শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০০ এম
মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে আটক ১৪০ জন অবৈধ অভিবাসীকে, যাদের মধ্যে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছে, তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ এর মাধ্যমে তাদের নিজ দেশে পাঠানোর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার অভিবাসন বিভাগের বেলান্তিক ডিটেনশন ডিপোতে আটক অবস্থায় ছিলেন এসব অভিবাসী। ফেরত পাঠানো ১৪০ জনের মধ্যে ১১৭ জন পুরুষ, ২১ জন নারী এবং দুই শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদের মধ্যে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও কেনিয়ার নাগরিক রয়েছে। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে তাদের আটক করা হয়েছিল।
অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে নির্ধারিত সাজা ভোগ করার পর তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফেরত পাঠানোর বিমান টিকিটের খরচ বহন করেছেন আটক ব্যক্তিরা, তাদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাস।
মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে, ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশটির অভিবাসন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় কালো তালিকাভুক্ত করার (ব্ল্যাকলিস্ট) পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে তারা যাতে পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারেন, সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
কেদাহ রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম বন্ধে অভিযান, শনাক্তকরণ, আটক, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বিভাগটি আরও জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তির পর যখন কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময়ও নষ্ট হয়ে যায়।
তাহলে বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ রয়েছে।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ ও শাঁখারী বাজার।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
নয়াবাজার, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার ও শরিফ ম্যানশন।
যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। রবি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপটি উত্তর পশ্চিম-পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং এর সংলগ্ন ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থান প্রবল। এই পরিস্থিতির কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের নিকট এসে সাবধানে চলাচল করতে হবে।
এদিকে, লঘুচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে আজ শনিবার অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের নিকট এসে সাবধানে চলাচল করতে হবে।
আজ সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে এবং হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজধানী ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৪৪ মিনিটে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হচ্ছে ব্রিকসের বহুল প্রতীক্ষিত ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন।
সম্মেলনটি নিয়ে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
বিশ্বনেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নয়াদিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও ভিভিআইপি রুটগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থাপন করেছে অত্যাধুনিক ডেডিকেটেড কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে বিশ্বনেতাদের মোটরকেডের গতিবিধি এবং রাজধানীর সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরাও সরাসরি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এবারের ব্রিকস সম্মেলনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিকল্প মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও এবারের শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্রিকসের প্রভাব বাড়ার প্রেক্ষাপটে এবারের সম্মেলনের দিকে আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষ নজর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নামই তার ‘রাজা’। ইংলিশ ব্যাটারদের সামনে অভিষেকেই মোহাম্মদ রাজাউল্লাহ রীতিমতো রাজত্ব করেছিলেন। ব্যাট হাতে যেন সেটাকেও ছাড়িয়ে গেলেন। এমনই সব কীর্তি গড়েছেন, যা টেস্টের ১৪৯ বছরের ইতিহাসে আর নেই একটিও।
প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে নেমে একে একে ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। গতির ঝড়ের সঙ্গে এমন উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা তাকে আলোচনায় এনেছিল। কে জানত, তিনি আরও বড় বিস্ময় লুকিয়ে রেখেছিলেন তার ব্যাটের আড়ালে?
তিনি যখন ব্যাট হাতে নামছেন দলের দ্বিতীয় ইনিংসে, তখনও পাকিস্তানের ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে চাই ২ রান। এ অবশ্য খুব বড় বিষয় নয়, তবে তখন টেল এন্ডারদের ২টি উইকেট বাকি আর; এ বিষয়টাকে যখন মাথায় রাখবেন তখনই মনে হবে, এ তো স্রেফ দুটো ইয়র্কারের ব্যাপার!
পাক ইনিংসের যবনিকাকে স্রেফ ২টি ইয়র্কারের ব্যাপার বনে যেতে দেননি রাজাউল্লাহ। জশ টাংকে ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেছিলেন। সে ছক্কাতেই পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ায়।
এরপর শুরু হয় তার ‘শো’। সব মিলিয়ে ৯টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। ৪৩ বলে ফিফটি করেছেন। অভিষেকে পাকিস্তানের হয়ে এর চেয়ে দ্রুততম ফিফটি নেই আর একটিও। শেষমেশ তিনি থামেন ৬৩ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলে। এই ইনিংস পাকিস্তানকে স্রেফ ইনিংস হারের লজ্জা থেকেই বাঁচায়নি, ১২৯ রানের লিড এনে দিয়ে জয়ের ক্ষীণতর একটা আশাও এনে দিয়েছে বৈকি!
পাকিস্তান শেষমেশ কী করবে, সেটা পরে দেখা যাবে। তৃতীয় দিনে যা করেছেন রাজা, তাই তাকে তুলে দিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। অভিষেকে ৯ ছক্কা, এমন কীর্তি ক্রিকেট ইতিহাস দেখেছে আর একবার মোটে। ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকে নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি হাঁকিয়েছিলেন সমান সংখ্যক ছক্কা, তবে সেটা ছিল নেপিয়ারে, নিজেদের ঘরের মাঠে। প্রতিপক্ষের মাঠে অভিষেকে এমন কীর্তি ক্রিকেটের ১৪৯ বছরেই আর কখনো দেখা যায়নি।
মজার বিষয় হলো, রাজাউল্লাহর এই কীর্তির সাক্ষী ছিলেন খোদ সাউদি নিজেই। অবসরপ্রাপ্ত এই কিউই পেসার এখন ইংল্যান্ড দলের পরামর্শক হিসেবে এজবাস্টনে আছেন।
ছক্কার রেকর্ড হয়েছে জুটিতেও। মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে তার এই জুটিতে এসেছে ১০টি ছক্কা। ক্রিকেট ইতিহাসে আর কখনো শেষ তিন ব্যাটার মিলে এই সংখ্যক ছক্কা হাঁকাতে পারেননি।
৯টি ছক্কায় ইংল্যান্ডের মাটিতে এক টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ২০২৩ অ্যাশেজে লর্ডসে ১৫৫ রানের ইনিংস খেলতে গিয়ে এই রেকর্ড গড়েন তিনি। সেই রেকর্ডেও গতকাল ভাগ বসিয়েছেন রাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ