শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ পি.এম
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আগামী সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সম্মানে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান উপস্থিত থাকবেন, শুক্রবার এক মার্কিন কর্মকর্তার মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ‘এটি খুবই জনপ্রিয় এবং কাক্সিক্ষত একটি অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে।’
নৈশভোজে আরও উপস্থিত থাকবেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, স্পেসএক্স ও টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক, অ্যাপলের প্রধান টিম কুক এবং গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই।
প্রযুক্তি খাতের এসব শীর্ষ ব্যক্তির উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, সি চিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এআই প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় বিশ্বের দুই প্রধান শক্তি।
যুক্তরাষ্ট্রে এআই নিয়ে আলোচনার বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে উদ্বেগ যে, দেশটির শীর্ষ এআই প্রতিষ্ঠান—ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক, গুগল ও মেটা—উদ্ভাবনের গতি কমাতে পারবে না। কারণ, তারা আশঙ্কা করছে, যুক্তরাষ্ট্র ধীরগতির হলে চীন প্রযুক্তিগত দৌড়ে এগিয়ে যেতে পারে।
একসময় অত্যাধুনিক এআই প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় পিছিয়ে থাকা চীন দ্রুত সেই ব্যবধান কমিয়ে আনছে।
চীনের এআই অগ্রগতি ধীর করতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উন্নত প্রযুক্তির চিপ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। ওয়াশিংটন এনভিডিয়ার তৈরি উন্নত চিপের ক্ষেত্রে চীনের প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে, যা অত্যাধুনিক এআই ব্যবস্থা তৈরিতে প্রয়োজনীয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সেমিকন্ডাক্টরের জন্য অপরিহার্য।
যত দ্রুত সম্ভব এগিয়ে যেতে হবে
দুই দেশের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা সত্ত্বেও, সি জিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে বৈঠকে প্রযুক্তি বিষয়ে অন্তত একটি বিষয়ে দুই পরাশক্তি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে—এমন আশা এখনো রয়েছে।
তবে এআই উন্নয়নের গতি কমানো বা বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা বিধি তৈরির মতো বড় কোনো উদ্যোগে দুই দেশ একমত হতে পারবে—এমন সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে।
এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় নিরাপত্তা বিধি তৈরির দাবি প্রযুক্তি খাতের ভেতর থেকেই আসা বিভিন্ন সতর্কবার্তার কারণে জোরালো হয়েছে।
অ্যানথ্রপিকের সাবেক এআই গবেষক জ্যাকব কক্সন সম্প্রতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি যারা তৈরি করছেন, তাদের কেউ কেউ সত্যিই বিশ্বাস করেন যে, এই দশকের শেষ নাগাদ এআই মানবজাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠতে পারে, এমনকি সবাইকে ধ্বংসও করতে পারে।
এরপর অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করে এআই উন্নয়নে সতর্কতা এবং গতি কমানোর আহ্বান জানান।
স্যাম অল্টম্যান ও ইলন মাস্কও এই ধারণার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। গুগল ডিপমাইন্ডের প্রধান ডেমিস হাসাবিসও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি এআই প্রযুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে এআই নিয়ে নিরাপত্তার আশঙ্কাকে ‘ভিত্তিহীন প্রচারণা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি চীনের চেয়ে এগিয়ে থাকতে মার্কিন এআই কোম্পানিগুলোকে উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের বক্তব্যও অনেকটা একই ধরনের।
শুক্রবার সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের প্রকাশিত অংশে হুয়াং বলেন, ‘অন্যরা কী করছে তা বিবেচনা না করেই আমাদের যত দ্রুত সম্ভব এগিয়ে যাওয়া উচিত।’
তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, এনভিডিয়া কখনোই প্রস্তুত হওয়ার আগে কোনো পণ্য বাজারে ছাড়বে না বা অনিরাপদ কোনো পণ্য সরবরাহ করবে না।
হুয়াং বলেন, ‘আমরা যত দ্রুত সম্ভব এগোব। কিন্তু কোনো পণ্য প্রস্তুত হওয়ার আগে তা বাজারে ছাড়ব না এবং অনিরাপদ পণ্যও সরবরাহ করব না। কেউই আমাদের কাছে তা আশা করছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে সবাই আশা করছে, আমরা সফল হব এবং আমেরিকাকে যতটা সম্ভব সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করব।’
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের নীতিনির্ধারকেরা এআইয়ের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকির পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ঝুঁকিগুলোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে ডিপফেক, শিশুদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়।
তবে চীনের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান চলতি সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছেন, এআই প্রযুক্তি দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"কোনো দলীয় দাবি নিয়ে আমরা রাস্তায় নামিনি, আমরা কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি। জনগণের ভোটাধিকার ও তাদের রায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জনগণের এই ৮ দফা যেকোনো সময় ১ দফায় পরিণত হতে পারে" বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের জন্যই তারা এই কর্মসূচিতে নেমেছেন এবং সরকারের উচিত জনগণের এসব দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া। উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন? ইনশাআল্লাহ দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব।"
গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি এ এস এম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় জামায়াত আমির আরও বলেন, "জনগণের ঘরে ঘরে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া, শিল্পের চাকা সচল রাখা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পানির সংকট দূর করা, রাস্তাঘাট, হাটবাজার, ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি বন্ধ, দুর্নীতিমুক্ত দেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিতেই তাদের এই লংমার্চ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বহন করা ৬৩ হাজার কেজি সিমেন্টসহ দুটি বোট জব্দ করেছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও বাঁশখালী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য প্রকাশ করেন।
কোস্ট গার্ডের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পতেঙ্গা থানাধীন বহিঃনোঙ্গর এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা। সন্দেহজনক একটি কার্গো বোটে তল্লাশি চালিয়ে ৭৫০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ করা হয়, যার মোট ওজন ৩৭ হাজার ৫০০ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। একই সময়ে বোটটি জব্দ করা হয় এবং দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়।
এর কয়েক ঘণ্টা পর, শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে বাঁশখালী থানাধীন বাংলা বাজার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী অভিযান চালায়। একটি সন্দেহজনক ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৫১০ বস্তা সিমেন্ট পাওয়া যায়, যার মোট ওজন ২৫ হাজার ৫০০ কেজি এবং আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা। তবে অভিযানের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে উদ্ধার হওয়া সিমেন্টের মোট পরিমাণ ১ হাজার ২৬০ বস্তা। এসব সিমেন্ট মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
এদিকে, কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত দিয়েও সার, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পণ্য পাচারের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক প্রবাহিত হচ্ছে।
সম্প্রতি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের চিতাখোলা এলাকা থেকে ১০০ বস্তা এবং স্টেশন এলাকা থেকে আরও ২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ ও স্থানীয়দের উদ্যোগে এসব সার উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে। এর আগে সীমান্ত এলাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া একটি ট্রাক সার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত দিয়ে কৃষি উপকরণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচার অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহব্যবস্থায় বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। পাশাপাশি, এসব পণ্য পাচারের আড়ালে মাদক পাচারের নেটওয়ার্ক আরও সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ অবস্থায় উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তের স্থল ও নৌপথে নজরদারি বাড়ানো, সন্দেহজনক ঘাটগুলোতে নিয়মিত অভিযান এবং সার-সিমেন্টসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের শুরুতেই মাঠের বাইরের ঘটনার নাটকীয়তা অব্যাহত রয়েছে। উদ্বোধনী দিনে (শনিবার) বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল একটি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। আয়োজকদের অনুরোধে সকাল ৯টায় চীন নারী দলের বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নির্ধারিত সময়ে মাঠে উপস্থিত হয় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। তবে, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকা সত্ত্বেও, চীনের মেয়েরা মাঠে আসেনি।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফাইয়াজ আহমেদ ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, সকাল ৯টার প্রীতি ম্যাচের জন্য তাদের টিম সাড়ে ৭টায় মাঠে পৌঁছায়। কিন্তু মাঠে যাওয়ার পর কিউরেটর জানান যে খেলা হবে না এবং কিছুক্ষণ পর জানা যায় চীন দল খেলতে আসছে না। প্রতিপক্ষের অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ দল পরবর্তী সময়ে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেমিফাইনালের জন্য নিজেদের অনুশীলন সম্পন্ন করে।
চীনের এই হঠাৎ অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ চরম বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার (ওসিএ) বিশেষ অনুরোধে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ এই প্রীতি ম্যাচে রাজি হয়েছিল। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর চীনের মাঠে না আসার বিষয়টি ওসিএকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
চীনের আচরণের পেছনের কারণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা না গেলেও, ইমরোজ আহমেদ অনুমান করেন যে চীন দল হয়তো একটি পূর্ণাঙ্গ আনুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল, কিন্তু বাংলাদেশ কেবল প্রীতি ম্যাচে সম্মতি দেয়। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের দায়িত্বে থাকা মধ্যস্থতাকারীরা হয়তো বিষয়টি চীনকে সঠিকভাবে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এদিকে, উল্লেখ্য যে এর আগে এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ ও চীনের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে মাঠ ভেজা থাকায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। পরবর্তীতে আইসিসি র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, ১১ দলের লং মার্চে কোনো বাধা নেই, তবুও জাতি সাড়া দিচ্ছে না।
তিনি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এই কথা বলেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জামায়াতের আমির গত লং মার্চে বলেছিলেন, জাতির প্রয়োজনে ৬ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! আজকের লং মার্চে তিনি বললেন, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা ১ দফায় পরিণত হতে পারে! কিন্তু জাতি কি জানে তার প্রয়োজনে কখন ৬ দফা ৮ দফায় পরিণত হলো? যে নেতা দাবিদাওয়া ঠিক করতে পারেন না, সেই নেতা শুধু জামায়াতি জাতির নেতা হতে পারেন, সমগ্র জাতির নেতা হতে পারেন না!’
আরো পড়ুন
পাকিস্তানে পুলিশ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত বেড়ে ৩১।
তিনি আরও লেখেন, ‘লং মার্চে জনগণ কেমন সাড়া দেবে, সেটি ছুটির দিনে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত কর্মসূচিতে থেকে মোটামুটি বোঝা গেছে! সেখানে নেতাকর্মীদের তুলনায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি মনে হয়েছে! কোনো বাধা নেই, তার পরও জাতি সাড়াশব্দ করছে না! এই পেছনের কারণ কি এনসিপি কখনো অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছে?’
রাশেদ খান আরও বলেন, ‘দেখেন, এ জাতি ভুলে নাই যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, জামায়াতের নেতৃত্বকে এই দেশের জনগণ কখনোই গ্রহণ করবে না! কিন্তু নাহিদ ইসলাম যেদিন জামায়াতের আমিরের নেতৃত্বকে গ্রহণ করলেন, সেদিন থেকে দুই নেতার কোনো নেতার আহ্বানে জাতি আর সাড়া দিচ্ছে না!’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ