ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাবিতে ‘রাজ্জাক-শামসুন নাহার গবেষণা পুরস্কার’ প্রদান


ঢাবিতে ‘রাজ্জাক-শামসুন নাহার গবেষণা পুরস্কার’ প্রদান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'পদার্থবিজ্ঞানে রাজ্জাক-শামসুন নাহার গবেষণা পুরস্কার' এবং ‘আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'পদার্থবিজ্ঞানে রাজ্জাক-শামসুন নাহার গবেষণা পুরস্কার' এবং 'রাজ্জাক-শামসুন নাহার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার' প্রদান করা হয়। রবিবার (২৮ জুন) উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

এছাড়াও, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনশী শামস উদ্দিন আহম্মদ এবং দাতা সদস্য মো. সরওয়ার জাহান।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

'পদার্থবিজ্ঞানে ‘রাজ্জাক-শামসুন নাহার গবেষণা পুরস্কার’ ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী লাভ করেছেন। এরপর ২০২১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদা পারভীন এবং ২০২৩ সালে চুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মুখতার হোসেন এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হন। এছাড়াও ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইদ্রিশ মিয়া এ পুরস্কার লাভ করেন।

এদিকে ‘রাজ্জাক-শামসুন নাহার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার’ ২০২৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আজহারুল ইসলাম লাভ করেন এবং ২০২৫ সালে লাভ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও জামাল নজরুল ইসলাম রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. রেজাউল.today

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ‘পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণায় অসামান্য অবদান রাখা গবেষকদের সম্মাননা দেওয়া নতুন প্রজন্মের গবেষকদের অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে মৌলিক গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বিজ্ঞান গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনে সবার প্রতি নিবেদিত হওয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

এছাড়া জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী প্রফেসর সুলতানা এন. নাহার ১৯৯৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পুরস্কার তহবিল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিবছর পদার্থবিজ্ঞানে মৌলিক গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একজন গবেষক এবং আজীবন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানীকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত নেতাদের ‘জুডিশিয়াল কিলিংয়ে’ জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক : সংসদে এটিএম আজহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


জামায়াত নেতাদের ‘জুডিশিয়াল কিলিংয়ে’ জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হোক : সংসদে এটিএম আজহার

বিগত ১৭ বছর যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পাশে বর্তমান সরকারকে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন রংপুর-২ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য এটিএম আজাহারুল ইসলাম।

রোববার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, "আমাদের দলের নেতা মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আব্দুল কাদের মোল্লা, মীর কাশেম আলীকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলা সাজিয়ে জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। যারা এই কাজের সঙ্গে যে যেভাবে জড়িত, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। তাহলে আইনের শাসন কায়েম হবে।"

তিনি বলেন, "শুধু জামায়াতের এই পাঁচজনকে নয়, আমাদের আরো ৬ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে বিনা চিকিৎসায় জেলখানায় হত্যা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাস্সিরে কোরআন মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীও ছিলেন। এভাবে একটি দলের শীর্ষ ১১ নেতাকে হত্যার ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাসে আছে কিনা জানা নেই। সবচেয়ে জুলুমের শিকার জামায়াতে ইসলামী।"

আরো কষ্ট লাগে, এই বাজেট অধিবেশনেই আমাদেরকে এমনভাবে আক্রমণ করা হয়, মনে হয় আমরা এখনো আওয়ামী শাসনের মধ্যেই আছি। আমাদের এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, "এদেশে সবার। সবাই এদেশকে ভালবাসি। আমার বিশ্বাস, কোন দলই দেশের অকল্যাণ চায় না। জনগণের কল্যাণের জন্যই বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু সেই বাজেট জনগণের কল্যাণ করবে কি করবে না, তা এখনই বলা যাবে না। আমরা যতই সুন্দর কথা বলি না কেন, এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি উপকার পেলেই সুন্দর হবে।"

এটিএম আজহার বলেন, "বিশাল আকারের বাজেট বাস্তবায়নই হবে government's জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাজস্ব আহরণে অনিশ্চয়তা, ঋণের অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং উন্নয়ন ব্যয় সংকোচনের বাজেট বাস্তবায়নকে কঠিন করে তুলতে পারে।"

তিনি বলেন, "আমাদের কথায় সরকারি দল আপত্তি করলেও সরকার যদি এক বছর বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রমাণ করতে পারে যে, এই বাজেট উচ্চাভিলাষী, ঋণ নির্ভর না এবং বাস্তবায়নযোগ্য তাহলে আমরা আপনাদের স্বাগত জানাবো।"

তিনি বলেন, "দেশে সুদ চলতে পারে না। এর বিকল্প হিসেবে সরকার ইসলামী বন্ডের মাধ্যমে জনগণের কাজ থেকে টাকা সংগ্রহ করতে পারে। এটা ইতোমধ্যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইসলামী বন্ড (সুকুক) চালু করা হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ড বিতরণ করা হয়েছে। দেশকে সুদমুক্ত করতে চাইলে এক-দুই বছরে পারবো না, তাহলে সুকুক চালু করতে পারলে ধীরে ধীরে সুদমুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।"

এটিএম আজহার বলেন, "জামায়াতে ইসলামী শুধু আওয়ামীলীগের দ্বারাই নির্যাতিত হয়নি। আমরা সংসদে বিরোধীদল হিসেবে শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করেছে, আমাদের সদস্যরা এমন কোন কথা বলেননি। বাজেটের দুর্বলতাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।"

তিনি বলেন, "যত বড় বাজেটই হোক না কেন, তা বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতি। গত অন্তর্বর্তী সরকার প্রকাশিত ১৭ বছরে শ্বেতপত্রে দেখা গেছে-২৭ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। তাহলে বাংলাদেশ গরিব-এটা কীভাবে বলবো? নিশ্চয় বাংলাদেশ গরিব নয়। সমস্যা হলো-৫৪ বছরে সৎ নেতৃত্ব ও সততার সঙ্গে দেশ পরিচালিত না হওয়ায় সম্পদ লুটপাট হয়েছে, জনগণের কোন ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। দলের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে।"

তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "আমরা কিভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনারা সেই পথে পা বাড়াবেন না? অতীতের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়, পাঁচবার আমরা দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, সামনে যে চ্যাম্পিয়ন হবো না, সেই নিশ্চয়তা কে দেবে? তাই কথা নয়, কাজের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত হয়ে বাজেটকে অক্ষরে অক্ষরে পালনের চেষ্টা করুন। ৩৪৮ জন এমপি যদি আমরা একযোগে দুর্নীতি না করার শপথ করলে দুর্নীতি বাংলাদেশ থেকে উৎখাত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।"

এটিএম আজহার বলেন, "দুর্নীতি করে শিক্ষিত লোকেরাই। আমরা অনেক উন্নয়ন করেছি, কিন্তু চারিত্রিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় কোন আমুল পরিবর্তন করিনাই। শিক্ষামন্ত্রী অনেক ভালভাল কথা বলেছেন, কিন্তু ধর্মীয় ও দ্বীনি শিক্ষা ছাড়া কোন সৎ লোক তৈরি হয় না। আইন দিয়ে লোক সৎ করা যায় না।"

তাই তিনি আগামী তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদেরকে অন্যান্য শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় জোর দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান। তাহলে আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে সম্ভাবনাময় দেশকে দুনিয়ার মাঝে সুন্দর করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

তিনি দু:খ প্রকাশ করে বলেন, "জুলাই যুদ্ধের মাধ্যমে নতুন করে দেশকে সাজানোর জন্য আমরা এই পর্যায়ে এসেছি। কিন্তু গত চারমাসের কর্মকাণ্ডে দেখলাম, আমরা বিরোধীদলীয় এমপিরা সবচেয়ে বৈষম্যের শিকার। ১:১০, ১:১৫ পর্যন্ত আমাদের বরাদ্দের মাঝে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। সবার আগে বাংলাদেশ শ্লোগান দেয়া হলেও বাস্তবে সবার আগে বিএনপি, তার আগে বিএনপির এমপিরা।"

যেকোনো বাজেট বাস্তবায়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। কিন্তু বাস্তবে তা দেখা যাচ্ছে না। ১৭ ফেব্রুয়ারি এ সরকারের শপথের সময় তারা সংস্কার পরিষদের শপথ নিলেন না। এতে ৭০ ভাগ জনগণের যে আকাঙ্ক্ষা ও দাবি যদি পূরণ করতে না পারেন, তাহলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকবে না। আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই।

তিনি বলেন, "যে বিষয় সংসদে ফয়সালা হওয়া উচিত, তা বাইরে নিয়ে যাবেন না। এটা কারো জন্য ভাল হবে না। বিপ্লবের ডাক দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৬ চেতনা বাস্তবায়ন ও ধারণ করলে জনগণই বিপ্লবের ডাক দেবে। যতই চেষ্টা করেন, জোর করে ক্ষমতায় থাকা যায় না। জনগণের পালস বুঝে, অবিলম্বে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন।"

জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "জামায়াত নিষিদ্ধ হলে এই শূন্যস্থান পূরণ করবে কে? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন নাকি আওয়ামীমীলীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন? আমরা মনে করছি চাচ্ছেন। কারণ চারমাসেও প্রেসিডেন্ট খুঁজে পেলেন না, ফ্যাসিস্ট প্রেসিডেন্টকে রাখার চেষ্টা করছেন। নিজেরা প্রেসিডেন্ট ঠিক করুন।"

আমরা নাকি জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি। "আমার একটা লাগবে। কি রকম? কেন এ কথা বলেন? হ্যাঁ আমাদের টিকিট বিক্রি করি। সেটা হলো নামাজ পড়লে, রোজা রাখলে জান্নাতে যাবে। এটেই টিকিট, এটা আল্লাহই দিয়েছেন।"

এ ধরণের অবান্তর কথা বলে বিভ্রান্ত করবেন না। ১৭ বছর অপপ্রচার করে ১৭ সিট থেকে ৬৮ সিট এসেছে।

তিনি এলাকার জন্য দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে তিস্তা ব্যারাজ করা হোক। কাস্তা রাস্তা পাকা করা হোক। মাদ্রাসা শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়ন করা হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ গাঁজা সেবনে যুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


বিশ্বজুড়ে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ গাঁজা সেবনে যুক্ত

বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ একটি সমস্যা হচ্ছে মাদকাসক্তি। পৃথিবীজুড়ে মাদকের কড়াল গ্রাসে সম্ভাবনাময় তরুণ সম্প্রদায়ের একটি বৃহৎ অংশের কর্মদক্ষতা হতে বঞ্চিত হচ্ছে। এবং এই মাদকের বাজারে সবচেয়ে বড় অংশ দখল করে আছে গাঁজা। সারা বিশ্বে সাড়ে ২৫ কোটি মানুষেরও বেশি মানুষ নিয়মিতভাবে গাঁজা সেবন করে। আফিম, অ্যামফিটামিন, কোকেন ও এক্সট্যাসির মতো মারাত্মক মাদকগুলোর সম্মিলিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা থেকেও এই পরিসংখ্যান অনেক বেশি।

সম্প্রতি জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয়ের (ইউএনওডিসি) এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ড্রাগ রিপোর্ট ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এক দশকের মধ্যে বিশ্বব্যাপী গাঁজা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪ সালে এই মাদক ব্যবহারকারী জনসংখ্যার হার ছিল ৩.৮ শতাংশ, যা বর্তমানে ২০২৪ সাল নাগাদ ৪.৮ শতাংশের উপরে উঠতে পারে।

প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১০ থেকে ১২ বছরে গাঁজা সম্পর্কে মানুষের ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে এবং পাচারের নতুন পদ্ধতির কারণে এর সেবনকারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।

ইউএনওডিসির মতে, গাঁজার উৎপাদন, পাচার এবং ব্যবহার – সবই পরিবর্তনশীল। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হলো, মানুষ গাঁজা সম্পর্কে তাদের ধারণার পরিবর্তন ঘটেছে। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার মতো দেশে গাঁজাকে বৈধকরণ এবং অপরাধমুক্ত করার নীতি গ্রহণ করায় এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঐতিহাসিকভাবে গাঁজার বেশিরভাগ পাচার প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু, উত্তর আমেরিকা থেকে অবাধ সরবরাহ আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা পালন করছে। ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাইরের ৫৭টি দেশ বা অঞ্চল গাঁজা জব্দের উৎস অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা পূর্ববর্তী দশকে ছিল মাত্র ১১টি।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদিও বিশ্বব্যাপী গাঁজার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে গত এক বছরে গাঁজা ব্যবহারের হার উত্তর আমেরিকায় সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে কানাডার ৩২.৪ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২৬.৪ শতাংশ মানুষ গাঁজা ব্যবহার করে। মোট হিসাবে মহাদেশটিতে গাঁজার সেবনকারীর সংখ্যা ৭ কোটির কাছাকাছি (৬ কোটি ৯৩ লাখ) হয়ে উঠেছে।

মহাদেশের পরিসংখ্যানে উত্তর আমেরিকার পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গাঁজা সেবনকারী দেশের তালিকায় রয়েছে এশিয়া। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে, এই মহাদেশে নিয়মিত গাঁজা সেবন করেন ৬ কোটি ৮৫ লাখেরও বেশি মানুষ। গাঁজা সেবনের দিক থেকে পরে রয়েছে আফ্রিকা, যেখানে গাঁজার আসক্ত ৬ কোটি ৫১ লাখেরও বেশি মানুষ।

অন্যদিকে ইউরোপে গাঁজা সেবনকারী ৩ কোটি ১৩ লাখ, দক্ষিণ আমেরিকায় ১ কোটি ৫৭ লাখ এবং ওশেনিয়ায় সাড়ে তিন কোটিরও বেশি দেশ নিয়মিত এই মাদক সেবন করে।

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ড (১৪.১ শতাংশ), স্পেন (১২.৬ শতাংশ), উরুগুয়ে (১২.৩ শতাংশ) এবং অস্ট্রেলিয়া (১১.৫ শতাংশ) থেকেও গাঁজার ব্যাপক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক এক গবেষণায় মাদক বিস্তারসহ মাদকের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। এর মধ্যে গাঁজা সেবনকারীর সংখ্যা প্রায় ৬১ লাখ। তাছাড়া, ইয়াবা, অ্যালকোহল, কফ সিরাপ, হেরোইনসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবনের খবরও রয়েছে।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছে। এতে বাংলাদেশে ৮ বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

গবেষণায় পরিস্কার হয়েছে, ময়মনসিংহ (৬.০২ শতাংশ), রংপুর (৬.০০ শতাংশ) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০ শতাংশ) বিভাগের মধ্যে মাদক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি। তবে, সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বেশি মাদক ব্যবহারকারী ঢাকার বিভাগে, প্রায় ২২.৯ লাখ।

উদ্বেগজনক তথ্য হলো, মাদক সেবকের প্রসঙ্গে বেশিরভাগই তরুণ। গবেষণা অনুসারে, ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮-১৭ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেন এবং ৫৯ শতাংশ ১৮-২৫ বছর বয়সের মধ্যে। বেকারত্ব, পারিবারিক অস্থিরতা ও মানসিক চাপের মতো বিভিন্ন সামাজিক কারণে মাদক সেবন বাড়ছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছেন যে মাদক সহজলভ্য।

গবেষণায় উঠে এসেছে, মাত্র ১৩ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছেন। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অনেকেই মাদক ছাড়তে অক্ষম হচ্ছেন। ৬৯ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ এবং ৬২ শতাংশ কাউন্সেলিং সেবা চেয়েছেন।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেছেন, "মাদক সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা। তাই রাজনৈতিক সংকল্প এবং গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।"

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে মাদকাসক্তির ঝুঁকি বেড়েছে। সরকার ইতোমধ্যে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে। পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল নিশ্চিত করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিগঞ্জে জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন'অলিউল সভাপতি, নুরুজ্জামান সম্পাদক,শিমুল সাংগঠনিক ও মীর জাহাঙ্গীর সমাজ কল্যাণ সম্পাদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরা

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


কালিগঞ্জে জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় "জিয়া পরিষদ" এর কমিটি গঠন সম্পন্ন হয়েছে। অধ্যক্ষ মোঃ অলিউল ইসলামকে সভাপতি, মোঃ নুরুজ্জামান পাড়কে সাধারণ সম্পাদক, হাফিজুর রহমান শিমুল সাংগঠনিক সম্পাদক ও মীর জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক করে মোট ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন-২৬) সকালে সাতক্ষীরা জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড় ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুজ্জামান মনি স্বাক্ষরিত কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন সহ সভাপতি মোঃ গোলাম ফারুক, সহ সভাপতি মোঃ জেহের আলী, সহ সভাপতি প্রভাষক আওছাফুর রহমান, সহ সভাপতি মোঃ খালিদ বিন আজিজ হিটলার, সহ সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান হবি, সহ সভাপতি মারুফ মুন্নুন দোলন, সহ সভাপতি মহিউদ্দীন গাজী। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম পলাশ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ হাবিবুল্লাহ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টোকন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক আমিনুর রহমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম জাহিদুর রহমান জাহিদ, দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সহ দপ্তর সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আলমগীর হোসেন মোড়ল, সহ প্রচার সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক এনাম, সহ অর্থ বিষয়ক গাজী জাহাঙ্গীর কবীর, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, সহ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক এস এম আহম্মদ উল্যাহ বাচ্ছু, সমাজ কল্যান সম্পাদক মীর জাহাঙ্গীর হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ শাহিন কবীর, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ শেখ গোলাম মোস্তফা, ক্রীড়া সম্পাদক মাষ্টার রফিকুল ইসলাম, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ঢালী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক রীনা পারভীন, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মিসেস সুফিয়া ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে শহিদুল ইসলাম সরদার, আবুল কালাম আজাদ, সাইফুল্যাহ, হাফিজুর রহমান, সাইফুল ইসলাম, মাহবুবর রহমান কুদ্দুস, মাষ্টার মিজানুর রহমান, হোসেন আলী সরদার, মাষ্টার সাইদুর রহমান, আব্দুস সাত্তার, আনছার আলী গাজী, ইয়াছিন আরাফাত, মাহবুব রহমান, আব্দুস সাত্তার, আব্দুল মান্নান, কাজী খবির উদ্দীন ও আবুল হোসেন। উল্লেখিত কমিটি আগামী দুই বছর মেয়াদে দলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচি পালন, উপজেলা ১২টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে উপজেলা এলাকার জনগনের কল্যাণে পাশে থাকতে হবে। বিশেষ দ্রষ্টব্য এই যে, অদ্য হতে জিয়া পরিষদের বিগত কালিগঞ্জ উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিনা মূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিনা মূল্যে বীজ ও সার বিতরণ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ২ হাজার ৭০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) দুপুরের সময় সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতেই সরকারের এ প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সালমা সুলতানা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল মাহমুদ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক নুরুল হুদা, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন এবং সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ অন্যরা।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২ হাজার ৭০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এর মধ্যে ১ হাজার ৬০০ জন কৃষককে উফশী রোপা আমন ধানের বীজ, ৭০০ জনকে গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ, ২৯০ জনকে বৃক্ষের চারা, ৭০ জনকে গ্রীষ্মকালীন হাইব্রিড মরিচের বীজ এবং ৩৫ জনকে হাইব্রিড লেবুর চারা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%