বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:০৪ এম
বরিশাল অঞ্চলের সব কয়লা, ডিজেল এবং গ্যাসচালিত উৎপাদন কেন্দ্রগুলো থেকে জাতীয় গ্রীডে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। তবুও বরিশালবাসী ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছে।
বিশেষ অনুসন্ধানে জানা গেছে, বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি বর্তমানে চাহিদার ৪০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে, ২৪ ঘণ্টা ধরে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় কোটি মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। পিডিবির বিতরণ কোম্পানি ‘ওজোপাডিকো’ এবং ছয়টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় সাড়ে আটশ’ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গত দুদিন ধরে ডে-পিক এবং নাইট-পিক আওয়ারে সাড়ে চারশ’ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি। তবে বরিশাল অঞ্চলের সব কয়লা, ডিজেল ও গ্যাসচালিত উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রীডে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্রমতে, তাপমাত্রার পারদ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে গত দুদিন ধরে বিদ্যুৎ ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস উপরে উঠে যাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। চাহিদার সাথে সরবরাহের বিশাল ফাঁকির কারণে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সরকারি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ এ অঞ্চলের সব জেনারেল হাসপাতাল এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোতে জরুরি অস্ত্রোপচারসহ সকল চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ডেঙ্গু ও হামের জন্য নির্দিষ্ট আইসিইউগুলোর বেডেও রোগীরা দুঃসহ গরমে কষ্ট পাচ্ছে। শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বেশিরভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এক শিফট বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কাজ হারিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের শিকার হয়ে সন্ধ্যা নামার সাথে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করছে। গরম এবং অন্ধকারে কোনো গ্রাহকই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দিকে যেতে চাইছেন না। ফলে বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই দিনের পর দিন লোকসান গুনছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কবে নাগাদ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে, সে বিষয়ে ওজোপাডিকো এবং পিজিসিবিসহ আরইবি’র কোনো দায়িত্বশীল মহল কিছু বলতে পারছে না। তবে শীতকালে চাহিদা কিছুটা হ্রাস পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি আশা করছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা খানম নাসরীনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মহানগর বিএনপির আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণের পূর্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা খানম নাসরীন, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জহিরুল ইসলাম লিটু, সদস্য সিরাজুল হক মৃধা, দুলাল গাজী, সাঈদ খোকন, নুরুল ইসলাম পনির প্রমুখ। কর্মসূচিতে মহানগর বিএনপি ও তার সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের গৌরনদী পৌর এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। পৌর এলাকার ঐতিহ্যবাহী টরকী বন্দর থেকে শুরু করে প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান শাহে আলম খানের বাড়ির সড়ক পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে দলবেঁধে ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব কুকুর।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিন-রাত বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে শিশু, নারী এবং বয়স্কদের চলাচলে বাড়তি ভোগান্তি দেখা দিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, সড়কে চলাচলের সময় হঠাৎ করে কুকুরের দল তেড়ে আসায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। কখনো কখনো কুকুরের দল একে অপরকে ধাওয়া করতে গিয়ে পথচারীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। দীর্ঘদিন ধরে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত চললেও বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ার কারণে পৌর এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রশ্ন, এ সমস্যাটি দেখার যেন কেউ নেই। স্থানীয়দের দাবি, জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অভিযান চলাকালীন, মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাসেন্ট রায়কে জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা সাংগঠনিক পদ থেকে বহিস্কার করেছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তৌফিকুল ইসলাম ইমরান এবং সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তাদের দুইজনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্রদলের গঠণতন্ত্র ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অ্যাসেন্ট রায়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আল আমিন মৃধা অ্যাসেন্ট রায়ের বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, গত রবিবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ জোবারপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ পিস ইয়াবাসহ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাসেন্ট রায়কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসহকারি প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেও ৬ বছরের অধিক সময় ধরে দপ্তর প্রধানের চেয়ারে বসে আছেন মাকসুদ এম.এ হান্নান, (পটুয়াখালী -দুমকি) মো. মাকসুদুর রহমান। পটুয়াখালীর বাউফলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে তিনি কর্মরত রয়েছেন। সহকারী প্রকৌশলীর পদ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করছেন। তবে, তার দায়িত্ব পালন করার সময়কাল দুই এক বছর নয়, বরং প্রায় ৬ বছর ধরে তিনি কর্তার চেয়ারে বসে আছেন।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তিন বছরের বেশি সময় একই কর্মস্থলে থাকতে পারেন না। কিন্তু জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে তাকে বারবার অন্যত্র বদলি করার নির্দেশ দেওয়া হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার প্রভাবে তিনি একই কর্মস্থলে অবস্থান করছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও একাধিক সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের শুরুতে বাউফলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগদান করেন মাকসুদুর রহমান। সহকারী প্রকৌশলীর পদ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পান। উপসহকারী হয়ে তিনি কার্যালয়ের প্রধান বনে গিয়ে হয়ে উঠেছেন বেপরোয়া।
নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য আ.স.ম ফিরোজ, উপজেলা চেয়ারম্যান মোসরেফ হোসেন খান সহ শীর্ষ নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। ফলে, মাকসুদ একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠেন। তার একক নিয়ন্ত্রণে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তর অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিন বছরের বেশি একই কর্মস্থলে থাকতে না পারলেও তিনি প্রায় ৬ বছর ধরে একই কর্মস্থলে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের আমলে তাকে একাধিক বার বদলি আদেশ দেওয়া হলেও সাবেক সংসদ সদস্য আ.স.ম ফিরোজের মাধ্যমে বদলি আদেশ বাতিল করা হয়।
২৪,র ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতন হলে মাকসুদ নতুন করে ইউটান নিয়ে স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে নেতাদের সাথে সম্পর্ক সুদৃঢ় করেন। এর ফলে, তিনি আবারও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন সময় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমের শিরোনাম হলেও, অদৃশ্য ক্ষমতার অধিকারী এই উপসহকারী প্রকৌশলী বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
মাকসুদের যত অনিয়ম
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার কারণে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করেছেন। নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না মাকসুদ। তার বিরুদ্ধে গভীর নলকূপ স্থাপন ও পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সারাদেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কালাইয়া ও কালিশুরী বন্দরে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, শিডিউল অনুযায়ী কাজ না করা, বৃষ্টির মধ্যে পানির ট্যাঙ্কির ঢালাই এবং রাতের আঁধারে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। কাজের তথ্য জানতে একাধিক বার কার্যালয়ে গিয়েও সাংবাদিকদের তথ্য দেননি তিনি। এমনকি অভিযোগের বিষয়ে জানানো সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানাচ্ছে, দুটি কাজের তদারকের দায়িত্বে রয়েছেন উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাকসুদ। সাব ঠিকাদার হিসেবে একই ব্যক্তি কাজ দুটি করছেন। তাকে (মাকসুদ) ম্যানেজ করেই নির্মাণ কাজে অনিয়ম করছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
এদিকে, প্রতিবছর স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে বিশেষ বরাদ্দ, এডিপি ও রাজস্ব প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিপর্যায়ে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়। যার অধিকাংশ নলকূপের প্ল্যাটফর্ম (চাতাল) নির্মাণ না করে বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।
দাশপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল হক বলেন, ‘২০২৪ সালে সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন করা হলেও এখন পর্যন্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেওয়া হয়নি। একাধিক বার বলার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কার্যালয়ের সাবেক এক কর্মচারী জানান, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর অধিকাংশ টিউবওয়েলে পাকা প্ল্যাটফর্ম (চাতাল) নির্মাণ না করে বরাদ্দের টাকা ঠিকাদারের সাথে সমঝোতা করে আত্মসাৎ করেন মাকসুদ। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপসহকারী প্রকৌশলী মাকসুদুর রহমানের দপ্তরে গেলে তিনি বলেন, ‘নিউজ করার দরকার নেই, তথ্যও নেওয়ার দরকার নেই। আমি এমনিতেই চলে যাব।’ এরপর আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি তিনি এবং ব্যস্ততার অজুহাতে কথা বলা বন্ধ করে দেন।
বিষয়টি পটুয়াখালী জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ৭ মাস আগে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। পরে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে তা স্থগিত করা হয়। যেহেতু তিনি ৫ বছরেরও বেশি সময় একই কর্মস্থলে রয়েছেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, গভীর নলকূপের বিষয়ে বাউফল নিয়ে প্রায় অভিযোগ আসে। বর্তমানে অভিযোগ অনেকটা কমেছে। যে কারণে ফাইন বিল চূড়ান্ত করার আগে আমি কিছু টিউবওয়েল চেক করিয়ে নেই। আবার যারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, তাদের টিউবওয়েলের প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে যদি কোনো অভিযোগ আসে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, বৃষ্টির মধ্যে নির্মাণ কাজ করার যে ভিডিও গণমাধ্যমে এসেছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যদি কাজে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তবে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ