সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৭ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার আজ (০৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার CSF Centre (Centre for People with Disabilities) পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি CSF Centre-এর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, তাদের অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা, থেরাপি, পুনর্বাসন ও সার্বিক পরিচর্যার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মতবিনিময়কালে তিনি CSF Centre-এর সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের পরিকল্পনার কথা জানান। এই MoU-এর আওতায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা CSF Centre-এ তাদের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবে বলে তিনি উল্লে…
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের মান, সেবার মান, খাবারের সঠিক পরিমাণ ও পরিবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ক্যাফেটেরিয়ায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
এ সময় উপাচার্য শিক্ষার্থীদের কাছে ক্যাফেটেরিয়ায় পরিবেশিত খাবারের মান, খাবারের পরিমাণ, মূল্য অনুযায়ী সেবার মান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চান। শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়ার খাবার ও সেবা সম্পর্কে তাদের বিভিন্ন মতামত ও অভিজ্ঞতা উপাচার্যের কাছে তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি ক্যাফেটেরিয়ার সার্বিক পরিবেশ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। ক্যাফেটেরিয়ায় স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপাচার্য ক্যাফেটেরিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্তদের খাবারের মান বজায় রাখা, নির্ধারিত ও সঠিক পরিমাণে খাবার পরিবেশন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ এবং সেবার মান উন্নত করার বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে ক্যাফেটেরিয়ার রান্না ও খাবার পরিবেশনের স্থানসহ পুরো ক্যাফেটেরিয়া নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মজুত শক্তিশালী করতে ৯ হাজার টন ছোলা এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)।
আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সিসিজিপির ৪৩তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে টিসিবির ভর্তুকিমূল্যে ও খোলাবাজারে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এসব পণ্য কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর মধ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টস পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে ৯ হাজার টন ছোলা আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। প্রতি কেজি ছোলার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪ টাকা ৬৭ পয়সা।
এ ছাড়া স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (এলটিএম) ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুই লিটারের পিইটি বোতলে এ তেল টিসিবিকে সরবরাহ করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা। স্থানীয় চারটি প্রতিষ্ঠান এ তেল সরবরাহ করবে।
গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড প্রত্যেকে ২০ লাখ লিটার করে, আর মজুমদার ব্র্যান অয়েল মিলস লিমিটেড ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড প্রত্যেকে ৩০ লাখ লিটার করে সরবরাহ করবে।
এসব পণ্য কেনার ফলে টিসিবির প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মজুত পর্যাপ্ত রাখা এবং বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বাজারে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডার সঙ্গে চলমান তীব্র বাণিজ্য বিরোধের মধ্যে দেশটির মোটরসাইকেল, অ্যালকোহল ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
হোয়াইট হাউজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ট্রাম্পের আদেশ অনুযায়ী, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে চলেছে।
মঙ্গলবার মধ্যরাতের পর প্রায় ২ হাজার কোটি ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর কানাডা পাল্টা শুল্ক আরোপের পরই ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এই কঠোর সিদ্ধান্ত এল।
কয়েক দফা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত মাসে প্রায় ২ হাজার কোটি ডলারের কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছিল ওয়াশিংটন। তারই জবাবে মঙ্গলবার পাল্টা ব্যবস্থা নেয় অটোয়া।
ট্রাম্প মার্কিন মহামন্দার আমলের একটি পুরনো আইনের মাধ্যমে এই শুল্ক বসানোয় কানাডা ইউএসএমসিএ চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
দীর্ঘদিনের দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের এই অচলাবস্থার কারণে উত্তর আমেরিকার ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ‘ইউএসএমসিএ’-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্কিন বাজারের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর তাগিদ দিয়েছেন।
এক ভিডিও বার্তায় কার্নি বলেন, “আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যা প্রয়োজন তা সবই আছে। এই পরিবর্তনের পেছনে কিছু মূল্য অবশ্যই চুকাতে হবে, তবে হাত গুটিয়ে বসে থাকার মাশুলের চেয়ে তা অনেক কম।”
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় কানাডার বিয়ার, বিভিন্ন ধরনের ওয়াইন, হুইস্কি, ভদকা, রামসহ অধিকাংশ অ্যালকোহলজাত পণ্য রয়েছে। এছাড়া দুগ্ধজাত পণ্যের মধ্যে হুই প্রোটিন, বিশেষ ধরনের গুড় ও নন-অ্যালকোহলিক বিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি কানাডীয় বিভিন্ন ধরনের পনির, কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম, কাঠ, আসবাবপত্র ও লাইটিং সামগ্রীর ওপর ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়েছে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কানাডীয় গাড়ির ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যে হুমকি ছিল, তা এখনও বহাল রয়েছে।
অদূর ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারি কেনাকাটার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা 'জিএসএ' থেকে কানাডীয় পণ্য বাদ দেওয়ার জন্যও ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে করে কানাডা তাদের নীতি বদলাতে বাধ্য হয়।
অবশ্য পরিস্থিতি নিরসনে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এবং কানাডার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যমন্ত্রী ডমিনিক ল্যব্লাঁর মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
ল্যব্লাঁ এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মার্কিন পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, “কানাডার শ্রমিক, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের এই অন্যায্য সিদ্ধান্ত থেকে রক্ষাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।”
নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মিশিগান ও ওহাইওর মতো রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোকে লক্ষ্য করে ইস্পাত, আসবাবপত্র, পোশাক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যে ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে কানাডা।
‘কানাডিয়ান এগ্রি-ফুড ট্রেড অ্যালায়েন্স’-এর নির্বাহী পরিচালক মাইকেল হার্ভি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সংঘাতের মাত্রা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাড়তে থাকা নিয়ে চিন্তিত। তবে একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যে কৌশলী অবস্থান নিচ্ছেন তাও আমরা বুঝতে পারছি।”
এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কানাডার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে ক্ষোভ ঝাড়ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সম্প্রতি ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প হুমকি দেন, কানাডীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘বোম্বারডিয়ার’ যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা স্থাপন না করলে দেশটিতে আর কোনো বিমান বিক্রি করতে পারবে না।
এমনকি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো উত্তর আমেরিকার একটি মানচিত্র শেয়ার করে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ছবিতে প্রধানমন্ত্রী কার্নিকে ‘গভর্নর’ বলে উপহাস করেন ট্রাম্প, যা কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর পুরোনো কটাক্ষকে মনে করিয়ে দেয়।
এক নির্বাহী আদেশে সই করে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সীমান্তের ঐতিহাসিক 'লেক অন্টারিও'র নাম বদলে 'লেক আমেরিকা' রাখার বিতর্কিত ঘোষণাও দেন ট্রাম্প।
বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে জাপানি বিয়ার প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘সাপ্পোরো’ তাদের নন-অ্যালকোহলিক পানীয় উৎপাদন কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। কানাডা মূলত তাদের মোট রপ্তানির ৬৮ শতাংশই পাঠায় যুক্তরাষ্ট্রে, যা প্রতিপক্ষের চেয়ে ১৩ গুণ ছোট অর্থনীতি।
সংঘাত মারাত্মক আকার ধারণ করলেও সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষায় দেখা গেছে, কানাডার ৬২ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেওয়া কঠোর অবস্থানের পক্ষে রয়েছেন।
অন্যদিকে রয়টার্স/ইপসোসের জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই কানাডাবিরোধী শুল্ক নীতির পক্ষে মাত্র ২০ শতাংশ আমেরিকান সমর্থন জানিয়েছেন। সূত্র: গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কখনো সাদা-কালো পারিবারিক অ্যালবাম, কখনো পুরোনো বলিউড সিনেমার পোস্টার—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন যেন ফিরে এসেছে আশির দশক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে নিজেদের বর্তমান ছবিকে আশির দশকের আবহে রূপ দিচ্ছেন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা।
গত কয়েক দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফিড, স্টোরি ও প্রোফাইলজুড়ে দেখা যাচ্ছে এই ভিন্টেজ লুকের অসংখ্য ছবি। এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি এসব ছবিতে অনেক সময় এতটাই বাস্তবসম্মত পুরোনো দিনের আবহ ফুটে উঠছে যে, দেখলে মনে হতে পারে ছবিগুলো সত্যিই কয়েক দশক আগে তোলা।
ছবিতে ফিরছে ৮০-এর দশকের ফ্যাশন
এই ট্রেন্ডের ছবিগুলোতে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে সে সময়ের পোশাক, চুলের স্টাইল ও ফটোগ্রাফির ধরন।
নারীদের ছবিতে দেখা যাচ্ছে রঙিন শাড়ি, বড় আকারের চুলের স্টাইল, ঐতিহ্যবাহী গয়না ও উষ্ণ স্টুডিও লাইটিং। পুরুষদের ক্ষেত্রে উঠে আসছে হাই-ওয়েস্ট ট্রাউজার, রঙিন শার্ট, গোঁফ ও আশির দশকের জনপ্রিয় হেয়ারস্টাইল।
ছবির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে অ্যানালগ ক্যামেরার মতো গ্রেইন, সফট ফোকাস, উষ্ণ রঙ ও সামান্য বিবর্ণ টোন। ফলে আধুনিক ডিজিটাল ছবিও দেখতে হয়ে উঠছে পুরোনো ফিল্ম ক্যামেরায় তোলা ছবির মতো।
কয়েকটি নির্দেশনাতেই তৈরি হচ্ছে ভিন্টেজ ছবি
এ ধরনের ছবি তৈরির জন্য ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবি এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা বা প্রম্পট দিচ্ছেন। সেখানে পোশাক, চুল, ব্যাকগ্রাউন্ড, আলো এবং ছবির সময়কাল সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হচ্ছে।
কেউ চাইছেন পুরোনো বাংলাদেশি পারিবারিক অ্যালবামের মতো ছবি, আবার কেউ বেছে নিচ্ছেন আশির দশকের বলিউড স্টুডিও পোর্ট্রেট বা ম্যাগাজিন কভারের স্টাইল।
প্রযুক্তিগত জ্ঞান খুব বেশি না থাকলেও এখন সহজেই এসব ছবি তৈরি করা যাচ্ছে। ফলে ট্রেন্ডটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
নস্টালজিয়াই মূল আকর্ষণ
এই ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে নস্টালজিয়া। আশির দশকের সঙ্গে যাঁদের সরাসরি স্মৃতি রয়েছে, তাঁরা ফিরে পাচ্ছেন পুরোনো সময়ের আবহ। আর নতুন প্রজন্মের কাছে তৈরি হচ্ছে এমন একটি সময়কে দেখার সুযোগ, যে সময় তারা নিজেরা দেখেনি।
অনেকে আবার বাবা-মা বা পরিবারের পুরোনো ছবির আদলে নিজেদের ছবি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। ফলে ব্যক্তিগত স্মৃতির সঙ্গে আধুনিক এআই প্রযুক্তির একটি নতুন ধরনের সংযোগ তৈরি হচ্ছে।
ছবি আপলোডের আগে সতর্কতা জরুরি
তবে এআই প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কোনো প্ল্যাটফর্মে ছবি আপলোড করার আগে সেই প্ল্যাটফর্মের Privacy Policy, ডেটা সংরক্ষণ এবং ছবি কীভাবে ব্যবহার করা হতে পারে—এসব বিষয় জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা সংবেদনশীল ছবি এআই টুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এখন কয়েকটি নির্দেশনার মাধ্যমেই কয়েক দশক আগের সময়ের আবহ তৈরি করা সম্ভব। আর সেই প্রযুক্তির হাত ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘৮০-এর দশকের ভিন্টেজ ফটো ট্রেন্ড’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ