বহুপক্ষীয় কোনো সম্মেলনের চেয়ে দ্বিপক্ষীয় সফরকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং সুবিধাজনক সময়ে এই সফর আয়োজনের কাজ চলছে। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান, প্রত্যর্পণ এবং পানি ভাগাভাগির মতো বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন চলার মধ্যেই এই কূটনৈতিক বিষয়গুলো সামনে এসেছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের টেলিভিশন ও মঞ্চে দেশের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনেক অভিনেতা। তবে হলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা ক্রিস্টোফার লি ‘জিন্নাহ’ ছবিতে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতার চরিত্রে অভিনয় করে একটি অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।
১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জিন্নাহ’ ছবিটি পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়, যার পরিচালনা করেছেন জামিল দেহলভি। ছবিটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন জামিল দেহলভি এবং ড. আকবর এস আহমেদ। ছবির প্রযোজনাও করেছেন ড. আকবর এস আহমেদ।
ক্রিস্টোফার লি, যিনি ‘ড্রাকুলা’ ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং জেমস বন্ড সিরিজের ‘দ্য ম্যান উইথ দ্য গোল্ডেন গান’ ছবিতে স্কারামাঙ্গার চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তাকে জিন্নাহর চরিত্রে বেছে নেওয়ার ঘটনা ছিল বেশ চমকপ্রদ।
ক্রিস্টোফার লি তার স্মৃতিকথা ‘লর্ড অব মিসরুল’-এ উল্লেখ করেছেন, ১৯৯৭ সালে লন্ডনে পাকিস্তানের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ড. আকবর এস আহমেদ ও জামিল দেহলভি তাকে প্রশ্ন করেন, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সম্পর্কে তার কী জানা আছে।
লি জবাবে বলেন, জিন্নাহ পাকিস্তান নামে একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার কাছে জিন্নাহ ছিলেন অসাধারণ দৃঢ়সংকল্প ও প্রখর বুদ্ধিমত্তার অধিকারী একজন ব্যক্তি। এরপর তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, ‘আমরা চাই, আপনি জিন্নাহর চরিত্রে অভিনয় করুন।’
এই প্রস্তাব লির জন্য ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। পরে তিনি ধারণা করেন, জিন্নাহর উচ্চতা ও শারীরিক গঠনের সঙ্গে তার কিছুটা মিল থাকাও তাকে নির্বাচনের অন্যতম কারণ হতে পারে।
চরিত্রটি গ্রহণ করার পর ক্রিস্টোফার লি জিন্নাহর জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত অধ্যয়ন করেন এবং বেশ কয়েকটি বই পড়েন। চিত্রনাট্যে একাধিক পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘ছবির শুটিং যত এগোচ্ছিল, ততই চিত্রনাট্য থেকে অতিরিক্ত মনে হওয়া দৃশ্যগুলো বাদ দেওয়া হচ্ছিল।’
ছবিটির শুরু হওয়ার কথা ছিল ‘লিম্বো’তে। সেখানে জিন্নাহকে একজন ফেরেশতার সামনে তার জীবনের হিসাব দিতে দেখা যাওয়ার কথা ছিল। তবে ইসলামী বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায় দৃশ্যটি পরিবর্তন করে একটি কাল্পনিক স্বর্গীয় গ্রন্থাগারের ধারণা আনা হয়। সেখানে জিন্নাহর জীবনের নথি খুঁজে বের করা হয়।
এই গ্রন্থাগারের তত্ত্বাবধায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন ভারতীয় অভিনেতা শশী কাপুর। তিনি জিন্নাহকে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো আবার দেখান, যেসব ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি একজন সাধারণ নেতা থেকে ‘কায়েদে আজম’ হয়ে উঠেছিলেন।
করাচিতে প্রায় ১০ সপ্তাহ
ছবিটির শুটিংয়ের জন্য ক্রিস্টোফার লি প্রায় ১০ সপ্তাহ করাচির একটি বিখ্যাত হোটেলে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে তার কোমরে ব্যথা হলে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
লি জানান, করাচিতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই হোটেলের কর্মীরা জেনে গিয়েছিলেন তিনি কে এবং কোন চরিত্রে অভিনয় করতে এসেছেন। পরদিনের মধ্যেই সংবাদপত্রের মাধ্যমে শহরেও এ খবর ছড়িয়ে পড়ে।
পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদ খান লঘারি জিন্নাহর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তাকে স্বাগত জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান। তবে একই সময়ে সংবাদপত্রগুলোতে তাকে জিন্নাহর চরিত্রে নির্বাচনের সমালোচনাও শুরু হয়।
লি লিখেছেন, ওই সফরে তার সঙ্গে স্ত্রী ও মেয়ে ক্রিস্টিনাও ছিলেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও তার স্ত্রী করাচির বাজার ঘুরে দেখতে সক্ষম হন। তবে লি ও তার মেয়ে গাইড বইয়ে বর্ণিত উপায়ে করাচি ঘুরে দেখতে পারেননি।
‘ড্রাকুলা, জিন্নাহ কীভাবে হতে পারেন?’
লি তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, পাকিস্তানের কয়েকটি সংবাদপত্র বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি যে একজন পশ্চিমা ও খ্রিষ্টান অভিনেতা, যিনি ড্রাকুলা ও অন্যান্য নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তিনি পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতার চরিত্রে অভিনয় করবেন।
লির বক্তব্য ছিল, একজন অভিনেতা তার অভিনীত চরিত্রের থেকে আলাদা। একজন অভিনেতা বিভিন্ন ছবিতে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন। তাই অতীতে অভিনয় করা চরিত্রগুলোকে জিন্নাহর চরিত্রে অভিনয়ের বিরুদ্ধে যুক্তি হিসেবে দেখানো সঠিক নয়।
প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ শুটিং, ছিল নানা সমস্যা
লির মতে, ছবিটির শুটিংয়ের সমস্যা শুধু নিরাপত্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রায় ১৫ সদস্যের একটি ছোট দলকে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় অতিরিক্ত শিল্পীর সঙ্গে কাজ করতে হয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে শুটিং চলত। এ ছাড়া প্রযোজনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও নানা সমস্যা ছিল।
তিনি পরিচালক জামিল দেহলভির কাজের ধরন নিয়েও সমালোচনা করেন। তার মতে, দেহলভি অনেক সময় সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করতেন। এর বিপরীতে তিনি চিত্রগ্রাহক নিক নোল্যান্ডের কাজের প্রশংসা করেন।
ছবিটির অর্থায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুটিং চলাকালে সরকার পরিবর্তনের কারণে ছবিটির অর্থায়নে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। পরে বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা করা হলে ছবিটির শুটিং সম্পন্ন হয়।
জিন্নাহর হাঁটা, হাতের অঙ্গভঙ্গি, এমনকি কাশিও অনুকরণ
ক্রিস্টোফার লি জিন্নাহর পুরোনো চলচ্চিত্রের দৃশ্য ও বেতারে প্রচারিত বক্তব্যের রেকর্ডিং শুনে তার চালচলন ও অভিব্যক্তি বোঝার চেষ্টা করেন। তিনি জিন্নাহর হাঁটার ধরন, হাতের অঙ্গভঙ্গি, কথা বলার ভঙ্গি এমনকি কাশির ধরনও পর্যবেক্ষণ করেন।
জিন্নাহর একটি বিখ্যাত ভাষণের দৃশ্য লাহোরের সেই স্থানেই ধারণ করা হয়, যেখানে ঐতিহাসিকভাবে তিনি ভাষণটি দিয়েছিলেন। তিনি জিন্নাহর সমাধিসৌধেও যান। এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘সেদিনই আমি এই চরিত্রের দায়িত্বের প্রকৃত অনুভূতি উপলব্ধি করি।’
ছবির চূড়ান্ত পর্যায়ে দেশভাগের সময় একটি শরণার্থী কাফেলার দৃশ্য ধারণের সময় লি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। দৃশ্যটিতে একটি শিশু তার মাকে হারিয়েছিল। লির ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যামেরার সামনে তার গড়িয়ে পড়া অশ্রু ছিল সত্যিকারের।
যারা ছিলেন লির সহশিল্পী
ছবিটিতে শিরিন শাহ ফাতিমা জিন্নাহ, রিচার্ড লিন্টার্ন তরুণ জিন্নাহ, স্যাম দস্তর গান্ধী, রবার্ট অ্যাশবি নেহরু এবং জেমস ফক্স লর্ড মাউন্টব্যাটেনের চরিত্রে অভিনয় করেন।
ভনিজা আহমেদ দিনা জিন্নাহ এবং শাকিল লিয়াকত আলী খানের চরিত্রে অভিনয় করেন।
জীবনের শেষ সাক্ষাৎকারে অভিনেতা শাকিল ‘জিন্নাহ’ ছবির অংশ হওয়াকে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার মতে, লিয়াকত আলী খানের চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব গ্রহণের আগে তিনি তার পরিবারের কাছ থেকেও অনুমতি নিয়েছিলেন।
উর্দু সংস্করণে লির কণ্ঠ দেন গোলাম মহিউদ্দিন
ছবিটির উর্দু সংস্করণও তৈরি করা হয়। এতে ক্রিস্টোফার লির কণ্ঠের ডাবিং করেন অভিনেতা গোলাম মহিউদ্দিন।
বিশ্বজুড়ে প্রশংসা, মেলেনি বড় পরিবেশক
ছবিটির প্রাথমিক সংস্করণ নিয়ে লি পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলেন না। তবে তার ভাষ্য, লন্ডন ও নিউইয়র্কে আরও সম্পাদনা ও সংগীত সংযোজনের পর ছবিটি আরও ভালো রূপ পায়।
‘জিন্নাহ’ ছবিটি নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, লন্ডন ও কায়রোর চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। সেখানে ছবিটি সমালোচকদের কাছ থেকে ভালো প্রতিক্রিয়া পায়। তবে পাকিস্তানের বাইরে ছবিটির জন্য বড় কোনো পরিবেশক পাওয়া যায়নি।
ক্রিস্টোফার লির স্মৃতিকথায় ছবিটিকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি মনে থাকার মতো বিষয় ছিল পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া।
তিনি লিখেছেন, স্থানীয় দোকানদার, পুলিশ সদস্য, সেনাসদস্য ও ছবির অতিরিক্ত শিল্পীরা শেষ পর্যন্ত তাকে শুধু একটি শব্দই বলেছিলেন, যে শব্দটি তিনি কখনো ভুলতে পারবেন না—সেটি ছিল ‘ধন্যবাদ’।
বিবিসি উর্দু থেকে অনুবাদ করেছেন- তানজিল আমির
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ডাকাতিসহ পাঁচ মামলার আসামি এবং ডাকাত দলের সরদার আলমগীর মন্ডল ওরফে ‘পশু’সহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-২ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন বসিলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। অভিযানে ডাকাত দলের সরদার হিসেবে পরিচিত আলমগীর মন্ডল ওরফে ‘পশু’ এবং তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আলমগীর মন্ডল ওরফে ‘পশু’র বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে ডাকাত দলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
অভিযানের সময় গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব-২।
রাজধানীতে ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বসিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে কথিত ডাকাত দলের সরদারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব-২।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৯ সালের বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক হওয়ার প্রতিযোগিতায় যুক্তরাজ্য পরাজিত হয়েছে। বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স কাউন্সিলের সভায় ভোটাভুটির মাধ্যমে লন্ডন ও রোমকে পরাজিত করে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি আয়োজক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এটি ইতিহাসের প্রথমবারের মতো আফ্রিকার কোনো দেশে অ্যাথলেটিক্সের এই বৈশ্বিক মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
২০১৭ সালে সফলভাবে আয়োজিত আসরটি ২০২৯ সালে আবার যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য লন্ডন জোরালো আবেদন করেছিল। ব্রিটিশ সরকারের প্রায় ৪৫ মিলিয়ন পাউন্ডের আর্থিক নিশ্চয়তা এবং লন্ডন স্টেডিয়ামের কেন্দ্রবিন্দুতে একটি শক্তিশালী পরিকল্পনা জমা দেওয়া হয়েছিল। খবর বিবিসি
তবে আফ্রিকার ক্রীড়া উন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণের নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে লন্ডনের বিডটি বাতিল হয়ে যায়, যা যুক্তরাজ্য অ্যাথলেটিক্স কর্তৃপক্ষের জন্য একটি বড় হতাশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্সের সভাপতি সেবাস্তিয়ান কো এই সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন। আফ্রিকার কোনো শহরে এই মেগা ইভেন্টটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত ক্রীড়া জগতে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
নাইরোবির ৪৮ হাজার আসন বিশিষ্ট বিখ্যাত কাসারানি স্টেডিয়ামে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৭ সালের আফ্রিকান কাপ অব নেশনস (এএফসিওএন) ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বর্তমানে এই স্টেডিয়ামটির আধুনিকায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
২০২৯ সালের বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের আগে, ২০২৭ সালের বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, ২০২৯ সালের বিড হারানো অপর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী জার্মানির মিউনিখকে ২০৩১ সালের আসরের স্বাগতিক হিসেবে আগাম ঘোষণা করেছে কাউন্সিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ