ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল


মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল

ঢাকা, ১৪ আগস্ট ২০২৬ : শেখ পারভেজ জীবনের দুর্দান্ত বোলিং এবং আহরার আমিন ও দেবাশিষ সরকারের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সফরকারী মালয়েশিয়া জাতীয় দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।

আজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল ৩ উইকেটে হারিয়েছে মালয়েশিয়াকে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ ১৫৩ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। 

রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আসলাম খান মালিকের সেঞ্চুরির পরও ৩৮ ওভারে ১৭৬ রানে গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়া।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

উদ্বোধনী জুটিতে মালয়েশিয়াকে ৮৯ রান এনে দেন আসলাম ও সাইফ উল্লাহ মালিক। ব্যক্তিগত ২৫ রান করা সাইফকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন বাংলাদেশের পারভেজ। 

নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হবার আগে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ১০৭ বলে ১০০ রান করেন আসলাম। পারভেজের পঞ্চম শিকার হন তিনি। এছাড়া মালয়েশিয়ার হয়ে সাইফ ২৫ ও আজাব ১৭ রান করেন। 

বাংলাদেশের পারভেজ ৮ ওভারে ২৩ রানে ৫ উইকেট নেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন পারভেজ। 

জবাব দিতে নেমে ৫৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ে ফেরান আহরার ও দেবাশিষ। ব্যাট হাতে দুজনই হাফ-সেঞ্চুরি করেন। 

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

৪১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় দেবাশিষ ৫৮ রানে আউট হলেও, দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন আহরার। ৩১ দশমিক ৫ ওভারে জয়ের বন্দরে পা রাখে বাংলাদেশ। ৭৬ বলে অপরাজিত ৫৭ রান করেন আহরার। 

প্রথম ওয়ানডের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন পারভেজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


যান্ত্রিক ত্রুটিতে ফের বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ইউনিটটিতে হঠাৎ ত্রুটি দেখা দিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ার পর দ্রুত তা মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। মেরামত শেষ করে ইউনিটটি পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র জানায়, বন্ধ হওয়ার আগে এই ১ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছিল। এর আগে গত ৩১ জুলাইও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে আগস্টের ২ তারিখে এটি আবারও চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিটটি সচল রয়েছে এবং সেখান থেকে ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রটির ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকেই পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারে হাসপাতালে অভিনেত্রী শাকিলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারে হাসপাতালে অভিনেত্রী শাকিলা

অতিরিক্ত মুঠোফোন ব্যবহারের কারণে গুরুতর ঘাড়ের সমস্যা দেখা দিয়েছে, এতে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী শাকিলাকে।

দীর্ঘ সময় ধরে ভুল ভঙ্গিতে ফোন ব্যবহারের অভ্যাসের ফলে তার এই শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। অস্ত্রোপচারের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ রুপি।

সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত একটি ভ্লগে শাকিলা তার অসুস্থতা, হাসপাতালে চিকিৎসা এবং অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। ভ্লগে দেখা যায়, চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। অস্ত্রোপচারের পর যখন তিনি বাড়ি ফিরে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন, তখন সেই বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিছানায় এক পাশে কাত হয়ে শুয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুঠোফোনে গেম খেলার অভ্যাস ছিল শাকিলার। কখনো কখনো একটানা চার ঘণ্টা একই অবস্থানে কাটাতেন। শুধু চা বা কফি খাওয়ার জন্য বিছানা থেকে উঠতেন। এর পর আবার ফোন হাতে নিয়ে গেম খেলায় ফিরে যেতেন।

নিজের অভ্যাস সম্পর্কে শাকিলা জানান, আমি বিছানায় এক পাশ ফিরে শুয়ে মুঠোফোনে প্রায় চার ঘণ্টা টানা গেম খেলতাম। চা খাওয়ার পর আবার একই গেম খেলতে বসতাম।

গেম খেলার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ভিডিও ও রিলসও দেখতেন তিনি। এভাবে ভুল ভঙ্গিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোন ব্যবহারের ফলে ধীরে ধীরে ঘাড়ে গুরুতর সমস্যা তৈরি হয়। একপর্যায়ে ব্যথা এতটাই বেড়ে যায় যে, অস্ত্রোপচার ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না বলে জানান অভিনেত্রী।

অস্ত্রোপচারের পরেও শাকিলার জন্য সুস্থ হয়ে ওঠার পথ সহজ ছিল না। বিছানা থেকে ওঠা কিংবা খাবার খাওয়ার মতো সাধারণ কাজেও তাকে অন্যের সাহায্য নিতে হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সুস্থ হওয়ার সময় ঘাড়ে কলার পরতে হয়েছে।

শাকিলা জানিয়েছেন, ঘাড়ের একটি অংশ থেকে তরল বেরিয়ে যাওয়ার কারণে তীব্র ব্যথা হচ্ছিল। অস্ত্রোপচারের সময় সেখানে টাইটানিয়াম স্ক্রু ব্যবহার করতে হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নিজের এই অভিজ্ঞতা থেকে ভক্তদের সতর্ক করে শাকিলা বলেন, মুঠোফোন প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্র হলেও এর অতিরিক্ত ব্যবহার করা উচিত নয়। অপ্রয়োজনীয় ভিডিও না দেখে শুধু প্রয়োজনীয় ও উপকারী কনটেন্ট দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

রসিকতার সুরে শাকিলা আরও বলেন, তা না হলে একদিকে ৩ লাখ রুপি খরচ হবে, অন্যদিকে অসহনীয় ব্যথাও সহ্য করতে হবে।

চেন্নাইয়ে জন্ম নেওয়া শাকিলা নব্বইয়ের দশকে বিনোদনজগতে প্রবেশ করেন। ১৯৯৫ সালের তামিল সিনেমা ‘প্লে গার্লস’-এর মাধ্যমে তার অভিনয়ে অভিষেক হয়। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন সিল্ক স্মিতা। তবে ২০০০ সালের মালয়ালম সিনেমা ‘কিন্নারা থুম্বিকাল’ তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

একসময় শাকিলার সিনেমা দক্ষিণ ভারতের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন ভাষায় ডাব করে মুক্তি পেত। তার অভিনীত সিনেমা নেপালি, চীনা ও সিংহলি ভাষাতেও মুক্তি পেয়েছে। ২০০২ সালে এ ধরনের সিনেমায় অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে পরে মূলধারার সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন তিনি। মোহনলাল, বিজয় ও মহেশ বাবুর মতো তারকার সঙ্গেও পর্দায় দেখা গেছে তাকে।

আরো পড়ুন

পপতারকা সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

পরবর্তীতে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক কাজেও যুক্ত হন শাকিলা। ২০২৩ সালে নেটফ্লিক্সের ‘সেক্স এডুকেশন’ সিরিজের প্রচারণার অংশ হিসেবে তাকে নিয়ে তৈরি করা হয় ‘শাকিলাস ড্রাইভিং স্কুল’ নামে একটি প্রচারমূলক ভিডিও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০০ মিলিয়ন ভিউ ছাড়াল ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ গান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


১০০ মিলিয়ন ভিউ ছাড়াল ইমরান-পড়শীর ‘জনম জনম’ গান

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল এবং সাবরিনা পড়শী প্রায় এক দশক আগে প্রকাশিত গান ‘জনম জনম’ দিয়ে নতুন একটি মাইলফলক ছুঁলেন। তাদের এই দ্বৈত কণ্ঠের গানটি এখন ইউটিউবে ১০ কোটি ভিউয়ের বা ১০০ মিলিয়ন ভিউয়ের ঘর পেরিয়েছে।

২০১৭ সালে প্রকাশিত গানটি ছিল ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম দ্বৈত গান। সময়ের সঙ্গে তারা একাধিক গানে জুটি বেঁধেছেন। তবে এই পুরোনো গানটির প্রতি শ্রোতাদের আগ্রহ এখনো কমেনি। বরং গানটির প্রকাশের প্রায় নয় বছর পর ইউটিউবে এমন বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘জনম জনম’।

শুক্রবার দুপুরে এই অর্জনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইমরান মাহমুদুল। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটি ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।’

গানটির দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তার জন্য নিজের আনন্দ প্রকাশ করে ইমরান আরো যোগ করেন, ‘যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তবে সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে, এটা সত্যিই আনন্দের বিষয়।’

‘জনম জনম’ গানটির কথা লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। ইমরানের সুর এবং সংগীতে গানটি প্রকাশিত হয়েছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামে। এই অ্যালবামের অন্যতম জনপ্রিয় গান হিসেবেও গানটি স্থান পেয়েছিল।

গানটির সঙ্গে সম্পর্কিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ইমরান বলেন, ‘রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে ‘জনম জনম’ গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম জনপ্রিয় গান।

গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন এবং ভালোবাসা। ‘জনম জনম’ এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।’

২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও হিসাবে প্রকাশিত হয় ‘জনম জনম’। ভিডিওটি নির্মাণ করেছিলেন রম্য খান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে রুপালি ইলিশের দাম চড়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৪ পি.এম


চট্টগ্রামে রুপালি ইলিশের দাম চড়া

চট্টগ্রামে উপকূলে যথেষ্ট ইলিশ ধরা পড়ার পরও দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে। এর ফলে ক্রেতাদের বাধ্য হয়ে ইলিশ না কিনেই বাজার থেকে ফিরতে হচ্ছে। মৎস্য কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, জেলেদের জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এর প্রভাব বাজারে পড়ছে।

নগরীর বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ছোট সাইজের জাটকা ইলিশ মাছের দাম প্রতিকেজি ৯০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। একই সময়ে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা এবং দেড় কেজির বেশি ওজনের প্রতিকেজি ইলিশ মাছের দাম ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।

অথচ চট্টগ্রামের উপকূলে গত মাসে প্রায় ৩৫ লাখ ইলিশ ধরা পড়েছে, কিন্তু তাতেও বাজারে দাম কমেনি। ইলিশ ধরা পড়ার কোন প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না। বাজারে এখনও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে এই ইলিশ। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসে চট্টগ্রামের সমুদ্র উপকূল ও নদী থেকে ১ হাজার ৫৭২ টন ইলিশ ধরা পড়েছে, যা সংখ্যাতেও ৩৪ লাখ ৯৪ হাজার ৩৭৮টির মতো।

প্রধানভাবে চট্টগ্রাম নগরের উপকূলে এবং সীতাকুণ্ডের সন্দ্বীপ চ্যানেলে সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়েছে। মোট আহরণের প্রায় ৮০ শতাংশই সাগরের ইলিশ। গত মাসে সন্দ্বীপ চ্যানেল থেকে ৩ লাখ ৯ হাজার ৪০০টি ইলিশ আহরণ করা হয়েছে, যা ১০৩ মেট্রিক টনেরও বেশি। জুলাইয়ে আহরিত মোট ইলিশের দুই-তৃতীয়াংশই এসেছে সন্দ্বীপ চ্যানেল থেকে।

চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা মোড়ের ক্রেতা ইরশাদুল আলম বলেন, ক্রেতারা ইলিশের বিভিন্ন ফালি সাজিয়ে রাখছেন, কিন্তু দাম অত্যधिक। দাম দেখে না কিনেই চলে যাচ্ছি। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম জানান, 'এখন মাছ আহরণ করা হচ্ছে, তবে তা চাহিদার তুলনায় কম। সামনে আরও বেশি পরিমাণ ইলিশ মাছ ধরা পড়বে, তখন দাম কিছুটা কমবে। তবে বর্তমানে জেলেদের জ্বালানি তেলসহ আনুষঙ্গিক খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই দামও বেশি।'

নগরীর রানি রাসমণি ঘাটের খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, সেখানকার প্রতি মণ ইলিশ ২৪ থেকে ২৫ হাজার টাকা দাম রাখা হচ্ছে। ঘাটে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৬২০-৬৪০ টাকা। পরিবহন, আড়তদারি এবং অন্যান্য খরচের জন্য খুচরা বাজারে দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। জেলেদের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, এই মুহূর্তে অমাবস্যার জো চলছে। এ সময় সাগর ও নদীতে মাছের চলাচল ও আহরণের সুযোগ বাড়ছে, তাই জেলেরা সাগরে গিয়ে ইলিশ পাচ্ছেন। তবে বর্তমানে যে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, তার আকার ছোট এবং ৫০০ গ্রামও হবে না। এমন ইলিশের দামও কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা ও জেলেরা বলছেন, ইলিশ আহরণ করতে খরচ বেড়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলসহ নৌকা পরিচালনা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মাছ ধরতে বেশি ব্যয় হচ্ছে আগে থেকে। তাই আহরিত ইলিশ বাজারে বিক্রি করতে সেই বাড়তি খরচ দামেও যুক্ত হচ্ছে। চলতি মাসে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে জেলেদের কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%