ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘বেশি আন্তরিক’ হয়েছে: ট্রাম্প


ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘বেশি আন্তরিক’ হয়েছে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত নিরসনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ জুলাই) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।

টানা ১৩তম রাতের মতো ইরানে মার্কিন হামলার পর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আমার মনে হয়, দিন যত যাচ্ছে তারা ততই বেশি আন্তরিক হয়ে উঠছে—সম্ভবত কিছু স্পষ্ট কারণে।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার মনে হয়, এ পর্যন্ত আমরা তাদের যেভাবে দেখেছি, বর্তমানে তারা সবচেয়ে বেশি আন্তরিক। তবে এর অর্থ এই নয় যে আমরা অবশ্যই একটি চুক্তিতে পৌঁছাব।’

আরও পড়ুন: মার্কিন নির্বাচনে নাগরিকত্ব ছাড়াই ভোট দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কারা এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, ‘মোটামুটি সবাই। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও আলোচনায় যুক্ত রয়েছেন।’

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করার কোনো তাড়াহুড়ো নেই বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের এটি সঠিকভাবে করতে হবে।’

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে একাধিক কৌশল রয়েছে বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে অনেকগুলো বিকল্প পথ খোলা আছে।’

সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা কী—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একটি হলো সামরিক পথ, যেখানে আমরা এখন অভিযান চালিয়ে যেতে পারি। চাইলে হামলার মাত্রা আরও বাড়াতে পারি, যা সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছে।’

আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে

তবে সামরিক পথের পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের কথাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি জানালেন, ‘আরেকটি আরও বুদ্ধিমান কৌশল আছে, সেটি হলো একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। ইরানও একটি চুক্তি করতে চায়। আমার মনে হয়, তারা এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। তবে তারা চুক্তি করতে চায়।’

এদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়েও আলোকপাত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক না করলে সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি এগিয়ে নেয়া হবে না। তার ভাষায়, আব্রাহাম চুক্তির আওতায় রিয়াদের ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনই হবে সেই সহযোগিতার পূর্বশর্ত।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, বর্তমান সংকট নিরসনে কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন নেই। বরং যুক্তরাষ্ট্রকেই নীতি পরিবর্তন করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরান কোনো চাপ বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না। আরাঘচির দাবি, ইরানের জনগণের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তেহরান তার অবস্থান থেকে সরে আসবে না।

দুই পক্ষের এমন অবস্থানের মধ্যে হরমুজ প্রণালির কাছে ৩০ নাবিক বহনকারী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার খবর সামনে এসেছে। উন্মুক্ত সামুদ্রিক রেডিও যোগাযোগে শোনা যায়, একটি জাহাজকে ইরানের জলসীমার দিকে অগ্রসর না হওয়ার সতর্কবার্তা দেয়া হচ্ছে এবং ইঞ্জিন কক্ষে হামলার হুমকিও দেয়া হয়। কিছুক্ষণ পর ‘দিশা’ নামের জাহাজটি জরুরি বার্তায় জানায়, অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাহাজে থাকা ৩০ নাবিককে উদ্ধারে অবিলম্বে সহায়তা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

অপরদিকে, ইয়েমেনের হুতি-নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম আল মাসিরাহ দাবি করেছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরনগরী হোদেইদায় সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়েছে। এর আগে, হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে এবং দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দায় স্বীকার করে। জাতিসংঘ এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং সামুদ্রিক চলাচলের ওপর নতুন হুমকি পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়াবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে নামাজ। পঞ্চস্তম্ভের তালিকার মধ্যে এটি হলো দ্বিতীয় স্তম্ভ। এই জন্য নামাজ নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার (২৫ জুলাই) ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চলের জন্য নামাজের সময়সূচি নিচে উল্লেখ করা হলো-

জোহর- ১২:০৬ মিনিট।

আসর- ০৪:৪৪ মিনিট।

মাগরিব- ০৬:৪৮ মিনিট।

এশা- ০৮:১২ মিনিট।

উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে। সেগুলো হলো-

যোগ করতে হবে:

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুতি নিয়ন্ত্রিত হোদাইদায় সৌদি আরবের বিমান হামলা, পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ এম


হুতি নিয়ন্ত্রিত হোদাইদায় সৌদি আরবের বিমান হামলা, পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি

ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের নিয়ন্ত্রিত বন্দরনগরী হোদাইদায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ হামলা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) গভীর রাতে এক বিবৃতিতে হুতিদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘হোদাইদাকে লক্ষ্য করে সৌদি আরব ভবিষ্যতে সংঘাতকে আরও উত্তেজনা' নীতিকেই বেছে নিয়েছে।’

এ হামলার পাল্টা জবাব দেয়ার ইঙ্গিত দেওয়ার মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, হামলার জন্য রিয়াদকে একটি চড়া মূল্য দিতে হবে।

হুতি-সংশ্লিষ্ট আল মাসিরাহ টিভি জানিয়েছে, সৌদি আরবের হামলায় হোদাইদার টেলিযোগাযোগ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া কামারান দ্বীপেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। সংবাদমাধ্যমটি সেখানে অন্তত একজন নারী আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে।

হোদাইদা বন্দর হুতি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে বাণিজ্যিক ও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর প্রধান প্রবেশদ্বার। এই বন্দরটিকে ওই অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য হুতিদের দায়ী করেছেন। তিনি লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হুতিদের হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত ও বেপরোয়া’ বলে উল্লেখ করেছেন।

আল-মালিকি বলেন, জোট প্রয়োজনীয় সকল সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। হুতিরা যদি তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়, তাহলে ‘কোনো দ্বিধা ছাড়াই’ জবাব দেয়া হবে।

এর আগে বুধবার হুতিরা দাবি করে, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লোহিত সাগরে কয়েকটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে এবং তাদের দাবি, অন্তত একটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা জানায়, জাহাজগুলো দুই দিন আগে ঘোষিত নৌ অবরোধ ভঙ্গ করেছিল।

২০ জুলাই হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি, সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক সপ্তাহ আগে চালানো হামলার জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ওই হামলার জন্য তারা সৌদি আরবকে দায়ী করলেও, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এর দায় স্বীকার করে জানায়, অনুমতি ছাড়াই একটি ইরানি বিমান অবতরণের কারণে বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরল খনিজ উত্তোলনে সমুদ্রের ৬ কিলোমিটার গভীরে পরীক্ষামূলক উদ্যোগ জাপানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ এম


বিরল খনিজ উত্তোলনে সমুদ্রের ৬ কিলোমিটার গভীরে পরীক্ষামূলক উদ্যোগ জাপানের

আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপসংলগ্ন সমুদ্রতল থেকে বিরল খনিজ (রেয়ার আর্থ) উত্তোলনের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান।

দ্বারা দেশের এটি শুক্রবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর পূর্বে সমুদ্রের ছয় কিলোমিটার গভীর থেকে নমুনা সফলভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে।

জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও অনেক দেশ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শুরু করে বায়ু টারবাইনসহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তির পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত মূল্যবান এসব খনিজের ক্ষেত্রে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, চলতি বছরের শুরুতে গভীর সমুদ্রে খননকারী জাহাজ মিনামি তোরিশিমা দ্বীপের কাছে প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। এই নমুনা সংগ্রহের ফলে ইট্রিয়ামের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

এক্সে মেসেজে তাকাইচি বলেন, ‘ইট্রিয়াম বিশ্বে বিরল। এটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন যন্ত্রের প্রলেপ তৈরির উপাদান, নির্গমন গ্যাসের ক্ষতিকর নাইট্রোজেন অক্সাইড পরিশোধনের অনুঘটক এবং সেমিকন্ডাক্টর ও মোটরগাড়ি শিল্পে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি আমাদের দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজ।’

তাকাইচি আরও বলেন, ‘এই সাফল্যের ভিত্তিতে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ খনিজ উত্তোলন পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো নির্দিষ্ট দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হতে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে সরবরাহ ব্যবস্থার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে কাজ করব।’

জাপান এজেন্সি ফর মেরিন-আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (জ্যামস্টেক) জানায়, সমুদ্রতল থেকে উত্তোলন করা ৫০ টন উপাদানে আরও দুটি বিরল খনিজ মৌল-গ্যাডোলিনিয়াম ও ডিসপ্রোসিয়ামের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

গত মার্চে, তাকাইচি বলেছিলেন, টোকিও থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরে প্রবালঘেরা মিনামি তোরিশিমা, যা মিনামিটোরিশিমা নামেও পরিচিত, তার আশপাশে খনিজ উত্তোলনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।

আগের বেশ কিছু গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে যে, ওই এলাকার সমুদ্রতলে কয়েক মিলিয়ন টন বিরল খনিজ থাকতে পারে। যা কয়েক শত বছর ধরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।

তবে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলেছে যে, গভীর সমুদ্রে খনিজ উত্তোলন সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিরল খনিজ উত্তোলনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এবং পরিশোধিত বিরল খনিজ উৎপাদনের ৯২ শতাংশই চীনের দখলে রয়েছে।

গত নভেম্বরে তাইওয়ান ইস্যুতে তাকাইচির মন্তব্যের কারণে বেইজিংয়ের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর জাপান এ খনিজের সরবরাহে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে চীন।

মার্চে কর্মকর্তারা জানান, বেসামরিক লোকজনের বসবাস ও পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ মিনামি তোরিশিমা দ্বীপকে পারমাণবিক বর্জ্য সংরক্ষণের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে একটি প্রাথমিকভাবে জরিপ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুতিদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১১ এম


হুতিদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইরান

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের কাছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার, সামরিক উপদেষ্টা, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন–সংক্রান্ত সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ইরান। গত ১৩ জুলাই তেহরান থেকে ‘মাহান এয়ার’-এর একটি বিশেষ ফ্লাইটে এসব সামরিক সরঞ্জাম ও আইআরজিসি সদস্যরা ইয়েমেনে পৌঁছান।

এ বিষয়ে সরাসরি জানাশোনা আছে এমন চারটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রগুলোর মধ্যে দু’জন ইরানি কর্মকর্তা, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের তথ্যমন্ত্রী এবং একজন আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক রয়েছেন। তাদের ভাষ্যমতে, লোহিত সাগরে হুতিদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতেই তেহরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ইরান তার মিত্র হুতিদের এমনভাবে শক্তিশালী করতে চাইছে, যাতে তারা লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথে আরো কার্যকরভাবে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ইরানের দু’জন কর্মকর্তা জানান, বিমানটিতে ১০ থেকে ২১ জন আইআরজিসি সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ কমান্ডাররাও ছিলেন। বিমানটির মূল গন্তব্য ছিল হুতিনিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানা। কিন্তু সৌদি–সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের হামলায় সানা বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লাইটটির পথ পরিবর্তন করে হুতিনিয়ন্ত্রিত হোদেইদা বন্দরে অবতরণ করানো হয়।

একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনা বিষয়ে হুতিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তাদের সামরিক অভিযানে সহায়তা করাই এই কমান্ডারদের মূল উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে হুতিদের কার্যক্রমে অর্থায়নের জন্য উড়োজাহাজটিতে করে স্বর্ণও পাঠানো হয়েছে বলে ওই সূত্র দাবি করেছে।

এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই হুতিদের সামরিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন ওই বিমানের যাত্রী ও হুতিদের সংবাদমাধ্যম–বিষয়ক কর্মকর্তা আবদেল রহমান আল-আহনোমি। সামরিক বিশেষজ্ঞ পাঠানোর তথ্যকে ‘মিথ্যা ও মনগড়া’ দাবি করে তিনি বলেন, বিমানটিতে শুধু বেসামরিক যাত্রীরাই ছিলেন। হুতিরা বরাবরই ইরানের ‘প্রক্সি’ বা ছায়া বাহিনী হিসেবে কাজ করার কথা অস্বীকার করে দাবি করে আসছে, তারা নিজেরাই নিজেদের অস্ত্র তৈরি করে।

অন্যদিকে, ইয়েমেনের সৌদি–সমর্থিত সরকারের তথ্যমন্ত্রী মুয়াম্মার আল-ইরিয়ানি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী আইআরজিসির সদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম ইয়েমেনে আনা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হুতিদের সামরিক শক্তি বাড়ানো এবং লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ নিরাপত্তার জন্য সংকট তৈরি করা।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক মুজাহেম আলসালুম জানান, বিমানটিতে স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের যন্ত্রাংশ ছিল। এসব সরঞ্জাম এর আগেও সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।

ফ্লাইটটি ইয়েমেনে পৌঁছানোর তিন দিন পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালায়। এর জবাবে লোহিত সাগরের তেল পরিবহন পথ বন্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হুতিদের প্রতি আহ্বান জানায় তেহরান। এরপরই গত সোমবার হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেয়। ১৩ জুলাই সানা বিমানবন্দরে সৌদি–সমর্থিত বাহিনীর হামলার জবাবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে হুতিদের দাবি।

গত বৃহস্পতিবার হুতিরা আরো দাবি করে, তারা সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় লোহিত সাগরের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ নিয়ে নতুন করে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে হুতিরা সানা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, এর মাধ্যমে ইয়েমেনের ওপর আরোপিত সৌদি অবরোধের প্রভাব কমানো সম্ভব হবে।

এদিকে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া হুতি প্রতিনিধিদল এবং তেহরানে চিকিৎসা নেওয়া ইয়েমেনি নাগরিকদের ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল ১৩ জুলাইয়ের ফ্লাইটটির একমাত্র উদ্দেশ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%