ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজবাড়ীতে পিয়ারুল সরদার নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা


রাজবাড়ীতে পিয়ারুল সরদার নামে  এক যুবককে গুলি করে হত্যা
 
 
রাজবাড়ীতে পিয়ারুল সরদার (২৮) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজবাড়ী শহরের স্বজ্জনকান্দা মধ্যপাড়া মসজিদসংলগ্ন রাজনের দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পিয়ারুল সরদার রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বড় মুরারিপুর গ্রামের হারুন সরদারের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সা‌ড়ে ৭টা‌র দি‌কে পিয়ারুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বুকে দুটি গুলির ক্ষত ছিল।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ডা. অনিক কুমার মণ্ডল বলেন, রাত ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে গুলিবিদ্ধ পিয়ারুলকে হাসপাতালে আনা হয়। দ্রুত ইসিজি করার পর দেখা যায়, তিনি মারা গেছেন। এ অবস্থায় তাঁর স্বজনেরা তাঁকে ফরিদপুরে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
পুলিশ জানায়, পিয়ারুল সরদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৩টি মামলা রয়েছে। একাধিকবার তিনি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল কাজ করছে। পিয়ারুলের বিরুদ্ধে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় হত্যার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে পুলিশি তদন্ত চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জের ছাতকে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, কৃষকের মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ছাতক, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৮ পি.এম


সুনামগঞ্জের ছাতকে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, কৃষকের মুখে হাসি

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও মাঠপর্যায়ে ধানের ভালো অবস্থা বজায় থাকলে চলতি মৌসুমে আমনের ভালো ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠজুড়ে সবুজ ও সোনালি ধানের সমারোহ ঘিরে কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আশার সঞ্চার।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ধান ঘরে তোলার স্বপ্ন নিয়ে তাঁরা ফসলের পরিচর্যা, জমিতে সার প্রয়োগ এবং পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে নজর রাখছেন। কৃষকদের প্রত্যাশা, উৎপাদন ভালো হলে পরিবারের খাদ্যের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে ধান বিক্রি করে আর্থিকভাবেও লাভবান হতে পারবেন তাঁরা।

তবে ভালো ফলন পেলেই কৃষকের মুখে হাসি স্থায়ী হবে না—ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাও জরুরি। সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরিসহ উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে কৃষকের লাভ কমে যেতে পারে। তাই ধান কাটার মৌসুমে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার দাবি গুরুত্বপূর্ণ।

কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, জমির পরিচর্যা ও স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে এসআরবি, ১৬৭ পূজামণ্ডপে জোরদার নিরাপত্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


শেরপুরে নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে এসআরবি, ১৬৭ পূজামণ্ডপে জোরদার নিরাপত্তা

নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে স্পেশাল র‍্যাপিড ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শেরপুর জেলার ১৬৭টি পূজামণ্ডপে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি টহল জোরদার করেছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শেরপুর শহরের গোপালবাড়ি শ্রী শ্রী গোপাল জিউর মন্দির চত্বরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১৪ (ময়মনসিংহ)-এর অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাসুদ রানা। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, নেত্রকোনার সাংবাদিক হত্যা মামলার মূল অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ঘটনার নেপথ্য কারণ উদ্‌ঘাটনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের সদস্যরা।

এছাড়া শেরপুর জেলায় পূজামণ্ডপগুলোতে যাতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপিত হতে পারে, সেজন্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি-এর টিম মাঠে তৎপর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে প্রথমবার শনাক্ত হলো নতুন প্রজাতির ঝিঁঝিঁ পোকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকৃবি প্রতিনিধি

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


বাংলাদেশে প্রথমবার শনাক্ত হলো নতুন প্রজাতির ঝিঁঝিঁ পোকা
 
 
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘ডান্ডুবিয়া অ্যানানডালেই বুলার্ড’ নামের সিকাডা বা ঝিঁঝিঁ পোকার একটি প্রজাতির উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন বাংলাদেশ, চীন ও ভারতের গবেষকেরা। মাঠপর্যায়ে নমুনা সংগ্রহ, গঠনগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ ও পরিবেশগত তথ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রজাতিটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
 
গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান এবং চীনের নর্থওয়েস্ট এ অ্যান্ড এফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কং ওয়েই। মাঠপর্যায়ে তথ্য ও নমুনা সংগ্রহ এবং পোকা শনাক্তকরণে সরাসরি যুক্ত ছিলেন ভারতীয় গবেষক বাবু সাদ্দাম ও বাকৃবির স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী শাহমত জাওয়াদ। গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ‘ইনসেক্টস’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
 
গবেষণার জন্য ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঠ জরিপ চালিয়ে মোট ৬৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এসব নমুনা বাকৃবির কীটতত্ত্ব বিভাগের জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একটি রাস্তার বাতির নিচ থেকে একটি স্ত্রী ঝিঁঝিঁ পোকার নমুনাও সংগ্রহ করা হয়।
 
জরিপে আম, লিচু, ড্রাগন ফল, পেয়ারা, আনারস, কলা, কাঁঠাল, লেবু ও কমলাসহ বিভিন্ন ফলের বাগানে প্রজাতিটির উপস্থিতি পাওয়া যায়। পাশাপাশি শাল, বাঁশ, সেগুন, জারুলসহ বিভিন্ন গাছ ও ঝোপঝাড়ে পূর্ণবয়স্ক ঝিঁঝিঁ পোকা এবং এদের পরিত্যক্ত খোলস শনাক্ত করেন গবেষকেরা।
 
গঠনগত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘ডান্ডুবিয়া অ্যানানডালেই’ সাধারণত ঘাসের মতো সবুজ রঙের হয়ে থাকে। জীবিত অবস্থায় সবুজ থাকলেও শুকিয়ে গেলে এটি বাদামি রং ধারণ করে। বাহ্যিকভাবে ‘ডান্ডুবিয়া টার্পসিকোর’ প্রজাতির সঙ্গে সাদৃশ্য থাকলেও পুরুষ পোকার দেহের বিশেষ গঠন প্রজাতিটি শনাক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
 
এর আগে বাংলাদেশে ‘ডান্ডুবিয়া’ গণের কেবল ‘ডান্ডুবিয়া এনসিফেরা’ প্রজাতির উপস্থিতি নথিভুক্ত ছিল। এবার ‘ডান্ডুবিয়া অ্যানানডালেই’ শনাক্ত হওয়ায় দেশের ঝিঁঝিঁ পোকার বৈচিত্র্যের তালিকায় যুক্ত হলো আরও একটি প্রজাতি।
 
ঝিঁঝিঁ পোকাটির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিস্তৃতি নির্ণয়ে ‘ম্যাক্সএন্ট’ নামের প্রজাতির বিস্তৃতি নির্ধারণকারী মডেল ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান। এতে সংগৃহীত উপস্থিতির তথ্যের পাশাপাশি বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, ভূমির উচ্চতা ও অন্যান্য পরিবেশগত উপাদান বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য উপযোগী আবাসস্থল চিহ্নিত করা হয়েছে।
 
ফলাফলে দেখা গেছে, প্রজাতিটির বিস্তৃতিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে বৃষ্টিপাত। বিশেষত বছরের উষ্ণ সময়ে বৃষ্টিপাতের তারতম্য এর বসবাসের উপযোগী এলাকার পরিবর্তন ঘটাতে পারে। এ ছাড়া ভূমির উচ্চতা ও তাপমাত্রাও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
 
গবেষকদের হিসাবে, বর্তমানে গবেষণার আওতাভুক্ত প্রায় ৮ লাখ ৬১ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্রজাতিটির বসবাসের উপযোগী। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখ বর্গকিলোমিটার অত্যন্ত উপযোগী এবং ১ লাখ ৭৯ হাজার বর্গকিলোমিটার মাঝারি উপযোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
 
জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা তুলনামূলক কম বাড়লে ২০৬০ সালের মধ্যে প্রজাতিটির উপযোগী আবাসস্থল প্রায় ১৭ লাখ ৫২ হাজার বর্গকিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। শতাব্দীর শেষ নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে প্রায় ১৯ লাখ ৪০ হাজার বর্গকিলোমিটারে।
 
অন্যদিকে, বৈশ্বিক উষ্ণতা অনেক বেশি বাড়লে শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে উপযোগী আবাসস্থল সাময়িকভাবে সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে তা দ্রুত সম্প্রসারিত হয়ে ২১০০ সালের মধ্যে প্রায় ২৬ লাখ ৩০ হাজার বর্গকিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে।
 
গবেষকেরা বলছেন, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে পোকামাকড়ের ভৌগোলিক বিস্তৃতিও বদলে যেতে পারে। তবে 'ম্যাক্সএন্ট’ মডেলে দেখানো আবাসস্থলের সম্প্রসারণ সম্ভাব্য পরিবেশগত উপযোগিতার পূর্বাভাসমাত্র। এটি বাস্তবে ঝিঁঝিঁ পোকার বিস্তার কিংবা কৃষিতে ক্ষয়ক্ষতির নিশ্চিত চিত্র নয়।
 
ঝিঁঝিঁ পোকা অপরিণত অবস্থায় মূলত উদ্ভিদের জাইলেম বা পানি ও খনিজ পদার্থ পরিবহনকারী কলার রস গ্রহণ করে। বিভিন্ন প্রজাতির ঝিঁঝিঁ পোকা গাছ ও ফসলের ক্ষতি করতে সক্ষম হলেও বাংলাদেশে নতুন শনাক্ত ‘ডান্ডুবিয়া অ্যানানডালেই’ কৃষিতে বর্তমানে কী মাত্রায় প্রভাব ফেলছে, তা এ গবেষণায় নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে সম্ভাব্য আবাসস্থল বাড়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা নিশ্চিতভাবে প্রকাশ করার সুযোগ নেই।
 
এ বিষয়ে বাকৃবির কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান বলেন, দেশের বিভিন্ন ফলের বাগানে ঝিঁঝিঁ পোকার উপস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে আম পরিপক্ব হওয়ার সময় গাছের আশপাশে এদের প্রজননকালীন তীব্র শব্দ শোনা যায়। এর মাধ্যমে আমবাগানে ঝিঁঝিঁ পোকার উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
 
তিনি জানান, দেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন ফলের চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ম্যাক্সএন্ট মডেল অনুযায়ী এসব অঞ্চলের কিছু এলাকা ঝিঁঝিঁ পোকার সম্ভাব্য বিস্তৃতির আওতায় রয়েছে। তবে সেখানকার বাণিজ্যিক ফলবাগানে পোকাটি কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে উদ্যানতাত্ত্বিক ফসলের উৎপাদন ও গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা হয়নি।
 
অধ্যাপক মঞ্জুর খান বলেন, শুধু নতুন প্রজাতির উপস্থিতি শনাক্ত করাই যথেষ্ট নয়। এর বিস্তৃতি, জীবনচক্র, খাদ্যাভ্যাস ও কৃষিতে সম্ভাব্য ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ করাও জরুরি। পোকাটি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর প্রমাণিত হলে কার্যকর ব্যবস্থাপনা কৌশল উদ্ভাবন করতে হবে।
 
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য কৃষিঝুঁকি মূল্যায়নে দীর্ঘমেয়াদি মাঠপর্যায়ের গবেষণা অপরিহার্য। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলের বাণিজ্যিক ফলবাগানে প্রজাতিটির উপস্থিতি, ক্ষতির মাত্রা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নির্ধারণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন।
 
গবেষকদের মতে, সরকারি কিংবা বেসরকারি পর্যাপ্ত গবেষণা সহায়তা পেলে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রজাতিটির পরিবেশগত বিস্তৃতি এবং কৃষিতে প্রকৃত প্রভাব সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যতে কোনো অর্থনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি চিহ্নিত হলে সময়োপযোগী ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে রিসোর্টের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৬ জনে দাঁড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


কক্সবাজারে রিসোর্টের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৬ জনে দাঁড়াল

কক্সবাজারের ইনানী এলাকায় একটি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ফলে মৃতের সংখ্যা ছয়জনে পৌঁছেছে। এই ঘটনায় রিসোর্টটি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে এবং পর্যটকসহ আরও ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার কিছু পরে উখিয়া উপজেলার মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭) এবং চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) ও ফায়িজান আহম্মেদ (৫)।

আহতদের মধ্যে কয়েকজন হলেন মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০), সামিদা (৩২), নাফিজা নওয়ার খান (২৯) ও সাহাবুদ্দিন (৩১)।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার পর সকাল ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কাজ শুরু করে এবং প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বর্তমানে সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনার পর রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পালিয়ে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলা দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, দ্বীপ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য একটি প্রধান পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক এখানে ভ্রমণে আসেন। সম্প্রতি কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড় বৃদ্ধি পেয়েছে। আসন্ন পূজার পাঁচ দিনের ছুটিতে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%