বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৩ পি.এম
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের শেয়ারবাজারের প্রধান কেন্দ্র ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সূচকের পতন ঘটেছে। পাশাপাশি, লেনদেনের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। দিন শেষে, ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৬৪ কোটি ৬২ লাখ ১১ হাজার ৪৫১ টাকা।
আজ ডিএসইতে ৩৮৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ২৭ কোটি ৪৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩০৪টি ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৫ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএস-৩০ সূচক ৯ দশমিক ৪০ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৮৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ দশমিক ৮২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫০ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে রয়েছে।
লেনদেনে অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৪৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৯০টির শেয়ারদর কমেছে এবং ৫৩টির শেয়ারদর অপরিবর্তিত রয়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- প্রাইম ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, মতিন স্পিনিং, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, সায়হাম টেক্সটাইল, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, শাহজিবাজার পাওয়ার, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, পূবালী ব্যাংক ও সোনালী আঁশ।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় রয়েছে- ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড (বিজিটিবি), ফিনিক্স ফাইন্যান্স প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, ২০ বছর মেয়াদি বিজিটিবি, ১০ বছর মেয়াদি বিজিটিবি ২২ জুন ২০৩২, ২০ বছর মেয়াদি বিজিটিবি ২৫ এপ্রিল ২০৩২, ২০ বছর মেয়াদি বিজিটিবি ২৭ জুন ২০৩২, ইনফর্মেশন সার্ভিসেস, ২০ বছর মেয়াদি বিজিটিবি ২৮ মার্চ ২০৩২ এবং প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।
অন্যদিকে, দর কমার শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- ইসলামিক ফাইন্যান্স, এস্কয়ার নিট, বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, আইবিবিএল মুদারাবা পারপেচুয়াল বন্ড, হামিদ ফেব্রিক্স, ফিনিক্স ফাইন্যান্স, মুন্নু এগ্রো, মুন্নু সিরামিক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো ও বসুন্ধরা পেপার মিলস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ডায়ালাইসিস সেবা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজন হলে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে। চসিকের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন রোগীদের স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধ না হয়।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের কান্তা ছাত্রী নিবাসে আবাসিক ছাত্রীদের জন্য নবনির্মিত ‘দ্য স্টাডি লাউঞ্জ’ ও ‘দ্য প্রেয়ার হল’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, "ডায়ালাইসিস সেন্টারের সেবা যেন বন্ধ না হয়, সে জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।" তিনি উল্লেখ করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, "কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।"
তিনি জানান, "২০২৭ সালের জুন-জুলাইয়ের দিকে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।" এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডা. শাহাদাত বলেন, "একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।" তিনি বলেন, এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সকলকে নিজ-নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান, যাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজকে আরও সুন্দর ও শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন এবং কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন।
ক্রমবর্ধমান কিডনি রোগীদের কথা বিবেচনা করে ২০১৭ সালে পিপিপির আওতায় ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান স্যান্ডোর ডায়ালাইসিস সার্ভিস লিমিটেডের সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি করে সরকার। ৩১টি মেশিনের মাধ্যমে চমেক হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি সেবা প্রদান করে আসছিল। সরকার চুক্তি নবায়ন না করায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাদের কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার কথা।
এ অবস্থায় গতকাল বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চিকিৎসাধীন রোগীরা সেবাটি চালু রাখার দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ সম্পর্কিত একটি স্পষ্টীকরণ জারি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ববর্তী দুটি আদেশে যে ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা উল্লেখ করা হয়েছিল, তা ১০-৩০ সিঙ্গেল কাউন্টের কটন সুতা নির্দেশ করে।
এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস: রপ্তানি ও বন্ড) কাজী রায়হানুজ্জামান স্বাক্ষরিত আদেশে জানানো হয়েছে, স্থানীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা এবং প্রকৃত রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল প্রাপ্তি সহজতর করার উদ্দেশ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়। একইসাথে, ওয়্যারহাউজ লাইসেন্সধারী প্রকৃত রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। পরে ৮ অক্টোবর ওই আদেশ সংশোধন করা হয়।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, টেক্সটাইল শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা পর্যালোচনা ও সমাধানের জন্য গঠিত আন্তমন্ত্রণালয় কমিটির প্রথম সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ২৬৬ ধারার অধীনে জারি করা এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রমের জন্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গবেষণা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যাতে মানসিক রোগের ক্রমবর্ধমান প্রকোপ মোকাবিলা করা যায়।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতও উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাবনা মানসিক হাসপাতালকে বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, মানসিক রোগীদের চিকিৎসা, পরিচর্যা এবং পুনর্বাসনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে হাসপাতালটিকে যথাযথ চিকিৎসাসেবার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জানান, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫০০ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি দেশে উন্নত রোবোটিক সার্জারির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় গবেষণাকে ব্যয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। এ খাতে জাতীয় পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে জেলা হাসপাতালগুলোতে নিরাপদ কাউন্সেলিং সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মানুষ ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে চিকিৎসকদের পাশাপাশি অন্যান্য পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নও জরুরি। এ লক্ষ্যে তাঁদের জন্য স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলাদেশ শিশু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. একেএম আজিজুল হক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের হেলথ ইমারজেন্সি বিভাগের প্রধান অ্যান্টনি এশফেনি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য পৃথক তথ্য সংগ্রহ এবং কার্যকর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী স্বাস্থ্যঝুঁকির মোকাবিলায় একক কোনো মন্ত্রণালয় বা সরকারি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত কর্মপন্থা এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আজ রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের আয়োজনে ‘জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশে স্থিতিস্থাপকতা’ শীর্ষক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বাজেট বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কর্মপদ্ধতিতে নতুনত্ব আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে আবহাওয়া অধিদপ্তর, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম) এবং স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে তথ্য-প্রমাণভিত্তিক গবেষণা এবং নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং তা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
ড. মুহিত বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে সব জনগোষ্ঠী সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হন। তাই এসব জনগণের ঝুঁকি ও প্রয়োজন আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে পৃথকীকৃত তথ্য সংগ্রহ এবং কার্যকর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের স্বাস্থ্যগত প্রভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী প্রভাব এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা, আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও জ্বালানি যোগাযোগ সংস্থা গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনস কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড ফারাহ আনজুম এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্মসচিব ইয়াসমিন আক্তার বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ