মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫৫ এম
পাকিস্তানে আবারও পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি করেছে সরকার। প্রতি লিটার পেট্রলের মূল্য ১ দশমিক ৫৪ রুপি এবং ডিজেলের মূল্য ২ দশমিক ১৬ রুপি বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন দাম মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
এএনআই নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন দামের ভিত্তিতে, প্রতি লিটার পেট্রল বিক্রি হচ্ছে ৩৭৯ দশমিক ২৫ রুপিতে। অন্যদিকে, প্রতি লিটার উচ্চগতির ডিজেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৫ দশমিক ৮২ রুপিতে। সরকার জ্বালানি তেলের ওপর উচ্চ হারে কর আদায় অব্যাহত রেখেছে। প্রতি লিটার পেট্রলে ১১৪ রুপি এবং ডিজেলে ১০০ রুপি শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে পাকিস্তানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি খরচ ও জ্বালানির ব্যবহার কমানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশটির সরকার।
ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন নির্দেশনায় দেশের সব বাণিজ্যিক বাজার রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। সরকারি ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে নেওয়া এসব সিদ্ধান্ত প্রাথমিকভাবে তিন মাস কার্যকর থাকবে।
গত কয়েক মাসে পাকিস্তানে পেট্রল ও ডিজেলের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। ডনের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আঞ্চলিক সংঘাত বাড়ার পর ডিজেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম আগে ২৮১ রুপি ছিল, কিন্তু ৩ এপ্রিল তা বেড়ে রেকর্ড ৫২০ দশমিক ৩৫ রুপিতে পৌঁছায়। পরে কয়েক দফায় দাম কমানো হয়।
একই সময়ে পেট্রলের দামও বেড়েছিল। মার্চের প্রথম সপ্তাহে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ছিল ২৬৬ রুপি। পরে তা বেড়ে সর্বোচ্চ ৪৫৮ দশমিক ৪১ রুপি পর্যন্ত পৌঁছায়। এরপর দাম কমলেও নতুন করে আবার বাড়ানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রমজান আসন্ন হওয়ায় দেশে ছোলার আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ছোলা এসেছে ১৭ হাজার ১৭৭ টন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ হাজার ৮০০ টন বেশি। যদিও আমদানি যথেষ্ট, তবুও পাইকারি ও খুচরা বাজারে ছোলার দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই-আগস্টে দেশে ছোলা আমদানি হয়েছিল এক হাজার ৩৮১ টন। এছাড়া, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রায় আড়াই লাখ টন ছোলা এসেছে। দেশে সাধারণ সময়ে মাসে ছোলার চাহিদা ১০ থেকে ১২ হাজার টন থাকে, কিন্তু রমজানে তা বেড়ে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টনে পৌঁছে যায়।
এমন আমদানির পরিস্থিতির মধ্যেও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে গত এক থেকে দুই মাসে ছোলার দাম কেজিতে ১৩ থেকে ২১ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বর্তমানে প্রতি মণ ছোলা বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৭০০ থেকে তিন হাজার ৭৫০ টাকায়, এবং কেজিপ্রতি দাম পড়ছে ৯৯ থেকে ১০১ টাকা। পূর্বে এ দাম ছিল ৮০ থেকে ৮৬ টাকা। খুচরা বাজারে ছোলা আগে ৮২ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং দর এবং পরিবহন খরচের বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছেন। চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ায় উৎপাদন কমার পূর্বাভাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার বুকিং দর প্রতি টনে ৮৫০ ডলারে পৌঁছেছে। দেশের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে।
এ বিষয়ে কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন মন্তব্য করেছেন, "অসাধু বাণিজ্য ঠেকাতে রমজানের অপেক্ষা না করে এখন থেকেই আমদানি, মজুদ ও সরবরাহব্যবস্থায় নজরদারি বাড়াতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ বর্তমানে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি একই এলাকায় অবস্থান করছে এবং আগামীকাল বুধবার ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। এই কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়ার ১০ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার দিবাগত রাত ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৮ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর অত্যন্ত বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত উপকূলের নিকটবর্তী থেকে সাবধানে চলাচল করার জন্য বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তনগর ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ সম্প্রসারণ করে কক্সবাজার পর্যন্ত চালু করা হয়েছে। নতুন রুটে ট্রেনটির নিয়মিত চলাচল সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত থেকে শুরু হয়েছে। ফলে বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সোমবার রাতে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মহানগর এক্সপ্রেসের বর্ধিত রুটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
বর্ধিত রুটে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কুমিল্লা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৭২১/৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। পথে রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছে ২০ মিনিট বিরতি শেষে রাত ৩টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করবে।
ফিরতি পথে ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। সেখানে ২০ মিনিট বিরতির পর দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীতে পৌঁছাবে।
ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ রোববার। এর বেইস স্টেশন নির্ধারণ করা হয়েছে কক্সবাজার। নতুন রুটে ট্রেনটিতে আধুনিক কোরিয়ান কোচও যুক্ত করা হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস নামে দুটি নন-স্টপ আন্তনগর ট্রেন চলাচল করছে। এই ট্রেন দুটি ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম ছাড়া মাঝপথের অন্যান্য স্টেশনে থামে না।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী প্রবাল এক্সপ্রেস ও সৈকত এক্সপ্রেস বিভিন্ন মধ্যবর্তী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। এ অবস্থায় মহানগর এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণের ফলে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী অঞ্চলের যাত্রীদের কক্সবাজার যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর থেকে রুট সম্প্রসারণের আদেশ কার্যকর হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ-জাপানের এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার সুযোগ এসেছে।’
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করেই আমাদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। শান্তিপ্রিয় দেশ জাপান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আমাদের স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দিকের দেশগুলোর অন্যতম। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম মূল্যবান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি ও আমি দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। এ আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি। জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), রেল ও অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়িয়ে আমাদের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে আমরা অভিন্ন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এই সফরে আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করতে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছি এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময় করেছি। আমাদের আলোচনার ফলাফল ও অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো একটি যৌথ বিবৃতিতে তুলে ধরা হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপানের অংশীদারত্ব কয়েক দশকের বন্ধুত্ব, আস্থা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আজ আমাদের সামনে এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। আমি জাপানের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিনিয়োগের সুযোগগুলো অনুসন্ধান করার এবং আমাদের উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ের অংশীদার হওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পারস্পরিক লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমরা জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আসুন, আমরা একসঙ্গে আমাদের দুই মহান দেশের জন্য আরও সহনশীল, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।’
এর আগে সোমবার স্থানীয় সময় সকালে টোকিওতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান। নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান জাপান সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সফরের প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদল। লীগের সভাপতি ও জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
এ দিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার প্রেসিডেন্টের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) সভাপতি ও মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যানও। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং উন্নত খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ